মাদক ইভটিজিং অনলাইন জুয়া ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা টাঙ্গাইলে মাদক, ইভটিজিং অনলাইন জুয়া ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। টাঙ্গাইলের কালিহাতী থানাধীন পারখী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আওলিয়াবাদ বাজারে মাদক ইভটিজিং অনলাইন জুয়া বাল্যবিবাহ, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসবিরোধী জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।পারখী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কাইয়ুম খান সিদ্দিকী।সভায় প্রধান অতিথি মাদক,ইভটিজিং,অনলাইন জুয়া,বাল্যবিবাহ কিশোর গ্যাং চাঁদাবাজি ও অন্যান্য সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি পুলিশ ও জনগণের সমন্বিত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধ ও দমন কার্যক্রম আরও কার্যকর করার আহ্বান জানান। ওসি মো. কাইয়ুম খান সিদ্দিকী বলেন একটি নিরাপদ শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ জনগণেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য তিনি স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানান।সভায় পারখী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দা জনপ্রতিনিধি গণ্যমান্য ব্যক্তি স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
ময়মনসিংহে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার রোধে করণীয় নিয়ে আলোচনা সভা ময়মনসিংহে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার বিস্তারের প্রেক্ষাপটে করণীয় নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য অপপ্রচার ও গুজব প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।একই ভেন্যুতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভাও অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়ন জনসেবা নিশ্চিতকরণ এবং সমন্বিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সভাদ্বয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব ইয়াসের খান চৌধুরী, এমপি। এতে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ সাইফুর রহমান।আলোচনা সভায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করা এবং গুজব ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
টাঙ্গাইলে জেলা সড়ক নিরাপত্তা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলে জেলা সড়ক নিরাপত্তা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শরীফা হক।সভায় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। সভায় জেলার সড়ক নিরাপত্তা পরিস্থিতি যানজট নিরসন যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ এবং মহাসড়কে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।সভায় সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা দুর্ঘটনা কমানো এবং জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে প্রয়োজনীয় কৌশল ও করণীয় নিয়েও মতবিনিময় করেন সংশ্লিষ্টরা।সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকগণ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিবৃন্দ পরিবহন সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জেলা সড়ক নিরাপত্তা কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের জুলাই ২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুলিশ সুপারের কার্যালয় টাঙ্গাইলের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার।সভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিট পুলিশিং কার্যক্রম, গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল, স্পর্শকাতর মামলার অগ্রগতি, গোয়েন্দা কার্যক্রম, নিরাপত্তা জোরদার এবং সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে সকল পুলিশ সদস্যকে দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং কার্যক্রম আরও জোরদারের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।মাদক, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, অনলাইন জুয়া, কিশোর গ্যাং, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদার করার পাশাপাশি গ্রেফতারি পরোয়ানা দ্রুত তামিলের জন্য থানার অফিসার ইনচার্জদের বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন পুলিশ সুপার।সভায় জনাব মোঃ রবিউল ইসলাম পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), জনাব মোঃ আদিবুল ইসলাম পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্), জেলার সকল সার্কেল কর্মকর্তা এবং পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মাদক জঙ্গিবাদ ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে ঘাটাইল-গোপালপুরে কমিউনিটি পুলিশিং সভা টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ও গোপালপুর থানার উদ্যোগে মাদক জঙ্গিবাদ সন্ত্রাস কিশোর গ্যাং আত্মহত্যা প্রতিরোধ বাল্যবিবাহ ইভটিজিং ও নারী নির্যাতনবিরোধী জনসচেতনতামূলক কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।ঘাটাইল থানাধীন রসুলপুর মাস্টার মোড় এবং গোপালপুর থানাধীন ডুবাইল বাজারে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোপালপুর সার্কেল) ফৌজিয়া হাবিব খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন।সভায় বক্তারা মাদক জঙ্গিবাদ সন্ত্রাস কিশোর গ্যাং আত্মহত্যা বাল্যবিবাহ ইভটিজিং নারী নির্যাতনঅনলাইন জুয়া চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন পুলিশ ও জনগণের সমন্বিত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরও কার্যকর করা সম্ভব। তিনি একটি নিরাপদ শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে রসুলপুর ও ডুবাইল এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা জনপ্রতিনিধি গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
ময়মনসিংহে প্রাক-বহির্গমন প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠিত দালালচক্র থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান ময়মনসিংহে বিদেশগমনেচ্ছু কর্মীদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত "প্রাক-বহির্গমন প্রশিক্ষণ" কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বৈধ উপায়ে বিদেশ গমন এবং দালালচক্রের প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই ২০২৬) জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, ময়মনসিংহের আয়োজনে টিটিসি হলরুমে এ সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, ময়মনসিংহের সহকারী পরিচালক মোঃ লেহাজ উদ্দিন।প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বিদেশগমনেচ্ছু কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের দালালচক্রের প্রলোভনে পা দেওয়া যাবে না। বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে, সরকারি অনুমোদিত চ্যানেলের মাধ্যমে বিদেশে গেলে প্রতারণার ঝুঁকি কমে এবং নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত হয়।অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের নিরাপদ অভিবাসন, বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ আইনগত প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পর্কে বিভিন্ন সচেতনতামূলক পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসন ও জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস জানিয়েছে দক্ষ সচেতন ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ব্যাংক লিটারেসি ও ব্যবসায় এআই ব্যবহারে টাঙ্গাইলে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু নারী উদ্যোক্তাদের ব্যাংকিং জ্ঞান বৃদ্ধি এবং ব্যবসায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে টাঙ্গাইলে দুই দিনব্যাপী ব্যাংক লিটারেসি ও ব্যবসায় এআই ব্যবহারের উপর প্রশিক্ষণ ও পণ্য প্রদর্শনী শুরু হয়েছে।বুধবার (২২ জুলাই) টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। দুই দিনব্যাপী এ আয়োজন ২২ ও ২৩ জুলাই প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে।প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে তৃণমূল নারী উদ্যোক্তা সোসাইটি (গ্রাসরুটস)। এতে পৃষ্ঠপোষকতা করছে ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি (ইবিএল উইমেন ব্যাংকিং)।প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ আর্থিক ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল লেনদেন ব্যবসায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের কৌশল অনলাইন বিপণন এবং আধুনিক ব্যবসা পরিচালনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্যের প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়েছে যেখানে তারা নিজেদের পণ্য প্রদর্শন ও সম্ভাব্য ক্রেতাদের কাছে তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন।আয়োজকদের মতে নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা এবং প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা তৈরিতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং সেবার সঙ্গে উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণেও এ উদ্যোগ ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
ধনবাড়ীতে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায় সার্বিক আইন-শৃঙ্খলাপরিস্থিতিরউন্নয়নজননিরাপত্তানিশ্চিতকরণ এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় ধনবাড়ী উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিস নুরজাহান আক্তার সাথী।সভায় উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় অপরাধ দমন মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।এছাড়া সভায় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা নিজ নিজ বিভাগের চলমান কার্যক্রম উপস্থাপন করেন। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে সদস্যরা বিভিন্ন গঠনমূলক মতামত ও সুপারিশ প্রদান করেন।সভায় উপজেলা প্রশাসন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে জনস্বার্থে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখতে সকলের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
টাঙ্গাইলে বিট পুলিশিং বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মাদক, ইভটিজিং কিশোর গ্যাং ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিট পুলিশিং সংক্রান্ত এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচ.এম.মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন মাদক কিশোর গ্যাং ইভটিজিং এবং অনলাইন জুয়ার মতো সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয় এ ক্ষেত্রে পুলিশ ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ অপরিহার্য। বিট পুলিশিং কার্যক্রমের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দেওয়া স্থানীয় সমস্যাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধান করা এবং নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন।
মধুপুর পৌরসভার ৮৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮৭ কোটি ৩৪ লাখ ৫৯ হাজার ৩০২ টাকা ৭৬ পয়সার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।বুধবার (২৪ জুন) দুপুর ১২টায় মধুপুর পৌর ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত বাজেট অধিবেশনে এ বাজেট ঘোষণা করেন মধুপুর পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জুবায়ের হোসেন।বাজেট ঘোষণাকালে পৌরসভার সহায়তা কমিটির সদস্য শহর সমন্বয় কমিটির সদস্যবৃন্দ সচেতন নাগরিক বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।বাজেট অধিবেশনে পৌর এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সড়ক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মসূচির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।মধুপুর পৌর কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করে যে প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে পৌর এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে।
অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ১৫ দিনব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন টাঙ্গাইলে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কার্যক্রমের আওতায় বেসিক কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বিষয়ক ১৫ দিনব্যাপী দক্ষতা প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে।বুধবার (২৪ জুন ২০২৬) জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন শরীফা হক জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট টাঙ্গাইল।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর সদস্যদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষ করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা বলেন বর্তমান যুগে কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে কম্পিউটার জ্ঞান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রশিক্ষণ অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানান ১৫ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের বেসিক কম্পিউটার পরিচালনা অফিস অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের কৌশলসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় বিষয় সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
টাঙ্গাইলে জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলে জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির জুন ২০২৬ মাসের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২১ জুন) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক, টাঙ্গাইল।সভায় জেলার সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি, সরকারি দপ্তরসমূহের চলমান কার্যক্রম এবং জনসেবার মানোন্নয়ন বিষয়ক বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা,স্বাস্থ্য কৃষি স্থানীয় সরকার, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ নিজ নিজ বিভাগের কার্যক্রম, অর্জন, সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়ে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জনবান্ধব ও স্বচ্ছ প্রশাসনিক কার্যক্রম নিশ্চিত করার পাশাপাশি চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা প্রদান করেন।এ সময় উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ সরকারি সেবার গুণগত মান বৃদ্ধি, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কার্যকর সেবা প্রদান এবং বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় জেলার সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করতে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ধনবাড়ীতে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে ধনবাড়ী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূরজাহান আক্তার সাথী। সভায় উপস্থিত ছিলেন ধনবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুরুল ইসলাম সিদ্দিক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মামুন হাসান, ধনবাড়ী পৌর বিএনপির সভাপতি এস.এম.এ. ছোবাহান, উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং ধনবাড়ী উপজেলা মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইমাম হাসান সোহানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা। সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে মাদক নির্মূলে প্রশাসনকে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার বিষয়ে কমিটির সদস্যরা দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ধনবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল ইসলাম সিদ্দিক সভায় উপস্থিত সদস্যদের বিভিন্ন অভিযোগ ও পরামর্শ মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, জনগণের সহযোগিতা পেলে মাদক, সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধ দমনে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে।সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরজাহান আক্তার সাথী পূর্ববর্তী মাসিক সভায় উত্থাপিত অভিযোগ ও সমস্যাগুলোর অগ্রগতি এবং এ বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপের বিস্তারিত তুলে ধরেন। পাশাপাশি বর্তমান সভায় উপস্থাপিত অভিযোগ ও সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। সভায় অংশগ্রহণকারীরা উপজেলার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসন ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পাথালিয়ায় ওপেন হাউজ ডে ও বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত জামালপুর সদর থানাধীন পৌরসভার পাথালিয়া গুয়াবাড়িয়া এলাকায় বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওপেন হাউজ ডে ও বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (১৫ জুন) ‘আমার পুলিশ, আমার দেশ সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ১নং বিট পাথালিয়ার উদ্যোগে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোছাঃ ফারহানা ইয়াসমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইয়াহিয়া আল মামুন মোঃ রাকিবুল ইসলাম এবং এম. এ. ফয়সাল।সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মোঃ নাজমুস সাকিব।প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন বিট পুলিশিংয়ের মূল লক্ষ্য হলো জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থা ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা। তিনি মাদক, বাল্যবিবাহ নারী ও শিশু নির্যাতন, কিশোর গ্যাং এবং সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি নারী প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সামাজিক সমস্যা ও জননিরাপত্তা বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন এবং পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
মধুপুরে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য এআই ও সাইবার সিকিউরিটি সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন টাঙ্গাইলের মধুপুরে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল দক্ষতা ও প্রযুক্তি বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ও সাইবার সিকিউরিটি সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় মাননীয় মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এমপি’র বিশেষ উদ্যোগে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার প্রযুক্তির ইতিবাচক প্রয়োগ, অনলাইন নিরাপত্তা সাইবার অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা এবং ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়। আয়োজকরা জানান বর্তমান ডিজিটাল যুগে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি-জ্ঞানসম্পন্ন ও সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতন করে গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।বক্তারা বলেন প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদেরও আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতায় সমৃদ্ধ করতে হবে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা ও কর্মজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।স্থানীয় শিক্ষার্থী অভিভাবক শিক্ষক ও বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চলাকালে অংশগ্রহণকারীদের হাতে প্রয়োজনীয় শিক্ষাসামগ্রীও বিতরণ করা হয়।
বাসাইলে প্রান্তিক নারীদের মাঝে উন্নত জাতের হাঁসের বাচ্চা বিতরণ ও প্রশিক্ষণ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় প্রান্তিক নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও স্বাবলম্বী করে তুলতে উন্নত জাতের হাঁসের বাচ্চা বিতরণ এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা BRAC-এর মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ২৫ জন প্রান্তিক নারীর মাঝে বিনামূল্যে ২৫০টি উন্নত জাতের হাঁসের বাচ্চা বিতরণ করা হয়।সোমবার দুপুরে বাসাইল ব্র্যাক কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি সুবিধাভোগী পরিবারকে ১০টি করে হাঁসের বাচ্চা প্রদান করা হয় যা তাদের পারিবারিক আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ মোঃ হীরা মিয়া। তিনি সুবিধাভোগী নারীদের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে হাঁস পালন রোগবালাই প্রতিরোধ, খাদ্য ব্যবস্থাপনা এবং নিয়মিত টিকাদানের গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ প্রদান করেন।বক্তারা বলেন হাঁস পালন গ্রামীণ নারীদের জন্য একটি লাভজনক ও সহজ আয়ের উৎস। এ ধরনের উদ্যোগ নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার পাশাপাশি তাদের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পরিবারে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের আয়োজনে মে-২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার।সভায় জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি,অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার,ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা,বিট পুলিশিং কার্যক্রম গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল স্পর্শকাতর মামলার অগ্রগতি গোয়েন্দা কার্যক্রম,নিরাপত্তা জোরদার এবং সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।সভায় পুলিশ সুপার জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে সকল সদস্যকে দেশপ্রেম পেশাদারিত্ব নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। তিনি বিট পুলিশিং কার্যক্রম আরও কার্যকর করে এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং মাদক চুরি,ছিনতাই ডাকাতি অনলাইন জুয়া, কিশোর গ্যাং জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান জোরদারের নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি গ্রেফতারি পরোয়ানা দ্রুত তামিলের বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জদের বিশেষ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন মোঃ রবিউল ইসলাম, মোঃ আদিবুল ইসলাম জেলার সকল সার্কেল কর্মকর্তা এবং পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত
টাঙ্গাইলে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভাটি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শরীফা হক। এতে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার।সভায় জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় পুলিশ সুপার জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, পারস্পরিক সমন্বয় ও সহযোগিতার মাধ্যমে জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ প্রশাসন সকলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যেতে চায়।সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকগণ, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জননিরাপত্তা অপরাধ প্রতিরোধ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জেলার সার্বিক শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বিশ্বনাথ উপজেলা ও পৌর জামায়াতের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাছাইকৃত কর্মীদের নিয়ে বিশ্বনাথ উপজেলা ও পৌর জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে বিশ্বনাথ পৌর এলাকার হযরত ওমর ফারুক (রাঃ) একাডেমি মিলনায়তনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা জামায়াতের আমীর ও সিলেট জেলা জামায়াতের মজলিসে শূরার সদস্য মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও সিলেট জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান। তিনি ইসলামী আন্দোলন ঈমানের অপরিহার্য দাবি শীর্ষক বিষয়ে আলোচনা করেন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম এবং জেলা কর্মপরিষদ সদস্য হাকিম নাজিম উদ্দিন।বিশ্বনাথ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ মতিউর রহমান ও পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি জাহেদুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন পৌর নায়েবে আমীর আব্দুস সোবহান মেম্বার উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি মাস্টার বাবুল মিয়া মাওলানা আব্দুল মুকসিত আখতার আব্দুর রহিম উপজেলা বায়তুলমাল সেক্রেটারি মোহাম্মদ আশিকুর রহমানসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের আমীর, সভাপতি ও নেতৃবৃন্দ।বক্তারা কর্মশালায় ইসলামী আন্দোলনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কর্মীদের আদর্শিক, সাংগঠনিক ও নৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।পরে একাডেমি প্রাঙ্গণে অতিথিবৃন্দ গাছের চারা রোপণ করেন।
বাংলাদেশ কি সত্যিই স্বাধীন রাষ্ট্র? মানুষের জীবনের মূল্য কোথায় দাঁড়িয়েছে আজ? বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এই স্বাধীনতা। সেই স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, মানবিক, নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা—যেখানে প্রতিটি মানুষ সম্মান নিয়ে বাঁচবে, নিরাপত্তা পাবে এবং আইনের সমান সুরক্ষা ভোগ করবে। কিন্তু স্বাধীনতার পাঁচ দশক পর আজ দেশের সাধারণ মানুষের মনে এক কঠিন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—এই দেশে মানুষের জীবনের প্রকৃত মূল্য কতটুকু? মানুষ কি সত্যিই নিরাপদ? নাকি অপরাধ, ভয়, অনিশ্চয়তা আর বিচারহীনতার কাছে সাধারণ মানুষ অসহায় হয়ে পড়ছে?বর্তমান সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধর্ষণ, হত্যা, ছিনতাই, ডাকাতি, কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসা, নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতন এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে আলোচনায় আসছে। প্রতিদিন সংবাদমাধ্যম খুললেই চোখে পড়ে নির্মম সব ঘটনার খবর। কোথাও শিশু ধর্ষণের পর হত্যা, কোথাও বৃদ্ধা নারীকে হত্যা, কোথাও প্রকাশ্যে কুপিয়ে মানুষ হত্যা, আবার কোথাও বাসা-বাড়িতে ডাকাতি কিংবা ছিনতাইয়ের ঘটনা। এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক বাড়ছে এবং প্রশ্ন উঠছে—রাষ্ট্র কি সত্যিই তার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে?বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দিন দিন বাড়ছে। পরিবারগুলো সন্তানদের নিয়ে শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট, গণপরিবহন—কোথাও যেন পুরোপুরি নিরাপত্তার নিশ্চয়তা নেই। ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের ঘটনাগুলো সমাজকে শুধু ক্ষতবিক্ষতই করছে না, বরং মানবিক মূল্যবোধকেও ধ্বংস করছে। অনেক সময় দেখা যায়, এসব ঘটনায় দ্রুত বিচার না হওয়া কিংবা দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার কারণে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেতে বছরের পর বছর অপেক্ষা করে।অপরাধ বৃদ্ধির পেছনে বিভিন্ন কারণ বিশ্লেষণ করছেন সমাজবিজ্ঞানী ও আইন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, বিচারহীনতার সংস্কৃতি, রাজনৈতিক প্রভাব, সামাজিক অবক্ষয় বেকারত্ব, মাদক বিস্তার, প্রযুক্তির অপব্যবহার এবং নৈতিক শিক্ষার অভাব অপরাধ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। অনেক ক্ষেত্রে অপরাধীরা গ্রেফতার হলেও পরে জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনের প্রতি আস্থার সংকট তৈরি হচ্ছে।সাধারণ মানুষের অভিযোগ, অনেক সময় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব হয়। আবার কিছু ঘটনায় তদন্তের ধীরগতি কিংবা সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহের দুর্বলতার কারণে বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘ হয়। ফলে অপরাধীরা আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। এতে সমাজে একটি ভয়ঙ্কর বার্তা ছড়িয়ে পড়ে—“অপরাধ করেও পার পাওয়া সম্ভব”। এই ধারণাই নতুন অপরাধীদের উৎসাহিত করে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।বর্তমান সমাজে কিশোর গ্যাং সংস্কৃতিও বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অল্প বয়সী অনেক তরুণ মাদক, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার পারিবারিক অবহেলা এবং অসুস্থ সামাজিক প্রতিযোগিতা তরুণদের একাংশকে অপরাধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ফলে সমাজের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর দায় চাপিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্র—সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। শিশুদের ছোটবেলা থেকেই নৈতিক শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ শেখাতে হবে। একই সঙ্গে মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।বিশেষজ্ঞদের মতে অপরাধ দমনে কয়েকটি বিষয় অত্যন্ত জরুরি—দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করা রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবমুক্ত তদন্ত ব্যবস্থা গড়ে তোলা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জবাবদিহিতা বৃদ্ধি কর মাদক ও অবৈধ অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া নারী ও শিশু নিরাপত্তা জোরদার করা কিশোরদের জন্য ইতিবাচক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বৃদ্ধি কর প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক পুলিশিং ব্যবস্থা চালু করা সর্বস্তরে নৈতিক ও মানবিক শিক্ষা জোরদার করাএকটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার জনগণ। আর জনগণের সবচেয়ে বড় অধিকার হলো নিরাপদে বেঁচে থাকার অধিকার। যদি একজন মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে নিরাপদে ঘরে ফিরতে না পারে, যদি একজন নারী নিজের সম্মান নিয়ে আতঙ্কে থাকে, যদি একটি শিশু নিরাপদ শৈশব না পায়—তাহলে স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। বাংলাদেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে—এটি সত্য। অবকাঠামো অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও শিক্ষায় দেশ এগোচ্ছে। কিন্তু উন্নয়নের পাশাপাশি যদি মানুষের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হয়, তাহলে সেই উন্নয়ন পূর্ণতা পায় না। কারণ একটি রাষ্ট্রের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই হয়, যখন সেই রাষ্ট্রে প্রতিটি মানুষের জীবন সম্মান ও অধিকার সমানভাবে মূল্য পায়। আজ প্রয়োজন শুধু অপরাধীদের গ্রেফতার নয়, বরং এমন একটি সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা—যেখানে অপরাধ করার সাহসই কেউ না পায়। যেখানে আইনের শাসন বাস্তবিক অর্থে প্রতিষ্ঠিত হবে। যেখানে সাধারণ মানুষ ভয় নয় নিরাপত্তা নিয়ে বাঁচবে। যেখানে বিচারহীনতার সংস্কৃতি নয় ন্যায়বিচারের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হবে।স্বাধীনতার প্রকৃত চেতনা তখনই বাস্তবায়িত হবে যখন দেশের প্রতিটি নাগরিক বলতে পারবে—এই রাষ্ট্র আমার, এই দেশ আমাকে নিরাপত্তা দেয় আমার জীবনের মূল্য আছে।
ময়মনসিংহ রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত জামালপুর জেলার পুলিশ সুপার মোছাঃ ফারহানা ইয়াসমিন নির্বাচিত হলেন শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপারআজ বৃহস্পতিবার (২১ মে ২০২৬ খ্রি.) ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে আয়োজিত এপ্রিল/২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পুলিশ, ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মোহাম্মদ আতাউল কিবরিয়া।সভায় ময়মনসিংহ রেঞ্জাধীন বিভিন্ন জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম, মাদকবিরোধী অভিযান, ওয়ারেন্ট তামিল, মামলা নিষ্পত্তি এবং সার্বিক পুলিশি কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় জেলার পারফরম্যান্স মূল্যায়নের ভিত্তিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কর্মকর্তাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।অভিন্ন মানদণ্ড ও মূল্যায়ন নীতিমালার আলোকে কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্যের জন্য এপ্রিল/২০২৬ মাসের শ্রেষ্ঠ জেলা ও শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হিসেবে মনোনীত হন জামালপুর জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোছাঃ ফারহানা ইয়াসমিন।সার্বিক কর্মদক্ষতা, অপরাধ দমন কার্যক্রমে সফলতা এবং বিভিন্ন পরিসংখ্যানভিত্তিক মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে মাননীয় ডিআইজি মহোদয় তাঁর হাতে সম্মাননা তুলে দেন।সভায় ময়মনসিংহ রেঞ্জের আওতাধীন জেলার ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
স্কুলছাত্রী সামিয়া হত্যা টাঙ্গাইলে এক নৃশংসতার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক রায় ভূঞাপুরে সপ্তম শ্রেণীর স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার মামলায় আসামি সাব্বির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লক্ষ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া এবং ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। এই দৃষ্টান্তমূলক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে নিহত সামিয়ার পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ।যেভাবে ঘটেছিল সেই নৃশংসতামামলার বিবরণী থেকে জানা যায়ঘটনার দিন বিকেলে ভূঞাপুর উপজেলার নিকলা দড়িপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হয় স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তার। দীর্ঘ সময় বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরবর্তীতে গভীর রাতে নিকলা নয়াপাড়া এলাকার একটি ফসলি জমি থেকে সামিয়ার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।তদন্তে উঠে আসে সামিয়াকে একা পেয়ে একই গ্রামের ওলান মিয়ার ছেলে সাব্বির হোসেন প্রথমে তাকে পাশবিক নির্যাতন বা ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে নিজের পরিচয় ও অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সে সামিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ জমিতে ফেলে পালিয়ে যায়।আইনি তৎপরতা ও আসামির স্বীকারোক্তিহত্যাকাণ্ডের পর নিহত সামিয়ার বাবা বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত সাব্বির হোসেনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এবং পরবর্তীতে আদালতে হাজির করা হলে সাব্বির বিচারকের সামনে নিজের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়।দ্রুত বিচার ও আদালতের রায়মামলার সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ে তদন্ত শেষ করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ। আদালত ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা এবং আইনি তথ্যপ্রমাণ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করেন। অপরাধের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক আসামি সাব্বির হোসেনকে ধর্ষণের পর হত্যার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড এবং একই সাথে এক লক্ষ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।আইনজীবীদের প্রতিক্রিয়া ও জনআকাঙ্ক্ষারায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান এই রায় সমাজে অপরাধীদের জন্য একটি কঠোর বার্তা। ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের বিচার এভাবেই দ্রুততার সাথে হওয়া উচিত।অন্যদিকে নিহত সামিয়ার পরিবার আদালতের এই রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করে দ্রুত শাস্তি কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও এই দৃষ্টান্তমূলক রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন প্রতিটি ধর্ষণের ঘটনার বিচার যদি এমন স্বচ্ছ ও দ্রুত প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হতো তবে সমাজে নারীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার হতো।
সিলেটের বিশ্বনাথে ‘শাহ ফাউন্ডেশন’র উদ্যোগে উপজেলা ও পৌর এলাকার ১৫টি অসহায়-গরীব ও দুস্থ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকাস্থ ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে ওই চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ করা হয়। সংগঠক ওয়াসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘শাহ ফাউন্ডেশন’র চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠক আব্দুল মুতাকিন, শাহ লায়েক, জামিল আহমদ, শিবলু মিয়া, দুলাল মিয়া প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। মানবতার কল্যাণে কাজ করার লক্ষ্যেই ‘শাহ ফাউন্ডেশন’ গঠন করা হয়েছে দাবী করে যুক্তরাজ্য থেকে মুঠোফোনে ‘শাহ ফাউন্ডেশন’র চেয়ারম্যান ও আসন্ন বিশ্বনাথ পৌরসভা নির্বাচনের সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী শাহ আবুল কালাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা অনেকটাই নিরবে এলাকার অসহায়-গরীব ও দুস্থ পরিবারের সদস্যদের কল্যাণে কাজ করছি। সর্বস্তরের মানুষের সার্বিক সহযোগীতা পেলে আমরা আমাদের কর্মপরিধি আরোও বৃদ্ধি করব।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িপটল গ্রামের প্রধান সড়কের বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে সড়কটি কাদায় পরিণত হয়ে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাতে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধানের চারা রোপণ করেছেন গ্রামবাসী।স্থানীয়রা জানান, সড়কটি জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার আওনা ইউনিয়নের শেষ প্রান্তের কাবারিয়াবাড়ী-সুতারবাড়ী মোড় হয়ে বেঙ্গুলা বাজারে গিয়ে শেষ হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। বেড়িপটল গ্রামটি কৃষিনির্ভর হওয়ায় এখানকার অধিকাংশ মানুষের জীবিকার অন্যতম প্রধান উৎস কৃষি ও সবজি চাষ। ফলে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় কৃষিপণ্য পরিবহনেও নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।গ্রামবাসীর অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের অধিকাংশ অংশ কাদায় পরিণত হয়। কাদার কারণে কোনো ধরনের যানবাহন গ্রামে প্রবেশ করতে পারে না। এমনকি কেউ অসুস্থ হলে তাকে কাঁধে করে কাঁচা ও কর্দমাক্ত রাস্তা পার করে পরে যানবাহনে তুলতে হয়। এতে জরুরি রোগী পরিবহনেও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় স্থানীয়দের।এদিকে বেড়িপটল গ্রামে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতেও সমস্যা হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বছরের পর বছর ধরে রাস্তাটির এমন দুরবস্থা থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। নির্বাচনের সময় বিভিন্ন প্রার্থী এসে রাস্তা সংস্কারের নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচন শেষ হলে তাদের আর দেখা যায় না—এমন অভিযোগও রয়েছে এলাকাবাসীর।তাদের দাবি, জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করা হোক। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত এবং জরুরি রোগী পরিবহনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা হবে—এটাই এখন তাদের প্রত্যাশা।
র্যাব-১৪ জানায়, ১৪ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঘাটাইল উপজেলার আঠারদানা এলাকায় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে একটি সিএনজি তল্লাশি করা হয়। এ সময় যাত্রীবেশে থাকা রাজশাহীর মো. রাব্বি ইসলাম (২১)-কে ৫০ বোতল ফায়ারডিল ও একটি মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়। এদিকে, ১৫ জুলাই সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে সদর উপজেলার আশেকপুর বাইপাস এলাকায় একটি অটোরিকশা তল্লাশি করে রাজশাহীর মোছা. আম্বিয়া বেগম (৪২) ও মো. নাজিমুদ্দীন (২৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের ভ্যানিটি ব্যাগে বিশেষ কায়দায় লুকানো অবস্থায় ১১৯ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে, একই দিনে পৃথক অভিযানে সদর উপজেলার বাসালিয়া এলাকা থেকে কালিহাতী থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি সোহেল (৩২)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া সখীপুর উপজেলার নলুয়া বাজার এলাকা থেকে চেক জালিয়াতির মামলায় (এনআই অ্যাক্ট ১৩৮) এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি নুসরাত জাহান নুপুর (৩৮)-কে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র্যাব-১৪ এর মিডিয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল টাঙ্গাইল স্টাফ রিপোর্টার :এস কে শিপন মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সমগ্র দেশ যখন তীব্র ক্ষোভ আর আন্দোলনে উত্তাল, তখন সেই জোয়ারে শামিল হতে পিছিয়ে নেই টাঙ্গাইলও। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৬ দফা দাবিতে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন কলেজের এইচএসসি ২০২৬ ব্যাচের পরীক্ষার্থীরা এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে। আজ দুপুরের দিকে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি জেলা সদর রোড, নিরালা মোড়, ভিক্টোরিয়া রোড, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড ও ঢাকা রোড গোডাউন বাজারসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কণ্ঠে "শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ করতে হবে করতে হবে", "আমাদের দাবি আমাদের দাবি মানতে হবে মানতে হবে", "শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি চলবে না চলবে না", এবং "আমার বোন কবরে খুনি কেন বাইরে" সহ বিভিন্ন ঝাঁঝালো স্লোগান প্রতিধ্বনিত হয়। শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বেলা আনুমানিক ১:২৫ ঘটিকার সময় বিক্ষোভ মিছিলটি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের আশেকপুর বাইপাস এলাকায় পৌঁছায় এবং শিক্ষার্থীরা মহাসড়কের ওপর বসে পড়ে উত্তরবঙ্গমুখী লেনটি সম্পূর্ণ অবরোধ করেন। শিক্ষার্থীদের আকস্মিক এই অবরোধের ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উত্তরবঙ্গগামী লেনে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং চরম যানজটের সৃষ্টি হয়, যার ফলে সাধারণ যাত্রী ও চালকেরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানান, বর্তমান শিক্ষা কারিকুলাম ও পরীক্ষা নিয়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার দায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় তথা শিক্ষামন্ত্রী এড়াতে পারেন না। তারা অভিযোগ করেন, শিক্ষা নিয়ে নোংরা রাজনীতি বন্ধ করতে হবে এবং সাম্প্রতিক সহিংসতায় নিহত সহপাঠীদের হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, আশেকপুর বাইপাস এলাকায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ কর্মসূচি ও বিক্ষোভ অবস্থান অব্যাহত রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।