জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলা-এর আওনা ইউনিয়ন-এর অন্তর্গত কাবারিয়াবাড়ী গ্রামে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। গ্রামকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে স্থানীয় সচেতন মানুষদের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং বিভিন্ন দোকানপাট, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও জনসমাগমস্থলে মাদকবিরোধী পোস্টার লাগানো হয়। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কাবারিয়াবাড়ী এলাকায় কিছু অসাধু ব্যক্তির মাধ্যমে মাদকের বিস্তার ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব ব্যক্তির কারণে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অপরিচিত ও সন্দেহভাজন লোকজনের আনাগোনা বেড়ে গেছে। এতে করে গ্রামের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং এলাকার সামাজিক শৃঙ্খলা ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গ্রামবাসীরা জানান, আগে কাবারিয়াবাড়ী গ্রামটি শান্তিপূর্ণ ও সামাজিক সম্প্রীতির জন্য পরিচিত ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে মাদকের বিস্তার এবং কিছু অসাধু চক্রের তৎপরতার কারণে গ্রামের পরিবেশ ক্রমেই অশান্ত হয়ে উঠছে। এতে করে গ্রামের সম্মান, মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মাদকের প্রভাবের কারণে এলাকায় চুরি, ছিনতাই, ঝগড়া-বিবাদসহ বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজের একটি অংশ মাদকের সাথে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের সামাজিক সমস্যার কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এ পরিস্থিতিতে গ্রামের ছোট-বড় সব শ্রেণি-পেশার মানুষ একত্রিত হয়ে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। তারা বলেন, মাদক শুধু একজন মানুষের জীবনই ধ্বংস করে না, বরং একটি পরিবার এবং পুরো সমাজকেও বিপদের মুখে ঠেলে দেয়। তাই কাবারিয়াবাড়ী গ্রামকে মাদকমুক্ত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মাদকবিরোধী এই কর্মসূচির সময় গ্রামবাসীরা লিফলেটের মাধ্যমে মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করেন। লিফলেটে মাদকের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা হয় এবং মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন দোকান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোস্টার লাগিয়ে এলাকাবাসীকে মাদকবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। গ্রামবাসীরা জানান, তারা শুধু সচেতনতা তৈরিতেই সীমাবদ্ধ থাকতে চান না। প্রয়োজনে গ্রামকে মাদকমুক্ত করতে সামাজিকভাবে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথাও ভাবছেন তারা। তবে এ ক্ষেত্রে প্রশাসনের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। স্থানীয়দের মতে, মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে যারা মাদক ব্যবসা বা মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। এদিকে কাবারিয়াবাড়ী গ্রামের সর্বস্তরের জনগণ প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হলে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। তারা আশা করছেন, প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতায় গ্রামটিকে একটি নিরাপদ ও মাদকমুক্ত এলাকায় পরিণত করবে। স্থানীয়দের দৃঢ় বিশ্বাস, সামাজিক সচেতনতা, জনগণের ঐক্য এবং প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা থাকলে খুব শিগগিরই কাবারিয়াবাড়ী গ্রাম থেকে মাদকের বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে করে আবারও গ্রামে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি সুস্থ ও নিরাপদ সমাজে বেড়ে ওঠার সুযোগ পাবে।
টাঙ্গাইলে সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১৩ মার্চ ২০২৬) সন্ধ্যায় শহরের রয়্যাল প্লেস রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি সেন্টারে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব সুলতানসালাউদ্দিন টুকু (এমপি)।প্রধান অতিথির সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন সমাজের উন্নয়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাংবাদিকরা সমাজের আয়না হিসেবে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ তুলে ধরে জনগণকে সচেতন করে। তিনি বলেন দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা দেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ধারাকে শক্তিশালী করে। এ সময় তিনি সাংবাদিকদেরপেশাগত মর্যাদা ও কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন।বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি-কে সংবর্ধনা প্রদান ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়ে অবস্থিত রয়েল প্যালেস ভিআইপি হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি।সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতিহাসানুজ্জামিল শাহীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউর রহমান আজাদ টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রেসক্লাব টাঙ্গাইলের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মাওলা টাঙ্গাইল সদর থানা বিএনপির সভাপতি মোঃ আজগর আলী টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সালেহ মোহাম্মদ সাফি ইথেন এবং সদর থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিমউদ্দিন বিপ্লব। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংবাদপত্রের মহাসচিব জাফর আহমেদ।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মোঃ আরিফুর রহমান এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামীম আল মামুন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন আমাদের স্বাধীনতার ঘোষক এবং আমাদের আদর্শের জনক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি বলেন বাংলাদেশে যখনই বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে তখনই এ দেশের সাংবাদিক সমাজ সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা ভোগ করেছে এবং সংবাদপত্রের ক্ষেত্রে উদার ভূমিকা পালন করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন সংবাদপত্র ওসাংবাদিকদের সমাজের প্রতি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। বস্তুনিষ্ঠ ও সত্য সংবাদ তুলে ধরে সমাজের বাস্তব চিত্র মানুষের সামনে উপস্থাপন করা এবং দেশ ও জাতিকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম। সাংবাদিকরা কোনো নির্দিষ্ট দলের নয় তারা সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করেন।অনুষ্ঠানের শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
টাঙ্গাইলে ‘ব্লোমিং বিউটি বাই মুন’-এ ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান নকল পণ্য ও অনিয়মের অভিযোগে জরিমানাটাঙ্গাইল শহরের রেজিস্ট্রিপাড়া এলাকায় অবস্থিত অনলাইনভিত্তিক কসমেটিকস প্রতিষ্ঠান ব্লোমিং বিউটি বাই মুন-এ অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে নকল ও অনিয়মিত কসমেটিকস পণ্য বিক্রির অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করা হয়েছে।ভোক্তা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে প্রতিষ্ঠানটিতে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কসমেটিকস পণ্যের মধ্যে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। কিছু দেশীয় পণ্যের গায়ে বিদেশি ব্র্যান্ডের স্টিকার লাগিয়ে বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠে। এছাড়া বেশ কিছু পণ্যের বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। অভিযানের সময় দেখা যায়, কয়েকটি কসমেটিকস পণ্য নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছিল। এ ধরনের অনিয়ম ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের পরিপন্থী হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেল। এ সময় তিনি বলেন বাজারে নকল ও ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো প্রতিষ্ঠান ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ভোক্তা অধিদপ্তর আরও জানায় বাজারে নকল বা অনিয়মিত পণ্য বিক্রির তথ্য পেলে সাধারণ মানুষকে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে বাজারে নকল ও নিম্নমানের পণ্যের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমে আসবে এবং ভোক্তারা নিরাপদ পণ্য ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ ২৬ জন গ্রেপ্তার টাঙ্গাইল ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখে টাঙ্গাইলে অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের নিয়মিত বিশেষ অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় মোট ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।জেলা পুলিশের গণমাধ্যম শাখা সূত্রে জানা যায় জেলার বিভিন্ন থানা ও ইউনিটের সমন্বয়ে পরিচালিত এ অভিযানে প্রিভেন্টিভ মামলা নিয়মিত মামলা মাদক ব্যবসাওপরোয়ানাভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। অভিযানে জেলার প্রতিটি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাঠে থেকে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার।গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত অভিযানে প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা মাদক সংক্রান্ত অপরাধ এবং পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।এ সময় মাদকবিরোধী অভিযানে ১২০ পিস ইয়াবা ৪৯০ গ্রাম গাঁজা এবং ১০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৮ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।জেলা পুলিশ জানিয়েছে অপরাধ দমন ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলা-এর আওনা ইউনিয়ন-এর অন্তর্গত কাবারিয়াবাড়ী গ্রামে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। গ্রামকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে স্থানীয় সচেতন মানুষদের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং বিভিন্ন দোকানপাট, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও জনসমাগমস্থলে মাদকবিরোধী পোস্টার লাগানো হয়। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কাবারিয়াবাড়ী এলাকায় কিছু অসাধু ব্যক্তির মাধ্যমে মাদকের বিস্তার ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব ব্যক্তির কারণে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অপরিচিত ও সন্দেহভাজন লোকজনের আনাগোনা বেড়ে গেছে। এতে করে গ্রামের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং এলাকার সামাজিক শৃঙ্খলা ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গ্রামবাসীরা জানান, আগে কাবারিয়াবাড়ী গ্রামটি শান্তিপূর্ণ ও সামাজিক সম্প্রীতির জন্য পরিচিত ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে মাদকের বিস্তার এবং কিছু অসাধু চক্রের তৎপরতার কারণে গ্রামের পরিবেশ ক্রমেই অশান্ত হয়ে উঠছে। এতে করে গ্রামের সম্মান, মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মাদকের প্রভাবের কারণে এলাকায় চুরি, ছিনতাই, ঝগড়া-বিবাদসহ বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজের একটি অংশ মাদকের সাথে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের সামাজিক সমস্যার কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এ পরিস্থিতিতে গ্রামের ছোট-বড় সব শ্রেণি-পেশার মানুষ একত্রিত হয়ে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। তারা বলেন, মাদক শুধু একজন মানুষের জীবনই ধ্বংস করে না, বরং একটি পরিবার এবং পুরো সমাজকেও বিপদের মুখে ঠেলে দেয়। তাই কাবারিয়াবাড়ী গ্রামকে মাদকমুক্ত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মাদকবিরোধী এই কর্মসূচির সময় গ্রামবাসীরা লিফলেটের মাধ্যমে মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করেন। লিফলেটে মাদকের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা হয় এবং মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন দোকান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোস্টার লাগিয়ে এলাকাবাসীকে মাদকবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। গ্রামবাসীরা জানান, তারা শুধু সচেতনতা তৈরিতেই সীমাবদ্ধ থাকতে চান না। প্রয়োজনে গ্রামকে মাদকমুক্ত করতে সামাজিকভাবে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথাও ভাবছেন তারা। তবে এ ক্ষেত্রে প্রশাসনের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। স্থানীয়দের মতে, মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে যারা মাদক ব্যবসা বা মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। এদিকে কাবারিয়াবাড়ী গ্রামের সর্বস্তরের জনগণ প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হলে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। তারা আশা করছেন, প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতায় গ্রামটিকে একটি নিরাপদ ও মাদকমুক্ত এলাকায় পরিণত করবে। স্থানীয়দের দৃঢ় বিশ্বাস, সামাজিক সচেতনতা, জনগণের ঐক্য এবং প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা থাকলে খুব শিগগিরই কাবারিয়াবাড়ী গ্রাম থেকে মাদকের বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে করে আবারও গ্রামে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি সুস্থ ও নিরাপদ সমাজে বেড়ে ওঠার সুযোগ পাবে।
সরিষাবাড়ী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা ও সামগ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে এক জরুরি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর জেলা বিএনপির বিপ্লবী ও সফল সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ১৪১ নম্বর আসন জামালপুর–৪ (সরিষাবাড়ী) থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম (MP)। সভায় বক্তৃতাকালে প্রধান অতিথি বলেন, “আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা একটি সম্মিলিত দায়িত্ব। জনগণের জানমাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।” তিনি মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মতবিনিময় সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় চলমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি আসন্ন সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভা শেষে উপস্থিত সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সরিষাবাড়ীতে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ি-১৪১) সংসদীয় আসনের নির্বাচনী মাঠে ধানের শীষের প্রার্থী জনাব ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম সক্রিয়ভাবে ভোটারদের সাথে সংযোগ স্থাপন করে চলেছেন। সরিষাবাড়ির প্রতিটি গ্রামে তিনি ভোটারদের কাছে পৌঁছে তাদের হৃদয় জয় করেছেন। জনাব শামীম নির্বাচনী প্রচারণার সময় বলেন, "আমার লক্ষ্য সরিষাবাড়িকে শাসক নয়, সেবক হিসাবে আধুনিক ও উন্নত শহরে পরিণত করা।" তিনি সাধারণ জনগণকে কেবলই নয়, আসনের সকল নির্বাচনী প্রার্থীদের সঙ্গে হাত মেলিয়ে কাজ করারও অঙ্গীকার করেছেন। তিনি এবং তার সমর্থকরা এই শপথবাক্য ঘোষণা করেছেন: ১২ তারিখের পর সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা হবে। নতুন, সমৃদ্ধ ও ন্যায়বিচারভিত্তিক দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি। ভেদাভেদ নয়, হিংসা নয়, আমাদের শক্তি হবে ঐক্য। সকলের প্রচেষ্টায় পথ হবে উন্নয়ন। ন্যায় ও ইনছাবভিত্তিক সমাজ গড়ার চেষ্টা। জামালপুরের মধ্যে সরিষাবাড়িকে উন্নয়নের সর্বোচ্চ শীর্ষে পৌঁছানোর প্রত্যয়। সরিষাবাড়ির সাধারণ জনগণ জানিয়েছেন, জনাব শামীম তাদের কাছে এক নয়নের মনি হয়ে উঠেছেন। তার উদার মানবতা এবং সেবামূলক মনোভাবের কারণে জনগণ তাকে গভীর শ্রদ্ধা ও সমর্থন প্রদান করছেন। অনেক ভোটার আশা প্রকাশ করেছেন, তার নেতৃত্বে সরিষাবাড়ি দেশের উন্নয়নের একটি রোল মডেল হয়ে উঠবে।
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে আপনার জ্ঞান চর্চার নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম
শামীম শাহরিয়ার
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
টাঙ্গাইলে সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১৩ মার্চ ২০২৬) সন্ধ্যায় শহরের রয়্যাল প্লেস রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি সেন্টারে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব সুলতানসালাউদ্দিন টুকু (এমপি)।প্রধান অতিথির সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন সমাজের উন্নয়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাংবাদিকরা সমাজের আয়না হিসেবে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ তুলে ধরে জনগণকে সচেতন করে। তিনি বলেন দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা দেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ধারাকে শক্তিশালী করে। এ সময় তিনি সাংবাদিকদেরপেশাগত মর্যাদা ও কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন।বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি-কে সংবর্ধনা প্রদান ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়ে অবস্থিত রয়েল প্যালেস ভিআইপি হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি।সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতিহাসানুজ্জামিল শাহীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউর রহমান আজাদ টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রেসক্লাব টাঙ্গাইলের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মাওলা টাঙ্গাইল সদর থানা বিএনপির সভাপতি মোঃ আজগর আলী টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সালেহ মোহাম্মদ সাফি ইথেন এবং সদর থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিমউদ্দিন বিপ্লব। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংবাদপত্রের মহাসচিব জাফর আহমেদ।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মোঃ আরিফুর রহমান এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামীম আল মামুন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন আমাদের স্বাধীনতার ঘোষক এবং আমাদের আদর্শের জনক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি বলেন বাংলাদেশে যখনই বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে তখনই এ দেশের সাংবাদিক সমাজ সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা ভোগ করেছে এবং সংবাদপত্রের ক্ষেত্রে উদার ভূমিকা পালন করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন সংবাদপত্র ওসাংবাদিকদের সমাজের প্রতি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। বস্তুনিষ্ঠ ও সত্য সংবাদ তুলে ধরে সমাজের বাস্তব চিত্র মানুষের সামনে উপস্থাপন করা এবং দেশ ও জাতিকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম। সাংবাদিকরা কোনো নির্দিষ্ট দলের নয় তারা সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করেন।অনুষ্ঠানের শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
টাঙ্গাইলে বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রি: দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা টাঙ্গাইলে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে মোট সাত হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে সদর উপজেলার বেগুনটাল ও তোরাপগঞ্জ বাজারে পরিচালিত অভিযানে এ জরিমানা করা হয়।অভিযান পরিচালনা করেন অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল। অভিযানের সময় বাজারে বিভিন্ন দোকান তদারকি করে দেখা যায় কয়েকজন ব্যবসায়ী সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রি করছেন।অভিযান চলাকালে বেগুনটাল বাজারের জিন্নত স্টোর সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে ডিজেল বিক্রি করায় পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সময়ে তোরাপগঞ্জ বাজারে নজরুল ইসলাম নামের এক ব্যবসায়ী ১১৬ টাকা লিটারের পেট্রোল ১৭০ টাকায় বিক্রি করছিলেন। এ অপরাধে তাকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল জানান বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত মনিটরিং ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কেউ যদি অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি করে বা ভোক্তাদের সাথে প্রতারণা করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।তিনি আরও বলেন বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অন্যান্য ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে যাতে তারা সরকার নির্ধারিত দামের বাইরে কোনো পণ্য বিক্রি না করেন।
বাগেরহাট-এ ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা মাইক্রোবাস–নেভী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৪একই পরিবারের ১৩ জনের মৃত্যু, নবদম্পতি ও দুই শিশুসহ নিভে গেল আনন্দের ঘর ।খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ১৩ জনসহ মোট ১৪ জন নিহত হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো এলাকায়। একটি মাইক্রোবাস ও নেভীর একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে নতুন বর–কনে এবং দুইটি ছোট শিশুও রয়েছে বলে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্র ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ করে নববধূকে নিয়ে পরিবারের সদস্যরা মাইক্রোবাসে করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। কয়েক ঘণ্টা আগেও যেখানে ছিল বিয়ের আনন্দ, হাসি আর নতুন জীবনের স্বপ্ন—সেই যাত্রাপথেই ঘটে যায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। নেভীর একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মুহূর্তের মধ্যেই দুমড়ে-মুচড়ে যায় মাইক্রোবাসটি। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা অনেককেই মৃত ঘোষণা করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও কয়েকজনের মৃত্যু হয়। এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৪ জনে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ১৩ জন সদস্য রয়েছেন, যা এই দুর্ঘটনাকে আরও শোকাবহ করে তুলেছে।হাসপাতালে নেওয়ার পর ধারণ করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যায় নববধূর হাতে এখনো টকটকে লাল মেহেদি রয়ে গেছে। কিন্তু জীবনের সেই নতুন অধ্যায় শুরু হওয়ার আগেই থেমে গেল তার জীবনযাত্রা। মেহেদির রঙ ফিকে হওয়ার আগেই নিভে গেল তার স্বপ্নের প্রদীপ।দুর্ঘটনায় নিহত দুইটি ছোট শিশুর বয়সও ছিল খুবই কম। তাদের শরীরে তখনো প্যাম্পার্স পরানো ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এত অল্প বয়সেই তাদের জীবনের ইতি টানল নির্মম এই সড়ক দুর্ঘটনা।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিয়ের আনন্দে ভরা একটি পরিবার মুহূর্তের মধ্যেই শোকে ভেঙে পড়েছে। একই পরিবারের এতগুলো মানুষের একসঙ্গে মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। নিহতদের স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে হাসপাতাল ও বাড়ির পরিবেশ।দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।এদিকে এমন মর্মান্তিক ঘটনায় স্থানীয়দের পাশাপাশি সামাজিকযোগাযোগমাধ্যমেও শোক ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছেন অসংখ্য মানুষ। অনেকেই বলছেন একটি পরিবারের প্রায় সব সদস্যকে একসঙ্গে হারানোর বেদনা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।
‘অন্তর মম বিকশিত করো অন্তর তর হে, নির্মল করো উজ্জ্বল করো, সুন্দর করো হে এ’’ এই প্রতিপাদ্যে দুর্গাপুর উপজেলার চন্ডিগড়ে অবস্থিত মানবকল্যানকামী অনাথালয় থেকে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সাত গুণীজনকে অনাথবন্ধু সম্মাননা দেয়া হয়েছে। ৩দিন ব্যাপি বিশ্ববান্ধব কবি সম্মেলন ও সনাতন ধর্মীয় মহা-সম্মেলন উপলক্ষে মঙ্গবার (১০ মার্চ) রাতে গুণীজনদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেয়া হয়। বিশ্ব বান্ধব কবি সম্মেলনের সভাপতি কবি শফিউল আলম স্বপনের সভাপতিত্বে, কবি বিদ্যুৎ সরকার ও কবি জাহাঙ্গীর আলম রিপনের সঞ্চালনায়, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আফসানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মিজানুর রহমান, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির পরিচালক পরাগ রিছিল, শিক্ষাবিদ এম এ জিন্নাহ, সংস্কৃতিজন আব্দুল্লাহ আল মামুন মুকুল, সুসঙ্গ সম্মিলিত সাহিত্য পরিষদের সভাপতি মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, সাংবাদিক সমিতির আহ্বায়ক কবি সজীম শাইন সহ জেলার গন্যমান্য ব্যক্তি, কবি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে, মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধা (কোম্পানি কমান্ডার) স্নিগ্ধেন্দু বাউল, সাংবাদিকতায় (যমুনা টেলিভিশন ও যুগান্তর এর জেলা প্রতিনিধি) কামাল হোসাইন, শিক্ষায় (মরণোত্তর) দয়া শংকর ত্রিবেদী, চিকিৎসায় ডা: প্রভাত কুমার সাহা, সমাজসেবায়, দীপক সরকার (প্রতিষ্ঠাতা জলসিঁড়ি পাঠকেন্দ্র), কবিতায় : বকুল মাস্টার এবং অনাথবন্ধু : কবি বিদ্যুৎ সরকার কে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
সাবধান ! পেট্রোল পাম্পে এভাবেই চলছে জালিয়াতি ! বেশিরভাগ লোকই জানেন না
ইনডাকশন ওভেন কেনার আগে এগুলি জানা জরুরি, রইল বিল বাঁচানোর ৫ টিপস
'পেট্রোল-ডিজেলের অভাব নেই, গুজব ছড়াবেন না', এবার কড়া বার্তা কেন্দ্রের
মাসে ২০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ২ কোটির মালিক হতে চান, কত দিন লাগবে ? কাজে লাগবে এই কৌশল
বাজারে চরম হতাশার দিন শেষ ! কত তারিখের মধ্যে ঘুরবে বাজার ? উত্তর দিচ্ছেন বাজার বিশেষজ্ঞ
বিপদে আপনার জীবন বাঁচাতে পারে ফোনের এই লুকোনো বৈশিষ্ট্য ! ৯০ শতাংশ লোক জানে না
ইউটিউব প্রিমিয়াম না প্রিমিয়াম লাইট ? কম খরচে সেরা অভিজ্ঞতা পাবেন কোনটিতে ?
করোনা থেকে হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টের প্রভাব, অতীতেও মারাত্মক ধস নেমেছে ভারতের শেয়ার বাজারে