আইন-অপরাধ

টাঙ্গাইল-৮ আসনে বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খানসহ দু’জনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, কারণ দর্শানোর নোটিশ

নাদিম তালুকদার
নাদিম তালুকদার স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
জানুয়ারী ৭, ২০২৬
টাঙ্গাইল-৮ আসনে বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খানসহ দু’জনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, কারণ দর্শানোর নোটিশ
টাঙ্গাইল-৮ আসনে বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খানসহ দু’জনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, কারণ দর্শানোর নোটিশ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খান ও সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক শরিফুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলে গঠিত নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আশরাফুল আলম তাদের দু’জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন। জানা গেছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আহমেদ আযম খান নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে ভোট প্রার্থনা করেন এবং আর্থিক ও উন্নয়নমূলক অনুদানের ঘোষণা দেন—এমন অভিযোগ উঠে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের স্মারক নম্বর ০৫.৪১.৯৩৮৫.০০০.০৪.০০৩.২৫.১১৬৪ মূলে গত ২৯ ডিসেম্বর বিষয়টি প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে পাঠানো হয়। নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আশরাফুল আলম লিখিত অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ভিডিও ও স্থিরচিত্র পর্যালোচনা করে দেখতে পান, একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেন, ‘১২ বার তো ভোট দিয়েছেন, এবার ১৩ বার-এর নির্বাচনে হিসেব করে ভোট দেন। আমি ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছি। আমার দল বিএনপি ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, আগামী নির্বাচনে বিএনপি পাস করলে দুই কোটি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।’ একই বক্তব্যে তিনি নির্বাচনের প্রথম বছরেই দুইটি রাস্তা নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন। কমিটির মতে, অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ভিডিও ও ছবির সত্যতা যাচাই করে দেখা যায়, এসব বক্তব্য রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা–২০২৫ এর একাধিক ধারার পরিপন্থী। ফলে অভিযোগটি প্রাথমিকভাবে সত্য বলে প্রতীয়মান হওয়ায় আহমেদ আযম খানের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়। অন্যদিকে, একই সংসদীয় আসনে সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক শরিফুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধেও একজন প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করার মাধ্যমে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত বিভিন্ন ছবি পর্যালোচনা করে কমিটি অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায়। সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার এ ধরনের কর্মকাণ্ড নির্বাচন আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ অবস্থায় অভিযুক্ত বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খান ও প্রভাষক শরিফুল ইসলাম খান—উভয়কে টাঙ্গাইলের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে অবস্থিত নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আদালতে হাজির হয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযোগের বিষয়ে লিখিতভাবে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আইন-অপরাধ

সরিষাবাড়ীতে বাবার অভিযোগে ছেলে গ্রেপ্তার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫ মাসের কারাদণ্ড। সরিষাবাড়ীতে বাবার অভিযোগে ছেলে গ্রেপ্তার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫ মাসের কারাদণ্ড।

সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে বাবু মিয়া (৪০) নামে এক মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ...

আগস্ট ২৪, ২০২৬
সুন্দরগঞ্জে দুই চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার ২ সুন্দরগঞ্জে দুই চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার ২

​গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে দুটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের দু...

আগস্ট ২৩, ২০২৬

0 মন্তব্য