অবহেলার অবসান: চারলেন হচ্ছে সরাইল–নাসিরনগর–হবিগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষা ও অবহেলার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আলোচনায় এসেছে গুরুত্বপূর্ণ সরাইল–নাসিরনগর–হবিগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প। সরকারের ৬১৮ কোটি টাকার এই প্রকল্প ইতোমধ্যে অনুমোদন পেয়ে দরপত্র আহ্বানের প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নাসিরনগর সরাইল ও হবিগঞ্জ সদর উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ঢাকা–সিলেট সড়কপথে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরত্ব কমে যাবে, যা যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় দুটোই কমাবে।হবিগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির হোসেন জানান, লাখাই–নাসিরনগর সীমান্তের বলভদ্র নদীর ব্রিজ থেকে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট স্টেশন পর্যন্ত প্রায় ২৬ কিলোমিটার সড়ক চারলেনে উন্নীত করা হবে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬১৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে সড়ক নির্মাণে ৩৯৬ কোটি, ভূমি অধিগ্রহণে ২১৯ কোটি ১৪ লাখ এবং বিদ্যুৎ গ্যাস ও পানির লাইন স্থানান্তরে ২ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি চারটি পৃথক প্যাকেজে বাস্তবায়ন করা হবে।সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায় অতীতে একাধিকবার দরপত্র আহ্বান ও ঠিকাদার নিয়োগ হলেও নানা জটিলতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন আটকে যায়। এমনকি একপর্যায়ে এটি বাতিলের প্রস্তাবও ওঠে। পরে স্থানীয় আন্দোলন মানববন্ধন ও স্মারকলিপির প্রেক্ষিতে প্রকল্পটি পুনরায় অগ্রাধিকার তালিকায় আসে।স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান এই সড়কটি চারলেনে উন্নীত হলে ঢাকা চট্টগ্রাম ও সিলেটের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। কৃষি ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পখাতেও গতি আসবে।প্রকল্পে অগ্রণী ভূমিকার কথা উল্লেখ করে সংসদ সদস্য জি কে গউছ বলেন নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তিনি বিষয়টি অগ্রাধিকার প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করেন এবং মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার দেন। তার মতে, সড়কটি উন্নত হলে আঞ্চলিক অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আসবে।তিনি আরও বলেন বর্তমানে সড়কটির প্রস্থ সাড়ে ৫ মিটার হওয়ায় যানবাহনের চাপ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। চারলেনে উন্নীত হলে তা ১০ দশমিক ৩০ মিটার প্রশস্ত হবে ফলে যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ ও নিরাপদ হবে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা দ্রুত কাজ শুরু হলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে এবং উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে সরাইল–নাসিরনগর–হবিগঞ্জ অঞ্চলে।
পুলিশ লাইন্স ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি-নির্বাপন মহড়া অদ্য ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ জেলা পুলিশের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় ও কার্যকর করার লক্ষ্যে পুলিশ লাইন্স এবং পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স-এর আয়োজনে একটি অগ্নি-নির্বাপন মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।মহড়ার শুরুতে ফায়ার সার্ভিসের প্রশিক্ষিত সদস্যরা অগ্নিকাণ্ডের সম্ভাব্য কারণ আগুন লাগার পূর্ব লক্ষণ এবং অগ্নিকাণ্ডের সময় তাৎক্ষণিক করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দেন।পরবর্তীতে পুলিশ লাইন্স ও পুলিশ সুপারের কার্যালয় প্রাঙ্গণে আগুন নেভানোর বিভিন্ন কৌশল সরাসরি প্রদর্শন করা হয়। মহড়ায় অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্র (ফায়ার এক্সটিংগুইশার) সঠিকভাবে ব্যবহার বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটজনিত আগুন নিয়ন্ত্রণ ধোঁয়াচ্ছন্ন পরিবেশে নিরাপদে বেরিয়ে আসার পদ্ধতি এবং আহত ব্যক্তিকে দ্রুত উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়ে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।এ সময় জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যগণ মহড়ায় উপস্থিত থেকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। মহড়াটি পুলিশ সদস্যদের মধ্যে অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মত প্রকাশ করেন।ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ জানান সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরে এ ধরনের অগ্নি-নির্বাপন মহড়া নিয়মিত আয়োজন করা হলে অগ্নিকাণ্ডজনিত ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। জেলা পুলিশ কর্তৃপক্ষও ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রম নিয়মিতভাবে আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য অগ্নি দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও জনবলকে প্রস্তুত রাখতে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের এ ধরনের মহড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার ৪নং বারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শামসুল আলম বিএসসি এর আকস্মিক মৃত্যুতে গুরুতর অভিযোগের তীর উঠেছে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ওমর ফারুক ভূঁইয়ার দিকে। গত ২৭ নভেম্বর২৫ বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ওমর ফারুক ভূঁইয়া হাইকোর্টে রিট আপীল করানোর উদ্দেশ্যে তাকে ঢাকায় নিয়ে যায়। সে রাজি না থাকলেও পথে তাকে এ ব্যাপারে মানসিক চাপ দিতে থাকলে সে বুকে ব্যথা অনুভব করে এবং বেশ কয়েকবার তার বমি হয়। মৃত শামসুল আলমের পরিবার অভিযোগ করেছে, বারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ওমর ফারুক ভূঁইয়া ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য জোরপূর্বক মৃত শামসুল আলমকে উচ্চ আদালতে একটি রিট করানোর চেষ্টা করেন। রিট করার উদ্দেশ্যেই তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে মানসিক চাপের শিকার হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওমর ফারুক তাকে ঢাকা হৃদরোগ হসপিটালে রেখে চলে যান, এর কিছুক্ষণ পরেই বারগাঁও ইউপির এই সাবেক চেয়ারম্যানের মৃত্যু হয়। শামসুল আলমের পরিবার এই মৃত্যুর জন্য সরাসরি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফারুক মেম্বারকে দায়ী করেছে এবং তারা এই ঘটনার বিচার দাবি করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৪নং বারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই আইনি জটিলতা চলছিল। নির্বাচনী ফলাফল জানা যায়, আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামসুল আলম নির্বাচনে জয়ী হলেও ভোট কারচুপির অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর নোয়াখালী জেলা নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়েদ আহমদ সাহেব ফলাফল পুনর্বিবেচনা করতে আইনি চ্যালেঞ্জ জানান। আদালতের রায়ে গত ১৪ই মে, ২০২৫ তারিখে নির্বাচনী ট্রাইবুনাল ও সিনিয়র সহকারী জজ, সদর, নোয়াখালী 'শামসুল আলম' এর পরিবর্তে 'সাইয়েদ আহমেদ' কে ৫০৩ ভোটে বিজয়ী চেয়ারম্যান হিসেবে আদেশ প্রদান করেন। এই রায়ের বিরূদ্ধে সাবেক চেয়ারম্যান শামসুল আলম নির্বাচনী ট্রাইবুনালে আপীল দায়ের করেন। গত ১০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে ট্রাইবুনাল উক্ত আপীল খারিজ করে দেয়। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব: এই আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যেই ইউপি চেয়ারম্যানের পদটি শূন্য হলে বিএনপি নেতা ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বার ফারুক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান। অভিযোগ উঠেছে, এই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পদটি পাকাপোক্ত করতে ফারুক মেম্বার মৃত শামসুল আলমের ওপর চাপ সৃষ্টি করে পুনরায় আদালতে রিট করতে, যার জেরেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল। বারগাঁও ইউনিয়নে বর্তমানে এক অস্থিরতা ও চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। ইউপি চেয়ারম্যানের মৃত্যুর ঘটনাটি রাজনৈতিক চাপ এবং আইনি জটিলতার এক করুণ পরিণতি কি না, তা নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে।
আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা হিউম্যান কনসার্ন ইন্টারন্যাশনাল (এইচসিআই) এর অর্থায়নে এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সুশীলন এর বাস্তবায়নে চাইল্ড স্পন্সরশিপ প্রোগ্রামের -এর আওতায় কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪ এর সিআইসি অফিস দরবার হলে, বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বেলা ১২টায় রোহিঙ্গা শিশুদের মাঝে পুষ্টিকর খাদ্য ও বিভিন্ন পোশাক বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মসূচিতে মোট ২৩৯ জন শিশুর মাঝে পুষ্টিকর খাদ্য বিতরণ, ৭৪ জন কণ্যা শিশুর মাঝে স্যানিটারি ন্যাপকিন, ১৪৫ জন শিশুর মাঝে শার্ট-প্যান্ট, ৪১ জন শিশুর মাঝে থ্রি-পিস, ৯৪ জন শিশুর মাঝে ওড়না, ৫৩ জন শিশুর মাঝে ফ্রগ ও পায়জামা এবং ২৩৯ জন শিশুর মাঝে জুতা বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সুরাইয়া আক্তার সুইটি, ডেপুটি সেক্রেটারি ও ক্যাম্প ইনচার্জ, ক্যাম্প-৪। এ সময় সাইট ম্যানেজমেন্ট সাপোর্ট -এর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। সুশীলনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ আরিফুল ইসলাম, ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর আঁখি পারভিন, সোবহান আলী এবং জাহিদুল হক। নতুন পোশাক ও পুষ্টিকর খাবার পেয়ে শিশুদের মাঝে আনন্দ ও উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়। তারা সুশীলন ও এইচসিআই-এর প্রতি তাদের অব্যাহত সহযোগিতা ও সহমর্মিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অভিযান চালিয়ে চুরি,ছিনতাই, চাঁদাবাজি,ডাকাতি ও একাধিক মাদক মামলাসহ মোট ১৪ (চৌদ্দ) টি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার অপরাধী জাহাঙ্গীর আলম ওরফে কসাই জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ (সিপিসি-৩) নোয়াখালী ক্যাম্পের সদস্যরা। রবিবার দুপুরে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানাধীন মিরওয়ারীশপুর ইউপির ১নং ওয়ার্ডস্থ রিয়াজ স্টোরের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন র্যাব-১১,নোয়াখালী ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার মিঠুন কুন্ড । তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ থানায় ২০১৮ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় (মামলা নং-১৩,তারিখ-১৮/০৭/২০২৫ইং) বিচারকার্য চলাকালে পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এর ভিত্তিতে আজ তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি আরও জানান গ্রেফতারকৃত কসাই জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ থানায় উল্লেখিত মাদক মামলা ছাড়াও আরও ১৩টি মামলা রয়েছে। এসব মামলার মধ্যে রয়েছে চুরি,ছিনতাই,চাঁদাবাজি, ডাকাতি এবং বিভিন্ন ধারার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একাধিক মামলা। দীর্ঘদিন ধরে সে গ্রেফতার এড়ানোর জন্য পলাতক ছিল। র্যাব-১১,সিপিসি-৩ এর চৌকস দল গোয়েন্দা কার্যক্রমের মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত করে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে তার নাম-পরিচয় নিশ্চিত করে এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি বলে স্বীকার করে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত কসাই জাহাঙ্গীরকে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায় এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রেমঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অভিযোগ তোলা হলেও, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করেনি পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাইস্কা ইউনিয়নের ধোকেরকুল গ্রামের বাসিন্দা মো. সুরুজ আলীর মেয়ে এবং ধনবাড়ী সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী (চার বোনের মধ্যে তৃতীয়) দীর্ঘদিন ধরে ধনবাড়ী পৌরসভার বন্দ-টাকুরিয়া গ্রামের দুবাইপ্রবাসী মঞ্জু মিয়ার ছেলে মো. মারুফ হোসেন শান্তর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত ছিলেন বলে পরিবারের দাবি। পরিবারের অভিযোগ, গত ১১ জুলাই সকালে ফোন করে ওই তরুণীকে দেখা করার জন্য ডেকে নেন মারুফ হোসেন শান্ত। এরপর সারাদিন তারা অজ্ঞাত স্থানে অবস্থান করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ছেলের পরিবার স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে রাতে মেয়েটিকে তার বড় বোনের জামাইয়ের বাড়িতে পৌঁছে দেয়। পরদিন ১২ জুলাই বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে বড় বোনের জামাইয়ের বাড়ির একটি কক্ষে ওই পরীক্ষার্থীকে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান স্বজনরা। খবর পেয়ে ধনবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। নিহতের পরিবারের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। এ বিষয়ে ধনবাড়ী থানার পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এবং তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্কুলছাত্রী সামিয়া হত্যা টাঙ্গাইলে এক নৃশংসতার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক রায় ভূঞাপুরে সপ্তম শ্রেণীর স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার মামলায় আসামি সাব্বির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লক্ষ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া এবং ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। এই দৃষ্টান্তমূলক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে নিহত সামিয়ার পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ।যেভাবে ঘটেছিল সেই নৃশংসতামামলার বিবরণী থেকে জানা যায়ঘটনার দিন বিকেলে ভূঞাপুর উপজেলার নিকলা দড়িপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হয় স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তার। দীর্ঘ সময় বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরবর্তীতে গভীর রাতে নিকলা নয়াপাড়া এলাকার একটি ফসলি জমি থেকে সামিয়ার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।তদন্তে উঠে আসে সামিয়াকে একা পেয়ে একই গ্রামের ওলান মিয়ার ছেলে সাব্বির হোসেন প্রথমে তাকে পাশবিক নির্যাতন বা ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে নিজের পরিচয় ও অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সে সামিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ জমিতে ফেলে পালিয়ে যায়।আইনি তৎপরতা ও আসামির স্বীকারোক্তিহত্যাকাণ্ডের পর নিহত সামিয়ার বাবা বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত সাব্বির হোসেনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এবং পরবর্তীতে আদালতে হাজির করা হলে সাব্বির বিচারকের সামনে নিজের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়।দ্রুত বিচার ও আদালতের রায়মামলার সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ে তদন্ত শেষ করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ। আদালত ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা এবং আইনি তথ্যপ্রমাণ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করেন। অপরাধের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক আসামি সাব্বির হোসেনকে ধর্ষণের পর হত্যার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড এবং একই সাথে এক লক্ষ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।আইনজীবীদের প্রতিক্রিয়া ও জনআকাঙ্ক্ষারায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান এই রায় সমাজে অপরাধীদের জন্য একটি কঠোর বার্তা। ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের বিচার এভাবেই দ্রুততার সাথে হওয়া উচিত।অন্যদিকে নিহত সামিয়ার পরিবার আদালতের এই রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করে দ্রুত শাস্তি কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও এই দৃষ্টান্তমূলক রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন প্রতিটি ধর্ষণের ঘটনার বিচার যদি এমন স্বচ্ছ ও দ্রুত প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হতো তবে সমাজে নারীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার হতো।
সিলেটের বিশ্বনাথে ‘শাহ ফাউন্ডেশন’র উদ্যোগে উপজেলা ও পৌর এলাকার ১৫টি অসহায়-গরীব ও দুস্থ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকাস্থ ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে ওই চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ করা হয়। সংগঠক ওয়াসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘শাহ ফাউন্ডেশন’র চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠক আব্দুল মুতাকিন, শাহ লায়েক, জামিল আহমদ, শিবলু মিয়া, দুলাল মিয়া প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। মানবতার কল্যাণে কাজ করার লক্ষ্যেই ‘শাহ ফাউন্ডেশন’ গঠন করা হয়েছে দাবী করে যুক্তরাজ্য থেকে মুঠোফোনে ‘শাহ ফাউন্ডেশন’র চেয়ারম্যান ও আসন্ন বিশ্বনাথ পৌরসভা নির্বাচনের সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী শাহ আবুল কালাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা অনেকটাই নিরবে এলাকার অসহায়-গরীব ও দুস্থ পরিবারের সদস্যদের কল্যাণে কাজ করছি। সর্বস্তরের মানুষের সার্বিক সহযোগীতা পেলে আমরা আমাদের কর্মপরিধি আরোও বৃদ্ধি করব।
অবশেষে নির্বাহী আদেশে, বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে স্থাপিত ঐতিহ্যবাহী ‘‘কুমার দ্বীজেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরীদর মালিকানাধীন জায়গায় ব্যাক্তিমালিকানাধীন সীমানা প্রাচীর সহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দুর্গাপুর উপজেলা শাখার কার্যালয়, উৎরাইল বাজারের পরবর্তিঅংশ এবং পৌরশহরের অন্যান্য জায়গাতে চালানো হচ্ছে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান। এ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। ১৮৬ বছর পুর্বে ময়মনসিংহ পরগনার শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে ১৮৪০খ্রিষ্টাব্দে সুসঙ্গ পরগনার মহারাজা ভূপেন্দ্র চন্দ্র সিংহ শর্ম্মা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কুমার দ্বীজেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরী। কালের বিবর্তনে একশ্রেণির লোক পাঠাগারের বেশকিছু জায়গা দখল করে নেয়। পরবর্তিতে সাবেক সংসদ সদস্য জালাল উদ্দীন তালুকদারের উদ্দ্যেগে ১৯৯৭ সনে ওই পাঠাগারের জায়গাতে নির্মান করা হয় উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়। পরবর্তিতে অন্যান্য আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্যগণ দলীয় কার্যালয়ের নান্দনিক রুপ দিতে না পারলেও ২০১৯ সালে আ‘লীগের এমপি মানু মজুমদার পুরনো অফিসের পিছনে থাকা দুটি অসহায় পরিবারের ঘর জোরপুর্বক ভেঙ্গে ওখান থেকে তাদের উচ্ছেদ করেন। পরে পাঠাগারের আরো জায়গা দখলে নিয়ে নির্মান করেন বিশাল দলীয় কার্যালয়। পরবর্তিতে অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে ওইসময় স্থানীয় আদালত সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ গণস্বাক্ষরের মাধ্যমে আবেদন করেন। পরবর্তিতে স্থানীয় সুশিলসমাজের প্রতিনিধি, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), আদিবাসী ফোরাম, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ করেন মানববন্ধন। দলীয় প্রভাব থাকায় সকল আবেদনের ফাইল পরে ছিলো টেবিলে থাকা অন্য ফাইলের নীচে। ইতোমধ্যে পাঠাগারের জায়গা উদ্ধারের জন্য স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষের অংশগ্রহনে গত ০৮ জুন উপজেলা চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনের মাধ্যমে আবেদন জানানো হয় উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের কাছে। পরবর্তিতে এই কাজে সহায়তা করতে এলাকাবাসী পরবর্তিতে আবেদন করেন স্থানীয় এমপি ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার মহোদয়ের কাছে। নিমজ্জিত হতে যাওয়া পাঠাগারটিকে বাঁচিয়ে রাখতে পাঠাগার পরিদর্শনে আসেন তিনি। পাঠাগারকে নতুনরুপে সাজিয়ে তুলতে উদ্দ্যোগ নেন, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ও নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এর পরেই নরে চড়ে বসেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। পাঠাগারের জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে শুরু করেন দাপ্তরিক কাজ। পরবর্তিতে আদালতের নোটিশ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কার্যক্রম শুরু করেন উপজেলা প্রশাসন। এরই প্রেক্ষিতে শুরু হয় অবৈধ সীমানা প্রাচীর ও উপজেলা আ‘লীগ কার্যালয়ের স্থাপনা সহ অন্যান্য এলাকা থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারনের কাজ। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, আদিবাসী প্রতিনিধি, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, পাঠাগারকে বলা হয় শিক্ষার বাতিঘর। এই পাঠাগারটি আবার সচল করতে, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করণসহ ডেপুটি স্পীকার মহোদয় যে উদ্দ্যেগ গ্রহণ করেছেন, আমরা ওনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। পাঠাগারের নিজস্ব জায়গায় কোনরকম অবৈধ স্থাপনা থাকুক এটা আমরা চাইনা। ঐতিহ্যবাহী এই পাঠাগারটি চালু হলে, স্থানীয় যুবসমাজ মাদক ছেড়ে বই হাতে নিবে, স্থানীয়ভাবে বাড়বে সাংস্কৃতিক চর্চা। দুর্গাপুর উপজেলা তথা আশা-পাশের আদিবাসী সম্প্রদায় সহ সকল শ্রেনীপেশার হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হবে। লাইব্রেরীর কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে দেখেছি, লাইব্রেরীর নামে ২৪শতক জায়গা রয়েছে। কাজেই এই জায়গায় কুমার দ্বীজেন্দ্র লাইব্রেরীর স্থাপনা ছাড়া অন্য কোন স্থাপনা থাকা সম্পুর্ন বে-আইনী বলে জানিয়েছেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও লাইব্রেরীর সভাপতি আহমেদ সাদাত। লাইব্রেরী পরিদর্শনে এসে ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই পাঠাগারের ইতিহাস ঐতিহ্যকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে এবং পাঠাগারের বিকাশ ঘটাতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। সকলের সহযোগিতা পেলে, সরকারের পক্ষ থেকে কুমার দ্বীজেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরীকে দেশের প্রথম সারির পাঠাগারে পরিনত করতে সরকারের পক্ষ থেকে সকল প্রকার উদ্দ্যেগ নেয়া হবে।
র্যাব-১৪ জানায়, ১৪ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঘাটাইল উপজেলার আঠারদানা এলাকায় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে একটি সিএনজি তল্লাশি করা হয়। এ সময় যাত্রীবেশে থাকা রাজশাহীর মো. রাব্বি ইসলাম (২১)-কে ৫০ বোতল ফায়ারডিল ও একটি মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়। এদিকে, ১৫ জুলাই সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে সদর উপজেলার আশেকপুর বাইপাস এলাকায় একটি অটোরিকশা তল্লাশি করে রাজশাহীর মোছা. আম্বিয়া বেগম (৪২) ও মো. নাজিমুদ্দীন (২৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের ভ্যানিটি ব্যাগে বিশেষ কায়দায় লুকানো অবস্থায় ১১৯ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে, একই দিনে পৃথক অভিযানে সদর উপজেলার বাসালিয়া এলাকা থেকে কালিহাতী থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি সোহেল (৩২)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া সখীপুর উপজেলার নলুয়া বাজার এলাকা থেকে চেক জালিয়াতির মামলায় (এনআই অ্যাক্ট ১৩৮) এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি নুসরাত জাহান নুপুর (৩৮)-কে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র্যাব-১৪ এর মিডিয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে।