জাতীয়

রমজানের শুরুতেই টাঙ্গাইলে লেবুসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়তি, চাপে ক্রেতারা

reporter-icon
নাদিম তালুকদার: স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ | 0
রমজানের শুরুতেই টাঙ্গাইলে লেবুসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়তি, চাপে ক্রেতারা
রমজানের শুরুতেই টাঙ্গাইলে লেবুসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়তি, চাপে ক্রেতারা
প্রতি বছরের মতো পবিত্র রমজান মাসের শুরুতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু পণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা আবারও দেখা দিয়েছে বাজারে। গেল বছর তুলনামূলকভাবে বাজার কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও এবার পুরোনো চিত্রই ফিরে এসেছে। রোজার শুরুতেই লেবুসহ বিভিন্ন সবজি, মুরগি ও গরুর মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির পাশাপাশি আমিষজাত পণ্যের দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। বাজারে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে লেবু। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে লেবুর দাম দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়েছে। গেল সপ্তাহে বাজারে প্রতি হালি লেবু ২০ থেকে সর্বোচ্চ ৪০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৬০ থেকে ৮০ টাকায় পৌঁছেছে। কিছু ক্ষেত্রে পাকা লেবু ১০০ টাকা হালিতেও বিক্রি হচ্ছে। দেশি কাগজি লেবুর তুলনায় এলাচি লেবুর দাম বেশি দেখা গেছে। টাঙ্গাইল পার্ক বাজারের সবজি বিক্রেতা শাহজাহান জানান, “একদাম ৮০ টাকা হালি। কেনার দামই বেশি, তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।” একই বাজারের আরেক বিক্রেতা জসিম বলেন, রোজা উপলক্ষে লেবুর চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে। ইফতারিতে শরবত, মুড়িমাখা, হালিমসহ বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে লেবুর ব্যবহার বেশি হওয়ায় পাইকারি বাজারেও দাম বেড়েছে। লেবুর দাম বাড়াকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে আলোচনা-সমালোচনা ও হাস্যরস। কেউ লিখছেন, “আপনার এলাকায় লেবুর ভরি কত?” আবার কেউ মজা করে বলছেন, “এবার মনে হয় লেবু ছাড়া শরবত বানাতে হবে।” বেসরকারি চাকরিজীবী সামিন খান বলেন, “মনে হচ্ছে এই দুদিনে লেবুতে ভিটামিনের পরিমাণ বেড়ে গেছে। ৮০ টাকা হালি দিয়ে কিনে অন্তত তাই মনে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য এটা কষ্টকর।”শুধু লেবু নয়, বাজারে মুরগির দামও বেড়েছে। গেল সপ্তাহে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০-১৮০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ২০০-২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। সোনালি মুরগি সপ্তাহের ব্যবধানে ৩০-৪০ টাকা বেড়ে ৩৫০-৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির দাম ৬০০-৬৫০ টাকা থেকে বেড়ে বর্তমানে ৭০০-৭২০ টাকায় পৌঁছেছে।গরুর মাংসের বাজারেও দাম কিছুটা বেড়েছে। গেল সপ্তাহে প্রতি কেজি ৭৫০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৭৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কমে যাওয়া ও চাহিদা বাড়ার কারণে দাম বেড়েছে।ক্রেতাদের অভিযোগ, রোজা এলেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দেন। তারা বাজার মনিটরিং জোরদার ও প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রমজান মাসে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো জরুরি, যাতে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে কেনাকাটা করতে পারে।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

জাতীয়

আরও পড়ুন
রমজানের শুরুতেই টাঙ্গাইলে লেবুসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়তি, চাপে ক্রেতারা
রমজানের শুরুতেই টাঙ্গাইলে লেবুসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়তি, চাপে ক্রেতারা

প্রতি বছরের মতো পবিত্র রমজান মাসের শুরুতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু পণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা আবারও দেখা দিয়েছে বাজারে। গেল বছর তুলনামূলকভাবে বাজার কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও এবার পুরোনো চিত্রই ফিরে এসেছে। রোজার শুরুতেই লেবুসহ বিভিন্ন সবজি, মুরগি ও গরুর মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির পাশাপাশি আমিষজাত পণ্যের দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। বাজারে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে লেবু। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে লেবুর দাম দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়েছে। গেল সপ্তাহে বাজারে প্রতি হালি লেবু ২০ থেকে সর্বোচ্চ ৪০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৬০ থেকে ৮০ টাকায় পৌঁছেছে। কিছু ক্ষেত্রে পাকা লেবু ১০০ টাকা হালিতেও বিক্রি হচ্ছে। দেশি কাগজি লেবুর তুলনায় এলাচি লেবুর দাম বেশি দেখা গেছে। টাঙ্গাইল পার্ক বাজারের সবজি বিক্রেতা শাহজাহান জানান, “একদাম ৮০ টাকা হালি। কেনার দামই বেশি, তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।” একই বাজারের আরেক বিক্রেতা জসিম বলেন, রোজা উপলক্ষে লেবুর চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে। ইফতারিতে শরবত, মুড়িমাখা, হালিমসহ বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে লেবুর ব্যবহার বেশি হওয়ায় পাইকারি বাজারেও দাম বেড়েছে। লেবুর দাম বাড়াকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে আলোচনা-সমালোচনা ও হাস্যরস। কেউ লিখছেন, “আপনার এলাকায় লেবুর ভরি কত?” আবার কেউ মজা করে বলছেন, “এবার মনে হয় লেবু ছাড়া শরবত বানাতে হবে।” বেসরকারি চাকরিজীবী সামিন খান বলেন, “মনে হচ্ছে এই দুদিনে লেবুতে ভিটামিনের পরিমাণ বেড়ে গেছে। ৮০ টাকা হালি দিয়ে কিনে অন্তত তাই মনে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য এটা কষ্টকর।”শুধু লেবু নয়, বাজারে মুরগির দামও বেড়েছে। গেল সপ্তাহে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০-১৮০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ২০০-২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। সোনালি মুরগি সপ্তাহের ব্যবধানে ৩০-৪০ টাকা বেড়ে ৩৫০-৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির দাম ৬০০-৬৫০ টাকা থেকে বেড়ে বর্তমানে ৭০০-৭২০ টাকায় পৌঁছেছে।গরুর মাংসের বাজারেও দাম কিছুটা বেড়েছে। গেল সপ্তাহে প্রতি কেজি ৭৫০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৭৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কমে যাওয়া ও চাহিদা বাড়ার কারণে দাম বেড়েছে।ক্রেতাদের অভিযোগ, রোজা এলেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দেন। তারা বাজার মনিটরিং জোরদার ও প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রমজান মাসে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো জরুরি, যাতে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে কেনাকাটা করতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
রমজানে নিত্যপণ্যের ঘাটতি হবে না, পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

রমজানে নিত্যপণ্যের ঘাটতি হবে না, পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

শহিদ মিনারে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ভাষা শহিদদের স্মরণে সিক্ত বাঙ্গালী জাতি

মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন পুলিশ সুপার

মহান একুশে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা শহীদদের প্রতি যশোর জেলা পুলিশের বিনম্র শ্রদ্ধা

মহান একুশে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা শহীদদের প্রতি যশোর জেলা পুলিশের বিনম্র শ্রদ্ধা যশোর ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা আন্দোলনের অমর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে জেলা পুলিশ যশোর।২১ ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ও আবেগঘন দিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে রাজপথে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অসংখ্য ভাষাসৈনিক। তাঁদের আত্মত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল হয়ে আছে জাতির চেতনা ও আত্মপরিচয়। সেই ত্যাগের স্মরণে প্রতিবছরের মতো এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ইংরেজি ২১/০২/২০২৬ খ্রি. তারিখ রাত ১২টা ০১ মিনিটে যশোরের সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা। এ সময় জেলা পুলিশ যশোরের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম পিপিএম (সেবা)। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জনাব আবুল বাশার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সার্কেল জনাব আহসান হাবীব অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সার্কেল জনাব মোঃ রাজিবুল ইসলাম, আরআই পুলিশ লাইন্স ডিআইও-১, কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ, টিআই প্রশাসনসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ। শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নেমে আসে এক আবেগঘন পরিবেশ। ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাঁদের আত্মত্যাগের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও চেতনা সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। মহান একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জাতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে জেলা পুলিশ যশোর আবারও তাদের প্রাতিষ্ঠানিক অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0

ঝিনাইদহে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস–২০২৬ উদযাপন

খুলনায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

টাংগাইলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে টাঙ্গাইলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে টাঙ্গাইলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সম্পন্নশ্রদ্ধা নিবেদনে সুশৃঙ্খল ও ভাবগম্ভীর পরিবেশ নিশ্চিতে ব্যাপক আয়োজন করা হয়েছে ।টাঙ্গাইল সদর ,২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলা সদরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সম্পন্ন হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকা সজ্জিত করা হয়েছে নান্দনিক আলোকসজ্জা পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায়।জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে টাঙ্গাইল জেলা শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারকে নতুন রূপে সাজানো হয়েছে। শহীদ মিনারের বেদী ধুয়ে-মুছে পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে, চারপাশে স্থাপন করা হয়েছে আলোকসজ্জা ও দিকনির্দেশনামূলক ব্যানার। দর্শনার্থীদের চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থাও।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় রাত ১২টা ১ মিনিটে শহীদদের প্রতি প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হবে। এরপর ভোর থেকে শুরু করে দিনব্যাপীসরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রাজনৈতিক দল সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ পর্যায়ক্রমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। একইসঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক দল শৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা করবে।জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে মহান একুশের চেতনাকে ধারণ করে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের লক্ষ্যে একটি সুশৃঙ্খল নিরবচ্ছিন্ন ও ভাবগম্ভীর পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে টাঙ্গাইলবাসী আবারও একত্রিত হতে প্রস্তুতশ্রদ্ধা ভালোবাসা ও গভীর কৃতজ্ঞতায়।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজের আহ্বান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর

জনগণের আস্থা অর্জন করে দ্রুত জনপ্রত্যাশা পূরণের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর

সরকারী গাড়িতে নয় ব্যক্তিগত গাড়িতে দেশ গঠনে ভুমিকা রাখবেন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান

0 মন্তব্য