নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশকে সামনে রেখে একটি সুদূরপ্রসারী উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মাননীয় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, দুর্গাপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদী, পাহাড়ঘেরা জনপদ এবং পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এ অঞ্চলকে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করা সম্ভব। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা এবং পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলার মতো কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, দুর্যোগে ভবন ধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে। তাই জনগণের নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে নদী ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রেখে বিজ্ঞানভিত্তিক ও বৈধ উপায়ে বালু উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হবে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষা পাবে, অন্যদিকে তেমনি অর্থনৈতিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে। তিনি আরও বলেন, দুর্গাপুরের অপার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে কুল্লাগড়া, দুর্গাপুর সদর, লেংগুরা, খারনৈ এবং রংছাতি—এই পাঁচটি ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে একটি আধুনিক ‘ট্যুরিজম হাব’ বা পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, পরিবহন খাত, হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসা এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র-বৃহৎ ব্যবসায়ীরা এর মাধ্যমে সরাসরি উপকৃত হবেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা দুর্গাপুরের নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এ অঞ্চলে আসবেন। এর ফলে দুর্গাপুরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে। একই সঙ্গে আধুনিক হাসপাতাল, উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, আবাসন সুবিধা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক নাগরিক সেবারও প্রসার ঘটবে। ফলে দুর্গাপুর শুধু একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবেই নয়, বরং একটি আধুনিক, সম্ভাবনাময় ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে উঠবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সুখময় সরকার, পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফরোজা আফসানা এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজসেবক ড. দিবালোক সিংহ। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্বপালনকারী গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সবার উপস্থিতিতে দুর্গাপুরের সম্ভাবনা, পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন এবং পর্যটন খাতের বিস্তার নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। স্থানীয়দের মতে, পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে দুর্গাপুরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটন খাতকে বিকশিত করা গেলে এই অঞ্চল শুধু নেত্রকোনাতেই নয়, সারাদেশের কাছে একটি অনন্য মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
টাঙ্গাইল বিসিকে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা গুরুতর আহত এক ব্যক্তি টাঙ্গাইল জেলার বিসিক শিল্প এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। রবিবার (২২ মার্চ) জেলার তারুটিয়া এলাকায় হঠাৎ করেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায় একটি দ্রুতগামী মোটরসাইকেল ও একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের তীব্রতায় মোটরসাইকেল আরোহী মারাত্মকভাবে আহত হন। দুর্ঘটনার পরপরই সিএনজি চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহত ব্যক্তির অবস্থা আশঙ্কাজনক।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তার পরিবারের সন্ধান পেতে স্থানীয়রা সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন। আহত ব্যক্তির সঙ্গে থাকা একজন সহায়তাকারীর মোবাইল নম্বর ০১৭৩৩-১৩৬৪৭৬ উল্লেখ করে দ্রুত যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানা গেছে।
ঈদের জামাতের টাকা তোলা নিয়ে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সংঘর্ষ আহত কয়েকজন। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় ঈদের নামাজেরআয়োজনকে কেন্দ্র করে টাকা তোলাকে ঘিরে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২১ মার্চ) উপজেলার কাজিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আসন্ন ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত আয়োজনকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে আগে থেকেই মতবিরোধ চলছিল। বিশেষ করে ঈদের নামাজ উপলক্ষে অর্থ সংগ্রহ এবং ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন নিয়ে দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিন ধরে বিরাজ করছিল।শনিবার সকালে ঈদের জামাত আদায় শেষে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে বলে জানা যায়।সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদেরনাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।ঘটনার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা করে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের মতে সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে এমনঅনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এলাকায় উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।বর্তমানে এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।টাঙ্গাইলে ঈদগা মাঠে দুপক্ষে মারামারী টাঙ্গাইলে ঈদগাহ মাঠে দুপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে শনিবার (২১মার্চ) সকালে ঈদের নামাজের শেষে কাজীপাড়া ঈদগাহ মাঠে এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর মো. ইব্রাহিম। জানা যায়,জেলার কালিহাতী উপজেলায় নারান্দিয়া ইউনিয়নের কাজীপাড়া বেপারী সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি ঈদগাহ মাঠ রয়েছে। সেই মাঠে সকালে ঈদের নামাজ হয়। নামাজ শেষে স্থানীয়দের মধ্যে ঈদের মাঠকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। হাতাহাতির করতে করতে ঈদগাহ মাঠের পাশে একটি পুকুরে একে অপরকে পুকুরের পানিতে চুবাতে থাকে। নারান্দিয়া ঈদগা মাঠের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হাসান জানান ঈদের মাঠে ইমামের টাকা তুলতে এই ঘটনা ঘটে। ঈদগাহ মাঠের সভাপতি সেক্রেটারি নির্দেশনা আসে ঈদের মাঠে ইমামের জন্য টাকা তুলতে। সে টাকা অপরপক্ষ ( ইয়াদ আলীর) লোকজন তুলতে নিষেধ করেন। ভেরি একপর্যায়ে টাকা তোলাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি হাতাহাতি শেষ পর্যায়ে বড় ধরনের মারামারিতে রূপ নেয়। তিনি আরো জানান ইয়াদ আলীর লোকজন তারা বলতে থাকে আমাদের বেপারী সম্প্রদায়ের লোকজন অসচ্ছল। তাই তারা টাকা তুলতে নিষেধ করেন। এছাড়াও এক পর্যায়ে মাঠের সামিয়ানাকে কেন্দ্র করে অনেক কথাই উত্থাপন করেন। স্থানীয়রা জানান,জানা আছে বৃষ্টি হতে পারে সে উপলক্ষে সামিয়ানা ভালোভাবে ভালো মানে সামিয়ানা দিয়ে ঈদগা মাঠটি সাজানোর কথা রয়েছে। তাহলে কেন নিম্নমানের সামিয়ানা লাগান হলো। এদিকে আবার ইমামের টাকা তুলতে হবে। এত টাকা বেপারী সম্প্রদায়ের লোকজনের দেওয়া কষ্ট। এ সমস্ত কথা কাটাকাটি শুরু হয়। প্রথমে ইয়াদ আলীর ছেলে কথাগুলো বলতে থাকেন। সে কথার প্রতি উত্তর দেন আফাজ উদ্দিন এর ছেলে। এভাবেই একে অপরের সাথে ঝগড়া লেগে যায়। সে ঝগড়ায় রুপ নেয় স্থানীয় দুটি পক্ষের মধ্যে। দুটি পক্ষই বেপারী সম্প্রদায়। ঈদগাহ মাঠের সভাপতি গোলাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই খোকন। তারা ঈদগাহ মাঠের হুজুরের টাকা তুলতে বলেন। অপরদিকে আফাজ উদ্দিন এর লোকজন হুজুরের টাকা তুলতে নিষেধ করেন। ঈদগাহ মাঠের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক এবং আফাস উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাদেরকে কাউকে পাওয়া যায়নি এ বিষয়ে নারান্দা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মো. ইব্রাহিম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমার ৬ নং ওয়ার্ডে এ ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি জানান কাজীপাড়া ঈদগাহ মাঠে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। তিনি আরো জানান ঈদগাহ মাঠে ডেকোরেশনে অর্থাৎ মাঠের উপরে সামিয়ানা দেওয়া হয়। সেই সামিয়ানায় বৃষ্টি রোধ করতে না পারায় দু এক জন বলতে থাকেন সামিয়ানা ভালো হয়নি। এরই একপর্যায়ে অপর আরো দুয়েকজন সে সেই কথার উপর সমর্থন জানায়। এভাবেই কথা কাটাকাটি শুরু হয়। মেম্বার ইব্রাহিম জানান, এ বিষয়ে বড় কোন দুর্ঘটনা ঘটেনি। তবে বিষয়টি নিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান মোহর আলীর সঙ্গে কথা হয়েছে তিনি আগামী সোমবার বিষয়টি মীমাংসার জন্য দুপক্ষকে ডাকা হয়েছে।
আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে টাঙ্গাইলে কেন্দ্রীয় ঈদ জামাতকে ঘিরে জোর প্রস্তুতি চলছে। এ প্রেক্ষিতে শুক্রবার (২০ মার্চ ২০২৬) জেলা প্রশাসক টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, টাঙ্গাইল ময়দান পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে ঈদগাহ মাঠের সার্বিক প্রস্তুতি ও অবকাঠামোগত ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় মুসল্লিদের নির্বিঘ্নে নামাজ আদায়ের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন তিনি। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতা অজুখানা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও প্রবেশ-বহির্গমন পথ সুসংগঠিত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।জেলা প্রশাসক জানান আগামীকাল শনিবার সকাল ৮টায় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, টাঙ্গাইল ময়দানে পবিত্র ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রায় ২০ হাজার মুসল্লীর অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। সে লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করা হয়েছে।পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মুসল্লিদের জন্য একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশ নিশ্চিত করতে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জরুরি সেবাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।উল্লেখ্য প্রতিবছরের মতো এবারও টাঙ্গাইলের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জেলার সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যেখানে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লীর সমাগম ঘটে।
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশকে সামনে রেখে একটি সুদূরপ্রসারী উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মাননীয় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, দুর্গাপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদী, পাহাড়ঘেরা জনপদ এবং পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এ অঞ্চলকে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করা সম্ভব। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা এবং পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলার মতো কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, দুর্যোগে ভবন ধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে। তাই জনগণের নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে নদী ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রেখে বিজ্ঞানভিত্তিক ও বৈধ উপায়ে বালু উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হবে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষা পাবে, অন্যদিকে তেমনি অর্থনৈতিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে। তিনি আরও বলেন, দুর্গাপুরের অপার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে কুল্লাগড়া, দুর্গাপুর সদর, লেংগুরা, খারনৈ এবং রংছাতি—এই পাঁচটি ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে একটি আধুনিক ‘ট্যুরিজম হাব’ বা পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, পরিবহন খাত, হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসা এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র-বৃহৎ ব্যবসায়ীরা এর মাধ্যমে সরাসরি উপকৃত হবেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা দুর্গাপুরের নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এ অঞ্চলে আসবেন। এর ফলে দুর্গাপুরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে। একই সঙ্গে আধুনিক হাসপাতাল, উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, আবাসন সুবিধা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক নাগরিক সেবারও প্রসার ঘটবে। ফলে দুর্গাপুর শুধু একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবেই নয়, বরং একটি আধুনিক, সম্ভাবনাময় ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে উঠবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সুখময় সরকার, পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফরোজা আফসানা এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজসেবক ড. দিবালোক সিংহ। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্বপালনকারী গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সবার উপস্থিতিতে দুর্গাপুরের সম্ভাবনা, পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন এবং পর্যটন খাতের বিস্তার নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। স্থানীয়দের মতে, পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে দুর্গাপুরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটন খাতকে বিকশিত করা গেলে এই অঞ্চল শুধু নেত্রকোনাতেই নয়, সারাদেশের কাছে একটি অনন্য মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে আপনার জ্ঞান চর্চার নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম
শামীম শাহরিয়ার
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশকে সামনে রেখে একটি সুদূরপ্রসারী উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মাননীয় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, দুর্গাপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদী, পাহাড়ঘেরা জনপদ এবং পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এ অঞ্চলকে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করা সম্ভব। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা এবং পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলার মতো কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, দুর্যোগে ভবন ধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে। তাই জনগণের নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে নদী ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রেখে বিজ্ঞানভিত্তিক ও বৈধ উপায়ে বালু উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হবে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষা পাবে, অন্যদিকে তেমনি অর্থনৈতিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে। তিনি আরও বলেন, দুর্গাপুরের অপার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে কুল্লাগড়া, দুর্গাপুর সদর, লেংগুরা, খারনৈ এবং রংছাতি—এই পাঁচটি ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে একটি আধুনিক ‘ট্যুরিজম হাব’ বা পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, পরিবহন খাত, হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসা এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র-বৃহৎ ব্যবসায়ীরা এর মাধ্যমে সরাসরি উপকৃত হবেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা দুর্গাপুরের নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এ অঞ্চলে আসবেন। এর ফলে দুর্গাপুরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে। একই সঙ্গে আধুনিক হাসপাতাল, উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, আবাসন সুবিধা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক নাগরিক সেবারও প্রসার ঘটবে। ফলে দুর্গাপুর শুধু একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবেই নয়, বরং একটি আধুনিক, সম্ভাবনাময় ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে উঠবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সুখময় সরকার, পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফরোজা আফসানা এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজসেবক ড. দিবালোক সিংহ। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্বপালনকারী গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সবার উপস্থিতিতে দুর্গাপুরের সম্ভাবনা, পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন এবং পর্যটন খাতের বিস্তার নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। স্থানীয়দের মতে, পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে দুর্গাপুরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটন খাতকে বিকশিত করা গেলে এই অঞ্চল শুধু নেত্রকোনাতেই নয়, সারাদেশের কাছে একটি অনন্য মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
গোপালপুরে ৪৩ মাদ্রাসা ও এতিমখানায় সৌদি সরকারের উপহার খেজুর বিতরণ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় সৌদি আরব সরকারের উপহার হিসেবে প্রাপ্ত খেজুর উপজেলার ৪৩টি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে। পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে এসব খেজুর বিতরণ করা হয়।সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে গোপালপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রধানদের হাতে খেজুর তুলে দেওয়া হয়। সৌদি সরকারের পাঠানো মোট ২০ কার্টুন খেজুর (প্রায় ১৬০ কেজি) বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন,সৌদি আরব সরকার প্রতিবছর বাংলাদেশের ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও এতিমখানাগুলোর পাশে দাঁড়াচ্ছে। এই সহায়তা রমজানের পবিত্রতা ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করে।”বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু বলেন এ ধরনের সহযোগিতা দরিদ্র ও এতিম শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আমরা আশাবাদী।”অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান, গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলামসহ উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও শিক্ষকবৃন্দ এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা মাদ্রাসা প্রধানদের হাতে খেজুর তুলে দেন। খেজুর পেয়ে মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিনিধিরা সৌদি সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে পুলিশের নিরলস তৎপরতা পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর-২০২৬ উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে দেশের অন্যতম ব্যস্ত সড়ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক-এযানবাহনের অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে এবং যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি।এ প্রেক্ষিতে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার জনাব মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার মহোদয় সরাসরি মাঠে থেকে যানজট নিরসনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট পরিদর্শন করে সার্বিক পরিস্থিতি তদারকি করছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করছেন। তাঁর নির্দেশনায় জেলা পুলিশের সদস্যরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন।পুলিশ সুপার মহোদয় জানান, ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে জেলা পুলিশের সদস্যরা দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করছেন। সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে যাত্রীদের নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য।এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ছাড়াও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
লঞ্চ দুর্ঘটনায় পিতা-পুত্রের মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া লঞ্চ দুর্ঘটনায় সোহেল ও তার পিতা মিরাজ ফকিরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একসঙ্গে পিতা-পুত্রের এমন হৃদয়বিদারক মৃত্যু স্থানীয়দের মাঝে গভীর বেদনা ও শোকের আবহ তৈরি করেছে।জানা যায়, আকস্মিক এ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই বা চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েন এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।স্থানীয়রা জানান, সোহেল ও তার পিতা মিরাজ ফকির ছিলেন অত্যন্ত ভদ্র ও সজ্জন মানুষ। তাদের অকাল মৃত্যুতে পরিবারটি যেমন অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে, তেমনি এলাকাবাসীও হারিয়েছে দুইজন প্রিয় মুখ।এদিকে, এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তারা নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আল্লাহর দরবারে দোয়া করে বলেন, মহান আল্লাহ যেন সোহেল ও মিরাজ ফকিরকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন এবং তাদের পরিবারকে এই শোক সহ্য করার তৌফিক দেন।এ ঘটনায় এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। নিহতদের স্মরণে অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শোকবার্তা প্রকাশ করছেন এবং সবার কাছে তাদের জন্য দোয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
ভারতীয় সেনার গতিবিধিতে LIVE নজরদারি, CCTV বসিয়েছিল নাবালক ও মহিলা ! ভিডিয়ো পিছু পেত ১০ হাজার
দাম বাড়বে রান্নার গ্যাস, পেট্রোল-ডিজেলের ? জরুরি বৈঠকে বসলেন মোদি, কালই বড় ঘোষণা ?
২০ মাসের বকেয়া পাবেন একসঙ্গে ! হাতে আসবে ৩ থেকে ১৫ লাখ টাকা, অষ্টম বেতম কমিশনের বাস্তবায়ন কবে ?
'৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে হামলা হবে !' ট্রাম্পের হুমকি শুনেই জবাব দিল তেহরান, হরমুজ নিয়ে স্পষ্ট বার্তা
LPG দিতে অতিরিক্ত টাকা চাইছে ডেলিভারি বয় ? কোথায় করবেন অভিযোগ ?
স্মৃতিশক্তি থাকবে সুপার-শার্প, এই সহজ ব্যায়ামগুলি করুন
স্টেট ব্যাঙ্কের FD-তে সুদের হার বাড়ল, কারা পাবেন বিশেষ সুবিধা ?
বসন্তে অকাল বৃষ্টির নেপথ্যে বিল গেটস, গোপন পরীক্ষা-নিরীক্ষা? সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর শোরগোল