আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে জাতিসংঘে প্রস্তাব ভেস্তে দিল রাশিয়া–চীনের ভেটো

reporter-icon
এইচ এম মেহেদী: Staff Reporter
এপ্রিল ৮, ২০২৬ | 0
উপসাগরীয় দেশের প্রস্তাবে ভেটো, হরমুজ প্রণালি নিয়ে উদ্যোগ ব্যর্থ
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ধাক্কা: হরমুজ ইস্যুতে প্রস্তাব আটকাল রাশিয়া-চীন

হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে আনা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব রাশিয়া ও চীনের ভেটোর কারণে বাতিল হয়ে গেছে। উপসাগরীয় দেশগুলোর পক্ষ থেকে উত্থাপিত এ প্রস্তাবটি পর্যাপ্ত সমর্থন পেলেও স্থায়ী সদস্যদের ভেটোর কারণে শেষ পর্যন্ত তা পাস হয়নি। খবর বিবিসির। নিরাপত্তা পরিষদের মোট ১১টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। তবে পাকিস্তান ও কলম্বিয়া ভোটদানে বিরত থাকে। পরিষদের স্থায়ী সদস্য চীন ও রাশিয়া ভেটো দেওয়ায় প্রস্তাবটি কার্যকর হতে পারেনি। জানা যায়, কয়েক সপ্তাহ ধরে দীর্ঘ আলোচনার পর প্রস্তাবটির খসড়া একাধিকবার সংশোধন করা হয়। প্রথমে এটি ‘চ্যাপ্টার সেভেন’-এর আওতায় ছিল, যেখানে প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। পরে সেই অংশটি বাদ দেওয়া হয়। এমনকি ‘প্রয়োজনীয় সব প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ’-সংক্রান্ত ধারাও চূড়ান্ত প্রস্তাব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত প্রস্তাবে শুধু প্রতিরক্ষামূলক প্রচেষ্টাকে জোরালোভাবে উৎসাহিত করার কথা রাখা হয়। এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ বিন রশিদ আল জায়ানি। ভোটের আগে তিনি বলেন, এই প্রস্তাব নতুন কোনো পরিস্থিতি তৈরি করছে না; বরং এটি ইরানের ধারাবাহিক বৈরী আচরণের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা বন্ধ করা জরুরি। উল্লেখ্য, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্য—যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন ও রাশিয়ার যে কোনো একটি দেশ ভেটো দিলে পরিষদের যেকোনো প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়।

Tags

হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে জাতিসংঘে প্রস্তাব ভেস্তে দিল রাশিয়া–চীনের
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

আন্তর্জাতিক

আরও পড়ুন
উপসাগরীয় দেশের প্রস্তাবে ভেটো, হরমুজ প্রণালি নিয়ে উদ্যোগ ব্যর্থ
হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে জাতিসংঘে প্রস্তাব ভেস্তে দিল রাশিয়া–চীনের ভেটো

হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে আনা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব রাশিয়া ও চীনের ভেটোর কারণে বাতিল হয়ে গেছে। উপসাগরীয় দেশগুলোর পক্ষ থেকে উত্থাপিত এ প্রস্তাবটি পর্যাপ্ত সমর্থন পেলেও স্থায়ী সদস্যদের ভেটোর কারণে শেষ পর্যন্ত তা পাস হয়নি। খবর বিবিসির। নিরাপত্তা পরিষদের মোট ১১টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। তবে পাকিস্তান ও কলম্বিয়া ভোটদানে বিরত থাকে। পরিষদের স্থায়ী সদস্য চীন ও রাশিয়া ভেটো দেওয়ায় প্রস্তাবটি কার্যকর হতে পারেনি। জানা যায়, কয়েক সপ্তাহ ধরে দীর্ঘ আলোচনার পর প্রস্তাবটির খসড়া একাধিকবার সংশোধন করা হয়। প্রথমে এটি ‘চ্যাপ্টার সেভেন’-এর আওতায় ছিল, যেখানে প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। পরে সেই অংশটি বাদ দেওয়া হয়। এমনকি ‘প্রয়োজনীয় সব প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ’-সংক্রান্ত ধারাও চূড়ান্ত প্রস্তাব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত প্রস্তাবে শুধু প্রতিরক্ষামূলক প্রচেষ্টাকে জোরালোভাবে উৎসাহিত করার কথা রাখা হয়। এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ বিন রশিদ আল জায়ানি। ভোটের আগে তিনি বলেন, এই প্রস্তাব নতুন কোনো পরিস্থিতি তৈরি করছে না; বরং এটি ইরানের ধারাবাহিক বৈরী আচরণের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা বন্ধ করা জরুরি। উল্লেখ্য, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্য—যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন ও রাশিয়ার যে কোনো একটি দেশ ভেটো দিলে পরিষদের যেকোনো প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়।

এপ্রিল ৮, ২০২৬ 0

দক্ষিণ লেবাননে আংশিক পিছু হটেছে ইসরায়েলি বাহিনী, সংঘাত আরও তীব্র

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী

উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হুমকিইরান চাইলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অস্ত্র দেবে পিয়ংইয়ং

ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি

ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি?আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় তেহরান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পদ সুপ্রিম লিডার হিসেবে মোজতবা খামেনি-এর নাম ঘিরে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। দেশটির দীর্ঘদিনের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-এর পর উত্তরসূরি হিসেবে তার পুত্র মোজতবা খামেনির নাম বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে উঠে এলেও এ বিষয়ে এখনো সরকারিভাবে স্পষ্ট ঘোষণা আসেনি।তেহরানের রাজনৈতিক অন্দরে গুঞ্জন রয়েছে ইরানের সংবিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনকারী সংস্থা Assembly of Experts নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণে বৈঠক করেছে। তবে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না আসায় বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।অস্থায়ী নেতৃত্ব ও ক্ষমতার ভারসাম্যবিশ্লেষকদের মতে সর্বোচ্চ নেতার পদ শূন্য হলে দেশ পরিচালনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে একটি অন্তর্বর্তী কাঠামো সক্রিয় থাকে। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকে বিচার বিভাগ প্রেসিডেন্ট এবং ধর্মীয় নেতৃত্বের প্রতিনিধিরা। ফলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগ পর্যন্ত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই তেহরানের প্রধান লক্ষ্য।মোজতবা খামেনি কে? মোজতবা খামেনি দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত এই আলেম সরাসরি কোনো নির্বাচিত পদে না থাকলেও দেশটির রক্ষণশীল মহলে তার প্রভাবের কথা বহুবার আলোচিত হয়েছে। বিশেষ করে নিরাপত্তা ও ধর্মীয় কাঠামোর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়। আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ামধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে ইরানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় সম্ভাব্য নেতৃত্ব পরিবর্তনকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও প্রতিবেশী দেশগুলো পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন নতুন নেতৃত্ব এলে পারমাণবিক চুক্তি আঞ্চলিক কূটনীতি এবং পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন নীতিগত অবস্থান দেখা যেতে পারে।আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষাতবে সবকিছুর কেন্দ্রে রয়েছে একটি প্রশ্ন—সরকারিভাবে কি মোজতবা খামেনিকেই সুপ্রিম লিডার ঘোষণা করা হবে? নাকি অন্য কোনো আলেমের নাম সামনে আসবে? তেহরান থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও কূটনৈতিক মহল এখন নজর রাখছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার ও ধর্মীয় পরিষদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিকে।পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল; নতুন যে কোনো সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

মার্চ ৪, ২০২৬ 0

এক ঘণ্টায় আট ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল যুক্তরাষ্ট্র

সৌদি আরবের আহ্বানে ইরানে হামলা?, আগাম বৈঠক শনাক্তের পর খামেনি নিহত

মার্কিন-ইরান সংঘাত: আঞ্চলিক মহাপ্রলয়ের আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্য

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে KOICA–কুমুদিনীর যৌথ উদ্যোগে ডায়াবেটিস–হাইপারটেনশন প্রকল্প পর্যালোচনা সভা
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে KOICA–কুমুদিনীর যৌথ উদ্যোগে ডায়াবেটিস–হাইপারটেনশন প্রকল্প পর্যালোচনা সভা

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস চিকিৎসা কার্যক্রমের অগ্রগতি ও কর্মক্ষমতা তুলে ধরে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে কোরিয়া আন্তর্জাতিক কো-অপারেশন এজেন্সি (KOICA), গ্লোবাল কেয়ার, পিএমসিআই ও কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের হলরুমে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিডিসি’র সাবেক লাইন ডাইরেক্টর প্রফেসর ডা. সৈয়দ জাকির হোসেন। তিনি বলেন, “দেশে অ-সংক্রামক ব্যাধি দ্রুত বাড়ছে। এমন সময়ে মাঠপর্যায়ে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনায় মির্জাপুরের এই প্রকল্প অন্য জেলাগুলোর জন্য রোল মডেল হতে পারে।” অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. আব্দুল হালিম। তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি রোগ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যকর্মী, স্থানীয় প্রশাসন ও কমিউনিটির সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দিতে হবে। কোরিয়া আন্তর্জাতিক কো-অপারেশন এজেন্সি (KOICA) মির্জাপুর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধ, স্ক্রিনিং, নিয়মিত ফলোআপ এবং রোগীদের জীবনযাপনগত পরিবর্তনে সহায়তা নিয়ে যে প্রকল্প চালাচ্ছে—সভায় এর কার্যক্রম, এখন পর্যন্ত অর্জিত সাফল্য, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় বক্তৃতা করেন কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অব বেঙ্গলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা, টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু, হার্ট ফাউন্ডেশনের চিকিৎসক ডা. আব্বাস ইবনে করিম, গ্লোবাল কেয়ার বাংলাদেশ’র প্রজেক্ট ম্যানেজার ডা. সেওনাঙ লিম, মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফরিদুল ইসলাম, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুদেব কর্মকার, ডা. পার্ক, ডা. নিপা কর্মকার, কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায়, ফিল্ড ম্যানেজার লিপুস মৃসহ আরও অনেকে। বক্তারা বলেন, মির্জাপুরে দীর্ঘমেয়াদি রোগ শনাক্তকরণ, চিকিৎসাসেবা বাড়ানো, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষায় উৎসাহিত করতে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে গ্রামীণ নারীদের মধ্যে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে এর প্রভাব উল্লেখযোগ্য। সভায় ভবিষ্যতে ইউনিয়ন-স্তরের স্বাস্থ্যকর্মীদের আরও প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল ডাটাবেস তৈরি, হেলথ ক্যাম্প বাড়ানো এবং রোগীদের জন্য নিয়মিত কাউন্সেলিং সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন—এই ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ ভবিষ্যতে মির্জাপুরসহ পুরো টাঙ্গাইল জেলায় দীর্ঘমেয়াদি রোগ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

ডিসেম্বর ৮, ২০২৫ 0

দিল্লির পর এবার জম্মু–কাশ্মীরে শক্তিশালী বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ৯

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে যুদ্ধের গন্ধ? | সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলায় উত্তেজনা চরমে

দিল্লির লালকেল্লার কাছে গাড়ি বিস্ফোরণে আগুন, মৃত্যু ১৩, আহত ৬

0 মন্তব্য