টাঙ্গাইলে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ যমুনায় ফেলার সময় চালক ও পিকআপ আটক।
টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ যমুনা নদীতে ফেলার সময় একটি পিকআপ ভ্যানসহ চালককে আটক করেছে পুলিশ ও স্থানীয় জনতা। সরকারি ওষুধ নদীতে ফেলে বিনষ্ট করার এ ঘটনায় এলাকা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, একটি চক্র বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ যমুনা নদীতে ফেলে প্রমাণের আলামত নষ্ট করার চেষ্টা করছিল। স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওষুধবাহী পিকআপ ভ্যানটি জব্দ করে এবং এর চালককে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করে।
উদ্ধারকৃত ওষুধ: উদ্ধার হওয়া ওষুধের প্যাকেটে স্পষ্টাক্ষরে "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সম্পত্তি - ক্রয় বা বিক্রয় দণ্ডনীয় অপরাধ" লেখা রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক, সিরাপ ও অন্যান্য জরুরি ওষুধ রয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য লাখ টাকার ওপরে।
পরিবেশ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি: স্থানীয় পরিবেশবিদরা জানান, সরকারি ওষুধ নিয়মমাফিক ইনসিনারেশন (পোড়ানো) বা বৈজ্ঞানিক উপায়ে ধ্বংস না করে উন্মুক্ত নদী বা জলাশয়ে ফেলা মারাত্মক অপরাধ। এতে যমুনার পানি দূষিত হওয়ার পাশাপাশি জলজ প্রাণী ও সুপেয় পানির বিশাল স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
আইনি পদক্ষেপ: আটককৃত চালককে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। এই চক্রের পেছনে কারা জড়িত, সরকারি হাসপাতাল বা গুদাম থেকে এই ওষুধগুলো কীভাবে নদীতে ফেলার উদ্দেশ্যে বের করা হলো—তা জানতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।
জনগণের মন্তব্য:
সরকারি বিপুল অর্থ ব্যয় করে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবার জন্য বরাদ্দকৃত ওষুধ যথাযথ বিতরণ না করে মেয়াদ শেষ করা এবং পরবর্তীতে নদীতে ফেলে পরিবেশ বিনষ্ট করা একটি চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ড। দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এই সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা অত্যন্ত জরুরি।
প্রান্তিক নারীদের প্রতিদিনের হাড়ভাঙা পরিশ্রম ও উৎপাদনমূলক কাজ সমাজের চোখে অনেকটাই অদৃশ্য থেকে যায়। সংসারের চাকা সচল রাখা থেকে শুরু করে কৃষ...
‘‘মোরা একই বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু মুসলমান’’ এই প্রতিপাদ্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম প্রয়াণ দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগষ্...

