খুলনা

রান্নার সময় সবুজ হয়ে গেল গরুর মাংস কড়াই নিয়ে থানায় বেকারির কর্মচারীরা
রান্নার সময় সবুজ হয়ে গেল গরুর মাংস কড়াই নিয়ে থানায় বেকারির কর্মচারীরা

রান্নার সময় সবুজ হয়ে গেল গরুর মাংস, কড়াই নিয়ে থানায় বেকারির কর্মচারীরা খুলনার পাইকগাছায় রান্নার সময় গরুর মাংসের রং অস্বাভাবিকভাবে সবুজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে পৌর এলাকার একটি বেকারির কর্মচারীরা পিকনিকের জন্য কেনা গরুর মাংস রান্না করতে গিয়ে এ ঘটনার মুখোমুখি হন। পরে রান্না করা মাংসসহ কড়াই নিয়ে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় ও থানায় যান।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পৌর এলাকার মডার্ন বেকারির প্রায় ২৫ জন কর্মচারী পিকনিকের আয়োজন করেন। এ উপলক্ষে সকালে বেকারির কর্মচারী লিটন হোসেনসহ তিনজন পাইকগাছা বাজারের মাংস বিক্রেতা ইসমাইলের দোকান থেকে চার কেজি গরুর মাংস কিনে আনেন। সেদিনের জবাই করা মাংস শেষ হয়ে যাওয়ায় বিক্রেতা আগের দিনের ফ্রিজে সংরক্ষিত মাংস দেন বলে জানা গেছে।বেকারির কর্মচারীদের দাবি, স্বাভাবিক নিয়মে তেল-মসলা দিয়ে রান্না শুরু করার কিছুক্ষণ পরই মাংসের স্বাভাবিক লালচে রং বদলে নীলচে-সবুজ হতে শুরু করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রং আরও গাঢ় হয়ে গেলে তারা রান্না বন্ধ করে বিষয়টি অন্যদের জানান। পরে মাংসসহ কড়াই নিয়ে প্রথমে বিক্রেতার কাছে গেলেও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পেয়ে ইউএনও কার্যালয়ে যান। সেখান থেকে থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলে তারা পাইকগাছা থানায় উপস্থিত হন। পরে মাংসগুলো ফেলে দেওয়া হয়।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদ চত্বরে একটি ভ্যানে কড়াইভর্তি সবুজ রঙের মাংস নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন বেকারির কর্মচারীরা। তাদের দাবি, রান্নায় কোনো ধরনের রং বা রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়নি। মাংস কড়াইয়ে দেওয়ার পর থেকেই অস্বাভাবিকভাবে সবুজ রং দেখা দিতে শুরু করে।তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাংস বিক্রেতা ইসমাইল। তিনি বলেন, একই ফ্রিজে সংরক্ষিত মাংস আরও ১০ থেকে ১২ জন ক্রেতার কাছে বিক্রি করা হয়েছে। অন্য কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। তার দাবি, বেকারিতে ব্যবহৃত কোনো উপাদান বা অন্য কোনো কারণে এমনটি হয়ে থাকতে পারে। অন্যদিকে, বেকারির কর্মচারীরা বিক্রেতার দাবি নাকচ করে মাংসের নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আসাদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর উপজেলা পরিষদ এলাকায় উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। অনেকেই এমন অস্বাভাবিক রঙের মাংস দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন। পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী জানান বেকারির কর্মচারীরা রান্না করা মাংসের কড়াই নিয়ে থানায় এসেছিলেন। তাদের লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও তারা অভিযোগ করেননি এবং কিছুক্ষণ পর কড়াই নিয়ে চলে যান।এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ হয়নি। মাংসের প্রকৃত কারণ জানতে পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জুলাই ২২, ২০২৬ 0
সাতক্ষীরার ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল সরবরাহের তদারকি, অভাবে থাকছে পেট্রোল ও অকটেন

সাতক্ষীরার ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল সরবরাহের তদারকি, অভাবে থাকছে পেট্রোল ও অকটেন সাতক্ষীরা ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ইং আজ সাতক্ষীরা জেলার মেসার্স এবি খান, মেসার্স সংগ্রাম, মেসার্স আলিপুর মেসার্স সোনালী ও মেসার্স কপোতাক্ষ ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের মজুদ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করেছেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ শাহেদ হোসেন।পরিদর্শনকালে দেখা যায়, কোনো ফিলিং স্টেশনে পর্যাপ্ত পেট্রোল এবং অকটেন সরবরাহ নেই। তবে মেসার্স সোনালী ফিলিং স্টেশনে আজ বিকেলে অকটেন দেওয়া হবে এবং মেসার্স কপোতাক্ষ ফিলিং স্টেশনে ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে। অন্য ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেল আজ বিকেল বা আগামীকালের মধ্যে পৌঁছাবে বলে জানা গেছে।তদারকির সময় উপস্থিত ফিলিং স্টেশন ম্যানেজার এবং মোটরসাইকেল চালকদের সরকারি নিয়ম মেনে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
বাগেরহাট-এ ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা,১৩ জনের মৃত্যু

বাগেরহাট-এ ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা মাইক্রোবাস–নেভী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৪একই পরিবারের ১৩ জনের মৃত্যু, নবদম্পতি ও দুই শিশুসহ নিভে গেল আনন্দের ঘর ।খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ১৩ জনসহ মোট ১৪ জন নিহত হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো এলাকায়। একটি মাইক্রোবাস ও নেভীর একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে নতুন বর–কনে এবং দুইটি ছোট শিশুও রয়েছে বলে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্র ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ করে নববধূকে নিয়ে পরিবারের সদস্যরা মাইক্রোবাসে করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। কয়েক ঘণ্টা আগেও যেখানে ছিল বিয়ের আনন্দ, হাসি আর নতুন জীবনের স্বপ্ন—সেই যাত্রাপথেই ঘটে যায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। নেভীর একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মুহূর্তের মধ্যেই দুমড়ে-মুচড়ে যায় মাইক্রোবাসটি। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা অনেককেই মৃত ঘোষণা করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও কয়েকজনের মৃত্যু হয়। এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৪ জনে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ১৩ জন সদস্য রয়েছেন, যা এই দুর্ঘটনাকে আরও শোকাবহ করে তুলেছে।হাসপাতালে নেওয়ার পর ধারণ করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যায় নববধূর হাতে এখনো টকটকে লাল মেহেদি রয়ে গেছে। কিন্তু জীবনের সেই নতুন অধ্যায় শুরু হওয়ার আগেই থেমে গেল তার জীবনযাত্রা। মেহেদির রঙ ফিকে হওয়ার আগেই নিভে গেল তার স্বপ্নের প্রদীপ।দুর্ঘটনায় নিহত দুইটি ছোট শিশুর বয়সও ছিল খুবই কম। তাদের শরীরে তখনো প্যাম্পার্স পরানো ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এত অল্প বয়সেই তাদের জীবনের ইতি টানল নির্মম এই সড়ক দুর্ঘটনা।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিয়ের আনন্দে ভরা একটি পরিবার মুহূর্তের মধ্যেই শোকে ভেঙে পড়েছে। একই পরিবারের এতগুলো মানুষের একসঙ্গে মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। নিহতদের স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে হাসপাতাল ও বাড়ির পরিবেশ।দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।এদিকে এমন মর্মান্তিক ঘটনায় স্থানীয়দের পাশাপাশি সামাজিকযোগাযোগমাধ্যমেও শোক ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছেন অসংখ্য মানুষ। অনেকেই বলছেন একটি পরিবারের প্রায় সব সদস্যকে একসঙ্গে হারানোর বেদনা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
সর্বাধিক পঠিত
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের নিকলা দড়িপাড়া গ্রামে ঘটেছে নিশ্বংস ধর্ষনের ঘটনা

স্কুলছাত্রী সামিয়া হত্যা টাঙ্গাইলে এক নৃশংসতার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক রায় ভূঞাপুরে সপ্তম শ্রেণীর স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার মামলায় আসামি সাব্বির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লক্ষ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া এবং ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। এই দৃষ্টান্তমূলক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে নিহত সামিয়ার পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ।যেভাবে ঘটেছিল সেই নৃশংসতামামলার বিবরণী থেকে জানা যায়ঘটনার দিন বিকেলে ভূঞাপুর উপজেলার নিকলা দড়িপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হয় স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তার। দীর্ঘ সময় বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরবর্তীতে গভীর রাতে নিকলা নয়াপাড়া এলাকার একটি ফসলি জমি থেকে সামিয়ার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।তদন্তে উঠে আসে সামিয়াকে একা পেয়ে একই গ্রামের ওলান মিয়ার ছেলে সাব্বির হোসেন প্রথমে তাকে পাশবিক নির্যাতন বা ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে নিজের পরিচয় ও অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সে সামিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ জমিতে ফেলে পালিয়ে যায়।আইনি তৎপরতা ও আসামির স্বীকারোক্তিহত্যাকাণ্ডের পর নিহত সামিয়ার বাবা বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত সাব্বির হোসেনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এবং পরবর্তীতে আদালতে হাজির করা হলে সাব্বির বিচারকের সামনে নিজের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়।দ্রুত বিচার ও আদালতের রায়মামলার সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ে তদন্ত শেষ করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ। আদালত ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা এবং আইনি তথ্যপ্রমাণ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করেন। অপরাধের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক আসামি সাব্বির হোসেনকে ধর্ষণের পর হত্যার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড এবং একই সাথে এক লক্ষ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।আইনজীবীদের প্রতিক্রিয়া ও জনআকাঙ্ক্ষারায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান এই রায় সমাজে অপরাধীদের জন্য একটি কঠোর বার্তা। ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের বিচার এভাবেই দ্রুততার সাথে হওয়া উচিত।অন্যদিকে নিহত সামিয়ার পরিবার আদালতের এই রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করে দ্রুত শাস্তি কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও এই দৃষ্টান্তমূলক রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন প্রতিটি ধর্ষণের ঘটনার বিচার যদি এমন স্বচ্ছ ও দ্রুত প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হতো তবে সমাজে নারীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার হতো।

বিশ্বনাথে শাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ।

সিলেটের বিশ্বনাথে ‘শাহ ফাউন্ডেশন’র উদ্যোগে উপজেলা ও পৌর এলাকার ১৫টি অসহায়-গরীব ও দুস্থ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকাস্থ ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে ওই চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ করা হয়। সংগঠক ওয়াসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘শাহ ফাউন্ডেশন’র চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠক আব্দুল মুতাকিন, শাহ লায়েক, জামিল আহমদ, শিবলু মিয়া, দুলাল মিয়া প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। মানবতার কল্যাণে কাজ করার লক্ষ্যেই ‘শাহ ফাউন্ডেশন’ গঠন করা হয়েছে দাবী করে যুক্তরাজ্য থেকে মুঠোফোনে ‘শাহ ফাউন্ডেশন’র চেয়ারম্যান ও আসন্ন বিশ্বনাথ পৌরসভা নির্বাচনের সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী শাহ আবুল কালাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা অনেকটাই নিরবে এলাকার অসহায়-গরীব ও দুস্থ পরিবারের সদস্যদের কল্যাণে কাজ করছি। সর্বস্তরের মানুষের সার্বিক সহযোগীতা পেলে আমরা আমাদের কর্মপরিধি আরোও বৃদ্ধি করব।

গোপালপুরে সড়কের বেহাল দশা, রাস্তায় ধান রোপণ করে প্রতিবাদ

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িপটল গ্রামের প্রধান সড়কের বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে সড়কটি কাদায় পরিণত হয়ে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাতে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধানের চারা রোপণ করেছেন গ্রামবাসী।স্থানীয়রা জানান, সড়কটি জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার আওনা ইউনিয়নের শেষ প্রান্তের কাবারিয়াবাড়ী-সুতারবাড়ী মোড় হয়ে বেঙ্গুলা বাজারে গিয়ে শেষ হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। বেড়িপটল গ্রামটি কৃষিনির্ভর হওয়ায় এখানকার অধিকাংশ মানুষের জীবিকার অন্যতম প্রধান উৎস কৃষি ও সবজি চাষ। ফলে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় কৃষিপণ্য পরিবহনেও নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।গ্রামবাসীর অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের অধিকাংশ অংশ কাদায় পরিণত হয়। কাদার কারণে কোনো ধরনের যানবাহন গ্রামে প্রবেশ করতে পারে না। এমনকি কেউ অসুস্থ হলে তাকে কাঁধে করে কাঁচা ও কর্দমাক্ত রাস্তা পার করে পরে যানবাহনে তুলতে হয়। এতে জরুরি রোগী পরিবহনেও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় স্থানীয়দের।এদিকে বেড়িপটল গ্রামে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতেও সমস্যা হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বছরের পর বছর ধরে রাস্তাটির এমন দুরবস্থা থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। নির্বাচনের সময় বিভিন্ন প্রার্থী এসে রাস্তা সংস্কারের নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচন শেষ হলে তাদের আর দেখা যায় না—এমন অভিযোগও রয়েছে এলাকাবাসীর।তাদের দাবি, জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করা হোক। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত এবং জরুরি রোগী পরিবহনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা হবে—এটাই এখন তাদের প্রত্যাশা।

টাঙ্গাইলে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে মাদকসহ ২ কারবারি ও ২ সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

র‌্যাব-১৪ জানায়, ১৪ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঘাটাইল উপজেলার আঠারদানা এলাকায় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে একটি সিএনজি তল্লাশি করা হয়। এ সময় যাত্রীবেশে থাকা রাজশাহীর মো. রাব্বি ইসলাম (২১)-কে ৫০ বোতল ফায়ারডিল ও একটি মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়। এদিকে, ১৫ জুলাই সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে সদর উপজেলার আশেকপুর বাইপাস এলাকায় একটি অটোরিকশা তল্লাশি করে রাজশাহীর মোছা. আম্বিয়া বেগম (৪২) ও মো. নাজিমুদ্দীন (২৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের ভ্যানিটি ব্যাগে বিশেষ কায়দায় লুকানো অবস্থায় ১১৯ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে, একই দিনে পৃথক অভিযানে সদর উপজেলার বাসালিয়া এলাকা থেকে কালিহাতী থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি সোহেল (৩২)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া সখীপুর উপজেলার নলুয়া বাজার এলাকা থেকে চেক জালিয়াতির মামলায় (এনআই অ্যাক্ট ১৩৮) এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি নুসরাত জাহান নুপুর (৩৮)-কে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‌্যাব-১৪ এর মিডিয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধে স্থবির উত্তরবঙ্গগামী লেন

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল টাঙ্গাইল স্টাফ রিপোর্টার :এস কে শিপন মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ​সমগ্র দেশ যখন তীব্র ক্ষোভ আর আন্দোলনে উত্তাল, তখন সেই জোয়ারে শামিল হতে পিছিয়ে নেই টাঙ্গাইলও। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৬ দফা দাবিতে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন কলেজের এইচএসসি ২০২৬ ব্যাচের পরীক্ষার্থীরা এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে। আজ দুপুরের দিকে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি জেলা সদর রোড, নিরালা মোড়, ভিক্টোরিয়া রোড, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড ও ঢাকা রোড গোডাউন বাজারসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কণ্ঠে "শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ করতে হবে করতে হবে", "আমাদের দাবি আমাদের দাবি মানতে হবে মানতে হবে", "শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি চলবে না চলবে না", এবং "আমার বোন কবরে খুনি কেন বাইরে" সহ বিভিন্ন ঝাঁঝালো স্লোগান প্রতিধ্বনিত হয়। ​শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বেলা আনুমানিক ১:২৫ ঘটিকার সময় বিক্ষোভ মিছিলটি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের আশেকপুর বাইপাস এলাকায় পৌঁছায় এবং শিক্ষার্থীরা মহাসড়কের ওপর বসে পড়ে উত্তরবঙ্গমুখী লেনটি সম্পূর্ণ অবরোধ করেন। শিক্ষার্থীদের আকস্মিক এই অবরোধের ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উত্তরবঙ্গগামী লেনে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং চরম যানজটের সৃষ্টি হয়, যার ফলে সাধারণ যাত্রী ও চালকেরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানান, বর্তমান শিক্ষা কারিকুলাম ও পরীক্ষা নিয়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার দায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় তথা শিক্ষামন্ত্রী এড়াতে পারেন না। তারা অভিযোগ করেন, শিক্ষা নিয়ে নোংরা রাজনীতি বন্ধ করতে হবে এবং সাম্প্রতিক সহিংসতায় নিহত সহপাঠীদের হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, আশেকপুর বাইপাস এলাকায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ কর্মসূচি ও বিক্ষোভ অবস্থান অব্যাহত রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শীর্ষ সপ্তাহ

গোপালপুরে সড়কের বেহাল দশা, রাস্তায় ধান রোপণ করে প্রতিবাদ।
গ্রাম বাংলার খবর

গোপালপুরে সড়কের বেহাল দশা, রাস্তায় ধান রোপণ করে প্রতিবাদ

রুবেল রানা আগস্ট ৯, ২০২৬ 0

ভোট জরিপ

আপনি কি আমাদের নিউজ কন্টেন্ট পছন্দ করেন?