সারা দেশ

সখিপুরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রস্তুতি পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

জানুয়ারী ২৬, ২০২৬ 0
রাজনীতি

ভুয়াপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিশাল রেলি ও নির্বাচনী প্রচারণা

জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
জাতীয়

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে বিজিবির কম্বল বিতরণ ও সীমান্ত সচেতনতামূলক সভা

জানুয়ারী ২, ২০২৬ 0
আইন-অপরাধ

টাঙ্গাইলে অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮

জানুয়ারী ২৬, ২০২৬ 0
বিশেষ অভিযানে ঢাকা জেলা ডিবি (দক্ষিণ)-এর হাতে ৫৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

বিশেষ অভিযানে ঢাকা জেলা ডিবি (দক্ষিণ)-এর হাতে ৫৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ঢাকা জেলা পুলিশের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।ঢাকা জেলা পুলিশের অভিভাবক ও সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মিজানুর রহমান মহোদয়-এর সার্বিক নির্দেশনায় এবং জনাব জাহিদুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি), ঢাকা জেলা-এর তত্ত্বাবধানে জনাব সফিকুল ইসলাম সুমন, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা (দক্ষিণ), ঢাকা জেলা-এর নেতৃত্বে জেলা ডিবি (দক্ষিণ)-এর একটি চৌকস টিম এ অভিযান পরিচালনা করে। গত ২২ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিঃ তারিখ রাত ২২.০০ ঘটিকা হতে ২২.৩০ ঘটিকা পর্যন্ত দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন চরকুতুব এলাকা ও এর আশপাশে অভিযান পরিচালনাকালে এসআই (নিরস্ত্র) জনাব এস.এম. এনামুল হক সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলো— ১। শেখ মোঃ মুরাদ হোসেন (৩৯), পিতা- শেখ আওলাদ হোসেন, মাতা- মমতাজ বেগম, ঠিকানা- বাহার বেপারী র বাড়ির ভাড়াটিয়া, জলিল মহাজন রোড, পূর্ব আগানগর, থানা- দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, জেলা- ঢাকা। তার হেফাজত হতে ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ২। মোঃ সাজ্জাদুল আমিন সুমন (৩২), পিতা- রুহুল আমিন, মাতা- শামীমা বেগম, ঠিকানা- সাজেদা ভিলা, ইকুরিয়া বেপারী পাড়া, থানা- দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, জেলা- ঢাকা। তার নিকট হতে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার মামলা নং-৪৩, তারিখ-২৩/০১/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা- ৩৬(১) সারণির ১০(ক), মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর অধীনে নিয়মিত মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঢাকা জেলা পুলিশ জানায়, মাদক নির্মূলে জেলা গোয়েন্দা শাখার এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের অভিযানে ৩৮ জন গ্রেপ্তারমাদক উদ্ধার

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের অভিযানে ৩৮ জন গ্রেপ্তারমাদক উদ্ধারসহ পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে টাঙ্গাইলে অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের চলমান অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ মাদক সংক্রান্ত, পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলার আসামিসহ মোট ৩৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্র জানায় সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল মহোদয়ের নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের সমন্বয়ে নিয়মিতভাবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে জেলার বিভিন্ন স্থানে দিন ও রাতব্যাপী তল্লাশি ও অভিযান চালানো হয়। মাদকদ্রব্যবিরোধী অভিযানে পুলিশ ৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। এ সময় একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য জব্দ করে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পুলিশ জানায় গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে প্রিভেন্টিভ মামলার আসামি মাদক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন পলাতক পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং বিভিন্ন নিয়মিত মামলার অভিযুক্তরা। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং পর্যায়ক্রমে আদালতে সোপর্দ করা হবে। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত টহল চেকপোস্ট ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অপরাধ, সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ ৩২ জন গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ ৩২ জন গ্রেপ্তার ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে সারাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইল জেলাকে অপরাধ ও মাদকমুক্ত রাখতে জেলা পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত টানা অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।পুলিশ সূত্র জানায় অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা জোরদারে জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সরাসরি মাঠে থেকে অভিযান পরিচালনার জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন সম্মানিত পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয়। তার দিকনির্দেশনায় জেলার সর্বত্র একযোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়।বিশেষ করে মাদকবিরোধী অভিযানে বড় ধরনের সাফল্য পাওয়া গেছে। অভিযানে ২২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৩০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক কারবারের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ৭ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।এছাড়া প্রিভেন্টিভ ও নিয়মিত মামলায় অভিযুক্ত এবং বিভিন্ন আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধেও অভিযান জোরদার করা হয়। অভিযানের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পলাতক থাকা একাধিক আসামিকেও আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে। জেলা পুলিশ জানায় অপরাধী যেই হোক—কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। মাদক সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের জোরালো অভিযানে ২৮ জন গ্রেপ্তার ৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের জোরালো অভিযানে ২৮ জন গ্রেপ্তার ৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ইং,টাঙ্গাইল জেলায় মাদক সন্ত্রাস ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে জেলা পুলিশের চলমান বিশেষ ও নিয়মিত অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত একাধিক অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্মানিত পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের মাঠে থেকে কঠোর ও সমন্বিত অভিযান পরিচালনার নির্দেশ প্রদান করেন। তারই আলোকে জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট একযোগে অপরাধবিরোধী অভিযান জোরদার করে। অভিযান চলাকালে প্রিভেন্টিভ আইনে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি নিয়মিত মামলার আসামি আদালতের পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি এবং মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হয়। এর অংশ হিসেবে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৩,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং এ ঘটনায় ১ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায় উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে আদালতের মাধ্যমে তাদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ আরও জানায় মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জেলার প্রতিটি থানা এলাকায় অপরাধী ও অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।কোনো অপরাধ বা অপরাধীর বিষয়ে তথ্য জানা থাকলে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ অথবা জেলা পুলিশের নির্ধারিত মাধ্যমে তথ্য প্রদান করার জন্য।

রাজনীতি

আরও পড়ুন

নামাজের সময়সূচী

হিজরি তারিখ লোড হচ্ছে...

তারিখ লোড হচ্ছে...

ঢাকা, বাংলাদেশ

সময় লোড হচ্ছে...

বর্তমান সময়

নামাজ সময় অবস্থা

বর্তমান নামাজ: লোড হচ্ছে...

পরবর্তী নামাজ: লোড হচ্ছে... | সময় বাকি: লোড হচ্ছে...

আপনার এলাকার খবর দেখুন

বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন

সারা দেশ

  • ময়মনসিংহ
  • সিলেট
  • রাজশাহী
  • চট্টগ্রাম
  • ঢাকা

জাতীয়

আমাদের ফলো করুন

নির্বাচিত খবর

রাজনীতি

জামালপুর-৪: আওনা ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণা ও আলোচনা সভা

জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0

শীর্ষ সপ্তাহ

শিক্ষাঙ্গন

নুরানী তালিমুল কুরআন বোর্ড বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মুক্তধ্বনি ডেক্স জানুয়ারী ২২, ২০২৬ 0
News stories

ভিডিও সংবাদ

আরও পড়ুন

মতামত

শিক্ষাঙ্গন

চাকরি

তথ্য-প্রযুক্তি

খেলাধুলা

মুসলিম বিশ্ব

আরও পড়ুন
নিরবেই গাজার শাসন ও নিয়ন্ত্রণ এসেছে হামাসের হাতে

গাজার ভবিষ্যৎ শাসন নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যখন তর্ক তুঙ্গে, তখন খুব বেশি শব্দ না করেই নিজেদের অবস্থান শক্ত করে ফেলেছে হামাস। যুদ্ধবিরতির পরদিই দেখা যায়—ইসরাইল সেনারা যে অঞ্চলগুলো ছাড়ছে, সেসব জায়গায় প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে টহল দিচ্ছে হামাসের সদস্যরা। গাজার অভ্যন্তরে প্রশাসনিক কাজও এখন তাদের হাতেই। বাজারে পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, কর আদায়, শুল্ক নির্ধারণ—সবই চলছে হামাসের নির্দেশনায়। স্থানীয়দের দাবি, যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে মূল্যবৃদ্ধির জন্য তারা নয়; বরং সুযোগসন্ধানী ব্যবসায়ীরাই দায়ী। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ভিন্ন। তাদের মতে, পণ্যের উপর কর বসিয়ে এই সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে হামাস, আর তাই তারা কোনোভাবেই চাইছে না দলটি আবারো সরকার পরিচালনা করুক। অন্যদিকে গাজা থেকে হামাসকে সরানো বা নিরস্ত্র করার প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো এক অবস্থানে থাকলেও এর বিরোধিতা করছে রাশিয়া, চায়না এবং কয়েকটি আরব রাষ্ট্র। পশ্চিমাদের পছন্দ মাহমুদ আব্বাসের প্রশাসন বা আন্তর্জাতিক কোনো অন্তর্বর্তী সরকার—যেমন টনি ব্লেয়ারের নেতৃত্বে। কিন্তু এই প্রস্তাব মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক শক্তি মানতে নারাজ। মাঠের বাস্তবতা বলছে—ইসরাইল দুই বছর ধরে গাজার ৮০ শতাংশ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিল। যুদ্ধবিরতির পর তাদের অবস্থান সরে এলেও এখনো প্রায় ৫৩ শতাংশ এলাকা তাদের দখলে। বাকি ৪৭ শতাংশে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ২০ লাখ মানুষ, যাদের জীবনযাত্রা পরিচালিত হচ্ছে হামাসের কাঠামোর ভেতরেই। ২০০৭ সালে ফাতাহ ও মাহমুদ আব্বাসের প্রশাসন থেকে গাজার ক্ষমতা নেয় হামাস। তারপর থেকে অঞ্চলটির প্রশাসন, নিরাপত্তা এবং বাজারব্যবস্থার সব ক্ষেত্রই ধীরে ধীরে তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি সত্ত্বেও দলটির কাঠামো এখনো সক্রিয়। নিহত চার গভর্নরের জায়গায় নতুন চারজনকে নিয়োগ দিয়েছে তারা, আর সরকারি কর্মচারীরাও প্রতি মাসে বেতন পেয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন—হামাস স্পষ্টভাবে দেখিয়ে দিচ্ছে যে, গাজাকে ঘিরে যে কোনো ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ তাদের বাইরে রেখে তৈরি করা সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক টানাপোড়েন যত বাড়ছে, তাদের অবস্থান ততই আরও দৃঢ় হয়ে উঠছে।

নভেম্বর ১৬, ২০২৫ 0

বিরতি চুক্তির মধ্যেও গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৯৭ ফিলিস্তিনি

আফগানিস্তানের সঙ্গে ৪৮ ঘণ্টার অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণা পাকিস্তানের

সীমান্ত উত্তেজনার পর পাকিস্তানে আফগান শরণার্থীদের ওপর নিপীড়ন ও গ্রেফতার বৃদ্ধি

পাকিস্তান জানালো সীমান্ত সংঘর্ষে ২০ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত, উত্তেজনা বেড়েছে আফগান সীমান্তে

আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে ভয়াবহ সংঘর্ষে প্রায় ২০ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান। দুই পক্ষের দেওয়া ভিন্ন ভিন্ন তথ্যের কারণে সঠিক হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করা যায়নি, তবে সীমান্ত এলাকায় পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ বলে জানা গেছে। পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন জানায়, বুধবার ভোরে বেলুচিস্তান সীমান্তে তালেবান বাহিনী পাকিস্তানি অবস্থানের ওপর বড় ধরনের আক্রমণ চালায়। সংঘর্ষটি স্পিন বোলদাকের নিকটবর্তী সীমান্ত অঞ্চলে শুরু হয়। পাক নিরাপত্তা বাহিনী কয়েক ঘণ্টার তীব্র লড়াইয়ের পর হামলাটি প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। ডন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, তালেবান যোদ্ধারা চারদিক থেকে একযোগে হামলা চালায় পাকিস্তানি সেনাদের প্রতিরক্ষা ভাঙার উদ্দেশ্যে। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা জবাবে ১৫ থেকে ২০ জন তালেবান নিহত হয় এবং কয়েকজন আহত অবস্থায় আফগানিস্তান সীমান্তের ভেতরে পালিয়ে যায়। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ জানায়, সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি “নিয়ন্ত্রণে থাকলেও উত্তেজনাপূর্ণ”। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, সীমান্ত সংলগ্ন প্রধান সড়কগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং মাঝে মাঝে গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। অন্যদিকে, তালেবান মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ দাবি করেন, পাকিস্তানি বাহিনীর গোলাবর্ষণের পর তালেবান যোদ্ধারা পাল্টা হামলায় “পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নেয়”। তিনি বলেন, তালেবান বাহিনী পাকিস্তানি সেনাদের ওপর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে এবং কয়েকটি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করেছে। মুজাহিদ আরও অভিযোগ করেন, পাকিস্তানের গোলাবর্ষণে ১২ জন আফগান বেসামরিক নাগরিক নিহত ও প্রায় ১০০ জন আহত হয়েছেন। তবে তার এই দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং ইসলামাবাদ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। সাম্প্রতিক এই সংঘর্ষ দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সীমান্ত উত্তেজনার সর্বশেষ উদাহরণ। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে যে, আফগানিস্তানের মাটিকে ব্যবহার করে পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা চালানো হচ্ছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, নতুন এই সংঘর্ষ দুই প্রতিবেশীর ইতোমধ্যেই নাজুক কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে। তারা বলেন, সীমান্তে সহিংসতা চলতে থাকলে বাণিজ্য, মানবিক সহায়তা এবং সীমান্ত পারাপারে নির্ভরশীল বেসামরিক জনগণের জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। আঞ্চলিক বিশেষজ্ঞরা ইসলামাবাদ ও কাবুল উভয় পক্ষকেই আহ্বান জানিয়েছেন, যেন তারা যোগাযোগ চ্যানেল পুনরায় চালু করে এবং যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলে। নতুবা সীমান্ত অঞ্চলের এই অস্থিতিশীলতা পুরো দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

অক্টোবর ১৫, ২০২৫ 0

কান্দাহারের স্পিন বোলদাকে পাকিস্তানি হামলা প্রতিহত করার দাবি তালেবানের

আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে ভয়াবহ সংঘর্ষে ২৫ জন নিহত, আহত ৮০ জনেরও বেশি

ট্রাম্প ও আঞ্চলিক নেতারা শার্মুশ শেইখে গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর; বন্দি-হোস্টেজ বিনিময় বাস্তবায়িত

গাজা সিটিতে হামাস বাহিনী ও সশস্ত্র দঘমুশ গোত্রের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ২৭ জন

গাজা সিটিতে হামাস নিরাপত্তা বাহিনী ও সশস্ত্র দঘমুশ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলের সাম্প্রতিক বৃহৎ সামরিক অভিযান শেষ হওয়ার পর এটি গাজার সবচেয়ে ভয়াবহ অভ্যন্তরীণ সহিংসতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। চোখো দেখা সাক্ষীরা জানান, গাজা সিটির জর্ডানিয়ান হাসপাতালের কাছে মুখোশধারী হামাস যোদ্ধারা দঘমুশ গোত্রের যোদ্ধাদের সঙ্গে গুলি বিনিময় করেন। হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী এলাকাটি ঘিরে ফেলে এবং সশস্ত্র সদস্যদের আটক করতে তীব্র লড়াই শুরু করে। মন্ত্রণালয় জানায়, “একটি সশস্ত্র মিলিশিয়ার হামলায়” তাদের আট সদস্য নিহত হয়েছেন। চিকিৎসা সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, শনিবার থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে দঘমুশ পরিবারের ১৯ সদস্য ও হামাসের আট যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। চোখো দেখা সাক্ষীরা বলেন, দক্ষিণ গাজা সিটির তেল আল-হাওয়া এলাকায় সংঘর্ষ শুরু হয়, যখন ৩০০-র বেশি হামাস যোদ্ধা একটি আবাসিক ভবন ঘিরে ফেলে, যেখানে দঘমুশ পরিবারের সশস্ত্র সদস্যরা অবস্থান করছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কের বর্ণনা দিয়ে বলেন, ভারী গুলিবর্ষণের মধ্যে বহু পরিবার ঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয় — যাদের অনেকেই যুদ্ধ চলাকালীন একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন। একজন বাসিন্দা বলেন, “এইবার মানুষ ইসরায়েলি হামলা থেকে নয়, নিজেদের লোকের কাছ থেকে পালাচ্ছিল।” দঘমুশ পরিবার গাজার অন্যতম প্রভাবশালী গোত্র, যাদের সঙ্গে হামাসের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনাপূর্ণ। এর আগেও তাদের মধ্যে একাধিকবার সশস্ত্র সংঘর্ষ হয়েছে। হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা শৃঙ্খলা পুনঃস্থাপন করার চেষ্টা করছে এবং সতর্ক করেছে যে “প্রতিরোধের কাঠামোর বাইরে কোনো সশস্ত্র কর্মকাণ্ড” কঠোরভাবে দমন করা হবে। উভয় পক্ষ একে অপরকে সংঘর্ষ শুরু করার দায়ে অভিযুক্ত করেছে। হামাসের দাবি, দঘমুশ পরিবারের বন্দুকধারীরা তাদের দুই সদস্যকে হত্যা ও পাঁচজনকে আহত করার পর তারা অভিযান চালাতে বাধ্য হয়। তবে দঘমুশ পরিবারের এক সূত্র স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, হামাস বাহিনী গাজা সিটির প্রাক্তন জর্ডানিয়ান হাসপাতাল ভবনে আসে, যেখানে দঘমুশ পরিবার আশ্রয় নিয়েছিল— কারণ তাদের আল-সাবরা এলাকার বাড়িগুলো সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে। ওই সূত্রের দাবি, হামাস ওই ভবনটি নিজেদের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করার জন্য পরিবারটিকে উচ্ছেদ করতে চেয়েছিল। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, গাজার বিভিন্ন এলাকা থেকে ইসরায়েলি সেনারা সরে যাওয়ার পর হামাস প্রায় ৭,০০০ নিরাপত্তা সদস্যকে আবার মোতায়েন করেছে নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। খবরে আরও জানা গেছে, হামাসের সশস্ত্র ইউনিটগুলো ইতোমধ্যে কয়েকটি এলাকায় মোতায়েন হয়েছে— কেউ বেসামরিক পোশাকে, আবার কেউ গাজা পুলিশের নীল ইউনিফর্মে। তবে হামাসের গণমাধ্যম দপ্তর দাবি করেছে, “রাস্তায় কোনো যোদ্ধা মোতায়েন করা হয়নি।”

অক্টোবর ১৩, ২০২৫ 0

কাতার ও সৌদি মধ্যস্থতায় আফগানিস্তান–পাকিস্তান সংঘর্ষ স্থগিত

আফগান প্রতিরোধে ধ্বংস ২০টি পাকিস্তানি নিরাপত্তা পোস্ট, ৯ আফগান সেনা শাহাদত বরণ

হামাস জানাল ‘গ্যারান্টি’—গাজার যুদ্ধ শেষ; ইসরায়েল প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতি অনুমোদন

কওমী অঙ্গন

আরও পড়ুন
উচ্চশিক্ষায় আলেমদের জন্য ‘কোটি টাকার’ স্কলারশিপ ঘোষণা সরকারের

দেশের কওমি ও আলিয়া মাদরাসা সংশ্লিষ্ট মেধাবী আলেমদের উচ্চশিক্ষায় বড় বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এই স্কলারশিপ প্রদান করা হবে, যার আওতায় নির্বাচিত আলেমরা বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পিএইচডি ও উচ্চতর গবেষণার সুযোগ পাবেন। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা (বক্তব্যের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী) এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, আলেমদের জ্ঞানগত মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দক্ষতার বিকাশে সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। বক্তব্যে জানানো হয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এই স্কলারশিপের আওতায় আলেম ও ইমামরা মিশরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়, সৌদি আরবের উম্মুল কুরা ও মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজ এবং তুরস্কের বিভিন্ন নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে ইসলামিক স্টাডিজ, কোরআনিক সায়েন্স, তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব (ইন্টার-রিলিজিয়ন স্টাডিজ) এবং ইসলামিক ফিকহ-এর মতো বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রির জন্য তাদের বিদেশে পাঠানো হবে। এই স্কলারশিপের জন্য একাডেমিক এক্সিলেন্স বা মেধার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। যাদের শিক্ষাজীবনে চারটি প্রথম শ্রেণি বা সমমানের ফলাফল রয়েছে, তারা অগ্রাধিকার পাবেন। উপদেষ্টা বলেন, "প্রয়োজনে একজন ছাত্রের পেছনে এক কোটি টাকা খরচ করতে হলেও আমরা সেই বাজেট বরাদ্দ রেখেছি। আমরা চাই আমাদের আলেমরা বিশ্বমানের ডিগ্রি নিয়ে দেশে ফিরে জাতি গঠনে ভূমিকা রাখুক।" স্কলারশিপের পাশাপাশি কওমি ধারার আলেমদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের কথা জানান উপদেষ্টা। তিনি জানান: মাস্টার্স সমমান: শিক্ষা ও আইন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে ইতিমধ্যে কওমি সনদকে (আল হাইয়াতুল উলইয়া) মাস্টার্সের সমমান দিয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা বাহিনীতে নিয়োগ: সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশে রিলেজিয়াস ইন্সপেক্টর ও ইমাম পদে কওমি আলেমদের নিয়োগের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। মডেল মসজিদ ও দারুল আরকাম: মডেল মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের বেতন বৃদ্ধি এবং দারুল আরকাম প্রকল্পের স্থায়ীকরণের জন্য কাজ চলছে। সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, শিক্ষক বা কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রে বিসিএস পরীক্ষার মতো স্বচ্ছ প্রক্রিয়া (লিখিত ও ভাইভা) অনুসরণ করা হচ্ছে। কোনো প্রকার স্বজনপ্রীতি বা তদবিরের সুযোগ রাখা হয়নি। উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যের শেষে বলেন, "আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিতদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে বিদায় নিতে চাই। তবে যতক্ষণ দায়িত্বে আছি, আল্লাহর ভয় অন্তরে রেখে অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করে যাব।"

জানুয়ারী ১, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইলে নূরানী স্কলারশিপ ২০২৫ পরীক্ষা শুরু

কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণায় পাকিস্তানি আলেমদের জোর দাবি

কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা না করলে কাউকে ক্ষমতায় পাঠানো হবে না: আব্বাসীর হুঁশিয়ারি

বাংলাদেশে সোহরাওয়ার্দী গ্রাউন্ডে মাওলানা ফজলুর রহমানের শক্তিশালী ভাষণ

ঢাকা, বাংলাদেশ – ফেডারেশন অফ খতমে নবুয়ত কাউন্সিলের আমন্ত্রণে বাংলাদেশে আসা মাওলানা ফজলুর রহমান সম্প্রতি সোহরাওয়ার্দী গ্রাউন্ডে এক জনসভায় অংশগ্রহণ করেছেন। সভায় তিনি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও খতমে নবুয়তের অটল বিশ্বাসের উপর গুরুত্বারোপ করেন। মাওলানা ফজলুর রহমান বলেন, “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরে কোনো নবী আসতে পারবেন না। যারা নবুতার দাবি করবে, তারা ইসলামের সীমার বাইরে বিবেচিত হবেন।” তিনি বাংলাদেশের মুসলমানদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই সভায় অংশগ্রহণ করে তারা একতা ও ঐক্য দেখিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, “খতমে নবুয়ত আন্দোলনের লক্ষ্য হলো সহিংসতা নয়, বরং মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ঐক্য ও নেতৃত্বের ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা।” ফজলুর রহমান পাকিস্তান থেকে আগত বিশিষ্ট উলামাদের সঙ্গে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ভাইত্ব ও সুসম্পর্ককে শক্তিশালী করার বার্তা দেন। সভায় মাওলানা ফজলুর রহমান এবং অন্যান্য উলামারা দুই দেশের মুসলমানদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও আন্তঃসম্পর্ক বৃদ্ধির প্রত্যাশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের মুসলমানরা এক উম্মাহ, এক জামাত। আমাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় ও শক্তিশালী হবে।” সংক্ষিপ্ত নির্দেশনা: মুসলিম উম্মাহর ঐক্য বজায় রাখার উপর গুরুত্ব। খতমে নবুয়তের অটল বিশ্বাস ও তার সুরক্ষা। দুই দেশের মুসলমানদের মধ্যে ভাইত্ব ও সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠা।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫ 0

কাদিয়ানী পণ্য বর্জন ফরজ: জাতীয় খতিব আব্দুল মালেকের প্রকাশ্য ফতোয়া

সোহরাওয়ার্দীতে খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলন শেষ, ভরদুপুরেও ছিল উপচে পড়া ভিড়

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে রাজধানীতে আন্তর্জাতিক খতমে নবুয়ত মহাসম্মেলন

কওমি ঘরানার পাঁচ দল জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতায়, প্রার্থী বাছাই চলছে

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নতুন ইসলামপন্থী জোট গঠনের পথে কওমি ঘরানার অন্তত পাঁচটি দল। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে তফসিল ঘোষণার পরপরই। ইতিমধ্যে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজও চলছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা। সূত্র জানায়, শরিকদের কাছে শতাধিক আসন ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটি জানিয়েছে, আকিদাগত দ্বন্দ্ব ভুলে ইসলামী রাষ্ট্র গঠনের অভিপ্রায় থেকেই তারা আসন সমঝোতার পথে এগোচ্ছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রায় ১০০ আসন, মামুনুল হক নেতৃত্বাধীন দল ৫০ আসন এবং বাকি তিনটি ইসলামপন্থী দল ৭০ থেকে ৮০ আসনের দাবি জানিয়েছে বলে জানা গেছে। একাধিক সূত্র বলছে, যেখানে ইসলামপন্থী প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা বেশি, সেখানে একক প্রার্থী দেয়া হবে। এদিকে, বিএনপি এই জোট নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন নয়। দলটির নেতা হাফিজউদ্দিন আহমেদ বলেন, “অনেক জিরো প্লাস জিরো প্লাস জিরো ইজ জিরো। ইসলামের জিকির তুলে নির্বাচনের আগে রাজনীতি করা দেশের জন্য সঠিক আচরণ নয়।” অন্যদিকে, বিএনপিও ইসলামপন্থী কিছু গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। জানা গেছে, কওমি ঘটনার পুরনো দল জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামীর চার নেতাকে নির্বাচনী কাজে যুক্ত হওয়ার অনুমতি দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসলামপন্থী দলগুলোর এই নতুন সমঝোতা নির্বাচনে ভোটের মাঠে একটি আলাদা মাত্রা যোগ করবে। তবে এখনো স্পষ্ট নয়, জোট ক্ষমতায় গেলে কে নেতৃত্ব দেবেন বা কে হবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা।

অক্টোবর ২৯, ২০২৫ 0

ভুঞাপুরে হেফাজতে ইসলাম উপজেলা শাখার নবগঠিত কমিটির পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

গফরগাঁওয়ে আব্দুর রহমান খান ছাত্র কাফেলার বার্ষিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

জকিগঞ্জে এইচসিআই’র উদ্যোগে আধুনিক মাদরাসার উদ্বোধন ও ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প

খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা জোবায়ের আহমদ চৌধুরী ইন্তিকাল করেছেন

বাংলাদেশ কওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড (বেফাক)এর সাবেক মহাপরিচালক, খেলাফত মজলিসের আমির শাইখুল হাদিস মাওলানা জোবায়ের আহমদ চৌধুরী ইন্তিকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিয়ুন) আজ ১৫ রমজান (৭ এপ্রিল) শুক্রবার ইফতারের আগ মুহূর্তে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান।

এপ্রিল ৩০, ২০২৩ 0

হাটহাজারীর বাবা হুজুর : বাবা নামের উৎপত্তি ও তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী

ইসকন নিষিদ্ধের দাবি ও সাইফুল ইসলাম হত্যার প্রতিবাদে হেফাজতের বিক্ষোভ শুক্রবার

হেফাজতের দাবি: ৫ মে ২০১৩ শাপলা চত্বরে ৯৩ জন নিহত, চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করছে সংগঠনটি

গ্রাম বাংলার খবর

আরও পড়ুন
সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে জমি বিরোধে সংঘবদ্ধ হামলা, নারীসহ ৫ জন আহত

মোস্তফা মাসুদ: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনায় নারীসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। কালিগঞ্জের উত্তর শ্রীপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী জানা গেছে উপজেলার উত্তর শ্রীপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তার ছোট ভাই, কালিগঞ্জ থানা মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওঃ আশরাফুল ইসলাম আজিজীর ওপর মোটরসাইকেলযোগে যাওয়ার পথে হামলা চালানো হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে এলে নারীসহ সবাইকে মারধর করা হয়। হামলায় মোসলেম সরদার গুরুতর আহত হন। আয়েশা খাতুন ও শাকিলা খাতুন আহত হন। শাকিলা খাতুনের বাম হাত ভেঙে যাওয়া, শ্লীলতাহানি ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আহতদের কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় কালিগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানুয়ারী ২২, ২০২৬ 0

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ সামনে রেখে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনায় সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে নারী কেলেঙ্কারি'র অভিযোগ শিক্ষক মনিরুলের বিরুদ্ধে" শিক্ষকতার মর্যাদা প্রশ্নবিদ্ধ

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন মুকুন্দপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু

মোস্তফা মাসুদ: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মুকুন্দমধুসূদপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে খাদিজা খাতুন (৪৩) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।নিহত খাদিজা খাতুন ওই গ্রামের আশারাফ হোসেন মোড়লের স্ত্রী। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে তিনি নিজ বাড়িতে রান্নার প্রস্তুতির জন্য বৈদ্যুতিক ব্লেন্ডারে জিরা ও মরিচ গুঁড়া করছিলেন। মসলা গুঁড়া শেষ হওয়ার পর অসাবধানতাবশত ব্লেন্ডারের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ না করেই ভেতর থেকে মসলা বের করতে গেলে হঠাৎ তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এ সময় ব্লেন্ডারের ভেতরে হাত ঢোকানোর ফলে তার ডান হাতের চারটি আঙুল মারাত্মকভাবে কেটে দুই খণ্ড হয়ে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়। স্বজনরা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও স্ট্রোকজনিত কারণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। এ মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের মাতম এবং পুরো এলাকায় বিরাজ করছে গভীর শোকের ছায়া।

জানুয়ারী ৯, ২০২৬ 0

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম পেলেন ‘মহান বিজয় গোল্ডেন পিস অ্যাওয়ার্ড

সাতক্ষীরায় মিথ্যা ও বানোয়াট প্রোপাগাণ্ডার বিরুদ্ধে রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে মোবাইল কোর্টে ট্রাফিক সার্জেন্টের ‘মুখ চেনা খাদিমদারি’ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ বিষ্ণুপুরে মরহুম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

মোস্তফা মাসুদ: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বাদ মাগরিব বিষ্ণুপুর বাজার চত্বরে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সাবেক বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক জিএম রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ মোস্তফার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক, বারবার নির্বাচিত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শেখ এবাদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান পাড়,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফখরুল ইসলাম। কুশুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার হাসানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক কাজী তৌহিদ হাসান, ইসলাম সাতক্ষীরা - ০৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিন এর ছোট পুত্র কাজী আসিফুর রহমান রাজু।সাতক্ষীরা পলিটেকনিক্যাল কলেজের ছাত্রদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিজান,বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শেখ আব্দুল করিম।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মারুফ বিল্লাহ ও রেজাউল করিম, প্রচার সম্পাদক আলতাফ হোসেন,ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ,১নং ওয়ার্ড বিএনপি'র সভাপতি গোলাম বারী,ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ফিরোজ ঢালী সহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।দোয়া মাহফিলে বক্তারা মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া করা হয়।

জানুয়ারী ৬, ২০২৬ 0

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতনের মামলা আদালতে"এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে ২০টি পরিবারের মাঝে হুইল চেয়ার, ছাগল ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জের খুব্দীপুর–আব্দুলখালীতে শীতার্ত মানুষের পাশে মানবিক উদ্যোগদেড় শতাধিক কম্বল বিতরণ

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে ‘কল’ প্রকল্পের আওতায় মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্ল্যাটফর্ম (MSP) গঠন ও পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত

মোস্তফা মাসুদ: লিডার্স-এর ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যাট লোকাল লেভেল (কল) প্রকল্পের আওতায় মাল্টি- স্টেকহোল্ডার প্ল্যাটফর্ম (MSP) গঠন ও পরিকল্পনা প্রণয়ন উপলক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কালিগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আহম্মদ আলী শাহ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য অফিসের প্রতিনিধি সাবিনুর রহমান।বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম। সভায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিসহ MSP কমিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন— ইউপি সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইউপি সদস্যা মোছাঃ সেলিনা ইসলাম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ অধিকারী,লিডারর্স কল প্রকল্পের এগ্রিকালচার ও নিউট্রেশন অফিসার মোঃ বুলবুল হোসাইন, কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শিমুল হোসেন,প্রাণিসম্পদ এ আই টেকনিশিয়ান ইমরান হোসেন, গৌরপদ মন্ডল, ইমাম শরিফুল ইসলাম, ইমরান হোসেন, কাকলী মন্ডল, জশিলমা পারভীন, আব্দুর রহমান, শেখ হোসেন আলী, সাবিনুর রহমান, মোঃ আঃ লতিফ, আবু বক্কার সিদ্দিক, সোহাগ হোসেন, সজল কুমার রায়,রাহুল রায়, কাকলি মন্ডল, মোঃ মনিরুজ্জামান, মোঃ সাইফুল ইসলামসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। সভায় MSP-এর মূলনীতি, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কার্যক্রম ও প্রত্যাশিত ফলাফল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন লিডার্স কল ফলো করবেন লিডারর্স কল প্রকল্পের এগ্রিকালচার ও নিউট্রেশন অফিসার মোঃ বুলবুল হোসাইন । বক্তব্যের শুরুতে উপজেলা মৎস্য অফিসের প্রতিনিধি সাবিনুর রহমান পুষ্টি ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে আলোকপাত করেন। তিনি বিশেষ করে জেলেদের জীবনমান উন্নয়ন, টেকসই মৎস্য উৎপাদন এবং পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “পুষ্টি চাহিদা পূরণে মাছের কোনো বিকল্প নেই।সময়মতো পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমেই MSP-এর লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। বিশেষ আলোচনায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পুষ্টি নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। তিনি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় নির্দিষ্ট পরিমাণ সবজি, মাছ, তেলজাতীয় বীজ, বাদাম, আমিষ ও শর্করা অন্তর্ভুক্ত করার জন্য অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি MSP কমিটিকে কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে মাঠপর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্ব দেন। সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে মোঃ আহম্মদ আলী শাহ বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে সকল স্টেকহোল্ডারের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। তিনি সকল সদস্যের সহযোগিতা কামনা করে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।সমগ্র সভাটি সঞ্চালনা করেন মোঃ মনিরুজ্জামান, লিডার্স প্রকল্প অফিস, কালিগঞ্জ, সাতক্ষীরা।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৫ 0

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে জমি দখল ও পাঁকা ধান লুটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে উচ্ছেদ অভিযানে বাজারাঞ্চল এখন ধ্বংসস্তূপ: বৈষম্যের অভিযোগ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের

সাতক্ষীরা কালীগঞ্জ- আশাশুনিতে সন্ত্রাস ও দখলবাজির স্থান হবে না: সাবেক এমপি, বর্তমান মনোনয়ন প্রাপ্ত কাজী আলাউদ্দিন

প্রবাস

আরও পড়ুন
শীতের সকালে মাতৃভূমির টানে প্রবাসীদের হৃদয়—দেশকে মিস করছেন সৌদি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধারা

শীতের সকাল এলেই কুয়াশায় ঢাকা গ্রামবাংলা, শিশিরভেজা মাঠ আর নরম রোদের আবেশে নতুন প্রাণ পায় দেশ। কিন্তু শীতের এই মনোরম মৌসুমে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন লাখো প্রবাসী বাংলাদেশি। বিশেষ করে সৌদি আরবে কর্মরত সৌদি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিমের সদস্যরা এ সময় গভীরভাবে মাতৃভূমিকে স্মরণ করছেন। প্রবাসীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শীতের সকালে দেশের পরিবেশ, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, মায়ের হাতের গরম ভাত ও পিঠা-পুলির স্বাদ—সবকিছুই আজ স্মৃতির পাতায় বন্দি। সৌদি আরবের কর্মব্যস্ত জীবনে ভোরের নামাজ শেষে কাজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়লেও মন পড়ে থাকে দেশের বাড়িতে, বাবা–মা, স্ত্রী–সন্তান ও প্রিয়জনদের কাছে। সৌদি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিমের একাধিক সদস্য জানান, তারা দূরে থাকলেও দেশ ও মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, একই সঙ্গে অসংখ্য পরিবারের জীবিকা ও ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করছে। তারা আরও বলেন, প্রবাসজীবনের কষ্ট, একাকীত্ব ও ত্যাগের মধ্যেও দেশের প্রতি ভালোবাসা কখনো কমে না। বরং শীতের সকালগুলো সেই অনুভূতিকে আরও তীব্র করে তোলে। প্রবাসীরা আশা প্রকাশ করেন, একদিন তারা নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবনে দেশে ফিরে স্বজনদের সঙ্গে শীতের সকাল উপভোগ করতে পারবেন। এদিকে দেশের মানুষ ও সংশ্লিষ্ট মহল প্রবাসীদের অবদান স্মরণ করে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ডিসেম্বর ২০, ২০২৫ 0
দক্ষিণ আফ্রিকায় গু লি তে নিহত টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের  আমিনুল সিদ্দিকী

দক্ষিণ আফ্রিকায় গু লি তে নিহত টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের আমিনুল সিদ্দিকী

পর্তুগাল বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, পোস্টাল ভোটিং সচেতনতা ও খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল

পর্তুগাল বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, পোস্টাল ভোটিং সচেতনতা ও খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল

পর্তুগাল বিএনপির উদ্যোগে বিপ্লব ও সংহতি দিবস, পোস্টাল ভোটিং সচেতনতা বৃদ্ধি ও বেগম জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ।

পর্তুগাল বিএনপির উদ্যোগে বিপ্লব ও সংহতি দিবস, পোস্টাল ভোটিং সচেতনতা বৃদ্ধি ও বেগম জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ।

মালদ্বীপে ১ কোটি ৩০ লক্ষ সিগারেট চুরি : বাংলাদেশি মো. আল আমিন গ্রেপ্তার

মালদ্বীপের হুলহুমালে’ সমুদ্রবন্দর থেকে চোরাচালানকৃত সিগারেটের দুটি কন্টেইনার চুরির ঘটনায় একজন বাংলাদেশি নাগরিক মো: আল আমিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, আজ ১৬ নভেম্বর, রবিবার এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া মোট সন্দেহভাজনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ জনে। পুলিশ জানায়, চুরি হওয়া সিগারেটের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ পিস, যার বাজারমূল্য অত্যন্ত বেশি। ঘটনাটিকে বড় ধরনের সংগঠিত অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করছে কর্তৃপক্ষ। গ্রেপ্তারকৃত বাংলাদেশি মো: আল আমিনকে বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে রাখা হবে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পুলিশ আরও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং পুরো চক্রকে শনাক্ত করার চেষ্টা করছে

নভেম্বর ১৬, ২০২৫ 0

মালয়েশিয়ায় নতুন জরুরি কল সিস্টেম NG999 চালু

সৌদি আরবে আবারও বড় মাদকচালান জব্দ

১৮ বছর নিখোঁজ থাকার পর দেশে ফিরলেন নরসিংদীর জাহাঙ্গীর, ফিরে পেলেন না প্রিয়জনদের

ভারী বৃষ্টিতে ছাদ ফুটো হয়ে KLIA টার্মিনাল–১ এ পানি ঢুকে পড়লো

কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (KLIA) টার্মিনাল–১ এ আজ বিকেলে ভারী বৃষ্টির পর সিলিং ফুটো হয়ে ভেতরে পানি ঢুকে পড়ে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ডিপার্চার হলে ছাদের একটি অংশ থেকে দ্রুতগতিতে পানি পড়ছে, আর যাত্রীরা পাশে সরে গিয়ে নিরাপদে থাকতে চেষ্টা করছেন। মালয়েশিয়া এয়ারপোর্টস হোল্ডিংস বেরহাদ ঘটনাটি নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানায়, টার্মিনালের কয়েকটি স্থানে পানি প্রবেশ করায় জরুরি ভিত্তিতে প্রকৌশল, অপারেশন এবং নিরাপত্তা টিম মোতায়েন করা হয়েছে। যাত্রী নিরাপত্তা ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের ফ্লাইট অপারেশন বিঘ্নিত হয়নি। তবে টার্মিনালের ভেতরে চলাচলের সময় যাত্রীদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এদিকে মালয়েশিয়ার নিলাইয়ের মেডিসিসেরাম এসডিএন. বিহাদ কারখানায় কর্মরত ১৭২ জন বাংলাদেশি শ্রমিকের চাকরি চুতিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ হাই কমিশন কোম্পানির সঙ্গে একাধিক দফা আলোচনা চালাচ্ছে। শ্রমিকরা ২০২৫ সালে ছয়বার ধর্মঘট করেন, যার সর্বশেষটির পর কোম্পানি ১৭২ জনকে বরখাস্ত করে। এর মধ্যে ১৬ জনকে ইতোমধ্যে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। হাই কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়েছে এবং ১৮৪ জনকে ক্ষতিপূরণও দিয়েছে কোম্পানি। পুনর্বহালের বিষয়টি এখনও আলোচনাধীন। অন্যদিকে, বিদেশী শিল্পী, গবেষক এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের আকৃষ্ট করতে ‘কালচারাল ভিসা’ নামে নতুন একটি প্রকল্প চালু করেছে ওমান। এক বছর, পাঁচ বছর ও দশ বছর মেয়াদী তিন শ্রেণির ভিসা দেওয়া হবে। ভিসাধারীরা ওমানে প্রবেশের সময় তাদের জীবনসঙ্গী ও প্রথম শ্রেণির আত্মীয়দের সঙ্গে নিতে পারবেন। তবে ভিসা ইস্যুর তিন মাসের মধ্যে দেশে প্রবেশ না করলে ভিসা বাতিল হয়ে যাবে। অপব্যবহার রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে ওমান রয়্যাল পুলিশ।

নভেম্বর ১৬, ২০২৫ 0

মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশন পরিচয়ে প্রতারণা চরমে, নিয়োগকর্তাদের জরুরি সতর্কতা

বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে আগ্রহী মালদ্বীপ সরকার

হাইকমিশনার ড. নাজমুল ইসলামের ও ডব্লিউএইচও প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রবাসে সম্মাননা পেলেন শিক্ষানুরাগী মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে এক অনন্য সংবর্ধনা ও সম্মাননা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশী ফোরাম ইউএনএ’র (United NRB Association – UNA) আয়োজনে গত ১৮ অক্টোবর ২০২৫, শনিবার, নিউইয়র্কের জুইস সেন্টার, জ্যাকসন হাইটস প্রাঙ্গণে বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও শিক্ষাবিদ মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী-কে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আগত প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি নেতা, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। প্রধান অতিথি ছিলেন ড. এনামুল হক ভূঁইয়া, সভাপতি—প্রবাসী বাংলাদেশী ফোরাম ইউএনএ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মোহাম্মদ শওকত আলী, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট, ইউএনএ; নাজমুল আহসান, সম্পাদক, বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউইয়র্ক; এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম সাগর। প্রধান অতিথি ড. এনামুল হক ভূঁইয়া বলেন, > “মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী শুধু একজন শিক্ষানুরাগী নন, তিনি বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে এক অনুপ্রেরণার প্রতীক। তাঁর ত্যাগ, পরিশ্রম ও অঙ্গীকারের মাধ্যমে তিনি গ্রামীণ শিক্ষা ও নারী শিক্ষার প্রসারে অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন। আজ প্রবাসে তাঁকে সম্মান জানাতে পেরে আমরা গর্বিত।” সংবর্ধিত অতিথি মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, > “প্রবাসে থেকেও আপনারা দেশের শিক্ষা ও উন্নয়নের কথা ভাবেন—এটাই বাংলাদেশের শক্তি। আপনাদের ভালোবাসা আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করবে শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে কাজ করে যেতে।” তিনি আরও বলেন, > “যে কোনো উন্নয়নের মূলভিত্তি হলো শিক্ষা। প্রবাসী প্রজন্মকে মাতৃভূমির শিক্ষা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করতে পারলেই দেশ আরও এগিয়ে যাবে।” অনুষ্ঠানে তাঁর শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে ক্রেস্ট, সম্মাননাপত্র ও ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়। সাংস্কৃতিক পর্বে স্থানীয় শিল্পীদের সংগীত, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশনা অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন ইউএনএ’র সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন চৌধুরী, এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম। শেষে প্রবাসী অতিথিদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। পুরো অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রমাণ করে যে, মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরীর কর্ম, দৃষ্টি ও শিক্ষার প্রতি অঙ্গীকার আজ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও সমাদৃত

অক্টোবর ১৯, ২০২৫ 0

আন্তর্জাতিক

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে KOICA–কুমুদিনীর যৌথ উদ্যোগে ডায়াবেটিস–হাইপারটেনশন প্রকল্প পর্যালোচনা সভা
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে KOICA–কুমুদিনীর যৌথ উদ্যোগে ডায়াবেটিস–হাইপারটেনশন প্রকল্প পর্যালোচনা সভা

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস চিকিৎসা কার্যক্রমের অগ্রগতি ও কর্মক্ষমতা তুলে ধরে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে কোরিয়া আন্তর্জাতিক কো-অপারেশন এজেন্সি (KOICA), গ্লোবাল কেয়ার, পিএমসিআই ও কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের হলরুমে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিডিসি’র সাবেক লাইন ডাইরেক্টর প্রফেসর ডা. সৈয়দ জাকির হোসেন। তিনি বলেন, “দেশে অ-সংক্রামক ব্যাধি দ্রুত বাড়ছে। এমন সময়ে মাঠপর্যায়ে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনায় মির্জাপুরের এই প্রকল্প অন্য জেলাগুলোর জন্য রোল মডেল হতে পারে।” অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. আব্দুল হালিম। তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি রোগ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যকর্মী, স্থানীয় প্রশাসন ও কমিউনিটির সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দিতে হবে। কোরিয়া আন্তর্জাতিক কো-অপারেশন এজেন্সি (KOICA) মির্জাপুর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধ, স্ক্রিনিং, নিয়মিত ফলোআপ এবং রোগীদের জীবনযাপনগত পরিবর্তনে সহায়তা নিয়ে যে প্রকল্প চালাচ্ছে—সভায় এর কার্যক্রম, এখন পর্যন্ত অর্জিত সাফল্য, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় বক্তৃতা করেন কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অব বেঙ্গলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা, টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু, হার্ট ফাউন্ডেশনের চিকিৎসক ডা. আব্বাস ইবনে করিম, গ্লোবাল কেয়ার বাংলাদেশ’র প্রজেক্ট ম্যানেজার ডা. সেওনাঙ লিম, মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফরিদুল ইসলাম, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুদেব কর্মকার, ডা. পার্ক, ডা. নিপা কর্মকার, কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায়, ফিল্ড ম্যানেজার লিপুস মৃসহ আরও অনেকে। বক্তারা বলেন, মির্জাপুরে দীর্ঘমেয়াদি রোগ শনাক্তকরণ, চিকিৎসাসেবা বাড়ানো, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষায় উৎসাহিত করতে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে গ্রামীণ নারীদের মধ্যে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে এর প্রভাব উল্লেখযোগ্য। সভায় ভবিষ্যতে ইউনিয়ন-স্তরের স্বাস্থ্যকর্মীদের আরও প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল ডাটাবেস তৈরি, হেলথ ক্যাম্প বাড়ানো এবং রোগীদের জন্য নিয়মিত কাউন্সেলিং সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন—এই ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ ভবিষ্যতে মির্জাপুরসহ পুরো টাঙ্গাইল জেলায় দীর্ঘমেয়াদি রোগ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

ডিসেম্বর ৮, ২০২৫ 0

দিল্লির পর এবার জম্মু–কাশ্মীরে শক্তিশালী বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ৯

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে যুদ্ধের গন্ধ? | সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলায় উত্তেজনা চরমে

দিল্লির লালকেল্লার কাছে গাড়ি বিস্ফোরণে আগুন, মৃত্যু ১৩, আহত ৬

ভারতে “I ❤️ Muhammad” বলায় শত শত মুসলমানদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তার

ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের কানপুর শহরের সাইয়্যেদ নগর এলাকায় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন উপলক্ষে মুসলমানরা “I ❤️ Muhammad” লেখা একটি আলোকিত সাইনবোর্ড টানান। কিন্তু এ নিরীহ ধর্মীয় ভালোবাসার প্রকাশই এখন অনেক মুসলমানের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সাইনবোর্ডটি লাগানোর পরপরই স্থানীয় কয়েকজন হিন্দু যুবক আপত্তি জানিয়ে পুলিশের সহায়তায় তা খুলে ফেলে। পরে ১০ সেপ্টেম্বর পুলিশ নয়জন মুসলমানের বিরুদ্ধে মামলা করে, অভিযোগ করে তারা “সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা” করেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে ২৬ সেপ্টেম্বর বেরেলি শহরে মুসলিম সংগঠন ইত্তেহাদে মিল্লাত কাউন্সিলের (IMC) পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ মিছিলের ডাক দেওয়া হয়। কিন্তু প্রশাসন অনুমতি না দিলে শুক্রবার নামাজের পর হাজারো মানুষ “I love Muhammad” লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে রাস্তায় নামে। প্রশাসনের দাবি—বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ওপর ইট-পাথর নিক্ষেপ করেছে। পুলিশ লাঠিচার্জ করে ও মাওলানা তৌকির রাজা খানসহ বহুজনকে গ্রেপ্তার করে। শহরের ইন্টারনেট সংযোগও বন্ধ রাখা হয়। মাওলানা তৌকির রাজা খান এক ভিডিও বার্তায় বলেন, “আমাদের ধর্মীয় অনুভূতি দমন করা হচ্ছে। কিন্তু এই দমননীতি উল্টো প্রতিক্রিয়া ডেকে আনবে।”   উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ঘটনাকে “সমাজে বিভেদ সৃষ্টির ষড়যন্ত্র” বলে উল্লেখ করেন। তার বক্তব্যের পরই অভিযুক্তদের একজনের মালিকানাধীন একটি ভবন বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, মুসলমানদের সম্পত্তি ধ্বংস এখন বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে ‘অঘোষিত শাস্তি’। ভারতের সর্বোচ্চ আদালত সম্প্রতি এমন ধ্বংসযজ্ঞকে বেআইনি ঘোষণা করলেও এ প্রক্রিয়া চলছে প্রকাশ্যে। সুমাইয়া রানা, বিখ্যাত কবি মুন্নাওয়ার রানা’র কন্যা, বলেন — “সরকার মুসলমানদের ভয় দেখাতে চায় যাতে তারা ধর্মীয় ও সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে কথা না বলে।” অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রোটেকশন অব সিভিল রাইটস (APCR) জানিয়েছে, “I love Muhammad” ক্যাম্পেইন নিয়ে অন্তত ২২টি মামলা হয়েছে, যেখানে ২,৫০০ মুসলমানের নাম এসেছে এবং শুধু বেরেলিতেই ৮৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। APCR সচিব নাদিম খান বলেন, “নবীপ্রেমকে অপরাধ হিসেবে দেখানো হচ্ছে। এতে মুসলিম সমাজ মারাত্মক অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষতির মুখে পড়ছে।” অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডের সদস্য সিকিউআর ইলিয়াসি বলেন, “শান্তিপূর্ণভাবে নবীপ্রেম প্রকাশ করা মুসলমানদের অধিকার। এটি কোনো অপরাধ নয়।” বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টি অভিযোগ করেছে, সরকার গণতন্ত্রের নামে দমননীতি চালাচ্ছে। দলটির নেতা মাতাপ্রসাদ পাণ্ডে বলেন, “সরকার গণতন্ত্রের কথা বলে, কিন্তু আচরণে তা একনায়কতন্ত্র।” আইনজীবী জিয়া জিল্লানি জানান, “অধিকাংশ অভিযুক্ত দরিদ্র দিনমজুর শ্রেণির মানুষ। তাদের পক্ষে এমন মামলা চালানো অত্যন্ত কষ্টসাধ্য।” তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের ঘৃণার রাজনীতি দরিদ্র মুসলমানদের লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছে, যাতে তারা সহজেই নিপীড়নের শিকার হয়।” সূত্র: আল জাজিরা |

অক্টোবর ২১, ২০২৫ 0

বাংলাদেশ–সৌদি–মালদ্বীপ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে কূটনৈতিক বৈঠক।

নোবেল শান্তি পুরস্কার থেকে ট্রাম্পের সম্ভাবনা ক্ষীণ, সোমবারই বিজয়ী নির্ধারণ করেছে নোবেল কমিটি

কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যের স্বীকৃতি: ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিল পশ্চিমা শক্তিগুলো

ভারতের হামলায় পাকিস্তানে ১১ সেনা শহীদ, ৭৮ জন আহত: আইএসপিআর
ভারতের হামলায় পাকিস্তানে ১১ সেনা শহীদ, ৭৮ জন আহত: আইএসপিআর

সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যে ভারতের "অযৌক্তিক ও নিন্দনীয় কাপুরুষোচিত হামলায়" পাকিস্তানের অন্তত ১১ জন সেনা শহীদ হয়েছেন এবং আরও ৭৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক জনসংযোগ দপ্তর (ISPR)। এই সামরিক উত্তেজনা শুরু হয় যখন ভারত, জম্মু ও কাশ্মীরের পাহলগাম হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে। ৬-৭ মে রাতে ভারত “অপারেশন সিনদূর”-এর আওতায় পাকিস্তানে একাধিক বিমান হামলা চালায়, যেখানে অনেক বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। পরবর্তীতে উভয় দেশ পাল্টাপাল্টি মিসাইল হামলায় জড়িয়ে পড়ে যা এক সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে থাকে। শেষ পর্যন্ত মার্কিন হস্তক্ষেপে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। আইএসপিআর এর বিবরণ অনুযায়ী: ভারতের এই আগ্রাসনে ৪০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৭ জন নারী ও ১৫ জন শিশু রয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১২১ জন। শহীদ সেনাদের পরিচয়: পাকিস্তান আর্মি থেকে: নায়েক আব্দুর রহমান ল্যান্স নায়েক দিলাওয়ার খান ল্যান্স নায়েক ইকরামুল্লাহ নায়েক ওয়াকার খালিদ সিপাহি মোহাম্মদ আদিল আকবর সিপাহি নিসার পাকিস্তান বিমানবাহিনী থেকে: স্কোয়াড্রন লিডার উসমান ইউসুফ চিফ টেকনিশিয়ান আওরঙ্গজেব সিনিয়র টেকনিশিয়ান নাজিব করপোরাল টেকনিশিয়ান ফারুক সিনিয়র টেকনিশিয়ান মোবাশির আইএসপিআর জানায়, পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী “মারকা-ই-হক”-এর অধীনে “অপারেশন বুনইয়ানুম মারসুস”-এর মাধ্যমে নিখুঁত এবং প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, "শহীদদের এই মহান আত্মত্যাগ জাতির চেতনায় চিরস্মরণীয় সাহস, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের প্রতীক হয়ে থাকবে। পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা চ্যালেঞ্জ করার যে কোনো চেষ্টা ভবিষ্যতে পূর্ণমাত্রার, ত্বরিত এবং চূড়ান্ত জবাবে পরিণত হবে।" প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ঘোষণা করেন: প্রতি বছর ১০ মে "ইয়াওম-ই-মারকা-ই-হক" পালন করা হবে। আগামী শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫-এ সশস্ত্র বাহিনীর এই মহান সাফল্যের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও শ্রদ্ধা জানানোর দিন হিসেবে উদযাপন করা হবে।

মে ১৩, ২০২৫ 0
ধ্বংসস্তুপ থেকে বেঁচে ফেরা নবজাতকের বর্তমান অবস্থা কি

ধ্বংসস্তুপ থেকে বেঁচে ফেরা নবজাতকের বর্তমান অবস্থা কি

মোদি বিরোধী আন্দোলনের তীব্রতা বেড়েছে, আতঙ্কে শুভেন্দু অধিকারী

মোদি বিরোধী আন্দোলনের তীব্রতা বেড়েছে, আতঙ্কে শুভেন্দু অধিকারী

ভারতের ছয়স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, পাল্টা জবাবে পাঁচ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করল পাকিস্তান

ভারতের ছয়স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, পাল্টা জবাবে পাঁচ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করল পাকিস্তান

কাশ্মীরে আকাশযুদ্ধ: পাকিস্তানের J-10 দিয়ে ভূপাতিত ৫ ভারতীয় জেট!
কাশ্মীরে আকাশযুদ্ধ: পাকিস্তানের J-10 দিয়ে ভূপাতিত ৫ ভারতীয় জেট!

সম্প্রতি দক্ষিণ এশিয়ার দুই পরমাণু শক্তিধর প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ফের একবার তীব্র সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই সংঘাতের মধ্যেই পাকিস্তানের চীনা-নির্মিত J-10 যুদ্ধবিমান অন্তত দুটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুইজন শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা। রয়টার্সকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেন। যদিও এখন পর্যন্ত ভারত সরকার বা দেশটির বিমান বাহিনী এই ঘটনার কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি। মার্কিন কর্মকর্তাদের একজন জানান, পাকিস্তানের J-10 যুদ্ধবিমানগুলো এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল ব্যবহার করে ভারতের যুদ্ধবিমানগুলোকে টার্গেট করে এবং সাফল্যের সঙ্গে ভূপাতিত করে। আরও উল্লেখ করা হয় যে, ভূপাতিত যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে অন্তত একটি ছিল ফ্রান্স থেকে সদ্য কেনা ভারতের উন্নতমানের রাফাল জেট, যা ভারত তার আকাশ প্রতিরক্ষার আধুনিকীকরণের অংশ হিসেবে সংগ্রহ করেছিল। এই প্রথমবারের মতো পশ্চিমা কোনো সূত্র থেকে নিশ্চিত করা হলো যে পাকিস্তান তাদের চীনা J-10 যুদ্ধবিমান দিয়ে সরাসরি আকাশযুদ্ধে ভারতের যুদ্ধবিমান নামিয়েছে। এর আগে স্থানীয় সূত্র ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ফুটেজ ও রিপোর্টে দাবি করা হয়, তিনটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান গুলি করে নামানো হয়েছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ এক বিবৃতিতে বলেন, পাকিস্তানি বাহিনী তাদের চীনা জেট ব্যবহার করে তিনটি রাফালসহ মোট পাঁচটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান গুলি করে নামিয়েছে। তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন যে, মার্কিন নির্মিত F-16 যুদ্ধবিমানগুলো এই অভিযানে ব্যবহার করা হয়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহল উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং রাশিয়া—তিনটি বিশ্বশক্তি—দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। কারণ ভারত ও পাকিস্তান উভয়ই পরমাণু শক্তিধর দেশ, এবং তাদের মধ্যে আগে থেকেই দীর্ঘদিনের কাশ্মীর সংঘাত রয়েছে, যা এই অঞ্চলের একটি সবচেয়ে স্পর্শকাতর ফ্ল্যাশপয়েন্ট হিসেবে পরিচিত। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সংঘর্ষ শুধু দক্ষিণ এশিয়াতেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আধুনিক যুদ্ধবিমানের কার্যকারিতা সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে। চীনের PL-15 মিসাইল এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের Meteor ক্ষেপণাস্ত্র—এই দুটি উন্নত এয়ার-টু-এয়ার অস্ত্র প্রথমবারের মতো সরাসরি যুদ্ধে ব্যবহারের কথা উঠে এসেছে। তবে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি ভারতীয় রাফাল বিমানগুলোতে ওই মুহূর্তে Meteor ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন করা ছিল কিনা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাশ্মীরের জম্মু অঞ্চলে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়, যা ভারতীয় সামরিক সূত্রগুলো পাকিস্তানি ড্রোন হামলা বলে সন্দেহ করছে। পাকিস্তান দাবি করেছে, তারা রাতারাতি ভারতের ২৫টি ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে। অন্যদিকে ভারত বলেছে, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে সফল হয়েছে। এই পাল্টাপাল্টি আক্রমণ দুই দেশের মধ্যে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলছে। বর্তমান সংঘাত কেবল আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং আধুনিক যুদ্ধবিমান প্রযুক্তির পরীক্ষাও হয়ে উঠেছে। চীনের তৈরি J-10 এবং ইউরোপীয় রাফাল—উভয়ই ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান হিসেবে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। এসব যন্ত্রের কার্যকারিতা, কৌশল ও প্রযুক্তি নিয়ে চীন, যুক্তরাষ্ট্র, এবং ইউরোপের সামরিক মহলে গভীর পর্যবেক্ষণ চলছে। এই ঘটনায় সামরিক বিশ্লেষকরা একমত যে, এখনো অনেক তথ্য প্রকাশ পায়নি এবং নির্ভুল মূল্যায়নের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তবে এটি নিশ্চিত যে দক্ষিণ এশিয়ার এই সংঘর্ষ এক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব এখন উত্তেজনা প্রশমন করা।

মে ৯, ২০২৫ 0
যুদ্ধ ও নিরাপত্তা শঙ্কায় ৭৩ শতাংশ ইসরায়েলি নাগরিক দেশ ছাড়ার চিন্তায়

যুদ্ধ ও নিরাপত্তা শঙ্কায় ৭৩ শতাংশ ইসরায়েলি নাগরিক দেশ ছাড়ার চিন্তায়

ধর্ম ও ইসলাম

আরও পড়ুন
শোক সংবাদ শোক সংবাদ শোক সংবাদ

তারিখ ২২/১২/২০২৫ইং রবিবার দিবাগত রাত ২ট১০মিনিটের সময় পাইকড়া দক্ষিন পাড়া চকের বাড়ি। কালিহাতী উপজেলা টাঙ্গাইল জেলার। মৃত্যু আঃ মোতালেব মিয়া মাষ্টার সাহেবর স্ত্রী বাধক্য জনিত কারনে এই‌ দুনিয়া থেকে চির বিদায় নিয়েছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। তাহার মৃত্যু কালে বয়স ছিল ৮৩বসর৫মাস৮দিন। তাহার ৯ছেলে ও ১মেয়েছিল। মৃত্যু কালে ৭ছেলেও১মেয়েরেখে গেছেন। তাহার পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন এবং সকলের কাছে নিজগোনে খমা চেয়েছেন ছেলে। আজ সোমবার দুপুরে যোহরের নামাজ আদায় পড়ে জানাজা উনোঠিত হবে পাইকড়া ঈদগাহ মাঠে সকলে জানাজায় নামাজে সরিক হয়ে মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করোন।

ডিসেম্বর ২২, ২০২৫ 0

নারী সংস্কার কমিশন: বায়তুল মোকাররমের মিম্বর থেকে

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?
শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

আগস্ট ৪, ২০২৫ 0
দক্ষতার সাথে কাজ করা | হাদীসের ব্যাখ্যা

দক্ষতার সাথে কাজ করা | হাদীসের ব্যাখ্যা

আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি কীভাবে ওয়াহী শুরু হয়েছিল।

আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি কীভাবে ওয়াহী শুরু হয়েছিল।

কুরআনের সংরক্ষণ প্রক্রিয়া ও ইতিহাস

কুরআন কি এবং এটি কিভাবে অবতীর্ণ হয়েছে?
কুরআন কি এবং এটি কিভাবে অবতীর্ণ হয়েছে?

কুরআন হলো ইসলামের প্রধান ধর্মগ্রন্থ, যা বিশ্বমানবতার জন্য সর্বশেষ ও চূড়ান্ত দিকনির্দেশনা প্রদান করে। এটি মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার বাণী, যা জিবরাইল (আ.) ফেরেশতার মাধ্যমে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে। কুরআন শুধুমাত্র একটি ধর্মগ্রন্থ নয়; এটি মানবজীবনের সর্বক্ষেত্রে আলোর দিশারী। কুরআনের সংজ্ঞা ও পরিচিতি কুরআন শব্দটি আরবি "قرأ" (ক্বারা'আ) মূল ধাতু থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ "পড়া" বা "তিলাওয়াত করা"। এটি ইসলাম ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ, যা ২৩ বছরে পর্যায়ক্রমে অবতীর্ণ হয়েছে। এতে রয়েছে ১১৪টি সূরা, ৬২৩৬টি আয়াত এবং অসংখ্য বিধিবিধান, নীতি ও দিকনির্দেশনা যা মানুষের জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করে। কুরআন অবতীর্ণের প্রক্রিয়া কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার প্রক্রিয়া ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। এটি তিনটি পর্যায়ে সম্পন্ন হয়েছে: ১. লাওহে মাহফুজে সংরক্ষণ কুরআন অবতীর্ণের পূর্বেই আল্লাহ তাআলা এটি লাওহে মাহফুজে সংরক্ষণ করেছিলেন। এটি এমন এক মহাগ্রন্থ, যা আল্লাহর জ্ঞানের অংশ এবং যা পূর্বনির্ধারিত ছিল। ২. বাইতুল ইজ্জতে স্থানান্তর পরবর্তী ধাপে কুরআনকে সম্পূর্ণরূপে প্রথম আসমানে অবস্থিত "বাইতুল ইজ্জত" নামক স্থানে প্রেরণ করা হয়। এটি ছিল লাইলাতুল কদরের রাতে একবারে অবতীর্ণ হওয়ার ঘটনা। আল্লাহ তাআলা বলেন: "নিশ্চয়ই আমি কুরআনকে লাইলাতুল কদরে অবতীর্ণ করেছি।" (সূরা আল-কদর: ১) ৩. ২৩ বছরে পর্যায়ক্রমে অবতরণ বাইতুল ইজ্জত থেকে কুরআনের আয়াতসমূহ প্রয়োজন অনুযায়ী ধাপে ধাপে নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি অবতীর্ণ করা হয়। কুরআন প্রথমে মক্কায় ১৩ বছর এবং পরে মদিনায় ১০ বছর ধরে বিভিন্ন সময়, পরিস্থিতি ও ঘটনার আলোকে নাজিল হয়। প্রথম ও শেষ অবতীর্ণ আয়াত কুরআনের প্রথম অবতীর্ণ আয়াত ছিল: "পড়ো তোমার প্রভুর নামে, যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।" (সূরা আল-আলাক: ১) এবং সর্বশেষ অবতীর্ণ আয়াত ছিল: "আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম, আমার নেয়ামত তোমাদের প্রতি সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং তোমাদের জন্য ইসলামকে দ্বীন হিসেবে গ্রহণযোগ্য করলাম।" (সূরা আল-মায়িদাহ: ৩) কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার উদ্দেশ্য কুরআন কেবল একটি ধর্মীয় গ্রন্থ নয়, বরং এটি মানবজাতির জন্য পথপ্রদর্শক। এর প্রধান উদ্দেশ্যসমূহ হলো: তাওহিদের প্রচার: আল্লাহর একত্ববাদকে প্রতিষ্ঠা করা। সঠিক পথের দিশা: মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান। নৈতিকতা ও মূল্যবোধ: উত্তম চরিত্র গঠনের শিক্ষা দেওয়া। আইন ও বিধিবিধান: সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নীতিমালা প্রণয়ন। কিয়ামতের প্রতি সতর্কতা: আখিরাত ও পরকাল সম্পর্কে দিকনির্দেশনা। উপসংহার কুরআন মানবজাতির জন্য এক পরিপূর্ণ জীবনবিধান। এটি শুধুমাত্র ধর্মীয় নির্দেশনা নয়, বরং মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে দিকনির্দেশনা প্রদান করে। কুরআনের শিক্ষাকে সঠিকভাবে অনুধাবন ও পালন করা আমাদের কর্তব্য। যদি আমরা কুরআনের আদর্শ অনুসরণ করি, তাহলে দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা অর্জন করতে পারব।

আগস্ট ৪, ২০২৫ 0

এ বছরের সাদাকাতুল ফিতর: জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ ও সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা

আল্লাহ কেন মহাবিশ্ব সৃষ্টির আড়াই (২.৫) লক্ষ বছর পর মানুষ সৃষ্টি করেছেন?

আল্লাহ কেন মহাবিশ্ব সৃষ্টির আড়াই (২.৫) লক্ষ বছর পর মানুষ সৃষ্টি করেছেন?

হযরত ইব্রাহিম আদহাম রহ.এর বাণী

কুরআনের তাফসির কী? একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
কুরআনের তাফসির কী? একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

কুরআন হলো ইসলামের প্রধান গ্রন্থ, যা মানুষের জীবন পরিচালনার জন্য সর্বোত্তম দিকনির্দেশনা প্রদান করে। তবে কুরআনের অনেক আয়াতের অর্থ ও ব্যাখ্যা বুঝতে তাফসির (ব্যাখ্যা) প্রয়োজন হয়। কুরআনের তাফসির কেবল ভাষাগত ব্যাখ্যা নয়, বরং এটি কুরআনের গভীর অর্থ ও প্রসঙ্গ বুঝতে সাহায্য করে। এই নিবন্ধে কুরআন ও হাদিসের আলোকে কুরআনের তাফসির কীভাবে করা হয় তা বিশদভাবে আলোচনা করা হবে। তাফসিরের সংজ্ঞা ও গুরুত্ব ‘তাফসির’ শব্দটি আরবি فَسَّرَ (ফাস্সারা) ধাতু থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো "ব্যাখ্যা করা", "উন্মোচন করা"। ইলমুত-তাফসির (তাফসিরবিদ্যা) হলো কুরআনের অর্থ, ভাষা, উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করার বিজ্ঞান। আল্লাহ তাআলা বলেন: "এটি এক মহা বরকতময় কিতাব, যা আমি তোমার প্রতি নাজিল করেছি, যাতে তারা এর আয়াতসমূহ গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করে এবং বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিরা উপদেশ গ্রহণ করে।" (সূরা ছাদ: ২৯) এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, কুরআনের অর্থ বোঝার জন্য গবেষণা ও চিন্তাভাবনা করা জরুরি, আর এটি সম্ভব তাফসিরের মাধ্যমে। কুরআনের তাফসির করার পদ্ধতি কুরআনের তাফসির করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু মূলনীতি রয়েছে। এগুলো মূলত চারটি প্রধান উৎসের ভিত্তিতে করা হয়: ১. কুরআনের তাফসির কুরআন দ্বারা কুরআনের অনেক আয়াত অন্য আয়াতের ব্যাখ্যা করে। যখন কোনো আয়াতের ব্যাখ্যা স্পষ্ট না হয়, তখন অন্য আয়াত দ্বারা তার অর্থ বোঝা যায়। উদাহরণস্বরূপ: সূরা ফাতিহার "সিরাতুল মুস্তাকিম" (সঠিক পথ) বলতে কী বোঝানো হয়েছে, তার ব্যাখ্যা পাওয়া যায় সূরা আন-নিসার ৬৯ নম্বর আয়াতে, যেখানে বলা হয়েছে যে এটি নবী, সিদ্দিক, শহীদ ও সৎকর্মশীলদের পথ। ২. কুরআনের তাফসির হাদিস দ্বারা রাসুলুল্লাহ (সা.) ছিলেন কুরআনের সর্বোত্তম ব্যাখ্যাকারী। আল্লাহ তাআলা তাঁকে কুরআন বোঝার ও বোঝানোর দায়িত্ব দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন: "আমি তোমার প্রতি স্মরণিকা (কুরআন) নাজিল করেছি, যাতে তুমি মানুষকে ব্যাখ্যা করে দাও যা তাদের প্রতি নাজিল করা হয়েছে।" (সূরা নাহল: ৪৪) উদাহরণ: সূরা বাকারা ২:২৮৫-তে ঈমানের মৌলিক বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে, যার বিস্তারিত ব্যাখ্যা আমরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিসে পাই, বিশেষ করে জিবরাইল (আ.)-এর হাদিসে। ৩. সাহাবিদের ব্যাখ্যা সাহাবিরা (রা.) সরাসরি নবী (সা.)-এর কাছ থেকে কুরআনের শিক্ষা গ্রহণ করেছেন এবং তাঁরা কুরআনের সঠিক অর্থ ও প্রেক্ষাপট সম্পর্কে অধিক জ্ঞান রাখতেন। তাই তাঁদের ব্যাখ্যা তাফসিরের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। উদাহরণ: ইবনে আব্বাস (রা.)-কে তাফসিরবিদদের নেতা বলা হয়। তিনি নবী (সা.)-এর কাছ থেকে সরাসরি তাফসির শিখেছেন। তাঁর ব্যাখ্যা বহু প্রসিদ্ধ তাফসির গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। ৪. তাবেয়ি ও সালাফদের ব্যাখ্যা তাবেয়িগণ সাহাবিদের থেকে কুরআনের ব্যাখ্যা শিখেছেন। তাদের ব্যাখ্যাগুলোও নির্ভরযোগ্য এবং তাফসিরে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: ইমাম মুজাহিদ, কাতাদা, হাসান বসরি প্রমুখ তাবেয়িরা কুরআনের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। ৫. ভাষা ও ব্যাকরণ অনুসারে তাফসির কুরআন আরবি ভাষায় অবতীর্ণ হয়েছে, তাই তাফসির করতে হলে আরবি ব্যাকরণ, শব্দতত্ত্ব, অলঙ্কার ও সাহিত্য বিশ্লেষণ করা হয়। তাফসিরের ধরণ তাফসির সাধারণত দুইভাবে করা হয়: ১. তাফসির বিল মাসুর (প্রমাণিত সূত্রভিত্তিক তাফসির) এটি কুরআন, হাদিস, সাহাবি ও তাবেয়িদের ব্যাখ্যার ভিত্তিতে করা হয়। প্রসিদ্ধ তাফসির: তাফসির ইবনে কাসির তাফসির আত-তাবারি তাফসির আস-সা’দি ২. তাফসির বিল রাই (যুক্তি ও বিশ্লেষণভিত্তিক তাফসির) এটি ভাষা, ব্যাকরণ ও ব্যক্তিগত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে করা হয়, তবে এটি নির্ভরযোগ্য হাদিসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। প্রসিদ্ধ তাফসির: তাফসির আল-জালালাইন তাফসির আল-কুরতুবি ভুল তাফসির থেকে বাঁচার উপায় কিছু মানুষ কুরআনের আয়াতকে ভুল ব্যাখ্যা করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। তাই সঠিক তাফসিরের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা উচিত: ১. তাফসির কুরআন, হাদিস ও সাহাবিদের বক্তব্য অনুযায়ী হতে হবে। ২. ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে প্রসিদ্ধ ইসলামি স্কলারদের মতামত অনুসরণ করতে হবে। ৩. শুধু ভাষাগত অনুবাদ নয়, বরং আয়াতের শানে নুযুল (অবতরণের প্রেক্ষাপট) জানা জরুরি। ৪. বিদআত ও মনগড়া ব্যাখ্যা পরিহার করতে হবে। উপসংহার কুরআনের তাফসির একটি গভীর জ্ঞানসম্পন্ন শাস্ত্র, যা সঠিক পদ্ধতিতে করতে হয়। কুরআন, হাদিস, সাহাবি ও তাবেয়িদের বক্তব্যের আলোকে তাফসির করলে তা নির্ভরযোগ্য হয়। আজকের যুগে সঠিক ইসলামি স্কলারদের রচিত তাফসির অধ্যয়ন করে কুরআনের গভীর জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব। আল্লাহ আমাদের কুরআন বোঝার ও তা অনুসারে জীবন পরিচালনা করার তাওফিক দান করুন, আমিন।

মার্চ ১৭, ২০২৫ 0
জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিন: ফজিলত ও করণীয় আমল

জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিন: ফজিলত ও করণীয় আমল

আরএসএস ফিড নিউজ

Hema Malini on Dharmendra: 'আমি ভীষণ গর্বিত, ভারত সরকারকে ধন্যবাদ', ধর্মেন্দ্রর পদ্মবিভূষণ প্রাপ্তি প্রসঙ্গে হেমা মালিনী
Hema Malini on Dharmendra: 'আমি ভীষণ গর্বিত, ভারত সরকারকে ধন্যবাদ', ধর্মেন্দ্রর পদ্মবিভূষণ প্রাপ্তি প্রসঙ্গে হেমা মালিনী

'আমি ভীষণ গর্বিত, ভারত সরকারকে ধন্যবাদ', ধর্মেন্দ্রর পদ্মবিভূষণ প্রাপ্তি প্রসঙ্গে হেমা মালিনী

জানুয়ারী ২৬, ২০২৬
IND vs NZ Live: অভিষেক, সূর্যর ঝোড়ো অর্ধশতরান, মাত্র ১০ ওভারে ম্যাচ জিতে সিরিজ ঝুলিতে পুরল ভারত
IND vs NZ Live: অভিষেক, সূর্যর ঝোড়ো অর্ধশতরান, মাত্র ১০ ওভারে ম্যাচ জিতে সিরিজ ঝুলিতে পুরল ভারত

অভিষেক, সূর্যর ঝোড়ো অর্ধশতরান, মাত্র ১০ ওভারে ম্যাচ জিতে সিরিজ ঝুলিতে পুরল ভারত

জানুয়ারী ২৫, ২০২৬
Car Buying Tips :  নতুন গাড়ি কেনার পরিকল্পনা করছেন ? ঋণ নেওয়ার আগে এই ৫টি বিষয় জেনে নিন
Car Buying Tips :  নতুন গাড়ি কেনার পরিকল্পনা করছেন ? ঋণ নেওয়ার আগে এই ৫টি বিষয় জেনে নিন

নতুন গাড়ি কেনার পরিকল্পনা করছেন ? ঋণ নেওয়ার আগে এই ৫টি বিষয় জেনে নিন

জানুয়ারী ২৫, ২০২৬
T20 World Cup: টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের পাকিস্তান দলে বাবর, বাদ রউফ
T20 World Cup: টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের পাকিস্তান দলে বাবর, বাদ রউফ

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের পাকিস্তান দলে বাবর, বাদ রউফ

জানুয়ারী ২৫, ২০২৬
T20 World Cup: টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তে বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট
T20 World Cup: টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তে বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তে বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট

জানুয়ারী ২৫, ২০২৬
Renault Duster Hybrid : নতুন রেনো ডাস্টার হাইব্রিডের বিশেষত্ব কী ? জেনে নিন, এর ফিচার, মাইলেজ 
Renault Duster Hybrid : নতুন রেনো ডাস্টার হাইব্রিডের বিশেষত্ব কী ? জেনে নিন, এর ফিচার, মাইলেজ 

নতুন রেনো ডাস্টার হাইব্রিডের বিশেষত্ব কী ? জেনে নিন, এর ফিচার, মাইলেজ 

জানুয়ারী ২৫, ২০২৬
Cyber Crime:  আপনার-আমার গোপন লগইন নথি ফাঁস, ১৫ কোটি তথ্য় প্রকাশ্য়ে, বিপদে জিমেইল, ফেসবুক ব্যবহারকারীরা !
Cyber Crime:  আপনার-আমার গোপন লগইন নথি ফাঁস, ১৫ কোটি তথ্য় প্রকাশ্য়ে, বিপদে জিমেইল, ফেসবুক ব্যবহারকারীরা !

আপনার-আমার গোপন লগইন নথি ফাঁস, ১৫ কোটি তথ্য় প্রকাশ্য়ে, বিপদে জিমেইল, ফেসবুক ব্যবহারকারীরা !

জানুয়ারী ২৫, ২০২৬
Atal Pension Yojana : অটল পেনশন যোজনায় বড় খবর, ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত পেনশন, কারা পাবেন ?
Atal Pension Yojana : অটল পেনশন যোজনায় বড় খবর, ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত পেনশন, কারা পাবেন ?

অটল পেনশন যোজনায় বড় খবর, ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত পেনশন, কারা পাবেন ?

জানুয়ারী ২৫, ২০২৬