শামীম শাহরিয়ার।
বিশেষ প্রতিনিধি
বর্তমান সময়ে ইউটিউবার, ব্লগার ও বিভিন্ন অনলাইন কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের একটি বড় অংশ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ, ভিউ বৃদ্ধি এবং দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জনের লক্ষ্যে অনেক ক্ষেত্রে মনগড়া বা যাচাইবিহীন তথ্য প্রকাশ করে থাকেন। ভিউ ও এনগেজমেন্ট বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের আয়ও বৃদ্ধি পায়। ফলে অনেক ক্ষেত্রে সত্যতা যাচাইয়ের চেয়ে আলোচনায় আসাই তাদের মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। এতে কারো ব্যক্তিগত চরিত্র বা সম্মান ক্ষুণ্ন হলেও তা অনেক সময় গুরুত্ব পায় না।
অন্যদিকে, প্রকৃত মূলধারার সাংবাদিকতা সম্পূর্ণ ভিন্ন নীতিমালার ওপর পরিচালিত হয়। একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিক কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে ঘটনার সত্যতা যাচাই-বাছাই করেন এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করেন। কারণ মূলধারার গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোনো সংবাদে অসত্য, বিভ্রান্তিকর বা কুরুচিপূর্ণ তথ্য থাকলে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহিতার আওতায় আসতে হয়।
এই জবাবদিহিতা ও নৈতিক দায়বদ্ধতার কারণেই মূলধারার সাংবাদিকরা ইচ্ছামতো সংবাদ প্রকাশ করতে পারেন না। বরং তারা বস্তুনিষ্ঠতা, দায়িত্ববোধ এবং পেশাগত নীতিমালা মেনে সংবাদ পরিবেশন করেন।
বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাংবাদিক সংগঠক, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত মিডিয়া তালিকাভুক্ত জাতীয় দৈনিক ঐশী বাংলা পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি মোহাম্মদ শামীম শাহরিয়ার বলেন, “সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই একটি জাতির সচেতনতা গঠনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম।” তিনি আরও বলেন, “সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা এবং তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ একটি ভুল বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ শুধু একজন ব্যক্তির নয়, পুরো সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।”
তিনি প্রকৃত সাংবাদিকদের পেশাগত সততা বজায় রেখে জনগণের কাছে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।
We use cookies to improve your experience, deliver personalized content and ads, and analyze our traffic. By continuing to browse our site, you agree to our use of cookies. Cookie Policy
