লাইভ আপডেট খবর
এক ঝড়ে সব শেষ, দুই সন্তান নিয়ে দিশেহারা শিরিনা

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় সাম্প্রতিক কালবৈশাখী ঝড়ে বসতঘর হারিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিরিনা খাতুন (৩২) নামের এক অসহায় গৃহবধূ। বর্তমানে তিনি তার দুই ছোট সন্তানকে নিয়ে প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের ইন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা শিরিনা খাতুনের জীবনের একমাত্র সম্বল ছিল তার শ্বশুরের দেওয়া মাত্র এক শতাংশ জমির ওপর নির্মিত ছোট্ট একটি টিনের ঘর। সেই ঘরেই স্বামী খোকন মিয়া ও দুই সন্তানকে নিয়ে চলছিল তার ছোট্ট সংসার। স্বামী ঢাকায় রিকশা চালিয়ে যা আয় করতেন, তা দিয়েই কোনোমতে দিন কাটছিল তাদের। কিন্তু গত দুই দিন আগে হঠাৎ করেই কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানে এলাকায়। ঝড়ের তীব্রতা এতটাই ছিল যে মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে পড়ে শিরিনার একমাত্র বসতঘরটি। ঝড় শুরু হলে সন্তানদের নিয়ে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন তিনি। কিছুক্ষণের মধ্যেই একটি গাছ ভেঙে পড়ে তার ঘরের ওপর, সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু। বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাঙা ঘরের ধ্বংসস্তূপের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন শিরিনা খাতুন। তার চোখেমুখে হতাশা, অসহায়ত্ব আর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার ছাপ স্পষ্ট। শিরিনা খাতুন বলেন, “ঘরটাই ছিল আমাদের সবকিছু। এখন থাকার মতো কোনো জায়গা নেই। প্রতিবেশীর বাড়িতে আছি, কিন্তু কতদিন এভাবে থাকব জানি না। স্বামীর অল্প আয়ে নতুন করে ঘর তোলা আমাদের পক্ষে সম্ভব না।” স্থানীয়দের সহায়তায় আপাতত দিন কাটছে তার। প্রতিবেশী মালেকা খাতুন জানান, ঝড়ের রাতে তারা শিরিনাকে আশ্রয় দেন। সময়মতো তাকে না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। স্থানীয় বাসিন্দা মোশাররফ হোসেন বলেন, “পরিবারটি খুবই অসহায়। দ্রুত সরকারি সহায়তা না পেলে তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।” এদিকে, সাম্প্রতিক ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করছে উপজেলা প্রশাসন। দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে শিরিনা খাতুনকে প্রাথমিকভাবে শুকনো খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছেন। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা অনুযায়ী শিরিনা খাতুনকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। তবে স্থানীয়দের দাবি, শুধুমাত্র খাদ্য সহায়তা নয়—দ্রুত একটি ঘর নির্মাণের ব্যবস্থা করা জরুরি। পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী। একটি ঝড় শুধু একটি ঘর নয়, একটি পরিবারের স্বপ্ন, নিরাপত্তা আর ভবিষ্যৎকেও ভেঙে দিয়েছে। এখন সহানুভূতি আর সহযোগিতার হাত বাড়ালেই হয়তো আবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে পারবে শিরিনা ও তার সন্তানরা।

১৬ ঘন্টা আগে
ডেপুটি স্পীকারের সাথে ব্রাহ্মণ পুরোহিত সম্প্রদায়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আজ (বুধবার) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, এমপি’র সঙ্গে তাঁর নির্বাচনী এলাকার ব্রাহ্মণ পুরোহিত সম্প্রদায়ের ১২ সদস্যবিশিষ্ট একটি প্রতিনিধিদল সংসদ ভবনে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ডেপুটি স্পীকার ব্রাহ্মণ পুরোহিত সম্প্রদায়ের খোঁজখবর নেন এবং তাঁদের সঙ্গে আন্তরিক কুশল বিনিময় করেন। তিনি বলেন, তাঁর নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান রয়েছে। এলাকার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ যাতে জাতীয় সংসদ সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা অর্জন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে সবাইকে সংসদ ভবন পরিদর্শন এবং সংসদ অধিবেশন অবলোকনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আজ ব্রাহ্মণ পুরোহিত প্রতিনিধিদল এসেছেন। এর আগে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদল, ইমাম প্রতিনিধিদল, হাজং সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদল এবং দুর্গাপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এসেছিলেন। তাঁর লক্ষ্য হলো এলাকার সকল পেশা ও সম্প্রদায়ের মানুষ যেন জাতীয় সংসদ সম্পর্কে জানতে পারে। এ সময় ব্রাহ্মণ পুরোহিত সম্প্রদায়ের বীরেশ্বর চক্রবর্তী, মিন্টু ভাদুরী, অপরেশ চক্রবর্তী, গৌতম চক্রবর্তী, বিমল চৌধুরী, উৎপল শর্মা, রতন শর্মা, সুজয় শর্মা, মানিক চক্রবর্তী, কেশব লাল চক্রবর্তী, সজয় চক্রবর্তী এবং সমরেশ চক্রবর্তী সংসদ ভবনে আসার সুযোগ করে দেওয়ায় এবং দুর্গাপুরের সন্তান হিসেবে ডেপুটি স্পীকার নিযুক্ত হওয়ায় তাঁর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, হিন্দু সম্প্রদায় হিসেবে তাঁরা অনেক সময় অবহেলার শিকার হন। তবে ডেপুটি স্পীকারের সহযোগিতায় দুর্গাপুরের উন্নয়নে অংশগ্রহণ করে তাঁরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চান। তাঁরা ডেপুটি স্পীকারকে ‘রাজা’ সম্বোধন করে গীতা পাঠ করেন এবং ঈশ্বরের কাছে তাঁর মঙ্গল কামনা করেন। পাশাপাশি তাঁকে একটি উত্তরণী উপহার প্রদান করেন এবং পূজামন্ডপ সংস্কার, পুরোহিত ভাতা চালু ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান। জবাবে ডেপুটি স্পীকার বলেন, এলাকার মন্দিরের জন্য বরাদ্দ প্রদানে কোনো অবহেলা করা হবে না। ব্রাহ্মণ পুরোহিত সম্প্রদায়ের কল্যাণে যা প্রয়োজন, তা করার চেষ্টা করা হবে। মসজিদ, মন্দির ও গির্জার জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উন্মুক্ত করা হবে। তিনি আরও বলেন, “সবার পরিচয় আমরা মানুষ আমাদের রক্ত সবারই লাল। কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে খ্রিস্টান, কে বৌদ্ধ সবাই আমরা বাংলাদেশি।” তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে রাষ্ট্রীয় সেবা দলীয়ভাবে দেখা হলেও তিনি ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে দলমত নির্বিশেষে সবার পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন। সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে পড়ালেখা, খেলাধুলা এবং সংস্কৃতিচর্চা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

১৯ ঘন্টা আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউনেস্কো প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ | পুলিশ প্রশিক্ষণে সহযোগিতা দিবে ইউনেস্কো।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে আজ ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, রোজ বুধবার জাতীয় সংসদে তাঁর কার্যালয়ে ইউনেস্কোর কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ সুসান ভাইজের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা ছিলেন ইউনেস্কো বাংলাদেশের হেড অব কমিউনিকেশন অ্যান্ড ইনফরমেশন ফারহানা শাহনাজ এবং মিডিয়া অ্যান্ড ইনফরমেশন প্রজেক্ট লিড শাকিল এম ফয়সাল। সাক্ষাৎকালে পুলিশ প্রশিক্ষণ ও সংস্কার, মিডিয়া-পুলিশের সুসম্পর্ক বজায় রাখা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। ইউনেস্কোর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুলিশের প্রশিক্ষণ নিয়ে তাদের একটি চলমান প্রকল্প রয়েছে এবং মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পেলে আগামী জুনের মধ্যেই তা শুরু করা সম্ভব। এ প্রস্তাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মতি জানিয়ে দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন। সুসান ভাইজ জানান, জাতীয় নির্বাচনের আগে এসপি ও ওসি পদমর্যাদার প্রায় ৭০০ পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী বিভাগীয় পর্যায়ে ডিআইজি ও এসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ জোরদার করার পরামর্শ দেন এবং এতে পুলিশের মিডিয়া শাখায় কর্মরত কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি শনিবারে প্রশিক্ষণ আয়োজনের পরামর্শও দেন। এছাড়া ইউনেস্কো সাংবাদিকদের জন্য অনুরূপ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করছে বলেও জানানো হয়। মন্ত্রী বলেন, সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী হলেও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

২২ ঘন্টা আগে
ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা সন্তান প্রসবের পর স্ত্রী ও সন্তানের পরিচয় দিতে অস্বীকৃতি প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার

ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা সন্তান প্রসবের পর স্ত্রী ও সন্তানের পরিচয় দিতে অস্বীকৃতি প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার সিপিসি-৩, র‍্যাব-১৪, টাঙ্গাইল ক্যাম্প ২৭ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি. তারিখে অভিযান চালিয়ে ধর্ষণ মামলার ধর্ষক মোঃখাইরুলইসলাম(২৩)জেলা-দিনাজপুরকে গ্রেফতার করেছে।ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী আসামি মোঃখাইরুল ইসলাম(২৩)জেলা-দিনাজপুর এর সাথে প্রেমের সম্পর্কের কারণে নিয়মিত দেখা সাক্ষাৎ হতো। ভুক্তভোগীর পরিবার অন্যত্র বেড়াতে যাওয়ার সুযোগে ধৃত আসামি গত ৩১ জানুয়ারি ২০২৫খ্রিঃ রাত অনুমান ২০০০ ঘটিকায় ভুক্তভোগীর বাড়িতে আসেন এবং বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করেন। ধৃত আসামির ধর্ষণের ফলে ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে অভিভাবক জানতে পারেন। পরবর্তীতে ধৃত আসামি ভুয়া কাবিনমূলে বিবাহ সম্পন্ন করেন। ইতোমধ্যে ভুক্তভোগী কন্যা সন্তানের মা হন। সন্তান জন্মলাভের পর ধৃত আসামি ভুক্তভোগীর সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন এবং সন্তানকে অস্বীকার করেন। যার প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী আইনগত প্রতিকার চেয়ে দিনাজপুর বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পিটিশন মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে দিনাজপুর খানসামা থানায় মামলা নং-০২, তারিখ-০৩ মার্চ ২০২৬খ্রিঃ, ধারা- ৯(১) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত/২০২০) রুজু হয়। মামলা দায়েরের পর থেকে আসামি আত্মগোপনে ছিল।দিনাজপুর খানসামা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনের প্রেক্ষিতে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের আভিযানিক দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ২৭ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি. রাত অনুমান ২২:০০ ঘটিকায় টাঙ্গাইল কালিহাতি থানাধীন বর্গা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মোঃ খাইরুল ইসলাম (২৩), জেলা-দিনাজপুরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।ধৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে ।

১ দিন আগে
এক ঝড়ে সব শেষ, দুই সন্তান নিয়ে দিশেহারা শিরিনা
সারা দেশ
এক ঝড়ে সব শেষ, দুই সন্তান নিয়ে দিশেহারা শিরিনা

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় সাম্প্রতিক কালবৈশাখী ঝড়ে বসতঘর হারিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিরিনা খাতুন (৩২) নামের এক অসহায় গৃহবধূ। বর্তমানে তিনি তার দুই ছোট সন্তানকে নিয়ে প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের ইন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা শিরিনা খাতুনের জীবনের একমাত্র সম্বল ছিল তার শ্বশুরের দেওয়া মাত্র এক শতাংশ জমির ওপর নির্মিত ছোট্ট একটি টিনের ঘর। সেই ঘরেই স্বামী খোকন মিয়া ও দুই সন্তানকে নিয়ে চলছিল তার ছোট্ট সংসার। স্বামী ঢাকায় রিকশা চালিয়ে যা আয় করতেন, তা দিয়েই কোনোমতে দিন কাটছিল তাদের। কিন্তু গত দুই দিন আগে হঠাৎ করেই কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানে এলাকায়। ঝড়ের তীব্রতা এতটাই ছিল যে মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে পড়ে শিরিনার একমাত্র বসতঘরটি। ঝড় শুরু হলে সন্তানদের নিয়ে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন তিনি। কিছুক্ষণের মধ্যেই একটি গাছ ভেঙে পড়ে তার ঘরের ওপর, সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু। বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাঙা ঘরের ধ্বংসস্তূপের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন শিরিনা খাতুন। তার চোখেমুখে হতাশা, অসহায়ত্ব আর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার ছাপ স্পষ্ট। শিরিনা খাতুন বলেন, “ঘরটাই ছিল আমাদের সবকিছু। এখন থাকার মতো কোনো জায়গা নেই। প্রতিবেশীর বাড়িতে আছি, কিন্তু কতদিন এভাবে থাকব জানি না। স্বামীর অল্প আয়ে নতুন করে ঘর তোলা আমাদের পক্ষে সম্ভব না।” স্থানীয়দের সহায়তায় আপাতত দিন কাটছে তার। প্রতিবেশী মালেকা খাতুন জানান, ঝড়ের রাতে তারা শিরিনাকে আশ্রয় দেন। সময়মতো তাকে না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। স্থানীয় বাসিন্দা মোশাররফ হোসেন বলেন, “পরিবারটি খুবই অসহায়। দ্রুত সরকারি সহায়তা না পেলে তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।” এদিকে, সাম্প্রতিক ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করছে উপজেলা প্রশাসন। দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে শিরিনা খাতুনকে প্রাথমিকভাবে শুকনো খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছেন। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা অনুযায়ী শিরিনা খাতুনকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। তবে স্থানীয়দের দাবি, শুধুমাত্র খাদ্য সহায়তা নয়—দ্রুত একটি ঘর নির্মাণের ব্যবস্থা করা জরুরি। পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী। একটি ঝড় শুধু একটি ঘর নয়, একটি পরিবারের স্বপ্ন, নিরাপত্তা আর ভবিষ্যৎকেও ভেঙে দিয়েছে। এখন সহানুভূতি আর সহযোগিতার হাত বাড়ালেই হয়তো আবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে পারবে শিরিনা ও তার সন্তানরা।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬ 0
News stories

ইসরাইল ইরান যুদ্ধ

নির্বাচিত খবর

মতামত

আপনার এলাকার খবর দেখুন

বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন

সারা দেশ

আরও পড়ুন
এক ঝড়ে সব শেষ, দুই সন্তান নিয়ে দিশেহারা শিরিনা
এপ্রিল ৩০, ২০২৬ 0

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় সাম্প্রতিক কালবৈশাখী ঝড়ে বসতঘর হারিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিরিনা খাতুন (৩২) নামের এক অসহায় গৃহবধূ। বর্তমানে তিনি তার দুই ছোট সন্তানকে নিয়ে প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের ইন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা শিরিনা খাতুনের জীবনের একমাত্র সম্বল ছিল তার শ্বশুরের দেওয়া মাত্র এক শতাংশ জমির ওপর নির্মিত ছোট্ট একটি টিনের ঘর। সেই ঘরেই স্বামী খোকন মিয়া ও দুই সন্তানকে নিয়ে চলছিল তার ছোট্ট সংসার। স্বামী ঢাকায় রিকশা চালিয়ে যা আয় করতেন, তা দিয়েই কোনোমতে দিন কাটছিল তাদের। কিন্তু গত দুই দিন আগে হঠাৎ করেই কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানে এলাকায়। ঝড়ের তীব্রতা এতটাই ছিল যে মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে পড়ে শিরিনার একমাত্র বসতঘরটি। ঝড় শুরু হলে সন্তানদের নিয়ে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন তিনি। কিছুক্ষণের মধ্যেই একটি গাছ ভেঙে পড়ে তার ঘরের ওপর, সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু। বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাঙা ঘরের ধ্বংসস্তূপের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন শিরিনা খাতুন। তার চোখেমুখে হতাশা, অসহায়ত্ব আর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার ছাপ স্পষ্ট। শিরিনা খাতুন বলেন, “ঘরটাই ছিল আমাদের সবকিছু। এখন থাকার মতো কোনো জায়গা নেই। প্রতিবেশীর বাড়িতে আছি, কিন্তু কতদিন এভাবে থাকব জানি না। স্বামীর অল্প আয়ে নতুন করে ঘর তোলা আমাদের পক্ষে সম্ভব না।” স্থানীয়দের সহায়তায় আপাতত দিন কাটছে তার। প্রতিবেশী মালেকা খাতুন জানান, ঝড়ের রাতে তারা শিরিনাকে আশ্রয় দেন। সময়মতো তাকে না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। স্থানীয় বাসিন্দা মোশাররফ হোসেন বলেন, “পরিবারটি খুবই অসহায়। দ্রুত সরকারি সহায়তা না পেলে তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।” এদিকে, সাম্প্রতিক ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করছে উপজেলা প্রশাসন। দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে শিরিনা খাতুনকে প্রাথমিকভাবে শুকনো খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছেন। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা অনুযায়ী শিরিনা খাতুনকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। তবে স্থানীয়দের দাবি, শুধুমাত্র খাদ্য সহায়তা নয়—দ্রুত একটি ঘর নির্মাণের ব্যবস্থা করা জরুরি। পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী। একটি ঝড় শুধু একটি ঘর নয়, একটি পরিবারের স্বপ্ন, নিরাপত্তা আর ভবিষ্যৎকেও ভেঙে দিয়েছে। এখন সহানুভূতি আর সহযোগিতার হাত বাড়ালেই হয়তো আবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে পারবে শিরিনা ও তার সন্তানরা।

ডেপুটি স্পীকারের সাথে ব্রাহ্মণ পুরোহিত সম্প্রদায়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ
এপ্রিল ২৯, ২০২৬ 0

আজ (বুধবার) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, এমপি’র সঙ্গে তাঁর নির্বাচনী এলাকার ব্রাহ্মণ পুরোহিত সম্প্রদায়ের ১২ সদস্যবিশিষ্ট একটি প্রতিনিধিদল সংসদ ভবনে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ডেপুটি স্পীকার ব্রাহ্মণ পুরোহিত সম্প্রদায়ের খোঁজখবর নেন এবং তাঁদের সঙ্গে আন্তরিক কুশল বিনিময় করেন। তিনি বলেন, তাঁর নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান রয়েছে। এলাকার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ যাতে জাতীয় সংসদ সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা অর্জন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে সবাইকে সংসদ ভবন পরিদর্শন এবং সংসদ অধিবেশন অবলোকনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আজ ব্রাহ্মণ পুরোহিত প্রতিনিধিদল এসেছেন। এর আগে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদল, ইমাম প্রতিনিধিদল, হাজং সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদল এবং দুর্গাপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এসেছিলেন। তাঁর লক্ষ্য হলো এলাকার সকল পেশা ও সম্প্রদায়ের মানুষ যেন জাতীয় সংসদ সম্পর্কে জানতে পারে। এ সময় ব্রাহ্মণ পুরোহিত সম্প্রদায়ের বীরেশ্বর চক্রবর্তী, মিন্টু ভাদুরী, অপরেশ চক্রবর্তী, গৌতম চক্রবর্তী, বিমল চৌধুরী, উৎপল শর্মা, রতন শর্মা, সুজয় শর্মা, মানিক চক্রবর্তী, কেশব লাল চক্রবর্তী, সজয় চক্রবর্তী এবং সমরেশ চক্রবর্তী সংসদ ভবনে আসার সুযোগ করে দেওয়ায় এবং দুর্গাপুরের সন্তান হিসেবে ডেপুটি স্পীকার নিযুক্ত হওয়ায় তাঁর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, হিন্দু সম্প্রদায় হিসেবে তাঁরা অনেক সময় অবহেলার শিকার হন। তবে ডেপুটি স্পীকারের সহযোগিতায় দুর্গাপুরের উন্নয়নে অংশগ্রহণ করে তাঁরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চান। তাঁরা ডেপুটি স্পীকারকে ‘রাজা’ সম্বোধন করে গীতা পাঠ করেন এবং ঈশ্বরের কাছে তাঁর মঙ্গল কামনা করেন। পাশাপাশি তাঁকে একটি উত্তরণী উপহার প্রদান করেন এবং পূজামন্ডপ সংস্কার, পুরোহিত ভাতা চালু ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান। জবাবে ডেপুটি স্পীকার বলেন, এলাকার মন্দিরের জন্য বরাদ্দ প্রদানে কোনো অবহেলা করা হবে না। ব্রাহ্মণ পুরোহিত সম্প্রদায়ের কল্যাণে যা প্রয়োজন, তা করার চেষ্টা করা হবে। মসজিদ, মন্দির ও গির্জার জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উন্মুক্ত করা হবে। তিনি আরও বলেন, “সবার পরিচয় আমরা মানুষ আমাদের রক্ত সবারই লাল। কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে খ্রিস্টান, কে বৌদ্ধ সবাই আমরা বাংলাদেশি।” তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে রাষ্ট্রীয় সেবা দলীয়ভাবে দেখা হলেও তিনি ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে দলমত নির্বিশেষে সবার পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন। সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে পড়ালেখা, খেলাধুলা এবং সংস্কৃতিচর্চা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সা’দত কলেজে শিক্ষার্থীকে নাজেহালের অভিযোগে উত্তেজনা বাস আটক
এপ্রিল ২৮, ২০২৬ 0

সা’দত কলেজে শিক্ষার্থীকে নাজেহালের অভিযোগে উত্তেজনা বাস আটক টাঙ্গাইল, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখে টাঙ্গাইলের সরকারি সা’দত কলেজে এক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীকে ‘বিনিময়’ পরিবহনের বাস স্টাফদের নাজেহালের অভিযোগে কলেজ ক্যাম্পাসে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে বাসটি আটক করে কলেজ প্রাঙ্গণে নিয়ে আসে।প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাসের স্টাফরা ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন এবং একপর্যায়ে তার ওপর হামলার অভিযোগও ওঠে। ঘটনাটি দ্রুত ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।শিক্ষার্থীরা জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। কলেজ কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দ্রুত তদন্ত ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা জরুরি। শিক্ষার্থীরা বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।

টাঙ্গাইল সদরের উন্নয়নে সক্রিয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
এপ্রিল ২৭, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইল সদরের উন্নয়নে সক্রিয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল, ২৭ এপ্রিল ২০২৬টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি টাঙ্গাইল সদর আসন থেকে নির্বাচিত হন এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি সহায়তা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল সদরের বিভিন্ন ইউনিয়নে সড়ক,সেতু, কালভার্ট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে একাধিক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। মগড়া ইউনিয়নে একটি সেতু নির্মাণের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে,যা দীর্ঘদিনের দাবি ছিল স্থানীয়দের।এছাড়া চরাঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়ন, বিশেষ করে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে একাধিক প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে নতুন প্রকল্প অনুমোদনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে মাদক সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাং দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান জোরদার করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু মাদকসেবী ও বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।কৃষি খাতে সহায়তা দিতে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মাঝে বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি চরাঞ্চলে সেচ সুবিধা বাড়াতে সেচযন্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।এদিকে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে টাঙ্গাইলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারেক রহমান-এর মাধ্যমে ‘কৃষি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এ কর্মসূচিকে কৃষকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, টাঙ্গাইল সদরকে একটি আধুনিক ও উন্নত মডেল হিসেবে গড়ে তোলাই তার লক্ষ্য। তিনি জনগণের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।স্থানীয়দের মতে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে টাঙ্গাইল সদরের সার্বিক চিত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

আমাদের ফলো করুন

ট্রেন্ডিং খবর

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

অক্টোবর ৩, ২০২৫
জাতীয়
আন্তর্জাতিক
আইন-অপরাধ
চাকরি

তথ্য-প্রযুক্তি
খেলাধুলা
মুসলিম বিশ্ব
কওমী অঙ্গন