সারা দেশ

টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলে গড়গড়িয়া লেক সম্প্রসারণকে কেন্দ্র করে বন বিভাগের বিরুদ্ধে গারো সম্প্রদায়ের প্রতিবাদ

নাদিম তালুকদার
নাদিম তালুকদার স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলে গড়গড়িয়া লেক সম্প্রসারণকে কেন্দ্র করে বন বিভাগের বিরুদ্ধে গারো সম্প্রদায়ের প্রতিবাদ
টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলে গড়গড়িয়া লেক সম্প্রসারণকে কেন্দ্র করে বন বিভাগের বিরুদ্ধে গারো সম্প্রদায়ের প্রতিবাদ
টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলের গড়গড়িয়া এলাকায় লেক খনন ও সম্প্রসারণকে কেন্দ্র করে বন বিভাগ ও গারো সম্প্রদায়ের একাংশের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি ‘সংক্ষুব্ধ আদিবাসী ছাত্র জনতা’ ব্যানারে মানববন্ধনও অনুষ্ঠিত হয়েছে। তারা অভিযোগ করেন, গারোদের প্রথাগত মালিকানাধীন জমিতে অবৈধভাবে লেক খনন ও মাটি ভরাট করা হচ্ছে। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, গড়গড়িয়া লেক ও আশপাশের ভূমি গারো সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ এবং সেখানে তাদের প্রথাগত ভূমি অধিকার রয়েছে। অন্যদিকে, বন বিভাগ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। জাতীয় সদর উদ্যান রেঞ্জের লহুরিয়া বিটের কর্মকর্তা জানাচ্ছেন, খরা মোকাবিলা এবং বন্যপ্রাণীর পানীয় জলের সংকট নিরসনে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে লেক সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। বর্তমানে লেকের দুই পাড়ে খননকৃত মাটি জড়ো করা হচ্ছে এবং লেকটি ‘মধুপুর শালবন পুনরুদ্ধার কার্যক্রম’ এর আওতায় ১,১৬৫ ফুট পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। পূর্বে খননকৃত ৬৬৫ ফুট দীর্ঘ লেক শুষ্ক মৌসুমে প্রায় শুকিয়ে যেত। জাউসের ফরেস্ট রেঞ্জার মোশারফ হোসেন বলেন, শুষ্ক মৌসুমে বনাঞ্চলের বানার নদী, বাইদ, খাল ও পুকুর শুকিয়ে গেলে বন্যপ্রাণী জনপদে চলে আসে এবং অনেক সময় হামলার শিকার হয়। লহুরিয়া বিটের সংরক্ষিত পশু প্রজনন কেন্দ্রে হরিণ, ময়ূর ও কাছিম রয়েছে। লেক সম্প্রসারণের মাধ্যমে প্রাণিকূলের পানির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা হবে। সামাজিক বনায়নের সহব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোত্তালেব হোসেন জানান, বনাঞ্চল কমে যাওয়ায় পানির স্তর নিম্নমুখী হয়েছে। লেক খননের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গারো নেতারাও উপস্থিত ছিলেন এবং খননকৃত এলাকায় কোনো গারো বাড়িঘর বা আবাদি জমি নেই। মধুপুর বনাঞ্চলের সহকারী বন সংরক্ষক রানা দেব জানিয়েছেন, লেক সম্প্রসারণ ছাড়াও আরও ১০টি পুকুর সংস্কার করা হচ্ছে, যা বনবাসী ও বন্যপ্রাণীর পানি সংকট কমাবে। তবে বাংলাদেশ গারো ছাত্র সংগঠন ও বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম অভিযোগ করেছেন, পূর্বে দোখলা রেঞ্জের চুনিয়া মৌজায় গারোদের আবাদি জমিতে কৃত্রিম লেক খননের চেষ্টা আন্দোলনের মুখে বন্ধ হয়েছিল। তারা দাবি করছেন, গড়গড়িয়া এলাকাতেও একইভাবে প্রথাগত ভূমি অধিকার উপেক্ষা করে কাজ করা হচ্ছে। টাঙ্গাইলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহাম্মদ মোহসিন বলছেন, সংরক্ষিত বনে কোনো প্রথাগত ব্যক্তিগত ভূমি অধিকার প্রযোজ্য নয়। তিনি আরও বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল গারো যুবকদের উসকে দিয়ে অযথা উত্তেজনা সৃষ্টি করছে।

সারা দেশ

দুর্গাপুরে যুবক অপহরণ, ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণের অভিযোগে মামলা দুর্গাপুরে যুবক অপহরণ, ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণের অভিযোগে মামলা

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এক যুবককে পথরোধ করে জোরপূর্বক অপহরণ এবং পরে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শামী...

আগস্ট ২৭, ২০২৬
দুর্গাপুরে আরাফাত রহমান কোকো
স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন দুর্গাপুরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার ২নং দুর্গাপুর ইউনিয়নে ১০টি দল নিয়ে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।...

আগস্ট ২৬, ২০২৬

0 মন্তব্য