আইন-অপরাধ

দেড় বছর পর রাসেল মিয়া হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি।

রুবেল রানা
রুবেল রানা স্টাফ রিপোর্টার ( জামালপুর )
আগস্ট ২৫, ২০২৬
দেড় বছর পর রাসেল মিয়া হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি।
দেড় বছর পর রাসেল মিয়া হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি।
পিবিআইয়ের তদন্তে গ্রেপ্তার কালু, আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে প্রায় দেড় বছর আগে সংঘটিত রাসেল মিয়া (৩৮) হত্যা মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির কথা জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীর্ঘদিনের তদন্ত শেষে মামলাটির রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে সংস্থাটি। এ ঘটনায় কালু মিয়া (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর কালু মিয়াকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় বিচারিক হাকিমের কাছে জবানবন্দি দেন। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ওই জবানবন্দিতে তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাসেল মিয়া হত্যাকাণ্ডের পর মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে তদন্তাধীন ছিল। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে পিবিআই বিভিন্ন তথ্য, আলামত ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই-বাছাই করে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। একপর্যায়ে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে কালু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতে দেওয়া তার ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে বলে জানা গেছে। সূত্র আরও জানায়, জবানবন্দিতে কালু মিয়া হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও কয়েকজনের নামও উল্লেখ করেছেন। তাদের মধ্যে সোহেল নামে একজনের নাম রয়েছে বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে কারও নাম উল্লেখ করা হলেও তদন্ত শেষ হওয়ার আগে তাকে চূড়ান্তভাবে অপরাধী হিসেবে গণ্য করার সুযোগ নেই। জবানবন্দিতে পাওয়া তথ্যের সত্যতা, ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা এবং অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণের সঙ্গে এর সামঞ্জস্য যাচাই করেই পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পিবিআই সূত্রে আরও জানা গেছে, কালু মিয়ার জবানবন্দিতে পাওয়া তথ্যগুলো গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, এর পেছনের পরিকল্পনা, ঘটনার ধরন এবং অন্য কোনো ব্যক্তির ভূমিকা ছিল কি না—এসব বিষয়েও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্তে প্রয়োজনীয় ও গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানা গেছে। এদিকে, দীর্ঘ দেড় বছর পর আলোচিত এ হত্যা মামলার তদন্তে অগ্রগতি হওয়ায় নিহত রাসেল মিয়ার পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। তারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তদন্তসংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দি, উদ্ধার হওয়া আলামত এবং অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের মাধ্যমে রাসেল মিয়া হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসবে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে জবানবন্দিতে নাম আসা কাউকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে উল্লেখ না করে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।
Tags: দেড় বছর রাসেল মিয়া হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের

আইন-অপরাধ

দেড় বছর পর রাসেল মিয়া হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি। দেড় বছর পর রাসেল মিয়া হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি।

পিবিআইয়ের তদন্তে গ্রেপ্তার কালু, আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে প্রায় দেড় বছর আগে সংঘটিত রাসেল মিয়া (৩৮)...

আগস্ট ২৫, ২০২৬
ময়মনসিংহে নিরাপদ খাদ্য ও অবৈধ সার মজুদের বিরুদ্ধে অভিযান ময়মনসিংহে নিরাপদ খাদ্য ও অবৈধ সার মজুদের বিরুদ্ধে অভিযান

ময়মনসিংহে নিরাপদ খাদ্য ও অবৈধ সার মজুদের বিরুদ্ধে অভিযান জনস্বার্থে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং অবৈধভাবে সার মজুদ ও কালোবাজারি প্রতিরোধে ময়ম...

আগস্ট ২৪, ২০২৬

0 মন্তব্য