সৌদি আরবের আহ্বানে ইরানে হামলা?, আগাম বৈঠক শনাক্তের পর খামেনি নিহত
ওয়াই নেট নিউজের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালাতে উৎসাহিত করেছিল। এই তথ্য আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স ও দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের বরাতে তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তেহরানের একটি সুরক্ষিত স্থানে শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন। বৈঠকে আলী লারিজানি ও আলী শামখানি উপস্থিত ছিলেন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, শনিবার ভোরের হামলায় শামখানি নিহত হন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত করেন যে খামেনিও ওই হামলায় নিহত হয়েছেন।
একটি মার্কিন সূত্র জানায়, বৈঠকটি মূলত সন্ধ্যায় হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ইসরায়েলি গোয়েন্দারা শনিবার সকালেই বৈঠক শুরুর তথ্য পেয়ে যায়। ফলে হামলার সময় এগিয়ে আনা হয়। বৈঠকের সুনির্দিষ্ট স্থান প্রকাশ করা হয়নি, তবে তেহরানে খামেনির সুরক্ষিত আবাসিক কমপ্লেক্স প্রথম দফার হামলার লক্ষ্য ছিল।
ট্রাম্প বলেন, উন্নত নজরদারি ও গোয়েন্দা সক্ষমতার কারণে খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের পর্যবেক্ষণ এড়িয়ে যেতে পারেননি। ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমেই এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান প্রকাশ্যে কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিলেও, ব্যক্তিগত আলোচনায় ট্রাম্পকে সামরিক পদক্ষেপ নিতে উৎসাহ দেন। তিনি সতর্ক করেন, যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা না নিলে ইরান আরও শক্তিশালী ও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।
একই সময়ে যুবরাজ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানকে আশ্বস্ত করেন যে সৌদি আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ছিল এক ধরনের দ্বৈত কৌশল—একদিকে প্রকাশ্যে নিরপেক্ষতা, অন্যদিকে আড়ালে কৌশলগত চাপ।
খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের ক্ষমতার কাঠামো কতটা স্থিতিশীল থাকবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। হামলার আগে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার মূল্যায়নে বলা হয়েছিল, প্রয়োজনে বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কট্টরপন্থী অংশ থেকে নতুন নেতৃত্ব আসতে পারে। তবে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র বৃহত্তর শাসন পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়েই এই অভিযান পরিচালনা করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এখন সবার নজর—ইরানের ভেতরে ক্ষমতার পরিবর্তন এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়।
ভূমিকম্পের পর আকস্মিক বন্যা ও ধস: নেপালে ২৯১ বিদেশি সহ প্রায় ৪০০ পর্যটক নিখোঁজ। আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তবর্তী রাসুয়া...
দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র সংঘর্ষের মধ্যেই কিছু কৌশলগত অবস্থান থেকে পিছু হটেছে ইসরায়েলি সেনারা। স্থানীয় সূত্র ও মাঠপর্যায়ের প্...

