শিক্ষাঙ্গন

এইচ এস সি টেস্টে অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পুনরায় পরীক্ষা—টাঙ্গাইল সরকারি মহিলা কলেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ

reporter-icon
নাদিম তালুকদার: স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
মার্চ ২, ২০২৬ | 0
এইচ এস সি টেস্টে অকৃতকার্য হওয়া  শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পুনরায় পরীক্ষা—টাঙ্গাইল সরকারি মহিলা কলেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ
এইচ এস সি টেস্টে অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পুনরায় পরীক্ষা—টাঙ্গাইল সরকারি মহিলা কলেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ

রমজান মাসে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বন্ধের মধ্যেই টাঙ্গাইল সরকারি মহিলা কলেজ-এ এইচএসসি টেস্ট পরীক্ষায় একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। জানা গেছে, পবিত্র রমজান উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করে কলেজ কর্তৃপক্ষ রোজার মধ্যেই এইচএসসি টেস্টে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার আয়োজন করে। সরেজমিনে বুধবার দুপুর পর্যন্ত কলেজের একাধিক শ্রেণিকক্ষে পরীক্ষা চলতে দেখা যায়। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কয়েকজন শিক্ষককে কিছুটা বিব্রত ও হতভম্ব হতে দেখা যায়। কলেজ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের এইচএসসি টেস্ট পরীক্ষা শুরু হয়। দ্বাদশ শ্রেণির মোট ১ হাজার ১০১ জন শিক্ষার্থী এতে অংশ নেয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি ফল প্রকাশ হলে ৪৯১ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়। তাদের মধ্যে অধিকাংশই ইংরেজি, আইসিটি, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়ে ফেল করে। পরবর্তীতে এসব শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, এ পুনঃপরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতি বিষয়ে ১ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, “আমাদের প্রতি বিষয়ে ১ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। টাকাগুলো পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিসের এক শিক্ষকের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।” নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থী জানান, তিনি দুই বিষয়ে ফেল করেছিলেন এবং সে অনুযায়ী ২ হাজার টাকা জমা দিয়েছেন। তার মতো আরও অনেকে টাকা দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। কলেজের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র দাবি করেছে, ফেল করা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ‘মোটা অঙ্কের টাকা’ নেওয়ার বিনিময়েই পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ তাহমিনা জাহান বলেন, “অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের অনুরোধে একাডেমিক কাউন্সিলের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।” তবে রমজানে সরকারি বন্ধের মধ্যে পরীক্ষা আয়োজন এবং অর্থ গ্রহণের অভিযোগ সম্পর্কে তিনি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। টাকা নেওয়ার বিষয়টি তিনি সরাসরি অস্বীকার করেন। এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) লায়লা আঞ্জুমান বানু বলেন, “রমজান উপলক্ষে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। বন্ধের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি আমাদের জানা নেই। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। অনেকেই দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। সচেতন মহল মনে করছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন অনিয়ম প্রমাণিত হলে তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নেতিবাচক বার্তা বহন করবে এবং শিক্ষাব্যবস্থার ওপর আস্থার সংকট তৈরি করবে।

সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শিক্ষাঙ্গন

আরও পড়ুন
এইচ এস সি টেস্টে অকৃতকার্য হওয়া  শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পুনরায় পরীক্ষা—টাঙ্গাইল সরকারি মহিলা কলেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ
এইচ এস সি টেস্টে অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পুনরায় পরীক্ষা—টাঙ্গাইল সরকারি মহিলা কলেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ

রমজান মাসে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বন্ধের মধ্যেই টাঙ্গাইল সরকারি মহিলা কলেজ-এ এইচএসসি টেস্ট পরীক্ষায় একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। জানা গেছে, পবিত্র রমজান উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করে কলেজ কর্তৃপক্ষ রোজার মধ্যেই এইচএসসি টেস্টে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার আয়োজন করে। সরেজমিনে বুধবার দুপুর পর্যন্ত কলেজের একাধিক শ্রেণিকক্ষে পরীক্ষা চলতে দেখা যায়। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কয়েকজন শিক্ষককে কিছুটা বিব্রত ও হতভম্ব হতে দেখা যায়। কলেজ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের এইচএসসি টেস্ট পরীক্ষা শুরু হয়। দ্বাদশ শ্রেণির মোট ১ হাজার ১০১ জন শিক্ষার্থী এতে অংশ নেয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি ফল প্রকাশ হলে ৪৯১ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়। তাদের মধ্যে অধিকাংশই ইংরেজি, আইসিটি, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়ে ফেল করে। পরবর্তীতে এসব শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, এ পুনঃপরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতি বিষয়ে ১ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, “আমাদের প্রতি বিষয়ে ১ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। টাকাগুলো পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিসের এক শিক্ষকের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।” নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থী জানান, তিনি দুই বিষয়ে ফেল করেছিলেন এবং সে অনুযায়ী ২ হাজার টাকা জমা দিয়েছেন। তার মতো আরও অনেকে টাকা দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। কলেজের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র দাবি করেছে, ফেল করা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ‘মোটা অঙ্কের টাকা’ নেওয়ার বিনিময়েই পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ তাহমিনা জাহান বলেন, “অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের অনুরোধে একাডেমিক কাউন্সিলের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।” তবে রমজানে সরকারি বন্ধের মধ্যে পরীক্ষা আয়োজন এবং অর্থ গ্রহণের অভিযোগ সম্পর্কে তিনি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। টাকা নেওয়ার বিষয়টি তিনি সরাসরি অস্বীকার করেন। এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) লায়লা আঞ্জুমান বানু বলেন, “রমজান উপলক্ষে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। বন্ধের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি আমাদের জানা নেই। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। অনেকেই দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। সচেতন মহল মনে করছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন অনিয়ম প্রমাণিত হলে তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নেতিবাচক বার্তা বহন করবে এবং শিক্ষাব্যবস্থার ওপর আস্থার সংকট তৈরি করবে।

মার্চ ২, ২০২৬ 0

মাভাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু কবর জিয়ারত ও ছাত্রদলের শুভেচ্ছা

পবিত্র কুরআনের সবক প্রদান উপলক্ষে দোয়া ও পুরস্কার বিতরণ

শীতের রাতেও শিক্ষার্থীদের অবিস্মরণীয় প্রতিবাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটির চাঁপাইনবাবগঞ্জ  শহর শাখার উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। (৬ই ফেব্রুয়ারী)  শুক্রবার সকাল ১০টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা পার্ক থেকে র‌্যালি শুরু হয়। সেটি বাতেন খাঁ মোড় হয়ে শান্তি মোড় ও শিবতলা মোড় হয়ে রেহাইচর মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়। ‘মেধা, সততা ও দেশপ্রেমে গড়ি আগামীর বাংলাদেশ’  এ  স্লোগান  নিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর শাখা। র‌্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মোঃ নূরুল ইসলাম বুলবুল। মোঃ নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ছাত্রশিবির দেশের ছাত্রসমাজকে নৈতিকতা ও আদর্শিক শিক্ষায় গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের জেলার সাবেক সভাপতি ও পৌর নায়েবে আমীর এ্যাডভোকেট মোঃ শফিক এনায়েতুল্লাহ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌর জামায়াতের আমীর হাফেজ গোলাম রাব্বানী, ইসলামী ছাত্রশিবির চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর শাখার সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, সম্পাদক মোঃ ইউসুফ আল গালিবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের  নেতৃবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
নিম্নমানের আইডি কার্ড প্রদান, ক্ষুব্ধ সরকারি সা’দত কলেজের শিক্ষার্থীরা

নিম্নমানের আইডি কার্ড প্রদান, ক্ষুব্ধ সরকারি সা’দত কলেজের শিক্ষার্থীরা

সরকারি মহিলা কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

ভূঞাপুরে ইমাম আলী বাইতুল কুরআন বালক বালিকা মাদ্রাসা (মাদারিয়া)-এর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নুরানী তালিমুল কুরআন বোর্ড বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নুরানী তালিমুল কুরআন বোর্ড বাংলাদেশ কর্তৃক মাদরাসার উস্তাদদের জন্য শিক্ষাদান পদ্ধতি বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার মাদারিয়া এলাকায় অবস্থিত ইমাম আলী বাইতুল কুরআন বালক-বালিকা মাদরাসার হলরুমে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আব্দুস সাত্তার কাসেমী। প্রশিক্ষক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ইমরান আহমেদ ও হাফেজ হোসাইন আহমেদ। এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা নুরুল ইসলাম, শেখ মাহদী হাসান শিবলী,  মাওলানা সানোয়ার এবং মুফতি রবিউল ইসলাম। কর্মশালায় বিভিন্ন এলাকার ১৫টি মাদরাসা থেকে মোট ১২০ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণে নুরানী শিক্ষাব্যবস্থায় আধুনিক ও কার্যকর পাঠদান কৌশল, শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং মানসম্মত কুরআন শিক্ষার বিভিন্ন দিক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়। আয়োজকরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শিক্ষকদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং এর মাধ্যমে নুরানী শিক্ষার মান আরও সমৃদ্ধ হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জানুয়ারী ২২, ২০২৬ 0

গোপালপুর সোনামুই দাওয়াতুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসায় জাঁকজমকপূর্ণ পাগড়ী প্রদান অনুষ্ঠান

BRPOWA’র উদ্যোগে টাঙ্গাইলে কৃতী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও সনদপত্র বিতরণ

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে অ্যাডভান্সড মডেল স্কুলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নবীন বরণ

0 মন্তব্য