ভূঞাপুরে যমুনার চর কাটার বিরুদ্ধে দিনব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান কারাদণ্ড, চার লাখ টাকা জরিমানা ও ভারী যন্ত্রপাতি জব্দ স্টাফ রিপোর্ট : এস কে শিপন টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় যমুনা নদীর চর ও নদীর পাড় থেকে দীর্ঘদিন ধরে চলমান অবৈধ মাটি ও বালু উত্তোলন বন্ধে দিনব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে একজনকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, চারজনকে মোট চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি অবৈধ কাজে ব্যবহৃত একাধিক ভারী যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়। সোমবার (৪ মে) উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের পলশিয়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা ছয় ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে প্রশাসন অবৈধ মাটি ও বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়। অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত মতিন নামের একজনকে আটক করে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়াও একই অপরাধে আরও চারজনকে মোট চার লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানকালে অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত ৮টি এক্সকেভেটর (ভেকু) এবং ৩টি ড্রাম ট্রাক জব্দ করা হয়। ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহবুব হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাজিব হোসেন। অভিযান বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করেন ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাব্বির রহমানসহ থানার একদল পুলিশ সদস্য এবং নৌ পুলিশের একটি বিশেষ দল। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে যমুনা নদীর চর ও নদীর পাড় কেটে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে আসছিল। এর ফলে ওই এলাকায় নদীভাঙন তীব্রতর হচ্ছিল এবং ফসলি জমি, বসতভিটা ও পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশাসন এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় অবৈধ কাজে জড়িত অনেকেই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও একজনকে আটক করা সম্ভব হয়। বাকিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব হাসান বলেন, “যমুনা নদী ও চরাঞ্চল রক্ষায় অবৈধ মাটি ও বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান নিয়মিত চলবে। পরিবেশ ধ্বংস করে কেউ লাভবান হতে পারবে না। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে যমুনা নদী রক্ষায় নিয়মিত অভিযান ও স্থায়ী নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।
টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিটককে অত্যন্ত মূল্যবান ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ড থেকে ১০ মেগাহার্টজ বরাদ্দ করার সিদ্ধান্ত যদিও অপারেটরটির স্পেকট্রাম ফি বাবদ প্রায় ৫,৫০০ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটির কাছে ইতোমধ্যেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে অব্যবহৃত বা স্বল্প ব্যবহৃত স্পেকট্রাম রয়েছে।নথি অনুযায়ী, সম্প্রতি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) এক বৈঠকে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়।বিস্তৃত কভারেজ, শক্তিশালী ইনডোর সিগন্যাল, স্বল্প বাস্তবায়ন খরচ এবং ৫জি সহ গ্রামীণ-শহুরে নেটওয়ার্কের জন্য উপযুক্ততার কারণে ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডকে বিশ্বব্যাপী মূল্যবান বলে মনে করা হয়। বাংলাদেশে এই ব্যান্ডের ৪৫ মেগাহার্টজ মোবাইল ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে, এবং একটি আইনি বিরোধের কারণে ২০ মেগাহার্টজ অব্যবহৃত রয়েছে। ৮ই ফেব্রুয়ারি, জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগে, অন্তর্বর্তী সরকার টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিটিআরসি-কে টেলিটক-কে ১০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম বরাদ্দ করার নির্দেশ দিয়ে একটি চিঠি পাঠায়।এক দিন পর টেলিটক স্পেকট্রামের জন্য আবেদন করে।১৬ই ফেব্রুয়ারি, মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে জানায় যে টেলিটক তার লাইসেন্স ও স্পেকট্রাম ফি সহ বকেয়া অর্থ সরকারি ইক্যুইটিতে রূপান্তরের প্রস্তাব দিয়েছে, যা বর্তমানে অর্থ বিভাগের পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে।৯ই এপ্রিল, টেলিটক কীভাবে এই বরাদ্দের অর্থ পরিশোধ করবে, সে বিষয়ে বিটিআরসি মন্ত্রণালয়ের কাছে নির্দেশনা চেয়েছিল। ২৪শে এপ্রিল, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে গ্রাহকদের অসুবিধা কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রক সংস্থাটিকে এই বরাদ্দ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়।প্রতি মেগাহার্টজের দাম ২৩৭ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা জানুয়ারিতে নিলামে একমাত্র দরদাতা হিসেবে গ্রামীণফোনের দেওয়া ১০ মেগাহার্টজের দরের সমান। এই পদক্ষেপের ফলে সরকার স্বল্পমেয়াদে অন্তত ২,০০০ কোটি টাকা রাজস্ব হারাতে পারে। এই ব্যান্ডে উপলব্ধ স্পেকট্রামের মাত্র ৫ মেগাহার্টজ বাংলালিংক ও রবির জন্য থাকবে, যাদের উভয়েরই বিশাল গ্রাহক ভিত্তি রয়েছে। দাম বেশি হওয়ার অজুহাতে এই দুই অপারেটর সর্বশেষ নিলামে অংশ নেয়নি।স্পেকট্রাম একটি সীমিত ও মূল্যবান সম্পদ যা দেশগুলো সতর্কতার সাথে পরিচালনা করে, কারণ এটি টেলিযোগাযোগ পরিষেবার উন্নয়ন এবং সরকারি রাজস্ব আয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে, বিশেষ করে টেলিটককে ঘিরে স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ভূমি সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতা এখনও ভিন্ন চিত্রই তুলে ধরছে। ভূমি অফিসগুলোতে জমির নামজারি (মিউটেশন) ও খাজনা পরিশোধ করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তি ও হয়রানির মুখে। জমির মালিকানা পরিবর্তনের পর নামজারি একটি বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া হলেও, অভিযোগ রয়েছে যে ইউনিয়ন ও উপজেলা ভূমি অফিসে আবেদন জমা দেওয়ার পর ফাইল নিষ্পত্তি হতে মাসের পর মাস সময় লেগে যায়। নানা অজুহাতে সার্ভেয়ার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে অনেক ফাইল আটকে থাকে, ফলে সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ে এবং বাধ্য হয়ে অনেক ক্ষেত্রে দালালের শরণাপন্ন হতে হয়, যেখানে সরকারি নির্ধারিত ফির চেয়ে কয়েক গুণ বেশি অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠছে। অনলাইনে খাজনা প্রদানের ব্যবস্থা চালু থাকলেও নতুন হোল্ডিং খোলার ক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে নতুন ধরনের জটিলতা। অনেক গ্রাহকের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন অজুহাতে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে। কখনো ডিজিটাল ডাটাবেজে তথ্য না থাকা, আবার কখনো প্রযুক্তিগত সমস্যার কথা বলে সেবা বিলম্বিত করা হয়। এতে করে কৃষিজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষদের ওপর বাড়তি আর্থিক ও মানসিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, যা ভূমি সেবার ডিজিটালাইজেশনের মূল উদ্দেশ্যকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের দাবি, নামজারি ও খাজনা প্রদানের প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, স্বচ্ছ এবং হয়রানিমুক্ত করা জরুরি। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সেবা নিশ্চিত করা, দালাল নির্ভরতা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। একই সঙ্গে হোল্ডিং খোলার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে কঠোর নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। ভূমি সেবাকে প্রকৃত অর্থে জনবান্ধব করতে হলে মাঠ পর্যায়ের অনিয়ম, দীর্ঘসূত্রতা ও হয়রানি বন্ধ করে পুরো প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও স্বচ্ছ করার কোনো বিকল্প নেই।
ভূঞাপুর থানার বিশেষ অভিযানে ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেফতার টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানা পুলিশ গোপন সংযোগের ভিত্তিতে ঘাটান্দি নতুন পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সক্রিয় ডাকাত দলের ৪ জন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ঘর ভাঙার ভারী সরঞ্জাম ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে চোরাই-ডাকাতি করে আসছিল। তাদের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে ইস্পাতের রড, কুঠার, শাবল, ও অন্যান্য ভাঙার যন্ত্র, পাশাপাশি কয়েকটি ধারালো দেশীয় অস্ত্র।টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার মহোদয়ের সার্বিক নির্দেশনায় এবং ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব মোহাম্মদ সাব্বির রহমানের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করেন এসআই (নিঃ) মোঃ নজরুল ইসলাম ও তার সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স। ওসি মোহাম্মদ সাব্বির রহমান জানান গোপন খবরের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি যে, ঘাটান্দি নতুন পাড়া এলাকায় কিছু ডাকাত জড়ো হচ্ছে। তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের হাতে-নাতে আটক করা হয়। ধৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের এই অভিযানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। এলাকাবাসী জানান, ওই ডাকাত দলটি আতঙ্কের সৃষ্টি করে রেখেছিল। তাদের গ্রেফতার হওয়ায় এখন এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ভূঞাপুর থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি তাদের অন্যান্য অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং নিখোঁজ স্বর্ণ, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালামাল উদ্ধারে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে।জেলা পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেছেন জেলায় ডাকাতমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এই ধরনের নিয়মিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অপেক্ষাকৃত কম সময়ের মধ্যে বাকি পলাতক ডাকাতদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।এই সফল অভিযানের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ আরও একটি বড় সাফল্য অর্জন করলো, যা এলাকায় অপরাধ দমনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ভূঞাপুরে যমুনার চর কাটার বিরুদ্ধে দিনব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান কারাদণ্ড, চার লাখ টাকা জরিমানা ও ভারী যন্ত্রপাতি জব্দ স্টাফ রিপোর্ট : এস কে শিপন টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় যমুনা নদীর চর ও নদীর পাড় থেকে দীর্ঘদিন ধরে চলমান অবৈধ মাটি ও বালু উত্তোলন বন্ধে দিনব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে একজনকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, চারজনকে মোট চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি অবৈধ কাজে ব্যবহৃত একাধিক ভারী যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়। সোমবার (৪ মে) উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের পলশিয়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা ছয় ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে প্রশাসন অবৈধ মাটি ও বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়। অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত মতিন নামের একজনকে আটক করে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়াও একই অপরাধে আরও চারজনকে মোট চার লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানকালে অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত ৮টি এক্সকেভেটর (ভেকু) এবং ৩টি ড্রাম ট্রাক জব্দ করা হয়। ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহবুব হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাজিব হোসেন। অভিযান বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করেন ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাব্বির রহমানসহ থানার একদল পুলিশ সদস্য এবং নৌ পুলিশের একটি বিশেষ দল। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে যমুনা নদীর চর ও নদীর পাড় কেটে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে আসছিল। এর ফলে ওই এলাকায় নদীভাঙন তীব্রতর হচ্ছিল এবং ফসলি জমি, বসতভিটা ও পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশাসন এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় অবৈধ কাজে জড়িত অনেকেই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও একজনকে আটক করা সম্ভব হয়। বাকিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব হাসান বলেন, “যমুনা নদী ও চরাঞ্চল রক্ষায় অবৈধ মাটি ও বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান নিয়মিত চলবে। পরিবেশ ধ্বংস করে কেউ লাভবান হতে পারবে না। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে যমুনা নদী রক্ষায় নিয়মিত অভিযান ও স্থায়ী নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।
শামীম শাহরিয়ার
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
ভূঞাপুরে যমুনার চর কাটার বিরুদ্ধে দিনব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান কারাদণ্ড, চার লাখ টাকা জরিমানা ও ভারী যন্ত্রপাতি জব্দ স্টাফ রিপোর্ট : এস কে শিপন টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় যমুনা নদীর চর ও নদীর পাড় থেকে দীর্ঘদিন ধরে চলমান অবৈধ মাটি ও বালু উত্তোলন বন্ধে দিনব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে একজনকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, চারজনকে মোট চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি অবৈধ কাজে ব্যবহৃত একাধিক ভারী যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়। সোমবার (৪ মে) উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের পলশিয়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা ছয় ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে প্রশাসন অবৈধ মাটি ও বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়। অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত মতিন নামের একজনকে আটক করে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়াও একই অপরাধে আরও চারজনকে মোট চার লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানকালে অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত ৮টি এক্সকেভেটর (ভেকু) এবং ৩টি ড্রাম ট্রাক জব্দ করা হয়। ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহবুব হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাজিব হোসেন। অভিযান বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করেন ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাব্বির রহমানসহ থানার একদল পুলিশ সদস্য এবং নৌ পুলিশের একটি বিশেষ দল। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে যমুনা নদীর চর ও নদীর পাড় কেটে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে আসছিল। এর ফলে ওই এলাকায় নদীভাঙন তীব্রতর হচ্ছিল এবং ফসলি জমি, বসতভিটা ও পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশাসন এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় অবৈধ কাজে জড়িত অনেকেই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও একজনকে আটক করা সম্ভব হয়। বাকিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব হাসান বলেন, “যমুনা নদী ও চরাঞ্চল রক্ষায় অবৈধ মাটি ও বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান নিয়মিত চলবে। পরিবেশ ধ্বংস করে কেউ লাভবান হতে পারবে না। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে যমুনা নদী রক্ষায় নিয়মিত অভিযান ও স্থায়ী নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন গ্রামের বাসিন্দা মনোয়ারা বেগম (৫৯)। জীবনের অধিকাংশ সময়ই যার কেটেছে অভাব-অনটন, দুঃখ-কষ্ট আর নিরন্তর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। প্রতিটি দিন যেন ছিল তার জন্য এক একটি যুদ্ধ—বেঁচে থাকার, টিকে থাকার, আর প্রিয়জনদের পাশে রাখার লড়াই। স্বামী আব্দুর রাজ্জাক দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে পড়লে সংসারের হাল ধরেন মনোয়ারা। চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে একে একে বিক্রি করে দেন নিজের সামান্য জমিজমা, সঞ্চয়—যা কিছু ছিল। নিজের শেষ সম্বলটুকুও বিলিয়ে দিয়েও শেষ পর্যন্ত স্বামীকে বাঁচাতে পারেননি তিনি। সেই শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই আরও বড় আঘাত আসে তার জীবনে। প্রায় পাঁচ বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তার একমাত্র ছেলে আলিফ মিয়া। সন্তানের এই আকস্মিক মৃত্যু যেন তাকে ভেঙে চুরমার করে দেয়। স্বামীহারা, সন্তানহারা এক মায়ের জীবনে নেমে আসে নিঃসঙ্গতা আর অনিশ্চয়তার অন্ধকার। এরপর থেকে শুরু হয় তার কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে একা লড়াই। জীবিকার তাগিদে অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোনোভাবে নিজের দিনযাপন চালিয়ে নিতে থাকেন তিনি। চরম দারিদ্র্যের মধ্যেও তিন মেয়ের বিয়ে দেন প্রতিবেশীদের সহযোগিতায়। তবে মেয়েদের পরিবারও আর্থিকভাবে তেমন স্বচ্ছল নয়, ফলে তাদের কাছ থেকেও নিয়মিত সহায়তা পাওয়া সম্ভব হয় না। এই কঠিন বাস্তবতায় স্বামীর রেখে যাওয়া ছোট্ট একটি টিনের ঘরই ছিল মনোয়ারা বেগমের শেষ সম্বল, একমাত্র নিরাপদ আশ্রয়, আর জীবনের শেষ ভরসা। কিন্তু প্রকৃতির নির্মম আঘাতে সেই আশ্রয়টুকুও হারিয়ে ফেলেন তিনি। গত ২৭ এপ্রিলের কালবৈশাখী ঝড়ে প্রবল দমকা হাওয়ায় মুহূর্তের মধ্যেই ভেঙে পড়ে তার বসতঘর। চোখের সামনে ধসে যায় জীবনের শেষ নিরাপদ জায়গাটি। এক নিমিষেই তিনি হয়ে পড়েন সম্পূর্ণ ঘরহীন। ঝড়ের পর খোলা আকাশের নিচে অসহায়ভাবে বসে থাকতে দেখা যায় তাকে। কোথায় থাকবেন, কীভাবে রাত কাটাবেন—এই দুশ্চিন্তা আর অনিশ্চয়তায় কাটতে থাকে তার প্রতিটি মুহূর্ত। জীবনের এতগুলো আঘাত সহ্য করেও যেন এবার তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েন। পরদিন তার এই করুণ অবস্থার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। অনেকেই সহানুভূতি প্রকাশ করেন, কেউ কেউ এগিয়ে আসার চেষ্টা করেন। ভিডিওটি একপর্যায়ে পৌঁছে যায় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামালের দৃষ্টিতে। বিষয়টি জানার পর তিনি আর দেরি করেননি। দ্রুত মনোয়ারা বেগমের জন্য একটি নতুন ঘর নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ইতোমধ্যে তার প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ঘর নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যেই কাজ সম্পন্ন করে একটি নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য ঘর মনোয়ারা বেগমের কাছে হস্তান্তর করা হবে। স্থানীয় বাসিন্দা রাইহান বিন মিরাজ বলেন, “ঝড়ে ঘরটি ধসে পড়ার পর মনোয়ারা বেগম সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়েছিলেন। তিনি কোথায় থাকবেন, কীভাবে দিন কাটাবেন—কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলেন না। এমন পরিস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকারের এই উদ্যোগ সত্যিই মানবিক এবং প্রশংসার যোগ্য।” কনটেন্ট ক্রিয়েটর আব্দুর রশিদ বলেন, “ঘরটি ভেঙে যাওয়ার দৃশ্য দেখে খুবই কষ্ট পেয়েছিলাম। তাই একটি ভিডিও তৈরি করে সবার কাছে সহযোগিতা চেয়েছিলাম। ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ডেপুটি স্পিকার মহোদয় নিজেই যোগাযোগ করেন এবং ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেন। এতে মনোয়ারা বেগম যেমন খুশি, তেমনি আমরা এলাকাবাসীও স্বস্তি পেয়েছি।” স্থানীয়রা মনে করছেন, এই উদ্যোগ শুধু একটি ঘর নির্মাণ নয়—এটি একজন অসহায় মানুষের জীবনে নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন জাগিয়ে তোলার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দীর্ঘদিনের দুঃখ-দুর্দশার পর অবশেষে মনোয়ারা বেগমের জীবনে আশার আলো জ্বলতে শুরু করেছে। নতুন ঘরটি তার জন্য শুধু একটি আশ্রয়ই নয়, বরং নিরাপত্তা, স্বস্তি এবং নতুন করে জীবন শুরু করার এক অনন্য সুযোগ।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী নিপীড়নের অভিযোগে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের ছোট শাখারিয়া উত্তর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম হান্নানের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা বিদ্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশ জানায়, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভুক্তভোগী ছাত্রী ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ রাখতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা অভিযুক্ত শিক্ষকের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। প্রসঙ্গত, ভুক্তভোগী শিশুর পরিচয় ও ব্যক্তিগত তথ্য আইন অনুযায়ী গোপন রাখা হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত ব্যক্তি আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন—এ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উল্লেখ করেছে।
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় ভয়াবহ এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের নেতা ওয়াহিদুল মৃধা ওরফে কেলিস (৩৮)। শনিবার(৩মে) দিবাগত রাত পৌনে নয়টার দিকে দুর্গাপুর পৌর সদরে তেরি বাজার এলাকায় ঘটনায় এ নৃশংস ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। ঘাতক তেরী বাজার এলাকার লন্ড্রি ব্যবসায়ী মজিবুর রহমানের ছেলে নূর মোহাম্মদ (১৭)। সে দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ও মাদক বিক্রির সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে জানান দাবী স্থানীয়দের। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক, ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুর্গাপুর পৌর বাজারের লন্ড্রি ব্যবসায়ী মজিবুর রহমানের ছেলে নূর মোহাম্মদ (১৭) যিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত হিসেবে পরিচিত। পূর্ব বিরোধের জেরে ওয়াহিদুল মৃধার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হসপিটালে রেফার্ড করলে পথিমধ্যে তিনি মারা যান। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এ ঘটনাকে ‘বর্বরোচিত ও জঘন্যতম অপরাধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে দ্রুত দোষীর গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এদিকে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনার পরপরই অভিযান শুরু করেছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয়রা এই ন্যাক্কারজনক হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, “এ ধরনের পাশবিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।” নিহত ওয়াহিদুল মৃধার পরিবার ও স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তারা এই হত্যার বিচার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন। এ ঘটনার সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে দুর্গাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাকের আহমেদ জানান,ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পুলিশ মোতায়েন ছিল। নিহতের ঘটনায় পুলিশ শক্ত স্থানে রয়েছে। অপরাধীকে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।আশা করছি অপরাধীকে আইনের হাতে তুলে দিতে পারো।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”