‘BANGLA QR-এ লেনদেন করি, ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়ি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশব্যাপী রোড শো কর্মসূচির আয়োজন করেছে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি।এরই ধারাবাহিকতায় জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, যমুনা সার কারখানা শাখার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য ও মনোমুগ্ধকর রোড শো অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোড শোতে নেতৃত্ব দেন অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, যমুনা সার কারখানা শাখার ব্যবস্থাপক ও প্রিন্সিপাল অফিসার মো. আব্দুর রহিম। তাঁর ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্বে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তারাকান্দি যমুনা সার কারখানার আশপাশের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।এ সময় রোড শোতে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে BANGLA QR-এর মাধ্যমে ডিজিটাল ও ক্যাশলেস লেনদেনের সুবিধা, প্রয়োজনীয়তা এবং নিরাপদ লেনদেনের বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করেন। একই সঙ্গে আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়।আয়োজকরা জানান, প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরও সহজলভ্য ও জনপ্রিয় করার পাশাপাশি নগদ অর্থের ব্যবহার কমিয়ে নিরাপদ, দ্রুত ও স্বচ্ছ লেনদেন নিশ্চিত করাই এ ধরনের কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য। BANGLA QR ব্যবহারের মাধ্যমে ছোট-বড় ব্যবসায়ীসহ সাধারণ গ্রাহকদের ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহিত করা সম্ভব বলেও তারা উল্লেখ করেন।সচেতনতা তৈরির এ রোড শোতে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ দেখা যায়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি ডিজিটাল লেনদেনের প্রসার এবং একটি আধুনিক ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।প্রতিবেদক: রফিকুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক মুক্তধ্বনি; সভাপতি, বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ক্লাব ট্রাস্ট, সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখা, জামালপুর।
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এক গৃহবধূর ছবি বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এবং একাধিকবার ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আব্দুর রহিম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার নিমাইমারী গ্রামের আশকর আলী (৪০) ও জাহিদুল ইসলাম (৩৫)।মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী গৃহবধূ এবং দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা একই গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে আসামিরা ওই গৃহবধূকে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এতে তিনি রাজি না হওয়ায় আসামিরা তার ছবি বিকৃত করে আপত্তিকর ছবি তৈরি করেন। পরে এসব ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেইল করা হয়।অভিযোগে আরও জানা যায়, গৃহবধূকে ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি তার স্বামী ও সন্তানকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এসব হুমকির মাধ্যমে আশকর আলী বিভিন্ন সময়ে ওই গৃহবধূকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের পর মামলা দায়ের করা হয়। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন।রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে এক সিএনজি চালককে ১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।সোমবার (১০ আগস্ট) সরিষাবাড়ী পৌরসভার সামনে থেকে জামালপুর শহর পর্যন্ত সিএনজিতে যাতায়াতের নির্ধারিত ভাড়া ৬০ টাকা হলেও যাত্রীদের কাছ থেকে ১০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় এক পরীক্ষার্থী বিষয়টি নিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে ফোন করে অভিযোগ জানান।অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যান ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। সেখানে উপস্থিত যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে এবং তাদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়।পরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট সিএনজি চালকের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ সময় চালককে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তাৎক্ষণিক এ ধরনের অভিযানে যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি দেখা গেছে। স্থানীয় যাত্রীরা জানান, নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় দীর্ঘদিনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও নিম্নআয়ের মানুষ অতিরিক্ত ভাড়া দিতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন।এদিকে, সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনো পরিবহন চালক নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে যাত্রীরা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করতে পারেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।স্থানীয় যাত্রীদের দাবি, শুধু জরিমানা নয়, নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে সিএনজি ও অন্যান্য গণপরিবহনে নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর করা হলে যাত্রীদের হয়রানি ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রবণতা কমবে।
এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬: সার্বিক পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে, শীর্ষস্থান যশোরের দখলেপ্রকাশিত হয়েছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, এবার সবকটি বোর্ড মিলিয়ে সার্বিক পাসের হার ও পূর্ণাঙ্গ জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা—উভয় সূচকেই অবনতি ঘটেছে।চলতি বছর সব বোর্ড মিলিয়ে গড়ে ৬২.২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে, যা আগের বছর (২০২৫ সালে) ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ। অর্থাৎ সার্বিক পাসের হার কমেছে ৬.২ শতাংশ পয়েন্ট। ফলাফলের পাশাপাশি সর্বোচ্চ মেধা সূচক জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যাতেও বড় ধরনের ধস নেমেছে। এবার মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যা গত বছর ছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। সেই হিসাবে এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের দিকে তাকালে দেখা যায়, এখানেও গড় পাসের হার কমেছে। সাধারণ বোর্ডে এবার পাসের হার ৬৪.০৫ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৬৮.০৪ শতাংশ। ৯টি সাধারণ বোর্ডের মধ্যে ৬৮.১৪ শতাংশ পাসের হার নিয়ে ফলাফলের শীর্ষে রয়েছে যশোর শিক্ষা বোর্ড। অন্যদিকে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড, যেখানে পাসের হার মাত্র ৫৯.৭৮ শতাংশ।সাধারণ শিক্ষা বোর্ডভিত্তিক পাসের হারযশোর: ৬৮.১৪% (শীর্ষ স্থান)রাজশাহী: ৬৬.৭৫%সিলেট: ৬৫.৯৫%চট্টগ্রাম: ৬৫.২৮%বরিশাল: ৬৪.৬৯%দিনাজপুর: ৬৪.৫০%ঢাকা: ৬৪.২২%ময়মনসিংহ: ৬১.৮৭%কুমিল্লা: ৫৯.৭৮%শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, উত্তরপত্রের মূল্যায়নে কঠোরতা কিংবা নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশিত ফল না আসায় সার্বিক পাসের হার ও জিপিএ-৫-এর সংখ্যায় এই প্রভাব পড়েছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডসমূহ দ্রুতই বিষয়ভিত্তিক ফলাফলের বিস্তারিত বিশ্লেষণ প্রকাশ করবে বলে জানানো হয়েছে।
‘BANGLA QR-এ লেনদেন করি, ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়ি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশব্যাপী রোড শো কর্মসূচির আয়োজন করেছে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি।এরই ধারাবাহিকতায় জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, যমুনা সার কারখানা শাখার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য ও মনোমুগ্ধকর রোড শো অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোড শোতে নেতৃত্ব দেন অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, যমুনা সার কারখানা শাখার ব্যবস্থাপক ও প্রিন্সিপাল অফিসার মো. আব্দুর রহিম। তাঁর ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্বে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তারাকান্দি যমুনা সার কারখানার আশপাশের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।এ সময় রোড শোতে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে BANGLA QR-এর মাধ্যমে ডিজিটাল ও ক্যাশলেস লেনদেনের সুবিধা, প্রয়োজনীয়তা এবং নিরাপদ লেনদেনের বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করেন। একই সঙ্গে আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়।আয়োজকরা জানান, প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরও সহজলভ্য ও জনপ্রিয় করার পাশাপাশি নগদ অর্থের ব্যবহার কমিয়ে নিরাপদ, দ্রুত ও স্বচ্ছ লেনদেন নিশ্চিত করাই এ ধরনের কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য। BANGLA QR ব্যবহারের মাধ্যমে ছোট-বড় ব্যবসায়ীসহ সাধারণ গ্রাহকদের ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহিত করা সম্ভব বলেও তারা উল্লেখ করেন।সচেতনতা তৈরির এ রোড শোতে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ দেখা যায়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি ডিজিটাল লেনদেনের প্রসার এবং একটি আধুনিক ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।প্রতিবেদক: রফিকুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক মুক্তধ্বনি; সভাপতি, বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ক্লাব ট্রাস্ট, সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখা, জামালপুর।
শামীম শাহরিয়ার।
এইচ এম এরশাদ
শামীম শাহরিয়ার
মোঃ বিল্লাল হোসেন
আগস্ট ১, ২০২৫
লাইভ জরিপ
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
📡 লাইভ কভারেজ সারাংশ শুরু: 21 Jun 2026, 10:04 AM শেষ: 21 Jun 2026, 12:31 PM মোট আপডেট: 2 টি অবস্থান: গাজীপুর সদর, গাজীপুর, ঢাকা 📋 সম্পূর্ণ আপডেট তালিকা 11:27 AMবেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ভ্রমণ ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করেছেন ইরানের কোচ। বেলজিয়ামের বিপক্ষে আজকের বিশ্বকাপ ম্যাচের আগে ইরান দলের জন্য ক্রমবর্ধমান কঠিন প্রস্তুতি পরিস্থিতির সমালোচনা করেছেন আমির গালেনোই। তিনি বলেছেন, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচের আগের চেয়েও “পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে”। থাকার উপর নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে মেক্সিকোর টিহুয়ানাতে অবস্থান করেছে এবং গ্রুপ ‘জি’-এর ম্যাচগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াত করেছে – এই বিষয়টি বিশ্বকাপ জুড়েই সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ঘালেনোই বলেছেন, সর্বশেষ সময়সূচির কারণে তাঁর দল প্রস্তুতির জন্য ১৬ ঘণ্টারও কম সময় পেয়েছে, ফলে তাদের স্বাভাবিক প্রশিক্ষণের সময় অর্ধেক করতে হয়েছে। “আমরা সাধারণত প্রশিক্ষণের জন্য যে সময় ব্যয় করি, তার অর্ধেক সময়ই কেবল অনুশীলন করতে পেরেছি,” তিনি সাংবাদিকদের বলেন। “আমরা সর্বোত্তম শারীরিক ও কৌশলগত প্রস্তুতি নিতে চেয়েছিলাম।” তিনি জানিয়েছেন যে, ২৬শে জুন সিয়াটলে মিশরের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের আগে ভ্রমণ ব্যবস্থাপনার ওপর ইরানের আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ থাকবে, কিন্তু তিনি এই অসামঞ্জস্যের কথা তুলে ধরেছেন: “প্রথম দুটি ম্যাচের জন্যও তারা আমাদের আগে আসতে দেয়নি কেন? যদি তারা এখন এটা করতে পারে, তাহলে আমাদের প্রথম ম্যাচ এবং এই ম্যাচের জন্য তা করেনি কেন?” 11:01 AMট্রাম্পের উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারককে 'বিশাল সাফল্য' হিসেবে প্রশংসা করেছেন, স্থলযুদ্ধের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। ট্রাম্পের প্রযুক্তি উপদেষ্টা ডেভিড স্যাকস যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকের পক্ষে যুক্তি দিয়ে এটিকে “একটি অসাধারণ সাফল্য” এবং দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের চেয়ে উত্তম পথ বলে অভিহিত করেছেন। শনিবার ‘অল-ইন’ পডকাস্টে কথা বলার সময় স্যাক্স পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করার আহ্বান নাকচ করে দেন। তিনি যুক্তি দেন যে, ইরানের ওপর স্থল অভিযান এর ব্যাপকতার কারণে অর্থহীন হবে এবং এর জন্য প্রায় দশ লক্ষ সৈন্যের প্রয়োজন হতে পারে। তিনি এ ধরনের যেকোনো প্রচেষ্টাকে একটি “আত্মঘাতী অভিযান” হিসেবে আখ্যা দেন। তিনি নির্বাসিত ইরানি বিরোধী নেতা রেজা পাহলভীর প্রতি তাচ্ছিল্য প্রকাশ করে বলেন যে, তার সমর্থকদের অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়ার সম্ভাবনা কম। “রেজা পাহলভী যদি বেভারলি হিলসে গিয়ে তার অগণিত সমর্থকদের মধ্য থেকে একটি বাহিনী জড়ো করতে চান, তবে তিনি তা চেষ্টা করে দেখতে পারেন,” স্যাকস বললেন। “আমার মনে হয় না তারা এতে সায় দেবে। আমার ধারণা, তারা বেভারলি হিলসে বেশ আরামেই আছে।” পরিবর্তে, তিনি ওয়াশিংটনকে চুক্তিটি যাচাই করে দেখতে আহ্বান জানান। “আসুন এখানে শান্তিকে একটি সুযোগ দিই,” তিনি বলেন এবং “ইরাক ও আফগানিস্তানের চিরস্থায়ী যুদ্ধের” পুনরাবৃত্তির বিরুদ্ধে সতর্ক করেন। “যারা চায় এই যুদ্ধ চিরকাল চলুক, তাদের আমি বুঝি না,” তিনি আরও বলেন। এই সারাংশটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করা হয়েছে মূল লাইভ কভারেজ: মার্কিন শান্তি চুক্তির বিষয়ে ইরানের রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান কী? .live-summary-container { max-width: 800px; margin: 0 auto; padding: 20px; font-family: "SolaimanLipi", "Noto Sans Bengali", sans-serif; background: #ffffff; border-radius: 12px; box-shadow: 0 2px 10px rgba(0,0,0,0.05); } .dark .live-summary-container { background: #1f2937; color: #e5e7eb; } .live-summary-title { color: #dc3545; font-size: 24px; font-weight: 700; border-bottom: 2px solid #dc3545; padding-bottom: 12px; margin-bottom: 16px; } .live-summary-meta { background: #f8f9fa; padding: 12px 16px; border-radius: 8px; margin-bottom: 16px; } .dark .live-summary-meta { background: #2d2d2d; } .live-summary-meta p { margin: 4px 0; font-size: 14px; } .live-summary-subtitle { color: #333; font-size: 18px; font-weight: 600; margin: 20px 0 12px 0; } .dark .live-summary-subtitle { color: #e5e7eb; } .live-summary-important { background: #fff8e1; padding: 12px 16px; border-radius: 8px; border-left: 4px solid #ffc107; margin-bottom: 16px; } .dark .live-summary-important { background: #1e1a0a; border-left-color: #ffc107; } .important-item { padding: 8px 0; border-bottom: 1px solid #f0e6d0; } .dark .important-item { border-bottom-color: #3d3a2a; } .important-item:last-child { border-bottom: none; } .important-time { font-weight: 600; color: #e65100; margin-right: 8px; } .important-content { font-size: 15px; } .important-image { max-width: 100%; max-height: 200px; border-radius: 8px; margin-top: 8px; } .live-summary-list { list-style: none; padding: 0; margin: 0; } .live-summary-list li { padding: 10px 12px; border-bottom: 1px solid #f0f0f0; display: flex; flex-wrap: wrap; align-items: flex-start; gap: 8px; } .dark .live-summary-list li { border-bottom-color: #374151; } .live-summary-list li:hover { background: #f8f9fa; } .dark .live-summary-list li:hover { background: #2d2d2d; } .update-time { font-weight: 600; color: #6c757d; min-width: 80px; font-size: 13px; } .dark .update-time { color: #9ca3af; } .update-text { flex: 1; font-size: 15px; } .update-thumb { width: 100%; max-height: 150px; object-fit: cover; border-radius: 6px; margin-top: 6px; } .live-summary-footer { margin-top: 20px; padding-top: 16px; border-top: 1px solid #e5e7eb; text-align: center; } .dark .live-summary-footer { border-top-color: #374151; } .live-summary-footer .text-muted { color: #6c757d; font-size: 13px; margin: 4px 0; } .dark .live-summary-footer .text-muted { color: #9ca3af; } .live-summary-footer a { color: #dc3545; text-decoration: none; } .live-summary-footer a:hover { text-decoration: underline; } @media (max-width: 600px) { .live-summary-container { padding: 12px; } .live-summary-title { font-size: 20px; } .update-time { min-width: 60px; font-size: 12px; } .update-text { font-size: 14px; } }
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সরাসরি দায়ী করেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স-এর বরাতে জানা গেছে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার-এর সঙ্গে এক টেলিফোন আলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফোনালাপে আরাঘচি বলেন, চলমান সংকট শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর প্রভাব বিশ্বজুড়েও ছড়িয়ে পড়ছে। এ পরিস্থিতির জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নীতিকেই দায়ী করেন। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান তার সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষায় “সব ধরনের উপায়” অবলম্বন করতে প্রস্তুত এবং এ ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান অত্যন্ত দৃঢ়। অন্যদিকে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার চলমান সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি যুদ্ধরত পক্ষগুলোকে সামরিক উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি, এই লক্ষ্য অর্জনে সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন। এদিকে, পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অবস্থান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য সোমবার পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। অন্যথায় কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, তবে তা বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
ওয়াশিংটন ডিসি থেকে প্রতিবেদন—ইরানের ভূখণ্ডে বিধ্বস্ত একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। মার্কিন সরকারের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, গত রাতে ওই ক্রু সদস্যকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাকে উদ্ধারে একটি সক্রিয় অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। জানা গেছে, উদ্ধার অভিযানের সময় তুমুল গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ওই ক্রু সদস্য এখনও ইরানের ভেতরেই অবস্থান করছেন এবং চলমান সংঘাতের কারণে তার নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মার্কিন সামরিক সূত্র জানায়, ‘এয়ারম্যান’ শব্দটি ব্যবহার করা হলেও এটি কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গ নির্দেশ করে না। ফলে নিখোঁজ ওই ব্যক্তির লিঙ্গ এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। এদিকে, উদ্ধারকারী দল এখনো তাকে নিরাপদে ইরানের বাইরে নিয়ে যেতে পারেনি। অভিযানটি এখনও চলমান এবং এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারেনি যে উদ্ধার কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে কিনা। পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে আন্তর্জাতিক মহলেও এ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে মার্কিন-সংশ্লিষ্ট স্থাপনা ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে প্রতিবেদনে সাংবাদিক Zein Basravi জানান, যুদ্ধের শুরু থেকেই ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছিল—তাদের ওপর কোনো হামলা হলে তারা এটিকে একটি আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থে আঘাত হানবে। সেই হুঁশিয়ারির বাস্তব প্রতিফলন এখন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান ইতোমধ্যে জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাত হেনেছে, বিভিন্ন বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে এবং একাধিক দেশের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। এসব পদক্ষেপে উপসাগরীয় অঞ্চলের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা হঠাৎ করেই স্থবির হয়ে পড়েছে। আজও Gulf Cooperation Council-ভুক্ত শহরগুলোতে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার তীব্রতা ইরানের সরাসরি আক্রমণের মতো না হলেও, এর ধারাবাহিকতা ও প্রভাব স্থানীয় জনগণের দৈনন্দিন জীবনে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে একটি বিষয় স্পষ্ট—যুদ্ধের আরও সম্প্রসারণ কোনো পক্ষের জন্যই ইতিবাচক নয়। কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি সামরিক অভিযান আরও জোরদার করে, তাহলে এর সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরানের পাল্টা হামলাও বাড়বে। এদিকে, ইরানের সামরিক বাহিনী Islamic Revolutionary Guard Corps দাবি করেছে, তাদের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, মার্কিন ঊর্ধ্বতন কমান্ডার ও প্রশিক্ষক, একটি ইসরায়েলি বাণিজ্যিক জাহাজ, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটির হিমার্স আর্টিলারি অবস্থান, বাহরাইনে প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন স্থাপনা। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান Oracle Corporation-এর একটি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে, যেখানে ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ভবনের কিছু অংশ ভেঙে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের এই ধারাবাহিক হামলা তাদের একটি সুস্পষ্ট কৌশলের অংশ, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িপটল গ্রামের প্রধান সড়কের বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে সড়কটি কাদায় পরিণত হয়ে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাতে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধানের চারা রোপণ করেছেন গ্রামবাসী।স্থানীয়রা জানান, সড়কটি জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার আওনা ইউনিয়নের শেষ প্রান্তের কাবারিয়াবাড়ী-সুতারবাড়ী মোড় হয়ে বেঙ্গুলা বাজারে গিয়ে শেষ হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। বেড়িপটল গ্রামটি কৃষিনির্ভর হওয়ায় এখানকার অধিকাংশ মানুষের জীবিকার অন্যতম প্রধান উৎস কৃষি ও সবজি চাষ। ফলে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় কৃষিপণ্য পরিবহনেও নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।গ্রামবাসীর অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের অধিকাংশ অংশ কাদায় পরিণত হয়। কাদার কারণে কোনো ধরনের যানবাহন গ্রামে প্রবেশ করতে পারে না। এমনকি কেউ অসুস্থ হলে তাকে কাঁধে করে কাঁচা ও কর্দমাক্ত রাস্তা পার করে পরে যানবাহনে তুলতে হয়। এতে জরুরি রোগী পরিবহনেও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় স্থানীয়দের।এদিকে বেড়িপটল গ্রামে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতেও সমস্যা হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বছরের পর বছর ধরে রাস্তাটির এমন দুরবস্থা থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। নির্বাচনের সময় বিভিন্ন প্রার্থী এসে রাস্তা সংস্কারের নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচন শেষ হলে তাদের আর দেখা যায় না—এমন অভিযোগও রয়েছে এলাকাবাসীর।তাদের দাবি, জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করা হোক। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত এবং জরুরি রোগী পরিবহনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা হবে—এটাই এখন তাদের প্রত্যাশা।