টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ১৩ জুন ২০২৬ (শনিবার)পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারের লক্ষ্যে সরকারের ঘোষিত ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।এর ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলায়ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।উপজেলা পর্যায়ের এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি।অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সাধারণ জনগণ অংশ নেন। বক্তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।তাঁরা বলেন জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি পাবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।উল্লেখ্য সরকারের এই বৃহৎ কর্মসূচির আওতায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে।
বাসাইলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের বাসাইলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।রোববার উপজেলার নির্ধারিত স্থানে আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান। এ সময় তিনি বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তিনি সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও তা রক্ষণাবেক্ষণের আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি প্রশাসনের কর্মকর্তা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন বৃক্ষ শুধু পরিবেশ রক্ষাই করে না এটি অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা বৃক্ষরোপণে অংশ নেন এবং পরিবেশ সচেতনতামূলক কার্যক্রমে যুক্ত হন।
নোয়াখালীর হাতিয়ায় শিশু ধর্ষণ মামলায় পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার ভুক্তভোগী ১২ বছরের শিশু পরিবারের অভিযোগ দায়িত্বের সুযোগ নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ নোয়াখালীর হাতিয়ার জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলমকে ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) রাতে তাকে নোয়াখালী পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন নিশ্চিত করেছেন।ঘটনার সূত্রপাত হয় কয়েক মাস আগে। ভুক্তভোগী শিশুটির মা ও ভাই দীর্ঘদিন ধরে ওই তদন্ত কেন্দ্রের মেসে রান্নার কাজ করতেন। সেই সুবাদে শিশুটির সেখানেও যাতায়াত ছিল। অভিযোগ, দায়িত্ব নেওয়ার পর পরিদর্শক খোরশেদ আলম শিশুটিকে বিভিন্ন সময় নিজ বাসায় ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি ও টাকার প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঘটনা প্রকাশ করে দেওয়ার ভয়ে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে হুমকি দিতেন। নিরাপত্তার স্বার্থে বিষয়টি এতদিন গোপন রাখা হলেও একপর্যায়ে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ে।স্থানীয় বাসিন্দা হিমেল বলেনএ ঘটনায় হাতিয়া ও আশপাশের এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার কঠোর শাস্তি দাবি করছি।’হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন,‘কয়েক মাস আগেও এই অভিযোগ পেয়ে তৎকালীন হাতিয়া সার্কেলের এসপি তদন্ত করেছিলেন। তখন অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি বলে তিনি দায়িত্বে ছিলেন। এখন নতুন করে অভিযোগ আসায় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।নোয়াখালী জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। প্রাথমিক তদন্ত শেষে দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে প্রত্যাহার করা ওই পুলিশ পরিদর্শককে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত রাখা হয়েছে।
৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী । বক্তব্য প্রদানকালে তিনি বলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে টিকে থাকতে হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তাচেতনা উদ্ভাবনী মনোভাব এবং গবেষণার আগ্রহ গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ করা এবং তাদের সৃজনশীল মেধার বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা।তিনি বলেন বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারের ফলে যেমন জ্ঞান অর্জনের সুযোগ বেড়েছে, তেমনি গুজব অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্যও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞানমনস্ক হতে হবে। কুসংস্কার গুজব ও অযৌক্তিক বিশ্বাস থেকে মুক্ত থেকে যুক্তি, পর্যবেক্ষণ ও প্রমাণের ভিত্তিতে সত্য যাচাই করার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। একটি উন্নত আধুনিক ও প্রগতিশীল সমাজ গঠনে বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ও চিন্তাধারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রধান অতিথি আরও বলেন শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনের মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। তাদেরকে নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ সৃষ্টি করতে হবে প্রশ্ন করতে শিখতে হবে এবং সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে। বিজ্ঞান শিক্ষা মানুষের মধ্যে বিশ্লেষণী ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং সৃজনশীল চিন্তার বিকাশ ঘটায় যা ব্যক্তি ও জাতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।তিনি বলেন দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের বিকল্প নেই। কৃষি,স্বাস্থ্য,পরিবেশ যোগাযোগ শিল্প এবং তথ্যপ্রযুক্তিসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অবদান অপরিসীম। তাই শিক্ষার্থীদের গবেষণা উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবনে উৎসাহিত করতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। বিজ্ঞান মেলা, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের মতো আয়োজন তরুণদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।বক্তব্যের শেষে তিনি শিক্ষার্থী শিক্ষক ও অভিভাবকদের বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে দেশের বিজ্ঞানী গবেষক ও উদ্ভাবক হিসেবে দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে এবং একটি জ্ঞানভিত্তিক স্মার্ট ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনে নেতৃত্ব দেবে।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ১৩ জুন ২০২৬ (শনিবার)পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারের লক্ষ্যে সরকারের ঘোষিত ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।এর ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলায়ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।উপজেলা পর্যায়ের এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি।অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সাধারণ জনগণ অংশ নেন। বক্তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।তাঁরা বলেন জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি পাবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।উল্লেখ্য সরকারের এই বৃহৎ কর্মসূচির আওতায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে।
শামীম শাহরিয়ার
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সরাসরি দায়ী করেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স-এর বরাতে জানা গেছে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার-এর সঙ্গে এক টেলিফোন আলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফোনালাপে আরাঘচি বলেন, চলমান সংকট শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর প্রভাব বিশ্বজুড়েও ছড়িয়ে পড়ছে। এ পরিস্থিতির জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নীতিকেই দায়ী করেন। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান তার সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষায় “সব ধরনের উপায়” অবলম্বন করতে প্রস্তুত এবং এ ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান অত্যন্ত দৃঢ়। অন্যদিকে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার চলমান সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি যুদ্ধরত পক্ষগুলোকে সামরিক উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি, এই লক্ষ্য অর্জনে সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন। এদিকে, পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অবস্থান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য সোমবার পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। অন্যথায় কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, তবে তা বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
ওয়াশিংটন ডিসি থেকে প্রতিবেদন—ইরানের ভূখণ্ডে বিধ্বস্ত একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। মার্কিন সরকারের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, গত রাতে ওই ক্রু সদস্যকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাকে উদ্ধারে একটি সক্রিয় অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। জানা গেছে, উদ্ধার অভিযানের সময় তুমুল গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ওই ক্রু সদস্য এখনও ইরানের ভেতরেই অবস্থান করছেন এবং চলমান সংঘাতের কারণে তার নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মার্কিন সামরিক সূত্র জানায়, ‘এয়ারম্যান’ শব্দটি ব্যবহার করা হলেও এটি কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গ নির্দেশ করে না। ফলে নিখোঁজ ওই ব্যক্তির লিঙ্গ এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। এদিকে, উদ্ধারকারী দল এখনো তাকে নিরাপদে ইরানের বাইরে নিয়ে যেতে পারেনি। অভিযানটি এখনও চলমান এবং এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারেনি যে উদ্ধার কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে কিনা। পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে আন্তর্জাতিক মহলেও এ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে মার্কিন-সংশ্লিষ্ট স্থাপনা ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে প্রতিবেদনে সাংবাদিক Zein Basravi জানান, যুদ্ধের শুরু থেকেই ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছিল—তাদের ওপর কোনো হামলা হলে তারা এটিকে একটি আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থে আঘাত হানবে। সেই হুঁশিয়ারির বাস্তব প্রতিফলন এখন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান ইতোমধ্যে জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাত হেনেছে, বিভিন্ন বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে এবং একাধিক দেশের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। এসব পদক্ষেপে উপসাগরীয় অঞ্চলের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা হঠাৎ করেই স্থবির হয়ে পড়েছে। আজও Gulf Cooperation Council-ভুক্ত শহরগুলোতে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার তীব্রতা ইরানের সরাসরি আক্রমণের মতো না হলেও, এর ধারাবাহিকতা ও প্রভাব স্থানীয় জনগণের দৈনন্দিন জীবনে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে একটি বিষয় স্পষ্ট—যুদ্ধের আরও সম্প্রসারণ কোনো পক্ষের জন্যই ইতিবাচক নয়। কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি সামরিক অভিযান আরও জোরদার করে, তাহলে এর সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরানের পাল্টা হামলাও বাড়বে। এদিকে, ইরানের সামরিক বাহিনী Islamic Revolutionary Guard Corps দাবি করেছে, তাদের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, মার্কিন ঊর্ধ্বতন কমান্ডার ও প্রশিক্ষক, একটি ইসরায়েলি বাণিজ্যিক জাহাজ, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটির হিমার্স আর্টিলারি অবস্থান, বাহরাইনে প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন স্থাপনা। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান Oracle Corporation-এর একটি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে, যেখানে ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ভবনের কিছু অংশ ভেঙে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের এই ধারাবাহিক হামলা তাদের একটি সুস্পষ্ট কৌশলের অংশ, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর সাম্প্রতিক হুমকিকে কেন্দ্র করে। তিনি ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার একটি আল্টিমেটাম দিয়ে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে দেশটির ওপর ‘ভয়াবহ বিপর্যয়’ নেমে আসবে। সোমবার শেষ হতে যাওয়া এই সময়সীমা মূলত ট্রাম্পের ধারাবাহিক কঠোর অবস্থানেরই অংশ, যেখানে তিনি একের পর এক ডেডলাইন ঘোষণা করে আসছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের আল্টিমেটাম পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলছে এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথকে সংকুচিত করছে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে সাম্প্রতিক সামরিক ঘটনাপ্রবাহে। গত কয়েকদিন ধরে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার হাতে ভূপাতিত হওয়া এক মার্কিন পাইলটের সন্ধান চলছে। তবে উদ্ধার অভিযান বাধাগ্রস্ত হয়েছে, কারণ অনুসন্ধান ও উদ্ধার কাজে নিয়োজিত দুটি হেলিকপ্টারও ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। যদিও ওই হেলিকপ্টারের ক্রুদের নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশল নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে, সম্প্রতি মোতায়েন করা বি-৫২ বোমারু বিমান নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে ওয়াশিংটনকে। ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছিল, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যত অকার্যকর হয়ে গেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনায় সেই দাবির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া যেমন ঝুঁকিপূর্ণ, তেমনি কূটনৈতিক সমাধানের পথও ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। হরমুজ প্রণালী, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট, সেটিকে ঘিরে উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারেও এর বড় প্রভাব পড়তে পারে। সব মিলিয়ে, ট্রাম্পের নতুন আল্টিমেটাম মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতিকে আরও ঘনীভূত করেছে, আর বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে—এই সময়সীমা শেষ হলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”