টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং নগদা শিমলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান সোহেলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এক যৌথ অভিযানে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহায়তায় গোপালপুর থানা পুলিশের একটি দল তাকে রংপুর কোতোয়ালী থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা এই জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতা অবশেষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জালে ধরা পড়লেন।পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, আসাদুজ্জামান সোহেলের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগে মামলা রয়েছে। গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, গ্রেফতারকৃত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গোপালপুর থানাতেই দুটি পৃথক মামলা রয়েছে। এছাড়া টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানাতেও তার বিরুদ্ধে একটি মামলা নথিভুক্ত রয়েছে। এসব মামলায় তিনি এতদিন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ নজরদারি ও প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানান, আসাদুজ্জামান সোহেলকে গ্রেফতারের পর গোপালপুর থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং তাকে কঠোর নিরাপত্তায় রাখা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোতে গ্রেফতার দেখিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া ও প্রাথমিক দাপ্তরিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে আসামিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে টাঙ্গাইল জেলা আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে থানা পুলিশ।এদিকে, একজন প্রভাবশালী ইউপি চেয়ারম্যান ও যুবলীগ সম্পাদকের গ্রেফতারের সংবাদে স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গোপালপুর থানা পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। রোববার (৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমিরের বাসভবনে অনুষ্ঠিত জোটের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। এতে উপস্থিত ছিলেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার এবং ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদ। বৈঠকে আরও অংশ নেন এমডিপির কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, জাগপার রাশেদ প্রধান, খেলাফত মজলিসের মামুনুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী। এর আগে শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায় জামায়াতে ইসলামী। রাজধানীর মগবাজারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সৌদি আরবের জিজান অঞ্চলে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর শোধনাগারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। হুথি বাহিনীর সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে জানান, রোববার একটি ড্রোন দিয়ে জিজানের শোধনাগারটিকে ‘নির্ভুল ও সফলভাবে’ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরব উত্তর ইয়েমেনের সাদা ও হাজ্জাহ প্রদেশের আকাশসীমায় গোয়েন্দা ও নজরদারি ড্রোন উড়িয়েছে। এসব ‘উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের’ জবাব দিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। হুথি-নিয়ন্ত্রিত আল মাসিরাহ টেলিভিশনের তথ্য অনুযায়ী, রোববার ভোরে তেল শোধনাগারটিতে আগুন ধরে যায়। সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আরামকো শোধনাগারের একটি স্থাপনায় ভোরবেলা লাগা আগুন দমকলকর্মীরা নিভিয়ে ফেলেছেন। এতে কেউ হতাহত হয়নি বলেও জানানো হয়।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িপটল গ্রামের প্রধান সড়কের বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে সড়কটি কাদায় পরিণত হয়ে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাতে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধানের চারা রোপণ করেছেন গ্রামবাসী।স্থানীয়রা জানান, সড়কটি জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার আওনা ইউনিয়নের শেষ প্রান্তের কাবারিয়াবাড়ী-সুতারবাড়ী মোড় হয়ে বেঙ্গুলা বাজারে গিয়ে শেষ হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। বেড়িপটল গ্রামটি কৃষিনির্ভর হওয়ায় এখানকার অধিকাংশ মানুষের জীবিকার অন্যতম প্রধান উৎস কৃষি ও সবজি চাষ। ফলে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় কৃষিপণ্য পরিবহনেও নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।গ্রামবাসীর অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের অধিকাংশ অংশ কাদায় পরিণত হয়। কাদার কারণে কোনো ধরনের যানবাহন গ্রামে প্রবেশ করতে পারে না। এমনকি কেউ অসুস্থ হলে তাকে কাঁধে করে কাঁচা ও কর্দমাক্ত রাস্তা পার করে পরে যানবাহনে তুলতে হয়। এতে জরুরি রোগী পরিবহনেও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় স্থানীয়দের।এদিকে বেড়িপটল গ্রামে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতেও সমস্যা হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বছরের পর বছর ধরে রাস্তাটির এমন দুরবস্থা থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। নির্বাচনের সময় বিভিন্ন প্রার্থী এসে রাস্তা সংস্কারের নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচন শেষ হলে তাদের আর দেখা যায় না—এমন অভিযোগও রয়েছে এলাকাবাসীর।তাদের দাবি, জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করা হোক। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত এবং জরুরি রোগী পরিবহনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা হবে—এটাই এখন তাদের প্রত্যাশা।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং নগদা শিমলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান সোহেলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এক যৌথ অভিযানে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহায়তায় গোপালপুর থানা পুলিশের একটি দল তাকে রংপুর কোতোয়ালী থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা এই জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতা অবশেষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জালে ধরা পড়লেন।পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, আসাদুজ্জামান সোহেলের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগে মামলা রয়েছে। গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, গ্রেফতারকৃত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গোপালপুর থানাতেই দুটি পৃথক মামলা রয়েছে। এছাড়া টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানাতেও তার বিরুদ্ধে একটি মামলা নথিভুক্ত রয়েছে। এসব মামলায় তিনি এতদিন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ নজরদারি ও প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানান, আসাদুজ্জামান সোহেলকে গ্রেফতারের পর গোপালপুর থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং তাকে কঠোর নিরাপত্তায় রাখা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোতে গ্রেফতার দেখিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া ও প্রাথমিক দাপ্তরিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে আসামিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে টাঙ্গাইল জেলা আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে থানা পুলিশ।এদিকে, একজন প্রভাবশালী ইউপি চেয়ারম্যান ও যুবলীগ সম্পাদকের গ্রেফতারের সংবাদে স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গোপালপুর থানা পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
শামীম শাহরিয়ার।
এইচ এম এরশাদ
শামীম শাহরিয়ার
মোঃ বিল্লাল হোসেন
আগস্ট ১, ২০২৫
লাইভ জরিপ
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
📡 লাইভ কভারেজ সারাংশ শুরু: 21 Jun 2026, 10:04 AM শেষ: 21 Jun 2026, 12:31 PM মোট আপডেট: 2 টি অবস্থান: গাজীপুর সদর, গাজীপুর, ঢাকা 📋 সম্পূর্ণ আপডেট তালিকা 11:27 AMবেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ভ্রমণ ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করেছেন ইরানের কোচ। বেলজিয়ামের বিপক্ষে আজকের বিশ্বকাপ ম্যাচের আগে ইরান দলের জন্য ক্রমবর্ধমান কঠিন প্রস্তুতি পরিস্থিতির সমালোচনা করেছেন আমির গালেনোই। তিনি বলেছেন, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচের আগের চেয়েও “পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে”। থাকার উপর নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে মেক্সিকোর টিহুয়ানাতে অবস্থান করেছে এবং গ্রুপ ‘জি’-এর ম্যাচগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াত করেছে – এই বিষয়টি বিশ্বকাপ জুড়েই সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ঘালেনোই বলেছেন, সর্বশেষ সময়সূচির কারণে তাঁর দল প্রস্তুতির জন্য ১৬ ঘণ্টারও কম সময় পেয়েছে, ফলে তাদের স্বাভাবিক প্রশিক্ষণের সময় অর্ধেক করতে হয়েছে। “আমরা সাধারণত প্রশিক্ষণের জন্য যে সময় ব্যয় করি, তার অর্ধেক সময়ই কেবল অনুশীলন করতে পেরেছি,” তিনি সাংবাদিকদের বলেন। “আমরা সর্বোত্তম শারীরিক ও কৌশলগত প্রস্তুতি নিতে চেয়েছিলাম।” তিনি জানিয়েছেন যে, ২৬শে জুন সিয়াটলে মিশরের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের আগে ভ্রমণ ব্যবস্থাপনার ওপর ইরানের আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ থাকবে, কিন্তু তিনি এই অসামঞ্জস্যের কথা তুলে ধরেছেন: “প্রথম দুটি ম্যাচের জন্যও তারা আমাদের আগে আসতে দেয়নি কেন? যদি তারা এখন এটা করতে পারে, তাহলে আমাদের প্রথম ম্যাচ এবং এই ম্যাচের জন্য তা করেনি কেন?” 11:01 AMট্রাম্পের উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারককে 'বিশাল সাফল্য' হিসেবে প্রশংসা করেছেন, স্থলযুদ্ধের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। ট্রাম্পের প্রযুক্তি উপদেষ্টা ডেভিড স্যাকস যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকের পক্ষে যুক্তি দিয়ে এটিকে “একটি অসাধারণ সাফল্য” এবং দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের চেয়ে উত্তম পথ বলে অভিহিত করেছেন। শনিবার ‘অল-ইন’ পডকাস্টে কথা বলার সময় স্যাক্স পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করার আহ্বান নাকচ করে দেন। তিনি যুক্তি দেন যে, ইরানের ওপর স্থল অভিযান এর ব্যাপকতার কারণে অর্থহীন হবে এবং এর জন্য প্রায় দশ লক্ষ সৈন্যের প্রয়োজন হতে পারে। তিনি এ ধরনের যেকোনো প্রচেষ্টাকে একটি “আত্মঘাতী অভিযান” হিসেবে আখ্যা দেন। তিনি নির্বাসিত ইরানি বিরোধী নেতা রেজা পাহলভীর প্রতি তাচ্ছিল্য প্রকাশ করে বলেন যে, তার সমর্থকদের অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়ার সম্ভাবনা কম। “রেজা পাহলভী যদি বেভারলি হিলসে গিয়ে তার অগণিত সমর্থকদের মধ্য থেকে একটি বাহিনী জড়ো করতে চান, তবে তিনি তা চেষ্টা করে দেখতে পারেন,” স্যাকস বললেন। “আমার মনে হয় না তারা এতে সায় দেবে। আমার ধারণা, তারা বেভারলি হিলসে বেশ আরামেই আছে।” পরিবর্তে, তিনি ওয়াশিংটনকে চুক্তিটি যাচাই করে দেখতে আহ্বান জানান। “আসুন এখানে শান্তিকে একটি সুযোগ দিই,” তিনি বলেন এবং “ইরাক ও আফগানিস্তানের চিরস্থায়ী যুদ্ধের” পুনরাবৃত্তির বিরুদ্ধে সতর্ক করেন। “যারা চায় এই যুদ্ধ চিরকাল চলুক, তাদের আমি বুঝি না,” তিনি আরও বলেন। এই সারাংশটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করা হয়েছে মূল লাইভ কভারেজ: মার্কিন শান্তি চুক্তির বিষয়ে ইরানের রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান কী? .live-summary-container { max-width: 800px; margin: 0 auto; padding: 20px; font-family: "SolaimanLipi", "Noto Sans Bengali", sans-serif; background: #ffffff; border-radius: 12px; box-shadow: 0 2px 10px rgba(0,0,0,0.05); } .dark .live-summary-container { background: #1f2937; color: #e5e7eb; } .live-summary-title { color: #dc3545; font-size: 24px; font-weight: 700; border-bottom: 2px solid #dc3545; padding-bottom: 12px; margin-bottom: 16px; } .live-summary-meta { background: #f8f9fa; padding: 12px 16px; border-radius: 8px; margin-bottom: 16px; } .dark .live-summary-meta { background: #2d2d2d; } .live-summary-meta p { margin: 4px 0; font-size: 14px; } .live-summary-subtitle { color: #333; font-size: 18px; font-weight: 600; margin: 20px 0 12px 0; } .dark .live-summary-subtitle { color: #e5e7eb; } .live-summary-important { background: #fff8e1; padding: 12px 16px; border-radius: 8px; border-left: 4px solid #ffc107; margin-bottom: 16px; } .dark .live-summary-important { background: #1e1a0a; border-left-color: #ffc107; } .important-item { padding: 8px 0; border-bottom: 1px solid #f0e6d0; } .dark .important-item { border-bottom-color: #3d3a2a; } .important-item:last-child { border-bottom: none; } .important-time { font-weight: 600; color: #e65100; margin-right: 8px; } .important-content { font-size: 15px; } .important-image { max-width: 100%; max-height: 200px; border-radius: 8px; margin-top: 8px; } .live-summary-list { list-style: none; padding: 0; margin: 0; } .live-summary-list li { padding: 10px 12px; border-bottom: 1px solid #f0f0f0; display: flex; flex-wrap: wrap; align-items: flex-start; gap: 8px; } .dark .live-summary-list li { border-bottom-color: #374151; } .live-summary-list li:hover { background: #f8f9fa; } .dark .live-summary-list li:hover { background: #2d2d2d; } .update-time { font-weight: 600; color: #6c757d; min-width: 80px; font-size: 13px; } .dark .update-time { color: #9ca3af; } .update-text { flex: 1; font-size: 15px; } .update-thumb { width: 100%; max-height: 150px; object-fit: cover; border-radius: 6px; margin-top: 6px; } .live-summary-footer { margin-top: 20px; padding-top: 16px; border-top: 1px solid #e5e7eb; text-align: center; } .dark .live-summary-footer { border-top-color: #374151; } .live-summary-footer .text-muted { color: #6c757d; font-size: 13px; margin: 4px 0; } .dark .live-summary-footer .text-muted { color: #9ca3af; } .live-summary-footer a { color: #dc3545; text-decoration: none; } .live-summary-footer a:hover { text-decoration: underline; } @media (max-width: 600px) { .live-summary-container { padding: 12px; } .live-summary-title { font-size: 20px; } .update-time { min-width: 60px; font-size: 12px; } .update-text { font-size: 14px; } }
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সরাসরি দায়ী করেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স-এর বরাতে জানা গেছে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার-এর সঙ্গে এক টেলিফোন আলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফোনালাপে আরাঘচি বলেন, চলমান সংকট শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর প্রভাব বিশ্বজুড়েও ছড়িয়ে পড়ছে। এ পরিস্থিতির জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নীতিকেই দায়ী করেন। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান তার সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষায় “সব ধরনের উপায়” অবলম্বন করতে প্রস্তুত এবং এ ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান অত্যন্ত দৃঢ়। অন্যদিকে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার চলমান সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি যুদ্ধরত পক্ষগুলোকে সামরিক উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি, এই লক্ষ্য অর্জনে সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন। এদিকে, পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অবস্থান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য সোমবার পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। অন্যথায় কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, তবে তা বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
ওয়াশিংটন ডিসি থেকে প্রতিবেদন—ইরানের ভূখণ্ডে বিধ্বস্ত একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। মার্কিন সরকারের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, গত রাতে ওই ক্রু সদস্যকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাকে উদ্ধারে একটি সক্রিয় অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। জানা গেছে, উদ্ধার অভিযানের সময় তুমুল গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ওই ক্রু সদস্য এখনও ইরানের ভেতরেই অবস্থান করছেন এবং চলমান সংঘাতের কারণে তার নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মার্কিন সামরিক সূত্র জানায়, ‘এয়ারম্যান’ শব্দটি ব্যবহার করা হলেও এটি কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গ নির্দেশ করে না। ফলে নিখোঁজ ওই ব্যক্তির লিঙ্গ এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। এদিকে, উদ্ধারকারী দল এখনো তাকে নিরাপদে ইরানের বাইরে নিয়ে যেতে পারেনি। অভিযানটি এখনও চলমান এবং এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারেনি যে উদ্ধার কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে কিনা। পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে আন্তর্জাতিক মহলেও এ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে মার্কিন-সংশ্লিষ্ট স্থাপনা ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে প্রতিবেদনে সাংবাদিক Zein Basravi জানান, যুদ্ধের শুরু থেকেই ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছিল—তাদের ওপর কোনো হামলা হলে তারা এটিকে একটি আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থে আঘাত হানবে। সেই হুঁশিয়ারির বাস্তব প্রতিফলন এখন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান ইতোমধ্যে জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাত হেনেছে, বিভিন্ন বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে এবং একাধিক দেশের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। এসব পদক্ষেপে উপসাগরীয় অঞ্চলের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা হঠাৎ করেই স্থবির হয়ে পড়েছে। আজও Gulf Cooperation Council-ভুক্ত শহরগুলোতে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার তীব্রতা ইরানের সরাসরি আক্রমণের মতো না হলেও, এর ধারাবাহিকতা ও প্রভাব স্থানীয় জনগণের দৈনন্দিন জীবনে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে একটি বিষয় স্পষ্ট—যুদ্ধের আরও সম্প্রসারণ কোনো পক্ষের জন্যই ইতিবাচক নয়। কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি সামরিক অভিযান আরও জোরদার করে, তাহলে এর সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরানের পাল্টা হামলাও বাড়বে। এদিকে, ইরানের সামরিক বাহিনী Islamic Revolutionary Guard Corps দাবি করেছে, তাদের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, মার্কিন ঊর্ধ্বতন কমান্ডার ও প্রশিক্ষক, একটি ইসরায়েলি বাণিজ্যিক জাহাজ, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটির হিমার্স আর্টিলারি অবস্থান, বাহরাইনে প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন স্থাপনা। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান Oracle Corporation-এর একটি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে, যেখানে ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ভবনের কিছু অংশ ভেঙে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের এই ধারাবাহিক হামলা তাদের একটি সুস্পষ্ট কৌশলের অংশ, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িপটল গ্রামের প্রধান সড়কের বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে সড়কটি কাদায় পরিণত হয়ে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাতে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধানের চারা রোপণ করেছেন গ্রামবাসী।স্থানীয়রা জানান, সড়কটি জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার আওনা ইউনিয়নের শেষ প্রান্তের কাবারিয়াবাড়ী-সুতারবাড়ী মোড় হয়ে বেঙ্গুলা বাজারে গিয়ে শেষ হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। বেড়িপটল গ্রামটি কৃষিনির্ভর হওয়ায় এখানকার অধিকাংশ মানুষের জীবিকার অন্যতম প্রধান উৎস কৃষি ও সবজি চাষ। ফলে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় কৃষিপণ্য পরিবহনেও নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।গ্রামবাসীর অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের অধিকাংশ অংশ কাদায় পরিণত হয়। কাদার কারণে কোনো ধরনের যানবাহন গ্রামে প্রবেশ করতে পারে না। এমনকি কেউ অসুস্থ হলে তাকে কাঁধে করে কাঁচা ও কর্দমাক্ত রাস্তা পার করে পরে যানবাহনে তুলতে হয়। এতে জরুরি রোগী পরিবহনেও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় স্থানীয়দের।এদিকে বেড়িপটল গ্রামে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতেও সমস্যা হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বছরের পর বছর ধরে রাস্তাটির এমন দুরবস্থা থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। নির্বাচনের সময় বিভিন্ন প্রার্থী এসে রাস্তা সংস্কারের নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচন শেষ হলে তাদের আর দেখা যায় না—এমন অভিযোগও রয়েছে এলাকাবাসীর।তাদের দাবি, জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করা হোক। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত এবং জরুরি রোগী পরিবহনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা হবে—এটাই এখন তাদের প্রত্যাশা।