আইন-অপরাধ

টাঙ্গাইল-৮ আসনে বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খানসহ দু’জনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, কারণ দর্শানোর নোটিশ

reporter-icon
নাদিম তালুকদার: স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
জানুয়ারী ৭, ২০২৬ | 0
টাঙ্গাইল-৮ আসনে বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খানসহ দু’জনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, কারণ দর্শানোর নোটিশ
টাঙ্গাইল-৮ আসনে বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খানসহ দু’জনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, কারণ দর্শানোর নোটিশ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খান ও সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক শরিফুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলে গঠিত নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আশরাফুল আলম তাদের দু’জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন। জানা গেছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আহমেদ আযম খান নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে ভোট প্রার্থনা করেন এবং আর্থিক ও উন্নয়নমূলক অনুদানের ঘোষণা দেন—এমন অভিযোগ উঠে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের স্মারক নম্বর ০৫.৪১.৯৩৮৫.০০০.০৪.০০৩.২৫.১১৬৪ মূলে গত ২৯ ডিসেম্বর বিষয়টি প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে পাঠানো হয়। নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আশরাফুল আলম লিখিত অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ভিডিও ও স্থিরচিত্র পর্যালোচনা করে দেখতে পান, একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেন, ‘১২ বার তো ভোট দিয়েছেন, এবার ১৩ বার-এর নির্বাচনে হিসেব করে ভোট দেন। আমি ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছি। আমার দল বিএনপি ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, আগামী নির্বাচনে বিএনপি পাস করলে দুই কোটি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।’ একই বক্তব্যে তিনি নির্বাচনের প্রথম বছরেই দুইটি রাস্তা নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন। কমিটির মতে, অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ভিডিও ও ছবির সত্যতা যাচাই করে দেখা যায়, এসব বক্তব্য রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা–২০২৫ এর একাধিক ধারার পরিপন্থী। ফলে অভিযোগটি প্রাথমিকভাবে সত্য বলে প্রতীয়মান হওয়ায় আহমেদ আযম খানের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়। অন্যদিকে, একই সংসদীয় আসনে সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক শরিফুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধেও একজন প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করার মাধ্যমে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত বিভিন্ন ছবি পর্যালোচনা করে কমিটি অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায়। সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার এ ধরনের কর্মকাণ্ড নির্বাচন আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ অবস্থায় অভিযুক্ত বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খান ও প্রভাষক শরিফুল ইসলাম খান—উভয়কে টাঙ্গাইলের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে অবস্থিত নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আদালতে হাজির হয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযোগের বিষয়ে লিখিতভাবে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

আইন-অপরাধ

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইলে ২৪ ঘণ্টায় ২৪ জন গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলে ২৪ ঘণ্টায় ২৪ জন গ্রেপ্তার প্রিভেন্টিভ পরোয়ানা ও নিয়মিত মামলায় জেলা পুলিশের অভিযান জোরদার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং তারিখে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ ব্যবস্থা নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্র জানায়, মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং মামলা পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে জেলার সকল থানা ও ইউনিটে সমন্বিত অভিযান চালানো হয়। জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় মাঠপর্যায়ে তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ টহল সন্দেহভাজনদের যাচাই-বাছাই এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের ধরতে অভিযান জোরদার করা হয়। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানায় পুলিশ। জেলা পুলিশ জানিয়েছে অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে অপরাধ ও অপরাধীর তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে বাসে আগুনের ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক সখীপুর পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক

টাঙ্গাইলে বাসে আগুনের ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক সখীপুর পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসি’র অভিযানে ৬ কেজি গাঁজাসহ আটক ১

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সরিষা খেতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় বাজার মনিটরিং জোরদার:৩ মামলায় অর্থদণ্ড
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় বাজার মনিটরিং জোরদার:৩ মামলায় অর্থদণ্ড

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বাজার এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পরিচালিত এ অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ৩টি পৃথক মামলায় মোট ৩০ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ ও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। অভিযান চলাকালে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পণ্যের মূল্য তালিকা যথাযথভাবে প্রদর্শন করা হচ্ছে কি না, নির্ধারিত দামের অতিরিক্ত মূল্য নেওয়া হচ্ছে কি না, মজুতদারি কিংবা কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে কি না—এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি, ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক আচরণ থেকে বিরত থাকা এবং বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সতর্ক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম। তিনি জানান, রমজান মাসে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলবে। কেউ আইন অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন। তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের লক্ষ্য হচ্ছে বাজারে ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষা করা। এজন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠন ও সাধারণ জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ক্রেতাদেরও প্রতারণা সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পবিত্র রমজান মাস জুড়ে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন বাজারে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে, যাতে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় করতে পারেন।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0

জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ গুরুতর আহত একাধিক, আশঙ্কাজনক অবস্থায় আল-আমিন

৪১ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ চার মাদক কারবারি গ্রেফতার

টাঙ্গাইলে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৫

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের সফল অভিযান: মাদক উদ্ধারসহ ৩৭ জন গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের সফল অভিযান: মাদক উদ্ধারসহ ৩৭ জন গ্রেপ্তার খুনের আসামি ১০ ঘণ্টায় অভিযানে গ্রেফতার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক উদ্ধার প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিভিন্ন মামলায় জড়িত মোট ৩৭ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সম্মানিত পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয়ের কঠোর নির্দেশের পরই জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জগণ মাঠপর্যায়ে এই অভিযান পরিচালনা করেন।মাদকবিরোধী অভিযানে সাফল্যমাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযানে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ ১৭ পিস ইয়াবা সহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের এই দৃঢ় পদক্ষেপ অপরাধীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।খুনের ঘটনার দ্রুত সমাধান এক চাঞ্চল্যকর অগ্রগতিতে সখিপুর থানা পুলিশ একটি খুনের ঘটনার মাত্র ১০ ঘণ্টার মধ্যেই জড়িত ১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। দ্রুততম সময়ে অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার এই ঘটনা পুলিশের পেশাদারিত্ব ও কর্মদক্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।নিয়মিত মামলায় অব্যাহত তৎপরতাএছাড়াও প্রিভেন্টিভ পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য নিয়মিত মামলায় আরও ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অপরাধ দমনে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের এই তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0

মুন্সীগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ১৭

সখীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা

গোপালপুর উপজেলার খরুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি

0 মন্তব্য