ঈদের জামাতের টাকা তোলা নিয়ে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সংঘর্ষ আহত কয়েকজন। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় ঈদের নামাজেরআয়োজনকে কেন্দ্র করে টাকা তোলাকে ঘিরে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকালে উপজেলারকাজিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আসন্ন ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত আয়োজনকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে আগে থেকেই মতবিরোধ চলছিল। বিশেষ করে ঈদের নামাজ উপলক্ষে অর্থ সংগ্রহ এবং ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন নিয়ে দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিন ধরে বিরাজ করছিল।শনিবার সকালে ঈদের জামাত আদায় শেষে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে বলে জানা যায়।সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদেরনাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।ঘটনার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা করে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের মতে সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে এমনঅনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এলাকায় উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।বর্তমানে এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে টাঙ্গাইলে কেন্দ্রীয় ঈদ জামাতকে ঘিরে জোর প্রস্তুতি চলছে। এ প্রেক্ষিতে শুক্রবার (২০ মার্চ ২০২৬) জেলা প্রশাসক টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, টাঙ্গাইল ময়দান পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে ঈদগাহ মাঠের সার্বিক প্রস্তুতি ও অবকাঠামোগত ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় মুসল্লিদের নির্বিঘ্নে নামাজ আদায়ের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন তিনি। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতা অজুখানা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও প্রবেশ-বহির্গমন পথ সুসংগঠিত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।জেলা প্রশাসক জানান আগামীকাল শনিবার সকাল ৮টায় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, টাঙ্গাইল ময়দানে পবিত্র ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রায় ২০ হাজার মুসল্লীর অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। সে লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করা হয়েছে।পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মুসল্লিদের জন্য একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশ নিশ্চিত করতে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জরুরি সেবাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।উল্লেখ্য প্রতিবছরের মতো এবারও টাঙ্গাইলের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জেলার সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যেখানে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লীর সমাগম ঘটে।
গোপালপুরে ৪৩ মাদ্রাসা ও এতিমখানায় সৌদি সরকারের উপহার খেজুর বিতরণ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় সৌদি আরব সরকারের উপহার হিসেবে প্রাপ্ত খেজুর উপজেলার ৪৩টি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে। পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে এসব খেজুর বিতরণ করা হয়।সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে গোপালপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রধানদের হাতে খেজুর তুলে দেওয়া হয়। সৌদি সরকারের পাঠানো মোট ২০ কার্টুন খেজুর (প্রায় ১৬০ কেজি) বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন,সৌদি আরব সরকার প্রতিবছর বাংলাদেশের ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও এতিমখানাগুলোর পাশে দাঁড়াচ্ছে। এই সহায়তা রমজানের পবিত্রতা ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করে।”বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু বলেন এ ধরনের সহযোগিতা দরিদ্র ও এতিম শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আমরা আশাবাদী।”অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান, গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলামসহ উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও শিক্ষকবৃন্দ এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা মাদ্রাসা প্রধানদের হাতে খেজুর তুলে দেন। খেজুর পেয়ে মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিনিধিরা সৌদি সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে জামালপুরের একটি গ্রামের মানুষ যখন এক কাতারে দাঁড়ায়, তখন সেটি শুধু একটি কর্মসূচি নয়—একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ নেয়। এমনই এক দৃশ্য দেখা গেছে জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলা-এর আওনা ইউনিয়ন-এর কাবারিয়াবাড়ী গ্রামে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ ২০২৬) সকালে কাবারিয়াবাড়ী গ্রামে মাদক নির্মূলের দাবিতে ব্যাপক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। গ্রামের প্রধান সড়কে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সর্বস্তরের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় মসজিদের ইমামসহ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, শিক্ষক, যুবসমাজ, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা জজকোর্টের আইনজীবী এডভোকেট সাদ্দাম হোসেন এবং কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন মাজাহারুল ইসলাম। এ সময় বক্তব্য রাখেন শিক্ষক আব্দুল হামিদ, শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, শিক্ষক রিপন, ইউপি সদস্য আয়নাল হক। এছাড়াও বক্তব্য দেন সরিষাবাড়ী উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতিক মুল্লিক, আওনা ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মাছুম। বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে কাবারিয়াবাড়ী গ্রামে মাদকের বিস্তার ঘটছে। এর ফলে গ্রামে চুরি, ছিনতাই, ঝগড়া-বিবাদসহ বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা পুরো সমাজব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ফেলছে। তারা আরও বলেন, মাদক একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি, যা শুধু একজন মানুষ নয়, একটি পরিবার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও ধ্বংস করে দেয়। তাই এখনই সময় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা হাতে প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে “মাদকমুক্ত গ্রাম চাই” স্লোগান দেন এবং দ্রুত মাদক নির্মূলের দাবি জানান। মানববন্ধন চলাকালে দুজন মাদকসেবীর সঙ্গে কথা বলা হলে তারাও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তারা নিজেদের ভুল স্বীকার করে ভবিষ্যতে মাদক থেকে দূরে থাকার প্রতিজ্ঞা করেন এবং অন্যদেরও সচেতন করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এ ঘটনা উপস্থিত জনতার মাঝে ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি করে। উল্লেখ্য, এর আগে এলাকায় মাদকবিরোধী লিফলেট বিতরণ ও দোকানপাটে পোস্টার লাগানোর মাধ্যমে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হলেও তাতে তেমন পরিবর্তন আসেনি বলে জানান স্থানীয়রা। মানববন্ধন থেকে গ্রামবাসীরা প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান, যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এ সময় এলাকাবাসী আরও জানান, প্রয়োজনে তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবেন এবং মাদক নির্মূলে যেকোনো ধরনের সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে প্রস্তুত রয়েছেন। গ্রামবাসীর আশা, প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ এবং সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে কাবারিয়াবাড়ী গ্রাম শিগগিরই মাদকমুক্ত একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ এলাকায় পরিণত হবে।
ঈদের জামাতের টাকা তোলা নিয়ে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সংঘর্ষ আহত কয়েকজন। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় ঈদের নামাজেরআয়োজনকে কেন্দ্র করে টাকা তোলাকে ঘিরে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকালে উপজেলারকাজিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আসন্ন ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত আয়োজনকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে আগে থেকেই মতবিরোধ চলছিল। বিশেষ করে ঈদের নামাজ উপলক্ষে অর্থ সংগ্রহ এবং ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন নিয়ে দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিন ধরে বিরাজ করছিল।শনিবার সকালে ঈদের জামাত আদায় শেষে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে বলে জানা যায়।সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদেরনাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।ঘটনার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা করে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের মতে সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে এমনঅনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এলাকায় উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।বর্তমানে এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে আপনার জ্ঞান চর্চার নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম
শামীম শাহরিয়ার
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
গোপালপুরে ৪৩ মাদ্রাসা ও এতিমখানায় সৌদি সরকারের উপহার খেজুর বিতরণ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় সৌদি আরব সরকারের উপহার হিসেবে প্রাপ্ত খেজুর উপজেলার ৪৩টি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে। পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে এসব খেজুর বিতরণ করা হয়।সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে গোপালপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রধানদের হাতে খেজুর তুলে দেওয়া হয়। সৌদি সরকারের পাঠানো মোট ২০ কার্টুন খেজুর (প্রায় ১৬০ কেজি) বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন,সৌদি আরব সরকার প্রতিবছর বাংলাদেশের ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও এতিমখানাগুলোর পাশে দাঁড়াচ্ছে। এই সহায়তা রমজানের পবিত্রতা ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করে।”বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু বলেন এ ধরনের সহযোগিতা দরিদ্র ও এতিম শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আমরা আশাবাদী।”অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান, গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলামসহ উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও শিক্ষকবৃন্দ এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা মাদ্রাসা প্রধানদের হাতে খেজুর তুলে দেন। খেজুর পেয়ে মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিনিধিরা সৌদি সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে পুলিশের নিরলস তৎপরতা পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর-২০২৬ উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে দেশের অন্যতম ব্যস্ত সড়ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক-এযানবাহনের অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে এবং যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি।এ প্রেক্ষিতে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার জনাব মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার মহোদয় সরাসরি মাঠে থেকে যানজট নিরসনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট পরিদর্শন করে সার্বিক পরিস্থিতি তদারকি করছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করছেন। তাঁর নির্দেশনায় জেলা পুলিশের সদস্যরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন।পুলিশ সুপার মহোদয় জানান, ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে জেলা পুলিশের সদস্যরা দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করছেন। সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে যাত্রীদের নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য।এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ছাড়াও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
লঞ্চ দুর্ঘটনায় পিতা-পুত্রের মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া লঞ্চ দুর্ঘটনায় সোহেল ও তার পিতা মিরাজ ফকিরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একসঙ্গে পিতা-পুত্রের এমন হৃদয়বিদারক মৃত্যু স্থানীয়দের মাঝে গভীর বেদনা ও শোকের আবহ তৈরি করেছে।জানা যায়, আকস্মিক এ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই বা চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েন এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।স্থানীয়রা জানান, সোহেল ও তার পিতা মিরাজ ফকির ছিলেন অত্যন্ত ভদ্র ও সজ্জন মানুষ। তাদের অকাল মৃত্যুতে পরিবারটি যেমন অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে, তেমনি এলাকাবাসীও হারিয়েছে দুইজন প্রিয় মুখ।এদিকে, এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তারা নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আল্লাহর দরবারে দোয়া করে বলেন, মহান আল্লাহ যেন সোহেল ও মিরাজ ফকিরকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন এবং তাদের পরিবারকে এই শোক সহ্য করার তৌফিক দেন।এ ঘটনায় এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। নিহতদের স্মরণে অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শোকবার্তা প্রকাশ করছেন এবং সবার কাছে তাদের জন্য দোয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
দেশের আকাশে তাণ্ডব: শক্তিশালী কালবৈশাখী ও বজ্রবৃষ্টিতে কাঁপছে একাধিক বিভাগদফায় দফায় বজ্রপাত শিলাবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া — রাতে আরও বিস্তারের শঙ্কা চলতি বছরের এ পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী বজ্রবৃষ্টি বহনকারী কালবৈশাখী ঝড় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরের পর থেকে রাত পর্যন্ত দেশের ছয়টি বিভাগের বিস্তীর্ণ এলাকায় একাধিক দফায় তীব্র বজ্রপাত, দমকা হাওয়া, কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টি আঘাত হেনেছে।আবহাওয়া সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের অনেক জেলায় হঠাৎ করেই আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায় এবং পরবর্তীতে শুরু হয় তীব্র ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাত। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও দেখা গেছে, যা ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা বাড়িয়েছে। বজ্রপাতের তীব্রতা বেড়েছেদুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বেশ কয়েক দফায় তীব্র বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক বজ্রপাত জনজীবনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। খোলা মাঠ, নদী বা উঁচু স্থানে অবস্থানকারীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে পড়েন।কালবৈশাখীর দমকা হাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ের দমকা হাওয়া অনেক জায়গায় গাছপালা উপড়ে ফেলার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সড়ক যোগাযোগেও বিঘ্ন ঘটে রাতে আরও ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণে জানা গেছে, রাতের মধ্যেও এসব বিভাগের আরও কিছু এলাকায় দফায় দফায় ঝড়বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। একই সঙ্গে অনুকূল পরিবেশ বজায় থাকলে বরিশাল বিভাগের দু-একটি স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের আবহাওয়ায় কিছু সতর্কতা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি—বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা এড়িয়ে চলা গাছের নিচে আশ্রয় না নেওয়া বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তার থেকে দূরে থাকা নৌযান চলাচলে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন কৃষিতে প্রভাবের শঙ্কাহঠাৎ শিলাবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার কারণে বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।সার্বিকভাবে, দেশের আকাশে বিরাজমান অস্থিতিশীল আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আবহাওয়া বিশ্লেষকরা। যেকোনো সময় নতুন করে ঝড়বৃষ্টি শুরু হতে পারে—এমন আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
২০২৬ সালে দক্ষিণের সবথেকে ধনী অভিনেত্রী নয়নতারা, তালিকায় আর কার নাম আছে, জেনে নিন
নয়াদিল্লিতে মোদি সরকারের বৈঠক, ভারতের LPG ট্যাঙ্কার দেখেই এগিয়ে এল ইরানের নৌবাহিনী..
এক ধাক্কায় কমেছে তাপমাত্রা, বসন্তেই ঘোর বর্ষা! কবে পরিষ্কার হবে আকাশ?
৯০ শতাংশ দাম কমল ডায়াবেটিস ওষুধের, ১০,০০০ টাকার ওষুধ পাবেন ২২০ টাকায় ?
ভয়াবহ মৃত্যু ! ফেটেছে ফুসফুস, ভেঙেছে পাঁজরের বহু হাড়, RG করের ঘটনা নিয়ে মৃতের মা কী জানালেন ?
বিশ্বজয়ের পর কবে, কাদের বিরুদ্ধে আবার মাঠে নামবে ভারতীয় দল, অবশেষে জানিয়ে দিল বিসিসিআই
সোনা কিনতে চাইলে সুখবর ! ১.২৭ লক্ষ টাকায় নেমে আসতে পারে গোল্ড
শিক্ষক নিয়োগ করতে চাই, কিন্তু...: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়