কালিহাতী উপজেলা-এ ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা প্রাইভেটকার-ভ্যান সংঘর্ষে ২ জন নিহত রোববার ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা-এ প্রাইভেটকার ও ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক-এর জোকারচর গোহালিয়া বাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।নিহতরা হলেন—গোহালিয়া বাড়ি এলাকার ভ্যানচালক মোহাম্মদ আমির আলী (৪০) এবং তার ভ্যানে থাকা যাত্রী শরীফ উদ্দিন (৪১)। তারা দুজনই স্থানীয় বাসিন্দা বলে জানা গেছে।পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গমুখী একটি প্রাইভেটকার দ্রুতগতিতে মহাসড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। জোকারচর এলাকায় পৌঁছালে রাস্তা পারাপারের সময় একটি যাত্রীবাহী ভ্যানকে সজোরে ধাক্কা দেয় গাড়িটি। সংঘর্ষের তীব্রতায় ভ্যানটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ভ্যানচালক ও এক যাত্রী ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল-এ নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শরীফ উদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত আমির আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়।এ বিষয়ে যমুনা সেতু পূর্ব থানা-র উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম জানান দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেটকারটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।স্থানীয়দের অভিযোগ ব্যস্ত এই মহাসড়কে দীর্ঘদিন ধরে নিয়ন্ত্রণহীন গতিতে যানবাহন চলাচল করছে। পর্যাপ্ত নজরদারি ও কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার অভাবেই প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কটি দেশের অন্যতম ব্যস্ত সড়কপথ। প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করায় এখানে সামান্য অসতর্কতাও বড় দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। স্থানীয়দের মতে, সচেতনতা বৃদ্ধি ও কঠোর আইন প্রয়োগই পারে এমন প্রাণহানি রোধ করতে।
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১২ জন গ্রেপ্তার প্রিভেন্টিভ পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় ২৪ ঘণ্টায় জোরদার সাফল্য ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় সর্বমোট ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন থানা ও ইউনিটের সমন্বিত অভিযানে এ সাফল্য অর্জিত হয়।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ পলাতক আসামি গ্রেপ্তার এবং নিয়মিত মামলার আসামিদের আইনের আওতায় আনতে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থেকে অভিযান পরিচালনার নির্দেশ প্রদান করেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার।পুলিশ সুপার তার নির্দেশনায় বলেন অপরাধ দমনে নিয়মিত টহল জোরদার গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের শৈথিল্য বরদাশত করা হবে না। তাঁর নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।পুলিশ জানায়গ্রেপ্তারদের মধ্যে প্রিভেন্টিভ ধারায় আটক ব্যক্তি ছাড়াও নিয়মিত মামলার আসামি ও আদালতের পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামিরা রয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে অপরাধ প্রতিরোধ ও মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি জনগণের সহযোগিতা কামনা করে জেলা পুলিশ তাদের সচেতনতামূলক বার্তায় বলেছে।
পুলিশ লাইনসে প্রীতিভোজ (বড়খানা) অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপারের অংশগ্রহণ মনোবল সম্প্রীতি ও পেশাগত দায়বদ্ধতা জোরদারে মাসিক আয়োজন জেলা পুলিশ টাঙ্গাইলের উদ্যোগে পুলিশ লাইনস্ মাল্টিপারপাস শেডে আয়োজিত প্রীতিভোজ (বড়খানা) অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন পুলিশ সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি সৌহার্দ্য ও পেশাগত বন্ধন সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে প্রতি মাসে পুলিশ লাইন্সে বড়খানা আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন এমন আয়োজন শুধু সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে না বরং বাহিনীর সদস্যদের মনোবল দৃঢ় করে এবং দায়িত্ব পালনে পেশাগত দায়বদ্ধতা শৃঙ্খলাবোধ ও কর্মোদ্দীপনা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।তিনি আরও বলেন একটি সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে সদস্যদের মধ্যে ঐক্য পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সহমর্মিতার বিকল্প নেই। নিয়মিত এ ধরনের মিলনমেলা ও প্রীতিভোজ সদস্যদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে এবং কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ রবিউল ইসলাম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ আদিবুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) কাজী শাহনেওয়াজ-সহ জেলা পুলিশের সকল সার্কেল কর্মকর্তা অন্যান্য অফিসার ও ফোর্সবৃন্দ।উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান এ ধরনের আয়োজন বাহিনীর অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক জোরদার ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই তরুণ নিহত গভীর রাতে হাসপাতালে ছুটে গেলেন এমপি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল পৌর শহরের বটতলা এলাকায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছোটকালিবাড়ি এলাকার দুই তরুণের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দিবাগত গভীর রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটলে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহতরা দুজনই একই এলাকার বাসিন্দা এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন বলে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দ্রুতগতিতে চলা মোটরসাইকেলটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে আছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের মরদেহ দেখতে রাত পৌনে ১টার দিকে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতাল-এ ছুটে যান টাঙ্গাইল-৫ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এ সময় তিনি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন।এমপি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তরুণদের অকাল মৃত্যু আমাদের জন্য গভীর শোকের বিষয়। পরিবারের এই অপূরণীয় ক্ষতি পূরণ হওয়ার নয়।” তিনি নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং সড়ক নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।হাসপাতাল সূত্র জানায়, গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় দুই তরুণকে হাসপাতালে আনা হলে তাদের শরীরে জীবনের কোনো স্পন্দন ছিল না। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।এদিকে দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ছোটকালিবাড়ি এলাকায় নেমে আসে শোকের মাতম। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ। স্থানীয় সচেতন মহল সড়কে বেপরোয়া গতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
কালিহাতী উপজেলা-এ ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা প্রাইভেটকার-ভ্যান সংঘর্ষে ২ জন নিহত রোববার ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা-এ প্রাইভেটকার ও ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক-এর জোকারচর গোহালিয়া বাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।নিহতরা হলেন—গোহালিয়া বাড়ি এলাকার ভ্যানচালক মোহাম্মদ আমির আলী (৪০) এবং তার ভ্যানে থাকা যাত্রী শরীফ উদ্দিন (৪১)। তারা দুজনই স্থানীয় বাসিন্দা বলে জানা গেছে।পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গমুখী একটি প্রাইভেটকার দ্রুতগতিতে মহাসড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। জোকারচর এলাকায় পৌঁছালে রাস্তা পারাপারের সময় একটি যাত্রীবাহী ভ্যানকে সজোরে ধাক্কা দেয় গাড়িটি। সংঘর্ষের তীব্রতায় ভ্যানটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ভ্যানচালক ও এক যাত্রী ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল-এ নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শরীফ উদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত আমির আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়।এ বিষয়ে যমুনা সেতু পূর্ব থানা-র উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম জানান দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেটকারটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।স্থানীয়দের অভিযোগ ব্যস্ত এই মহাসড়কে দীর্ঘদিন ধরে নিয়ন্ত্রণহীন গতিতে যানবাহন চলাচল করছে। পর্যাপ্ত নজরদারি ও কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার অভাবেই প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কটি দেশের অন্যতম ব্যস্ত সড়কপথ। প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করায় এখানে সামান্য অসতর্কতাও বড় দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। স্থানীয়দের মতে, সচেতনতা বৃদ্ধি ও কঠোর আইন প্রয়োগই পারে এমন প্রাণহানি রোধ করতে।
৪৬তম বিসিএসে শিক্ষাক্যাডারে দেশসেরা শিপন রানাঅধ্যবসায়ত্যাগ ও বিশ্বাসে গড়া অনন্য সাফল্যের গল্প বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) প্রকাশিত ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষার ফলাফলে শিক্ষা ক্যাডারে প্রথম স্থান অর্জন করে দেশব্যাপী গৌরবের নজির গড়েছেন শিপন রানা। টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার এই কৃতি সন্তান শিক্ষা ক্যাডারে সর্বোচ্চ মেধার স্বাক্ষর রেখে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। শিপন রানা ঘাটাইল উপজেলার চান্দশী গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. মজিবুর রহমানের সন্তান। শৈশব থেকেই মেধা ও শৃঙ্খলার পরিচয় দেওয়া শিপন কুশারিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। এইচএসসি পরীক্ষায় তিনি বোর্ড বৃত্তি অর্জন করেন, যা তার মেধার প্রাথমিক প্রমাণ বহন করে।উচ্চশিক্ষায় তিনি ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন (ফিলোসফি) বিভাগে। সেখান থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি বিসিএসকে জীবনের লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করেন। জানা গেছে, স্নাতকোত্তর পরীক্ষার সময়ও তিনি বিসিএস প্রস্তুতিতে প্রতিদিন ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন অধ্যয়ন চালিয়ে যান।গত তিন থেকে চার বছর ছিল তার জীবনের সবচেয়ে সংযমী ও কঠিন সময়। বিনোদন, সামাজিক আড্ডা এমনকি খেলাধুলা থেকেও নিজেকে দূরে রাখেন তিনি। মোবাইল ফোন ব্যবহার সীমিত করে পড়াশোনায় পুরো মনোযোগ দেন। ঈদের ছুটিতেও পরিবারে না গিয়ে হলে অবস্থান করে প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার ঘটনা তার দৃঢ় প্রত্যয়েরই প্রমাণ। ২০২৫ সালের জুন মাসে গোপালপুর উপজেলার ব্যবসায়ী মো.মোফাজ্জল হোসেন (বাবলু)-এর কন্যা ইশরাত নাদিয়া মীমের সঙ্গে শিপন রানার বিবাহ সম্পন্ন হয়। মীম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার কারণে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ও সময়সূচি পিছিয়ে দিতে হয় বলে জানা গেছে।শিপন রানা জানান,তার সাফল্যের পেছনে স্ত্রীর অবদান ছিল অসামান্য। প্রস্তুতির পুরো সময়ে মানসিক সমর্থন অনুপ্রেরণা ও দিকনির্দেশনা দিয়ে পাশে থেকেছেন ইশরাত নাদিয়া মীম। পরিকল্পিত পড়াশোনা ও ভাইভা প্রস্তুতিতেও তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখেন।ধর্মীয় অনুশাসনের বিষয়ে শিপন রানা নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় ও তাহাজ্জুদে অভ্যস্ত। তিনি বলেন,এই সাফল্য একান্তই মহান আল্লাহর রহমত। বাবা-মা,স্ত্রী,শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীদের দোয়া ও সহযোগিতা ছাড়া এ অর্জন সম্ভব হতো না। শিপন রানার এই গৌরবজনক সাফল্যে ঘাটাইলসহ পুরো টাঙ্গাইল জেলায় আনন্দ ও গর্বের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ি-১৪১) সংসদীয় আসনের নির্বাচনী মাঠে ধানের শীষের প্রার্থী জনাব ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম সক্রিয়ভাবে ভোটারদের সাথে সংযোগ স্থাপন করে চলেছেন। সরিষাবাড়ির প্রতিটি গ্রামে তিনি ভোটারদের কাছে পৌঁছে তাদের হৃদয় জয় করেছেন। জনাব শামীম নির্বাচনী প্রচারণার সময় বলেন, "আমার লক্ষ্য সরিষাবাড়িকে শাসক নয়, সেবক হিসাবে আধুনিক ও উন্নত শহরে পরিণত করা।" তিনি সাধারণ জনগণকে কেবলই নয়, আসনের সকল নির্বাচনী প্রার্থীদের সঙ্গে হাত মেলিয়ে কাজ করারও অঙ্গীকার করেছেন। তিনি এবং তার সমর্থকরা এই শপথবাক্য ঘোষণা করেছেন: ১২ তারিখের পর সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা হবে। নতুন, সমৃদ্ধ ও ন্যায়বিচারভিত্তিক দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি। ভেদাভেদ নয়, হিংসা নয়, আমাদের শক্তি হবে ঐক্য। সকলের প্রচেষ্টায় পথ হবে উন্নয়ন। ন্যায় ও ইনছাবভিত্তিক সমাজ গড়ার চেষ্টা। জামালপুরের মধ্যে সরিষাবাড়িকে উন্নয়নের সর্বোচ্চ শীর্ষে পৌঁছানোর প্রত্যয়। সরিষাবাড়ির সাধারণ জনগণ জানিয়েছেন, জনাব শামীম তাদের কাছে এক নয়নের মনি হয়ে উঠেছেন। তার উদার মানবতা এবং সেবামূলক মনোভাবের কারণে জনগণ তাকে গভীর শ্রদ্ধা ও সমর্থন প্রদান করছেন। অনেক ভোটার আশা প্রকাশ করেছেন, তার নেতৃত্বে সরিষাবাড়ি দেশের উন্নয়নের একটি রোল মডেল হয়ে উঠবে।
ঘরে ঘরে জনে জনে মানবতার দীপ জ্বালাচ্ছেন কায়সার কামাল-জনকল্যাণের বার্তা নিয়ে তৃণমূলে ছুটে চলেছে উপজেলা যুবদল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর রাজনীতিকে মূল দর্শন হিসেবে সামনে রেখে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল—কেন্দ্রীয় বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিবের সুদৃঢ় নির্দেশনায় নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলা গাওকান্দিয়া ইউনিয়নে বিভিন্ন এলাকায় উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে চলছে ব্যাপক গণসংযোগ ও জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম। ঘরে ঘরে, জনে জনে—এই মানবিক ও হৃদয়ছোঁয়া স্লোগানকে ধারণ করে যুবদলের নেতাকর্মীরা প্রত্যেকটি ওয়ার্ড ও মহল্লায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। এ সময় তারা ব্যারিস্টার কায়সার কামালের মানবিক, সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড তৃণমূল মানুষের সামনে তুলে ধরছেন। রাজনীতির সীমা ছাড়িয়ে একজন মানবদরদী অভিভাবক হিসেবে তিনি যে নিরবচ্ছিন্নভাবে মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে কাজ করে যাচ্ছেন—তা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। গণসংযোগকালে বিশেষভাবে তুলে ধরা হচ্ছে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের বহুমাত্রিক জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ। এর মধ্যে রয়েছে— সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা,ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প,হৃদরোগে আক্রান্ত অসহায় রোগীদের জন্য হার্টের চিকিৎসা ও চিকিৎসা সহায়তা, কিডনি রোগে আক্রান্ত দরিদ্র রোগীদের সহায়তা, হাজারেরও বেশি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের সফল চোখের অপারেশন, গৃহহীন ও অসহায় পরিবারের জন্য ঘর নির্মাণ, গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কাঠের সেতু নির্মাণসহ নানা মানবিক ও উন্নয়নমূলক কাজ। এছাড়াও কৃষকবান্ধব কর্মসূচির অংশ হিসেবে কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালুর উদ্যোগ এবং নারীর ক্ষমতায়ন ও পারিবারিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মহিলাদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড প্রবর্তনের পরিকল্পনার বিষয়টিও প্রচারণায় গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা এবং নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুরক্ষা জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।এই গণসংযোগ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন উপজেলা যুবদলের নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীরা। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মোঃ হান্নান শাহ, মাহামুদুল হক সানি, কামরুল ইসলাম, বাদশা মিয়া ও রনি। পাশাপাশি গাওকান্দিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সার্বিক সহযোগিতায় আহ্বায়ক মোঃ ইমরান হোসেন সেলিম, যুগ্ম আহ্বায়ক তূষার ইমরান প্রান্ত, ইলিয়াস হোসেন,সিদ্দিক, নিজাম, তূষার, শামীম, শাকিল, জলিল, আলম, জবেদ এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা নিরলসভাবে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। যুবদল নেতারা বলেন,ব্যারিস্টার কায়সার কামাল শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন—তিনি মানবতার প্রতীক। কৃষক, শ্রমজীবী, অসহায় রোগী ও নারীদের উন্নয়ন নিশ্চিত করাই তার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। মানুষের দুঃখে পাশে দাঁড়িয়ে একটি ন্যায্য ও মানবিক সমাজ গড়ার বার্তা তৃণমূল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতেই এই প্রচার কার্যক্রম।
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকায় এক ১৩ বছরের মাদ্রাসাছাত্রীকে তিন দিন ধরে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে জয় কুমার দাস ও লোকনাথ চন্দ্র দাশকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ভুক্তভোগীর পরিবার জানিয়েছে, অভিযুক্তরা মেয়েটিকে মেলায় ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ফুঁসলিয়ে অপহরণ করে এবং একটি বাসায় আটকে রেখে তিন দিন ধরে যৌন নির্যাতন চালায়। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা অপরাধ স্বীকার করেছে। মামলার তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশে শিশু ও নারীর প্রতি সহিংসতা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, সিলেট, পঞ্চগড়সহ বিভিন্ন এলাকায় নাবালিকা ও শিশু ধর্ষণ ও অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী পরিবার সামাজিক চাপ বা হুমকির কারণে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মানবাধিকার ও শিশু অধিকার সংস্থাগুলো বলছে, অপরাধীদের দ্রুত বিচার, ভুক্তভোগী শিশুদের মানসিক ও আইনি সহায়তা, এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন। তারা গণমাধ্যমকেও আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে উৎসাহিত করছে, যাতে এই ধরনের অপরাধের খবর দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছায়। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্তরা যেন সর্বোচ্চ শাস্তি পান এবং এই ধরনের অপরাধ প্রতিহত করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের মাননীয় হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম, দেশটিতে অবস্থিত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত মি. ইয়াহিয়া হাসান আলকাহতানির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে দুই রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ, সৌদি আরব ও মালদ্বীপের মধ্যে ত্রিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। তারা পরিবহন, আবাসন, স্বাস্থ্য, মৎস্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, জনকূটনীতি ও অবকাঠামো উন্নয়নের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন। হাইকমিশনার ড. নাজমুল ইসলাম মালদ্বীপ ও সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের পরিশ্রম, দক্ষতা ও সততার প্রশংসা করে বলেন, “তারা বাংলাদেশের গর্ব।” জবাবে রাষ্ট্রদূত আলকাহতানি সৌদি আরবের উন্নয়নে বাংলাদেশের অবদান এবং প্রবাসীদের ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আলোচনার শেষে দুই পক্ষ ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের বন্ধন আরও মজবুত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন
শামীম শাহরিয়ার
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
কালিহাতী উপজেলা-এ ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা প্রাইভেটকার-ভ্যান সংঘর্ষে ২ জন নিহত রোববার ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা-এ প্রাইভেটকার ও ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক-এর জোকারচর গোহালিয়া বাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।নিহতরা হলেন—গোহালিয়া বাড়ি এলাকার ভ্যানচালক মোহাম্মদ আমির আলী (৪০) এবং তার ভ্যানে থাকা যাত্রী শরীফ উদ্দিন (৪১)। তারা দুজনই স্থানীয় বাসিন্দা বলে জানা গেছে।পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গমুখী একটি প্রাইভেটকার দ্রুতগতিতে মহাসড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। জোকারচর এলাকায় পৌঁছালে রাস্তা পারাপারের সময় একটি যাত্রীবাহী ভ্যানকে সজোরে ধাক্কা দেয় গাড়িটি। সংঘর্ষের তীব্রতায় ভ্যানটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ভ্যানচালক ও এক যাত্রী ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল-এ নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শরীফ উদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত আমির আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়।এ বিষয়ে যমুনা সেতু পূর্ব থানা-র উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম জানান দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেটকারটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।স্থানীয়দের অভিযোগ ব্যস্ত এই মহাসড়কে দীর্ঘদিন ধরে নিয়ন্ত্রণহীন গতিতে যানবাহন চলাচল করছে। পর্যাপ্ত নজরদারি ও কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার অভাবেই প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কটি দেশের অন্যতম ব্যস্ত সড়কপথ। প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করায় এখানে সামান্য অসতর্কতাও বড় দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। স্থানীয়দের মতে, সচেতনতা বৃদ্ধি ও কঠোর আইন প্রয়োগই পারে এমন প্রাণহানি রোধ করতে।
পুলিশ লাইনসে প্রীতিভোজ (বড়খানা) অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপারের অংশগ্রহণ মনোবল সম্প্রীতি ও পেশাগত দায়বদ্ধতা জোরদারে মাসিক আয়োজন জেলা পুলিশ টাঙ্গাইলের উদ্যোগে পুলিশ লাইনস্ মাল্টিপারপাস শেডে আয়োজিত প্রীতিভোজ (বড়খানা) অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন পুলিশ সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি সৌহার্দ্য ও পেশাগত বন্ধন সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে প্রতি মাসে পুলিশ লাইন্সে বড়খানা আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন এমন আয়োজন শুধু সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে না বরং বাহিনীর সদস্যদের মনোবল দৃঢ় করে এবং দায়িত্ব পালনে পেশাগত দায়বদ্ধতা শৃঙ্খলাবোধ ও কর্মোদ্দীপনা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।তিনি আরও বলেন একটি সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে সদস্যদের মধ্যে ঐক্য পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সহমর্মিতার বিকল্প নেই। নিয়মিত এ ধরনের মিলনমেলা ও প্রীতিভোজ সদস্যদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে এবং কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ রবিউল ইসলাম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ আদিবুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) কাজী শাহনেওয়াজ-সহ জেলা পুলিশের সকল সার্কেল কর্মকর্তা অন্যান্য অফিসার ও ফোর্সবৃন্দ।উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান এ ধরনের আয়োজন বাহিনীর অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক জোরদার ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই তরুণ নিহত গভীর রাতে হাসপাতালে ছুটে গেলেন এমপি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল পৌর শহরের বটতলা এলাকায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছোটকালিবাড়ি এলাকার দুই তরুণের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দিবাগত গভীর রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটলে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহতরা দুজনই একই এলাকার বাসিন্দা এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন বলে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দ্রুতগতিতে চলা মোটরসাইকেলটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে আছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের মরদেহ দেখতে রাত পৌনে ১টার দিকে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতাল-এ ছুটে যান টাঙ্গাইল-৫ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এ সময় তিনি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন।এমপি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তরুণদের অকাল মৃত্যু আমাদের জন্য গভীর শোকের বিষয়। পরিবারের এই অপূরণীয় ক্ষতি পূরণ হওয়ার নয়।” তিনি নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং সড়ক নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।হাসপাতাল সূত্র জানায়, গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় দুই তরুণকে হাসপাতালে আনা হলে তাদের শরীরে জীবনের কোনো স্পন্দন ছিল না। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।এদিকে দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ছোটকালিবাড়ি এলাকায় নেমে আসে শোকের মাতম। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ। স্থানীয় সচেতন মহল সড়কে বেপরোয়া গতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: নড়াইলে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নড়াইল জেলায় গ্রহণ করা হয়েছে কঠোর ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে জেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন নড়াইলের পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার।১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় গড়ে তোলা হয়েছে শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয়। ভোটের আগের রাতে পুলিশ সুপার স্বয়ং মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে কেন্দ্রগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন কেন্দ্রে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য, আনসার ও গ্রাম পুলিশ, মোবাইল টিম এবং স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ সতর্কতা,পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।পুলিশ সুপার বলেন,নির্বাচনকে ঘিরে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং সাধারণ ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন সে বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন নড়াইলের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল সালাম,আর্মি ক্যাম্প নড়াইলের লেঃ কর্নেল (সিও) মোঃ মাসুদ রানা, বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল খন্দকার আবু সহল আব্দুল্লা,জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আব্দুস ছালেক,জেলা কমান্ড্যান্ট (আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী) মোঃ আল-আমিন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ কামরুজ্জামানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রস্তুতি ও সক্রিয় তৎপরতায় নড়াইলে একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
জামায়েতের এই উত্থান ভারতের পক্ষে চিন্তার কারণ হতে পারে
ভারতের বিরুদ্ধে ম্য়াচ জেতালে কেউ দেবেন ভোজ, কেউ ভাঙবেন অবসর! পাক প্রাক্তনীদের কাছেই ট্রোলড বাবর
বিশ্বকাপে নেমেই ৩ উইকেট, ভারতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জের নাম তারিক, উসমানের বোলিং অ্যাকশন কি আদৌ বৈধ?
হাসপাতালে ভর্তি হওয়া অভিষেক এখন কেমন আছেন? বুমরা কি নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলবেন? জানালেন তিলক বর্মা
ট্রাকের ধাক্কায় তৃণমূল নেতার মৃত্যু, গুরুতর জখম তাঁর ১৪ বছরের মেয়ে, রণক্ষেত্র জলপাইগুড়ির গোশালা মোড় এলাকা
অধিনায়কের অনুপস্থিতিতেও আয়ার্ল্যান্ডকে দুরমুশ করে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল অস্ট্রেলিয়া
আহত অধিনায়ক মিচেল মার্শ, তড়িঘড়ি শ্রীলঙ্কায় উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অজ়ি তারকা স্টিভ স্মিথকে
সংখ্যালঘু হিন্দুদের অধিকার রক্ষায় ব্রতী, বাংলাদেশে শেখ হাসিনার কেন্দ্রে এবার প্রার্থী গোবিন্দ প্রামাণিক