ধর্ম ও ইসলাম

বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক পরিদর্শক তৌহিদুল মোর্শেদ ভূঁইয়া তুহিনের ইন্তেকাল

reporter-icon
রফিকুল ইসলাম: বিশেষ প্রতিনিধি
আগস্ট ১২, ২০২৬ | 0
বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক পরিদর্শক তৌহিদুল মোর্শেদ ভূঁইয়া তুহিনের ইন্তেকাল
বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক পরিদর্শক তৌহিদুল মোর্শেদ ভূঁইয়া তুহিনের ইন্তেকাল

শোক সংবাদ

বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক পরিদর্শক তৌহিদুল মোর্শেদ ভূঁইয়া তুহিনের ইন্তেকাল

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের ধোপাদহ গ্রামের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, মরহুম মজিবর রহমান মাস্টারের জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক পরিদর্শক (টিআই) তৌহিদুল মোর্শেদ ভূঁইয়া তুহিন আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

আজ বুধবার তিনি আকস্মিকভাবে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব ও এলাকাবাসীর মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তৌহিদুল মোর্শেদ ভূঁইয়া তুহিন ছিলেন একজন সৎ, দায়িত্বশীল ও মানবিক মানুষ। তাঁর আকস্মিক ও অকাল মৃত্যুতে স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা গভীরভাবে শোকাহত। একজন প্রিয় মানুষ ও দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তাকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছেন তাঁর সহকর্মী ও পরিচিতজনেরা।

মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহানুভূতি জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ।

মহান আল্লাহ তাআলা মরহুম তৌহিদুল মোর্শেদ ভূঁইয়া তুহিনকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনকে এই অপূরণীয় ক্ষতি ধৈর্য ও সাহসের সঙ্গে সহ্য করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

দোয়ার আরজগুজার :

রফিকুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
দৈনিক মুক্তধ্বনি

Tags

পুলিশের ট্রাফিক পরিদর্শক তৌহিদুল মোর্শেদ ভূঁইয়া তুহিন ইন্তেকাল শোক সংবাদ সরিষাবাড়ী ভাটারা ইউনিয়ন ধোপাদহ গ্রাম জামালপুর
সর্বাধিক পঠিত
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের নিকলা দড়িপাড়া গ্রামে ঘটেছে নিশ্বংস ধর্ষনের ঘটনা

স্কুলছাত্রী সামিয়া হত্যা টাঙ্গাইলে এক নৃশংসতার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক রায় ভূঞাপুরে সপ্তম শ্রেণীর স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার মামলায় আসামি সাব্বির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লক্ষ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া এবং ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। এই দৃষ্টান্তমূলক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে নিহত সামিয়ার পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ।যেভাবে ঘটেছিল সেই নৃশংসতামামলার বিবরণী থেকে জানা যায়ঘটনার দিন বিকেলে ভূঞাপুর উপজেলার নিকলা দড়িপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হয় স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তার। দীর্ঘ সময় বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরবর্তীতে গভীর রাতে নিকলা নয়াপাড়া এলাকার একটি ফসলি জমি থেকে সামিয়ার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।তদন্তে উঠে আসে সামিয়াকে একা পেয়ে একই গ্রামের ওলান মিয়ার ছেলে সাব্বির হোসেন প্রথমে তাকে পাশবিক নির্যাতন বা ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে নিজের পরিচয় ও অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সে সামিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ জমিতে ফেলে পালিয়ে যায়।আইনি তৎপরতা ও আসামির স্বীকারোক্তিহত্যাকাণ্ডের পর নিহত সামিয়ার বাবা বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত সাব্বির হোসেনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এবং পরবর্তীতে আদালতে হাজির করা হলে সাব্বির বিচারকের সামনে নিজের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়।দ্রুত বিচার ও আদালতের রায়মামলার সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ে তদন্ত শেষ করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ। আদালত ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা এবং আইনি তথ্যপ্রমাণ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করেন। অপরাধের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক আসামি সাব্বির হোসেনকে ধর্ষণের পর হত্যার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড এবং একই সাথে এক লক্ষ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।আইনজীবীদের প্রতিক্রিয়া ও জনআকাঙ্ক্ষারায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান এই রায় সমাজে অপরাধীদের জন্য একটি কঠোর বার্তা। ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের বিচার এভাবেই দ্রুততার সাথে হওয়া উচিত।অন্যদিকে নিহত সামিয়ার পরিবার আদালতের এই রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করে দ্রুত শাস্তি কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও এই দৃষ্টান্তমূলক রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন প্রতিটি ধর্ষণের ঘটনার বিচার যদি এমন স্বচ্ছ ও দ্রুত প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হতো তবে সমাজে নারীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার হতো।

বিশ্বনাথে শাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ।

সিলেটের বিশ্বনাথে ‘শাহ ফাউন্ডেশন’র উদ্যোগে উপজেলা ও পৌর এলাকার ১৫টি অসহায়-গরীব ও দুস্থ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকাস্থ ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে ওই চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ করা হয়। সংগঠক ওয়াসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘শাহ ফাউন্ডেশন’র চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠক আব্দুল মুতাকিন, শাহ লায়েক, জামিল আহমদ, শিবলু মিয়া, দুলাল মিয়া প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। মানবতার কল্যাণে কাজ করার লক্ষ্যেই ‘শাহ ফাউন্ডেশন’ গঠন করা হয়েছে দাবী করে যুক্তরাজ্য থেকে মুঠোফোনে ‘শাহ ফাউন্ডেশন’র চেয়ারম্যান ও আসন্ন বিশ্বনাথ পৌরসভা নির্বাচনের সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী শাহ আবুল কালাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা অনেকটাই নিরবে এলাকার অসহায়-গরীব ও দুস্থ পরিবারের সদস্যদের কল্যাণে কাজ করছি। সর্বস্তরের মানুষের সার্বিক সহযোগীতা পেলে আমরা আমাদের কর্মপরিধি আরোও বৃদ্ধি করব।

কুমার দ্বীজেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরির মালিকানাধীন জমিতে অবৈধ স্থাপনা দখলমুক্তে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান

অবশেষে নির্বাহী আদেশে, বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে স্থাপিত ঐতিহ্যবাহী ‘‘কুমার দ্বীজেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরীদর মালিকানাধীন জায়গায় ব্যাক্তিমালিকানাধীন সীমানা প্রাচীর সহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দুর্গাপুর উপজেলা শাখার কার্যালয়, উৎরাইল বাজারের পরবর্তিঅংশ এবং পৌরশহরের অন্যান্য জায়গাতে চালানো হচ্ছে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান। এ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। ১৮৬ বছর পুর্বে ময়মনসিংহ পরগনার শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে ১৮৪০খ্রিষ্টাব্দে সুসঙ্গ পরগনার মহারাজা ভূপেন্দ্র চন্দ্র সিংহ শর্ম্মা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কুমার দ্বীজেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরী। কালের বিবর্তনে একশ্রেণির লোক পাঠাগারের বেশকিছু জায়গা দখল করে নেয়। পরবর্তিতে সাবেক সংসদ সদস্য জালাল উদ্দীন তালুকদারের উদ্দ্যেগে ১৯৯৭ সনে ওই পাঠাগারের জায়গাতে নির্মান করা হয় উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়। পরবর্তিতে অন্যান্য আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্যগণ দলীয় কার্যালয়ের নান্দনিক রুপ দিতে না পারলেও ২০১৯ সালে আ‘লীগের এমপি মানু মজুমদার পুরনো অফিসের পিছনে থাকা দুটি অসহায় পরিবারের ঘর জোরপুর্বক ভেঙ্গে ওখান থেকে তাদের উচ্ছেদ করেন। পরে পাঠাগারের আরো জায়গা দখলে নিয়ে নির্মান করেন বিশাল দলীয় কার্যালয়। পরবর্তিতে অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে ওইসময় স্থানীয় আদালত সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ গণস্বাক্ষরের মাধ্যমে আবেদন করেন। পরবর্তিতে স্থানীয় সুশিলসমাজের প্রতিনিধি, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), আদিবাসী ফোরাম, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ করেন মানববন্ধন। দলীয় প্রভাব থাকায় সকল আবেদনের ফাইল পরে ছিলো টেবিলে থাকা অন্য ফাইলের নীচে। ইতোমধ্যে পাঠাগারের জায়গা উদ্ধারের জন্য স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষের অংশগ্রহনে গত ০৮ জুন উপজেলা চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনের মাধ্যমে আবেদন জানানো হয় উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের কাছে। পরবর্তিতে এই কাজে সহায়তা করতে এলাকাবাসী পরবর্তিতে আবেদন করেন স্থানীয় এমপি ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার মহোদয়ের কাছে। নিমজ্জিত হতে যাওয়া পাঠাগারটিকে বাঁচিয়ে রাখতে পাঠাগার পরিদর্শনে আসেন তিনি। পাঠাগারকে নতুনরুপে সাজিয়ে তুলতে উদ্দ্যোগ নেন, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ও নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এর পরেই নরে চড়ে বসেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। পাঠাগারের জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে শুরু করেন দাপ্তরিক কাজ। পরবর্তিতে আদালতের নোটিশ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কার্যক্রম শুরু করেন উপজেলা প্রশাসন। এরই প্রেক্ষিতে শুরু হয় অবৈধ সীমানা প্রাচীর ও উপজেলা আ‘লীগ কার্যালয়ের স্থাপনা সহ অন্যান্য এলাকা থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারনের কাজ। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, আদিবাসী প্রতিনিধি, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, পাঠাগারকে বলা হয় শিক্ষার বাতিঘর। এই পাঠাগারটি আবার সচল করতে, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করণসহ ডেপুটি স্পীকার মহোদয় যে উদ্দ্যেগ গ্রহণ করেছেন, আমরা ওনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। পাঠাগারের নিজস্ব জায়গায় কোনরকম অবৈধ স্থাপনা থাকুক এটা আমরা চাইনা। ঐতিহ্যবাহী এই পাঠাগারটি চালু হলে, স্থানীয় যুবসমাজ মাদক ছেড়ে বই হাতে নিবে, স্থানীয়ভাবে বাড়বে সাংস্কৃতিক চর্চা। দুর্গাপুর উপজেলা তথা আশা-পাশের আদিবাসী সম্প্রদায় সহ সকল শ্রেনীপেশার হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হবে। লাইব্রেরীর কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে দেখেছি, লাইব্রেরীর নামে ২৪শতক জায়গা রয়েছে। কাজেই এই জায়গায় কুমার দ্বীজেন্দ্র লাইব্রেরীর স্থাপনা ছাড়া অন্য কোন স্থাপনা থাকা সম্পুর্ন বে-আইনী বলে জানিয়েছেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও লাইব্রেরীর সভাপতি আহমেদ সাদাত। লাইব্রেরী পরিদর্শনে এসে ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই পাঠাগারের ইতিহাস ঐতিহ্যকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে এবং পাঠাগারের বিকাশ ঘটাতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। সকলের সহযোগিতা পেলে, সরকারের পক্ষ থেকে কুমার দ্বীজেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরীকে দেশের প্রথম সারির পাঠাগারে পরিনত করতে সরকারের পক্ষ থেকে সকল প্রকার উদ্দ্যেগ নেয়া হবে।

গোপালপুরে সড়কের বেহাল দশা, রাস্তায় ধান রোপণ করে প্রতিবাদ

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িপটল গ্রামের প্রধান সড়কের বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে সড়কটি কাদায় পরিণত হয়ে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাতে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধানের চারা রোপণ করেছেন গ্রামবাসী।স্থানীয়রা জানান, সড়কটি জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার আওনা ইউনিয়নের শেষ প্রান্তের কাবারিয়াবাড়ী-সুতারবাড়ী মোড় হয়ে বেঙ্গুলা বাজারে গিয়ে শেষ হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। বেড়িপটল গ্রামটি কৃষিনির্ভর হওয়ায় এখানকার অধিকাংশ মানুষের জীবিকার অন্যতম প্রধান উৎস কৃষি ও সবজি চাষ। ফলে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় কৃষিপণ্য পরিবহনেও নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।গ্রামবাসীর অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের অধিকাংশ অংশ কাদায় পরিণত হয়। কাদার কারণে কোনো ধরনের যানবাহন গ্রামে প্রবেশ করতে পারে না। এমনকি কেউ অসুস্থ হলে তাকে কাঁধে করে কাঁচা ও কর্দমাক্ত রাস্তা পার করে পরে যানবাহনে তুলতে হয়। এতে জরুরি রোগী পরিবহনেও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় স্থানীয়দের।এদিকে বেড়িপটল গ্রামে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতেও সমস্যা হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বছরের পর বছর ধরে রাস্তাটির এমন দুরবস্থা থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। নির্বাচনের সময় বিভিন্ন প্রার্থী এসে রাস্তা সংস্কারের নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচন শেষ হলে তাদের আর দেখা যায় না—এমন অভিযোগও রয়েছে এলাকাবাসীর।তাদের দাবি, জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করা হোক। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত এবং জরুরি রোগী পরিবহনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা হবে—এটাই এখন তাদের প্রত্যাশা।

টাঙ্গাইলে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে মাদকসহ ২ কারবারি ও ২ সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

র‌্যাব-১৪ জানায়, ১৪ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঘাটাইল উপজেলার আঠারদানা এলাকায় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে একটি সিএনজি তল্লাশি করা হয়। এ সময় যাত্রীবেশে থাকা রাজশাহীর মো. রাব্বি ইসলাম (২১)-কে ৫০ বোতল ফায়ারডিল ও একটি মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়। এদিকে, ১৫ জুলাই সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে সদর উপজেলার আশেকপুর বাইপাস এলাকায় একটি অটোরিকশা তল্লাশি করে রাজশাহীর মোছা. আম্বিয়া বেগম (৪২) ও মো. নাজিমুদ্দীন (২৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের ভ্যানিটি ব্যাগে বিশেষ কায়দায় লুকানো অবস্থায় ১১৯ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে, একই দিনে পৃথক অভিযানে সদর উপজেলার বাসালিয়া এলাকা থেকে কালিহাতী থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি সোহেল (৩২)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া সখীপুর উপজেলার নলুয়া বাজার এলাকা থেকে চেক জালিয়াতির মামলায় (এনআই অ্যাক্ট ১৩৮) এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি নুসরাত জাহান নুপুর (৩৮)-কে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‌্যাব-১৪ এর মিডিয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে।

ধর্ম ও ইসলাম

আরও পড়ুন
বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক পরিদর্শক তৌহিদুল মোর্শেদ ভূঁইয়া তুহিনের ইন্তেকাল
বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক পরিদর্শক তৌহিদুল মোর্শেদ ভূঁইয়া তুহিনের ইন্তেকাল

শোক সংবাদবাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক পরিদর্শক তৌহিদুল মোর্শেদ ভূঁইয়া তুহিনের ইন্তেকালজামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের ধোপাদহ গ্রামের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, মরহুম মজিবর রহমান মাস্টারের জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক পরিদর্শক (টিআই) তৌহিদুল মোর্শেদ ভূঁইয়া তুহিন আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।আজ বুধবার তিনি আকস্মিকভাবে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব ও এলাকাবাসীর মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।তৌহিদুল মোর্শেদ ভূঁইয়া তুহিন ছিলেন একজন সৎ, দায়িত্বশীল ও মানবিক মানুষ। তাঁর আকস্মিক ও অকাল মৃত্যুতে স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা গভীরভাবে শোকাহত। একজন প্রিয় মানুষ ও দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তাকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছেন তাঁর সহকর্মী ও পরিচিতজনেরা।মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহানুভূতি জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ।মহান আল্লাহ তাআলা মরহুম তৌহিদুল মোর্শেদ ভূঁইয়া তুহিনকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনকে এই অপূরণীয় ক্ষতি ধৈর্য ও সাহসের সঙ্গে সহ্য করার তাওফিক দান করুন। আমিন।দোয়ার আরজগুজার :রফিকুল ইসলামস্টাফ রিপোর্টারদৈনিক মুক্তধ্বনি

আগস্ট ১২, ২০২৬ 0

শোক সংবাদ শোক সংবাদ শোক সংবাদ

নারী সংস্কার কমিশন: বায়তুল মোকাররমের মিম্বর থেকে

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

আগস্ট ৪, ২০২৫ 0
শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

দক্ষতার সাথে কাজ করা | হাদীসের ব্যাখ্যা

দক্ষতার সাথে কাজ করা | হাদীসের ব্যাখ্যা

আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি কীভাবে ওয়াহী শুরু হয়েছিল।

আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি কীভাবে ওয়াহী শুরু হয়েছিল।

কুরআনের সংরক্ষণ প্রক্রিয়া ও ইতিহাস

কুরআন আল্লাহ প্রদত্ত চূড়ান্ত গ্রন্থ, যা মানবজাতির জন্য হিদায়াতের পথনির্দেশনা দেয়। এটি অবতীর্ণ হওয়ার পর থেকে অদ্যাবধি পরিবর্তন ও বিকৃতির শিকার হয়নি, যা স্বয়ং আল্লাহ তাআলা কুরআনে ঘোষণা করেছেন— "আমিই কুরআন অবতীর্ণ করেছি এবং আমিই একে সংরক্ষণ করবো।" (সুরা আল-হিজর: ৯) কুরআনের সংরক্ষণের এই প্রতিশ্রুতি কীভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে, তার একটি ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ নিচে তুলে ধরা হলো। কুরআন সংরক্ষণের প্রথম ধাপ: নবী (সা.)-এর যুগ রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে কুরআন সংরক্ষণের জন্য দুইটি প্রধান উপায় ছিল: ১. মুখস্থকরণ (হিফজ) নবী (সা.)-এর সাহাবিরা কুরআনের আয়াত মুখস্থ করতেন এবং তা তাঁদের জীবনাচারে অনুসরণ করতেন। সাহাবিদের মধ্যে আবু বকর (রা.), উমর (রা.), উসমান (রা.), আলী (রা.) সহ অনেকেই কুরআন সম্পূর্ণ মুখস্থ করেছিলেন। ২. লিখিত সংরক্ষণ কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হলে নবী (সা.) তা সঙ্গে সঙ্গে লেখকদের দিয়ে লিখিয়ে নিতেন। খেজুর পাতার টুকরো, চামড়া, পশুর হাড় ও পাথরের টুকরোতে কুরআনের আয়াত সংরক্ষণ করা হতো। জাইদ ইবনে সাবিত (রা.), উবাই ইবনে কাব (রা.) এবং অন্যান্য সাহাবি লিখনীর দায়িত্ব পালন করতেন। আবু বকর (রা.)-এর যুগে সংকলন নবী (সা.)-এর ইন্তেকালের পর ইয়ামামার যুদ্ধে বহু হাফেজ কুরআন শহীদ হন, যা উমর (রা.)-কে উদ্বিগ্ন করে তোলে। তিনি আবু বকর (রা.)-কে কুরআন একত্র করার পরামর্শ দেন। আবু বকর (রা.) প্রথমবারের মতো কুরআন লিখিত আকারে একত্র করার নির্দেশ দেন। জাইদ ইবনে সাবিত (রা.) এর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। মুখস্থ করা ও লিখিত দলিল যাচাই করে কুরআন একত্রিত করা হয়। সংকলিত কুরআন খলিফা আবু বকর (রা.)-এর কাছে সংরক্ষিত ছিল এবং পরবর্তীতে উমর (রা.) ও পরে উম্মুল মুমিনিন হাফসা (রা.)-এর কাছে রাখা হয়। উসমান (রা.)-এর যুগে কুরআনের প্রতিলিপি তৈরি খলিফা উসমান (রা.)-এর সময় ইসলামের প্রচার বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন উচ্চারণ ও পাঠভঙ্গির কারণে কিছু মতভেদ দেখা দেয়। তখন তিনি কুরআনের একটি নির্দিষ্ট পাঠভঙ্গি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেন। হাফসা (রা.)-এর সংরক্ষিত মূল পাণ্ডুলিপির ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিক প্রতিলিপি তৈরি করা হয়। একই উচ্চারণভঙ্গির উপর ভিত্তি করে বেশ কয়েকটি কপি তৈরি করে মুসলিম বিশ্বে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। যেসব ব্যক্তিগত সংগ্রহে পার্থক্য ছিল, সেগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়, যাতে এককভাবে নির্ভুল কুরআন সংরক্ষিত থাকে। পরবর্তী যুগে সংরক্ষণ ও প্রসার উসমান (রা.)-এর সংকলিত কুরআন আজও অপরিবর্তিত রয়েছে। পরবর্তী সময়ে মুসলিম উম্মাহ কুরআন সংরক্ষণের জন্য আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ১. আরবি বিন্দু ও উচ্চারণ চিহ্ন সংযোজন ইসলামের প্রসার ঘটার ফলে অনারবদের জন্য উচ্চারণ সহজ করতে হজ্জাজ ইবনে ইউসুফ কুরআনে বিন্দু ও উচ্চারণ চিহ্ন সংযোজন করেন। ২. মুদ্রণ ও ডিজিটাল সংরক্ষণ মুদ্রণযুগে মদিনার "কিং ফাহাদ কমপ্লেক্স" থেকে লক্ষাধিক কুরআনের কপি ছাপানো হয়। বর্তমানে ডিজিটাল ফরম্যাটেও কুরআন সংরক্ষিত ও সহজলভ্য রয়েছে। উপসংহার কুরআন সংরক্ষণের ইতিহাস ইসলামের অন্যতম বিস্ময়কর দিক। কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত এর এক অক্ষরও পরিবর্তন হয়নি। মুখস্থ, লিখিত সংকলন, উসমানি প্রতিলিপি এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কুরআন সংরক্ষিত রয়েছে। কুরআনের এই সংরক্ষণের অলৌকিকত্ব ইসলামের সত্যতার অন্যতম প্রমাণ।

আগস্ট ৪, ২০২৫ 0
কুরআন কি এবং এটি কিভাবে অবতীর্ণ হয়েছে?

কুরআন কি এবং এটি কিভাবে অবতীর্ণ হয়েছে?

এ বছরের সাদাকাতুল ফিতর: জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ ও সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা

আল্লাহ কেন মহাবিশ্ব সৃষ্টির আড়াই (২.৫) লক্ষ বছর পর মানুষ সৃষ্টি করেছেন?

আল্লাহ কেন মহাবিশ্ব সৃষ্টির আড়াই (২.৫) লক্ষ বছর পর মানুষ সৃষ্টি করেছেন?

0 মন্তব্য