টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হাদিরা ইউনিয়নে যুব বিভাগের নতুন অফিসের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিতা কেটে অফিসের উদ্বোধন করেন জননেতা মাওলানা মোঃ হুমায়ুন কবির, যিনি টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের এমপি পদপ্রার্থী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর নেতৃবৃন্দের একজন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন যুব বিভাগের নেতাকর্মীরা। তারা বলেন, নতুন অফিস উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এলাকার যুব সমাজ আরও সংগঠিত হবে এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম আরও গতিশীলভাবে পরিচালিত হবে। এসময় এমপি পদপ্রার্থী মাওলানা মোঃ হুমায়ুন কবির বলেন, “যুবকদের দেশ ও সমাজ গঠনে ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সুসংগঠিত ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে এ ধরনের অফিস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” তিনি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও উপস্থিত সবার সাথে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠান শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অফিস উদ্বোধন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এ সমাবেশে স্থানীয় নেতাকর্মী, সুধীজন ও সাধারণ মানুষ ব্যাপক উপস্থিতি জানান। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ডা. একেএম আব্দুল হামিদ। দেলদুয়ার উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর আল মোমেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন টাঙ্গাইল–৬ আসনে জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা পরিচালক রাশেদুল হাসান এবং জামায়াতপ্রার্থী ডা. আব্দুল হামিদের ছেলে ব্যারিস্টার হাসনাত জামিল। সমাবেশে বক্তারা বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে বিজয়ী করা সময়ের দাবি। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দলের নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, জনগণের সমর্থনই হলো জামায়াতের সবচেয়ে বড় শক্তি। প্রধান অতিথি ডা. একেএম আব্দুল হামিদ তার বক্তব্যে বলেন,“আমি আশা করি আগামী নির্বাচনে দেলদুয়ার–নাগরপুরবাসী আমাকে তাদের সেবক হিসেবে নির্বাচিত করবেন। নির্বাচনী প্রচারণায় নানা বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও আমরা জনগণের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। জয়ী হলে জনগণের অধিকার ও উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব।” তিনি আরও বলেন,“এ অঞ্চলের অবহেলিত শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছি। নির্বাচিত হলে নাগরপুর–দেলদুয়ারকে উন্নয়নের নতুন মডেল হিসেবে গড়ে তুলবো।” সমাবেশ শেষে উপস্থিত নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণ শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে মিছিলসহকারে উপজেলা পরিষদ চত্বর ত্যাগ করেন।
জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে নানা ধরনের শঙ্কা তৈরি করা হচ্ছে মন্তব্য করে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, “এসব শঙ্কা দূর করে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া জরুরি। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এই পরিবেশ কোনোভাবেই নষ্ট করা যাবে না।” শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরে শ্রমিক, কৃষক, খেটে খাওয়া মানুষ ও নিপীড়িত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আয়োজিত ‘মাথাল মার্কার মিছিল’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “নির্বাচনের সঙ্গে রাজনৈতিক সংস্কার এখন অঙ্গাঅঙ্গিভাবে যুক্ত। সংস্কার করতে হলে ‘ভোট ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের’ নির্বাচন প্রয়োজন। এ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া ছাড়া গণতন্ত্রের সঠিক অগ্রযাত্রার বিকল্প নেই। এই নির্বাচন যাতে কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা বা ষড়যন্ত্রের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।” নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার অপচেষ্টার কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, “ফ্যাসিস্ট রাজনীতির ধারকরা বিভিন্নভাবে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। কিছু গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে রাজনৈতিক পরিবেশ অস্থিতিশীল করতে চাইছে। এসব অপচেষ্টা রুখে দিতে জনগণকে সজাগ থাকতে হবে।” এ সময় তিনি নির্বাচন কমিশন, সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে নির্বাচনসহ সার্বিক পরিস্থিতি দেখভালের জন্য একটি ‘পরিবেশ কমিটি’ গঠনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। মিছিলে সদর আসনের প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের সংগঠক ফাতেমা রহমান বীথি, সংগঠক তুষার আহমেদ, সদর উপজেলার সদস্য সচিব ফারজানা জেসমিনসহ স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা জীবিকার ন্যায্য হিস্যা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, এবং সংসদীয় সংস্কারের দাবিতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার প্রদর্শন করেন।
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থিতা ঘোষণার পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আহসান হাবীব মাসুদ তার প্রতিদ্বন্দ্বীকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তার এই উদার পদক্ষেপ রাজনৈতিক মহলে প্রশংসিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় ৩৬টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেন। টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে মনোনয়ন পান দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। মনোনয়ন ঘোষণার পর সন্ধ্যায় ফেসবুকে নিজের অফিসিয়াল পেইজে পোস্ট দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও জেলা কমিটির আমীর আহসান হাবীব মাসুদ। তিনি লিখেন, “অভিনন্দন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের জন্য।” এ পোস্টে তার অনুসারীরা ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মন্তব্য করেছেন। অনেকেই লিখেছেন, রাজনীতিতে এ ধরনের উদার ও শিষ্টাচার আচরণ সবার জন্য উদাহরণ হওয়া উচিত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনকালীন সময়ে প্রতিদ্বন্দ্বীকে শুভেচ্ছা জানানো একটি প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয়। এটি সাধারণ ভোটারদের মধ্যে রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রসার ঘটায় এবং মতবিরোধের মধ্যেও সহমর্মিতা ও শালীনতা বজায় রাখে। এদিকে, স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ জনগণও আহসান হাবীব মাসুদের এই পোস্টকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তাদের বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে সম্মান জানানো দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। এভাবে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে অভিনন্দন জানানোর ঘটনা টাঙ্গাইল-৫ আসনে আসন্ন নির্বাচনের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিএনপির ঘোষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী তালিকায় টাঙ্গাইল–৫ (সদর) আসনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেল পৌনে চারটায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন। এতে টাঙ্গাইল–৫ আসনের প্রার্থী হিসেবে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নাম ঘোষণা করা হয়। আজ শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে টাঙ্গাইল সদরবাসীর উদ্দেশ্যে এক আবেগঘন বার্তা প্রকাশ করেন। বার্তায় তিনি বলেন, “প্রিয় টাঙ্গাইল সদরবাসী, আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভালো এবং সুস্থ আছেন। আমি আপনাদের সন্তান, আপনাদের ভাই, বন্ধু এবং সহযোদ্ধা। আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় আপনারাই ছিলেন আমার শক্তি, অনুপ্রেরণা ও সহযাত্রী। অতীতে যেমন আপনাদের মতামত ও পরামর্শ নিয়েই সকল কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও আপনাদের সবার মতামত ও সহযোগিতা নিয়েই এগিয়ে যাবো, ইনশাআল্লাহ। মহান আল্লাহতালা আমাদের সকলের সহায় হোন। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।” ফরহাদ ইকবালের এই বার্তায় স্পষ্ট যে, তিনি মনোনয়ন না পাওয়ার পরও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করেননি এবং টাঙ্গাইল সদরবাসীর প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতার বিষয়টি প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, রাজনৈতিক পথচলায় স্থানীয় মানুষদের মতামত ও পরামর্শ তার জন্য সবসময় অনুপ্রেরণার উৎস ছিল। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফরহাদ ইকবালের এই সংযমী ও আবেগঘন প্রতিক্রিয়া দলীয় ঐক্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া এটি স্থানীয় জনমত ও ভবিষ্যতে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তার প্রভাবকে শক্তিশালী করার এক পথ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। টাঙ্গাইল–৫ আসনের মনোনয়নসংক্রান্ত এই ঘটনা স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। এখানকার রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ফরহাদ ইকবালের ব্যালান্সড এবং সম্মানজনক বার্তা দলকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে এবং নির্বাচনী প্রচারণায় একটি ইতিবাচক সংকেত পাঠায়।
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সদ্য ঘোষিত বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা মশাল মিছিল করেছেন। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই টাঙ্গাইল সদর বিএনপিতে বিরোধ, ক্ষোভ ও অস্থিরতা প্রকট হয়ে ওঠে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় শহরে উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশে এই মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মনোনয়ন প্রত্যাশী ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবালের সমর্থকরা শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে একত্রিত হন। পরে তারা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনার চত্বরে গিয়ে সমাবেশ করেন। পুরো মিছিলজুড়ে ‘টুকুর মনোনয়ন বাতিল চাই’, ‘ফরহাদ ইকবালকে মনোনয়ন দাও’, ‘সদরের প্রার্থী চাই’—এমন নানা স্লোগানে এলাকাজুড়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাদিউজ্জামান সোহেল, বিএনপি নেতা মামুন সরকার, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম স্বপন, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আবিদ হোসেনসহ আরও অনেকে। বক্তারা অভিযোগ করে বলেন,“দীর্ঘদিন ধরে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসাধীন। এ সুযোগে একটি সিন্ডিকেট নিজেদের স্বার্থে কয়েকটি আসনে ইচ্ছামতো মনোনয়ন ঘোষণা করেছে।টাঙ্গাইল সদরের জন্ম এমন কাউকে মনোনয়ন না দিয়ে বাইরে থেকে আসা ব্যক্তিকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে—যা কর্মীদের প্রতি অন্যায়।সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর মনোনয়ন আমরা মানি না, দ্রুত মনোনয়ন পরিবর্তন করে ফরহাদ ইকবালকে প্রার্থী করা হোক।” মশাল মিছিলে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে শতাধিক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নেতাকর্মীদের হাতে জ্বলন্ত মশাল, ব্যানার ও স্লোগানে শহরের পরিবেশে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অনেকেই অভিযোগ করেন, স্থানীয় জনমতের প্রতি গুরুত্ব না দিয়েই কেন্দ্রীয়ভাবে চাপিয়ে দেওয়া প্রার্থী সদর বিএনপির তৃণমূলকে হতাশ করেছে। বক্তারা কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন,“তৃণমূলের মতামত উপেক্ষা করা হলে নির্বাচন পরিচালনা করা কঠিন হবে। তাই অবিলম্বে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা করে ফরহাদ ইকবালকে টাঙ্গাইল-৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করতে হবে।”
টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমে উঠেছে। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু নাকি আহসান হাবীব মাসুদ ?টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমে উঠেছে। ধানের শীষে টুকু, দাঁড়িপাল্লায় মাসুদ টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে অবশেষে মনোনয়ন পেয়েছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তার মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় বিএনপি নেতা–কর্মীদের মধ্যে দেখা গেছে আনন্দ, উৎসাহ ও নব উদ্দীপনা। এদিকে একই আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের পক্ষ থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন আহসান হাবীব মাসুদ। ফলে দুই দলের প্রার্থীর মাঠে নামায় টাঙ্গাইল সদরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন—টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনটি বহুদিন ধরেই বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এ কারণে দলের জনপ্রিয় ও অভিজ্ঞ নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর মনোনয়ন কর্মী–সমর্থকদের উত্তেজনা ও আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়েছে। অন্যদিকে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীক এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা থাকলেও বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি ও জনভিত্তি তুলনামূলকভাবে বেশি বলেই মনে করছেন ধারণ ভোটাররা। বিএনপির প্রার্থী ঘোষণার পর স্থানীয় ভোটারদের মাঝে ধারণা—এই আসনে বিএনপির বিজয়ের সম্ভাবনা বেশ উজ্জ্বল। তবে জামায়াত কতটা চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। নির্বাচন ঘিরে উত্তাপ বাড়তে থাকলেও টাঙ্গাইল সদরের সাধারণ মানুষ শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটি নির্বাচন প্রত্যাশা করছেন। টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনে অবশেষে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মনোনয়ন পেয়েছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। দীর্ঘদিনের জল্পনা–কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিএনপি তাকে এই আসনের প্রার্থী ঘোষণা করলে এলাকাজুড়ে নেতা–কর্মীদের মধ্যে দেখা যায় উৎসাহ-উদ্দীপনা। অন্যদিকে একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী আহসান হাবীব মাসুদ। ফলে দুই দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টাঙ্গাইল সদরের রাজনৈতিক মাঠ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটারদের মতে, টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনে বিএনপির ব্যাপক জনপ্রিয়তা দীর্ঘদিনের। দলটি তাদের শক্ত ঘাঁটিতে যোগ্য প্রার্থী ঘোষণা করায় কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে। পক্ষান্তরে, জামায়াতে ইসলামের দাঁড়িপাল্লা প্রতীক গ্রহণযোগ্যতা থাকলেও বিএনপির সংগঠন ও জনভিত্তি তুলনামূলক বেশি শক্তিশালী বলেই মনে করছেন অনেকে। বিএনপির প্রার্থিতা ঘোষণার পর স্থানীয়দের ধারণা—এই আসনে বিএনপি বিজয়ের সম্ভাবনা খুবই উজ্জ্বল। এখন দেখার বিষয়, জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা কতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা সৃষ্টি করতে পারে এবং ভোটের মাঠে কতটা জনসমর্থন টানতে পারে। নির্বাচন ঘিরে টাঙ্গাইল সদরে উত্তাপ বাড়তে থাকলেও ভোটাররা শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটি নির্বাচনের প্রত্যাশা করছেন।
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে তিনি এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এ প্রসঙ্গে, টাঙ্গাইল জেলা জাতীয়তাবাদী ফোরাম (ইউকের) সভাপতি আবু ইউসুফ তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক শিবলী শহীদ খোশনবিশ মুক্তধ্বনি ডটকমকে জানান, “বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব অত্যন্ত যোগ্য একজন প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে। আমরা আশা করি টাঙ্গাইল-৫ আসনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিজয়ী হবেন এবং এলাকার মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবেন। আমরা তার সর্বাঙ্গীন শুভকামনা জানাই।”
বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলে ইমাম মুয়াজ্জিন পরিষদের উদ্যোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন এবং দেশনেত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল। তিনি তাঁর বক্তব্যে খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দেশবাসীর কাছে তাঁর জন্য দোয়া অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে টাঙ্গাইল শহর বিএনপি। নেতাকর্মীরা বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব আজও বাংলাদেশের রাজনীতিতে অবিস্মরণীয়। তাঁর সুস্থতা জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাহফিল শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে সমাপনী মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা জাতীয় পার্টির ৭৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আব্দুল আউয়াল তালুকদার এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আলআমিন হোসেন। গত ২৬ নভেম্বর টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে এই কমিটির অনুমোদন প্রদান করে। নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সোবহান আলী মীর, আবুল হোসেন, সামছুল হক মাস্টার, নূর আলী মেম্বার, খলিল ফরাজি ও আব্দুল মজিদ মিয়া। সহ-সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন লাল মাহমুদ, ফারুক তালুকদার ও বাদশা আলমগীর। দলের সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে কায়কোবাদ মিলনকে এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন কায়সার মিয়া। এছাড়া প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন আব্দুল বাতেন খান। অর্থ বিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে মোন্তাজ মিয়াকে এবং সহ-অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রফিক খান। কমিটির অনুমোদনের পর গত বুধবার (২৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় দেলদুয়ার উপজেলা সদরের মৌলভীপাড়ায় অবস্থিত জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে নতুন কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন নবনির্বাচিত সভাপতি আব্দুল আউয়াল তালুকদার। সভায় বক্তারা বলেন, নতুন কমিটির নেতৃত্বে দেলদুয়ার উপজেলা জাতীয় পার্টি আরও সুসংগঠিত হবে এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের নিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। তারা দলীয় আদর্শ বাস্তবায়ন ও জনসেবামূলক রাজনীতি এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পরিচিতি সভায় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থেকে নবগঠিত কমিটিকে অভিনন্দন জানান। সভা শেষে দলীয় কার্যালয়ে দোয়া অনুষ্ঠিত হয় এবং সবাই নতুন নেতৃত্বের সফলতা কামনা করেন।
গত ৩ ডিসেম্বর (বুধবার) বিকেল নাগাদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়া’র দ্রুত সুষ্ঠু চিকিৎসা ও সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল আয়োজন করে। এই দোয়া মাহফিলকে কেন্দ্র করে বরাবরই সাধারণভাবেই দলীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু — দোয়া মাহফিল শুরু হওয়ার আগেই রবিউল আওয়াল লাভলু’র কিছু সমর্থক এসে হট্টগোল শুরু করে। নির্বাচনী বেলাভ্যের কারণে, দোয়া-আয়োজনে তার নাম না থাকায় তারা প্রতিবাদ জানায়। এরপরই দোয়া মাহফিল বন্ধের দাবি জানানো হয়। পরে, ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয় থেকে জোর করে দোয়া-নেতাকর্মীদের বের করে দেওয়া হয়। ফলশ্রুতিতে, দোয়া মাহফিল কোনোভাবেই অনুষ্ঠিত হয়নি। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা এই ঘটনা দুঃখজনক বলে অভিহিত করেছেন। তাদের বক্তব্য — সারাদেশে দলের চেয়ারপার্সন হিসেবে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় আন্তরিক দোয়া থাকা উচিত, কিন্তু মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই দলীয় ঐক্য বিনষ্ট হয়েছে। সেই ভাঙনই এবার দোয়া মাহফিলেও দেখা মিলেছে। সলিমাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন পল বলেছেন, “দলে যারা যোগ দিয়েছে — তাদের মধ্যেই রয়েছে বিভাজন; কিছু মানুষ দানের নামে দোয়া আয়োজন করলেও, দলের মনোনীত প্রার্থীর নাম না থাকার কারণ দেখিয়ে অন্যরা প্রতিবাদ করেছে; ফলে দোয়া সম্ভব হয়নি।” অপর দিকে, রবিউল আওয়াল লাভলু জানিয়েছেন, “দোয়া মাহফিলের ব্যানারে যে ব্যক্তি পৃষ্ঠপোষক হিসেবে দেখানো ছিল — তার নাম ছিল তুহিন; যিনি দলের বিরোধী বলে আমার কর্মী-সমর্থকরা বিশ্বাস করে। তাই দোয়া-ব্যানারে তার নাম থাকলে, আমাদের সমর্থকরা স্বাভাবিকভাবেই প্রতিবাদ করবে।” এই ঘটনাকে বিএনপির স্থানীয় তৃণমূল তথা সাধারণ নেতাকর্মীরা দলীয় ঐক্য আনন্দঘন পরিবেশ বলে না, বরং “মোড়কবদল, ঘাঁটি দখল এবং মনোনয়ন আগ্রাসন” থেকে ঊদ্ভূত অন্যায় বিভাজন ও প্রতিযোগিতার অংশ মনে করছেন।
টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন দলটির উপজেলা শাখার ১নং যুগ্ম সম্পাদক ও দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কবির হাসান। সোমবার (১ ডিসেম্বর) টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবালের স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সখীপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাছেদ মাস্টার স্বেচ্ছায় তাঁর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম চলমান রাখতে এবং ইউনিটের নেতৃত্বে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উপজেলা বিএনপির ১নং যুগ্ম সম্পাদক কবির হাসানকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সিদ্ধান্তটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল–সখীপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস–চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খানের বিরুদ্ধে ‘আওয়ামী লীগ নেতাদের পুনর্বাসনসহ’ বিভিন্ন অভিযোগ এনে আব্দুল বাছেদ মাস্টার সম্প্রতি পদত্যাগ করেন। একই অভিযোগে আরও কয়েকজন স্থানীয় নেতাও দলীয় বিভিন্ন পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কবির হাসান বলেন, “দলের প্রতি দায়িত্বশীল থেকে সাংগঠনিক শক্তিশালীকরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রাখবো।” স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও নতুন নেতৃত্বকে ঘিরে ইতিবাচক সাড়া লক্ষ করা যাচ্ছে।
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে স্বতন্ত্র এমপি পদপ্রার্থী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত লে. কর্নেল আসাদুল ইসলাম আজাদ নির্বাচনী মতবিনিময় সভা করেছেন। রবিবার (১ ডিসেম্বর) রাতে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার নাগবাড়ী এলাকায় তার নতুন নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন শেষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় নেতা-কর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে কর্নেল আজাদ বলেন, “তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে মাদক। এই ভয়াল ছোবল থেকে তাদের রক্ষা করতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ও সুস্থ বিনোদনের বিকল্প নেই। পাশাপাশি আধুনিক ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষার বিকল্পও নেই।” তিনি আরও বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার উন্নয়নই হবে তার নির্বাচনী অঙ্গীকার। মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন—মধুপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম মাসুদ, উপজেলা বিএনপির মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক নূরুল আলম মেম্বার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ও সাবেক ইউপি সদস্য হাফিজুর রহমান, যুবদল নেতা মিনহাজ হোসেন এবং ছাত্রদল নেতা মোজাম্মেল হোসেন। সভায় মধুপুর উপজেলা, পৌরসভা, বিভিন্ন ইউনিয়নসহ ধনবাড়ী-মধুপুর অঞ্চলের কর্নেল আজাদ সমর্থক গোষ্ঠীর বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উচ্ছ্বাস ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।
সাজিদ পিয়াল:বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ১৭ নং ওয়ার্ড, টাঙ্গাইল শহর শাখার মতবিনিময় সভা-২০২৫ অনুষ্ঠিত। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ১৭ নং ওয়ার্ড, টাঙ্গাইল শহর শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে মতবিনিময় সভা-২০২৫। সভায় রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় বিষয় নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী ও টাঙ্গাইল জেলা আমীর আহসান হাবিব মাসুদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ শহিদুল ইসলাম, জেলা সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও টাঙ্গাইল সদর আসন পরিচালক এবং অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী, টাঙ্গাইল শহর শাখার আমীর। সভাপতিত্ব করেন মাস্টার মোঃ রফিকুল ইসলাম, ১৭ নং ওয়ার্ড, টাঙ্গাইল শহর শাখার আমীর। সভায় স্থানীয় উন্নয়ন, সম্প্রদায়িক সহমত, এবং রাজনৈতিক উদ্যোগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় টাঙ্গাইলে খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় টাঙ্গাইল শহর বিএনপির উদ্যোগে খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৩০ নভেম্বর ২০২৫) সকাল থেকে কেন্দ্রীয় গোরস্থানস্থ জামিয়া ইসলামিয়া দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা মাঠে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া শহর বিএনপি, থানা বিএনপি, পৌর বিএনপি এবং বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য, সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। মাহফিল শেষে অসুস্থ নেত্রীর শিগগির সুস্থতা প্রত্যাশা করে সবাইকে দোয়া চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বৃহৎ পরিসরে গণদোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে গোহালিয়াবাড়ী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অনুষ্ঠিত এ গণদোয়ায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে দলে দলে নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত হয়ে অংশ নেন। গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে এবং বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজীর আহমেদ টিটোর পক্ষ থেকে আয়োজন করা এ অনুষ্ঠানে এলাকাজুড়ে ছিল স্বতঃস্ফূর্ততার ছাপ। সরাসরি উপস্থিত থাকতে না পারলেও বেনজীর আহমেদ টিটো মুঠোফোনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে গণদোয়ায় অংশগ্রহণকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতার জন্য আমাদের সম্মিলিত দোয়া অত্যন্ত জরুরি। সবাই তাঁর আরোগ্যের জন্য আন্তরিকভাবে প্রার্থনা করবেন।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কালিহাতী উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম শোভা, সিনিয়র সহ-সভাপতি মজনু মিয়া, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম (ভিপি রফিক), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান বালা ও শামীম প্রামাণিক, সাংগঠনিক সম্পাদক আতোয়ার রহমান তালুকদার লিটন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন মোল্লা, ভারপ্রাপ্ত সদস্য ও ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব হাসমত আলী রেজা। এছাড়াও গণদোয়ায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির দক্ষিণ আফ্রিকা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী লিটন, প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক লুৎফর রহমান লেলিন, কালিহাতী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ওয়াদুদ তৌহিদ, এলেঙ্গা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ মিনু, পাইকড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিনসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা আজ দেশে গণমানুষের প্রত্যাশা। তাঁকে ভালোবাসেন দেশের আপামর জনতা। তাই তাঁর রোগমুক্তি কামনায় আজকের এই গণদোয়া মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধারই প্রতিফলন। তারা আরও বলেন, দলের নেত্রী সুস্থ হয়ে আবার রাজপথে ফিরে আসবেন—এটাই সবার কামনা। গণদোয়া ও মোনাজাতে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি, দেশের শান্তি ও কল্যাণ কামনা করা হয়। পরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দোয়া মাহফিলের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীর সমর্থনে সহস্রাধিক মোটরসাইকেলের শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে মধুপুর উপজেলা বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হয়ে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এই শোভাযাত্রা। স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা হাততালি, শ্লোগান ও মোটরসাইকেলের হর্নে মুখরিত হয়ে ওঠে। নেতাকর্মীরা বলেন—এই শোডাউনই প্রমাণ করে মধুপুর-ধনবাড়ীতে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীই তৃণমূলে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থী। শোভাযাত্রায় অংশ নেন—মধুপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন খান বাবল,সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদ সরকার, সদস্য আনোয়ার হোসেন,শোলাকুড়ি ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান হবিবর রহমান,পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ পান্না,উপজেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক আব্দুল মান্নান, ধনবাড়ী উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শাজাহান আলী,মধুপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন অর রশীদ,মধুপুর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মানিক মিয়া। এছাড়াও দলীয় বিভিন্ন স্তরের হাজারো নেতাকর্মী শোভাযাত্রায় যোগ দেন।শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, “ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এই এলাকার সন্তান নন। তিনি শুধু নির্বাচনের সময়েই এলাকায় আসেন। দলের মনোনয়ন পেয়ে দুইবার নির্বাচনে অংশ নিয়েও পরাজিত হয়েছেন।” বক্তারা বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় টাঙ্গাইল-১ আসনে বিজয় নিশ্চিত করতে হলে স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য ও পরীক্ষিত নেতা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীকেই মনোনয়ন দিতে হবে। এজন্য তারা দলীয় হাইকমান্ডের কাছে স্বপন ফকিরের পরিবর্তে মোহাম্মদ আলীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়ার জোর দাবি জানান।সমাবেশে আরও বলা হয়—অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি তৃণমূলে শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তুলেছেন। তার নেতৃত্বে মধুপুর-ধনবাড়ীতে বিএনপি সুসংগঠিত হয়েছে। ফলে আসন্ন নির্বাচনে এ আসন পুনরুদ্ধারের জন্য তিনিই সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থী।
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে মনোনয়নকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ। টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর জের ধরে শুক্রবার বিকেলে পৌর এলাকা সংলগ্ন কুটিলপাড়া বাজারে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ঘটনাস্থল ও স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, একটি প্রভাবশালী পক্ষের সমর্থকরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার তৈরি হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। উভয়পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠিসোটা নিয়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলে প্রায় ১৫ মিনিট। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে তিনজনকে দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করে। দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “মনোনয়নকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মাঝে ভুল বোঝাবুঝি থেকে সংঘর্ষ হয়েছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনী উত্তাপ বাড়ার ফলে এলাকায় উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের তৎপরতা প্রয়োজন বলে তারা মন্তব্য করেছেন।
সাজিদ পিয়াল:টাঙ্গাইলে খন্দকার আহমেদুল হক সাতিলের উদ্যোগে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় টাঙ্গাইলে বিশাল দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারপার্সন, তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও রোগমুক্তি কামনায় টাঙ্গাইলে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক আবেগঘন ও মহাসমারোহপূর্ণ দোয়া মাহফিল। টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ খন্দকার আহমেদুল হক সাতিলের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। মাহফিলস্থলে দুপুর থেকেই বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে সমবেত হতে থাকেন নেতাকর্মী, সমর্থক, নারী-পুরুষসহ সর্বস্তরের মানুষ। তাদের আগমনে পুরো অনুষ্ঠানস্থল পরিণত হয় প্রার্থনার আবেগঘন পরিবেশে। অনুষ্ঠানে ছিল দলের শীর্ষস্থানীয় নেতা, যুবদল–স্বেচ্ছাসেবকদল–ছাত্রদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সরব অংশগ্রহণ। দীর্ঘদিন ধরে নানা জটিল রোগে আক্রান্ত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় বক্তারা বলেন— “খালেদা জিয়ার সুস্থতা শুধু একজন নেত্রীর ব্যক্তিগত বিষয় নয়; এটি পুরো জাতির গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তিনি সুস্থ হয়ে উঠলে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন নতুন গতি পাবে।” অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, দেশনেত্রীর নেতৃত্বই দেশের মানুষের আশার আলো; তাঁর সক্রিয় ভূমিকা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনকে শক্তিশালী করে। আয়োজক খন্দকার আহমেদুল হক সাতিল তার বক্তব্যে বলেন— দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আমাদের হৃদয়ের প্রিয় মানুষ। তাঁর অসুস্থতা আমাদের সকলের কষ্টের কারণ। আমরা বিশ্বাস করি, আল্লাহর রহমতে তিনি খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। সেই কামনায় আজকের এই দোয়া মাহফিল।” তিনি আরও বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে খালেদা জিয়ার অবদান অনস্বীকার্য। তার সুস্থতা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারের জন্য অপরিহার্য।মোনাজাতে অংশ নেয় হাজারো মানুষমাহফিলের শেষে দেশ, জাতি, জনগণের শান্তি ও সমৃদ্ধি এবং বিশেষভাবে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য,দীর্ঘায়ুএবং দ্রুত আরোগ্য কামনায় এক হৃদয়স্পর্শী মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।মোনাজাতে হাজারো মানুষের কণ্ঠে একই প্রার্থনা—“হে আল্লাহ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সুস্থ করে দিন।”
বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি মাঠে নেমে কাজ করছে। টাঙ্গাইল সদরের প্রতিটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও এলাকায় মানুষের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘‘জনগণ ধানের শীষের পক্ষে রয়েছে। ইনশাআল্লাহ আগামী নির্বাচনে আমরা বিজয় অর্জন করতে সক্ষম হবো।” শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) জুমার নামাজ শেষে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি। টুকু আরও বলেন, ‘‘বেগম খালেদা জিয়া দেশের মানুষের অধিকার রক্ষায় আজীবন সংগ্রাম করেছেন। তিনি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। আজ সেই জনপ্রিয় নেত্রী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বহু বছর ধরে তিনি অন্যায়ভাবে কারাবন্দী ছিলেন এবং নানা ধরনের অমানবিক আচরণের শিকার হয়েছেন—এ অভিযোগ আমরা বহুবার জানিয়েছি।” তিনি বলেন, ‘‘খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং উন্নত চিকিৎসার দাবিতে দলীয়ভাবে আন্দোলন চলছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে। জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিএনপি সবসময় মাঠে থাকবে।’ এ সময় বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। দোয়া মাহফিলে খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা, দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বিএনপির ভুল প্রার্থী মনোনয়নের কারণেই বিগত কয়েকটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটি পরাজিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী সাইদুর রহমান সাইদ সোহরাব। তিনি বলেন, “এবার যেন অতীতের পুনরাবৃত্তি না ঘটে; সঠিক ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী নিশ্চিত করতে চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণার আগ পর্যন্ত আমাদের দাবি অব্যাহত থাকবে।” বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাতে মির্জাপুর প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সাইদ সোহরাব আরও বলেন, “এই আসনটি একসময় বিএনপির শক্ত ঘাঁটি ছিল। কিন্তু ১৯৯৬ সালের পর বিশেষ করে ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে ভুল প্রার্থী নির্বাচনের কারণে বিএনপিকে পরাজয়ের মুখ দেখতে হয়েছে। তাই আজ মির্জাপুরের সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে নেতৃত্ব—সবার দাবি একটাই, প্রার্থী পরিবর্তন।” মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন— লতিফপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী হোসেন রনি, ভাওড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান, মির্জাপুর বিআরডিবির পরিচালক মাহফুজ মল্লিক টিপু, মির্জাপুর পৌর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি হাজী সোহরাব, উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম মৃধা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক মোবারক হোসেন, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক হামিদুর রহমান লাঠু, পৌর কৃষকদলের আহ্বায়ক মান্নান খান মান্না, উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক হাশেম রেজা, সদস্য সচিব লেহাজসহ স্থানীয় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইল-৭ আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক দুই বারের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী। মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে মনোনয়ন রিভিউয়ের দাবিতে সভা-সমাবেশ চালিয়ে যাচ্ছেন সাইদুর রহমান সাইদ সোহরাব ও তার সমর্থকরা।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
বাংলাদেশের বৃহৎ এনজিও সংস্থা "আশা"এর উদ্যোগে হয়ে গেল ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন যেখানে ফ্রিতে চিকিৎসা দেওয়া হয় এলাকার বিভিন্ন পেশাজীবী এবং কর্মজীবী মানুষের মধ্যে। ২৪ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার সোনামুই গ্রামে সকাল থেকে এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন করা হয় আশায় এনজিও হেমনগর শাখার উদ্যোগে এটি বাস্তবায়িত করা হয়। উক্ত ক্যাম্পেইনে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যকর্মী এবং মেডিকেল অফিসারসহ অন্যান্য সেবিকারা। আশা এনজিও কর্তৃক ক্যাম্পেইনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন "আশা" হেমনগর ব্রাঞ্চের পক্ষথেকে আশা এনজিওর এই ক্যাম্পেইনে গ্রামের সকল পেশাজীবীর মানুষেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ক্যাম্পেইনটিতে অংশগ্রহণ করেন এবং তারই মাধ্যমে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সঠিক ভাবে নিরূপণ করতে সহযোগিতা করেন। আশা এনজিওর মাধ্যমে ক্যাম্পেইন করে মানুষের জন্য সময় উপযোগী এবং প্রয়োজনীয় একটি বিষয় হয়ে দাঁড়াবে যেটি গ্রামের মানুষের মধ্যে সচেতনতা এবং স্বাস্থ্য সঠিকভাবে পর্যালোচনা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই উদ্যোগে এলাকাবাসী অত্যন্ত প্রাণবন্ত ভাবে উৎফুল্ল প্রকাশ করেছে। উক্ত ক্যাম্পেইনে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিকবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ। এবং তাদের ক্যাম্পেইন ডাক্তার সঠিকভাবে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেছে। আশা এনজিও আগামী দিনগুলোর জন্য এইরকম ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন মানুষের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি ধাপ হিসাবে গণ্য হবে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবকদল সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লা পাড়া ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে সদর উপজেলার স্থানীয় বেতগঞ্জ বাজাএই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আবুল কাশেম দুলু সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব এডভোকেট দীপংঙ্কর বনিক সুজিতের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক মনাজ্জির হোসেন। সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক সুহেল মিয়া, শাহজাহান মিয়া, এডভোকেট আব্দুল আহাদ জুয়েল, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক মুজাব্বির হোসেন অপু, ইমরান হোসেন শ্যামল, বিপ্লব খান, মো:শামিম আহমদ, সেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক সাদিকুর রহমান চৌধুরী, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আতাউর চৌধুরী শাহীন প্রমুখ। এ ছাড়া ও উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার আলম, লিয়াকত আলী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আতহাব চৌধুরী হাসান, শাখাওয়াত হোসেন পলাশ, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমন আহমেদ, ফয়সাল আহমেদ, মিছবাহ হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মহিম উদ্দিন, জেলা যুবদলের সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মঈনুদ্দিন আহমেদ রিপন,সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আব্দুল কাইয়ুম সৌরভ, বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম, ময়না মিয়া,স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রুজেল আহমেদ, আবুল হাসনাত, জেলা ছাত্রদল নেতা ইয়াহিয়া হাসান প্রমুখ। এ সময় সদর উপজেলা ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন,বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের দুঃসময়ে যারা রাজপথে নির্যাতিত ও নিপিিতড় হয়েছেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়নের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতের ইউনিয়ন কমিটি গঠন করতে হবে। আওয়ামী লীগ ঘেঁষা বা ফ্যাসিস্টদের সাথে সম্পৃক্ত কোনো ব্যক্তিকে কমিটিতে রাখা যাবে না বলেও তারা দাবি জানান। দুর্দিনে যারা আন্দোলন সংগ্রামে ছিলেন তাদেরকে কমিটিতে মুল্যায়ন করা হবে। তারা বলেন,সুনামগঞ্জে জাতীয়তাবাদি শক্তির প্রাণপূরুষ এবং বিগত স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে জেল জুলুম,হুলিয়া মাথায় নিয়ে এই সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা কেবল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক ও বর্তূমান জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৪(সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুলের নেতৃত্বে আমরা রাজপথে ছিলাম এবং আগামী নির্বাচনে এই আসনে জনপ্রিয় ধানের শীষের প্রার্থী একমাত্র নুরুল ইসলাম নুরুলকে বিএনপির প্রার্থী করতে দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া,ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নিকট তৃণমূলের নেতৃবৃন্দরা জোর দাবী জানান।
(২২ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার পার্ক বাজার সংলগ্ন গৌর ঘোষ দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল। তিনি তার বিশেষ মনিটরিং টিম নিয়ে দোকানে থাকা দইয়ের উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ না থাকা, বেশ কিছু পরিমাণ পচে যাওয়া দই দোকানে সংরক্ষণ করা এবং মিষ্টান্ন তৈরীর বড় কড়াইয়ে টিকটিকির মল পাওয়ার দায়ে টাঙ্গাইলের গৌর ঘোষ দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, গৌর ঘোষ দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলে, আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবেন। অভিযানে পৌর স্যানেটারি ইন্সপেক্টর ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ প্রসঙ্গে গৌর ঘোষ দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী স্বপ্নন কুমার ঘোষ জানান, সাধারণত তিনি খুচরা ভাবে দধি বিক্রি করে থাকেন। ফলে তৈরিকৃত দধিতে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেওয়া সম্ভব হয় না। তবে এখন থেকে দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত পচে যাওয়া দধিগুলো ফেলে দেওয়ার জন্য রাখা হয়েছিল। এছাড়া যে মিষ্টি তৈরীর বড় কড়াইয়ে টিকটিকির মল হাওয়া গেছে, সেটি বর্তমানে মিষ্টি তৈরীর কাজে ব্যাবহার করা হচ্ছে না। আমরা সবসময় চেষ্টাকরি গ্রাহককে সর্বোচ্চ মানের দধি ও মিষ্টান্ন সরবরাহ করার।
তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।