১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের
গুম ও হত্যা মামলার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে হাজির করা ১৫ সেনা কর্মকর্তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার সকালে (২২ অক্টোবর) বিচারপতি মোহাম্মদ গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল–১ এই আদেশ দেন।
সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংঘটিত গুম, খুন ও নির্যাতনের অভিযোগে টিএফআই ও জেআইসি সেলে সংঘটিত দুইটি গুম মামলা এবং রাজধানীর রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় এই শুনানি হয়। তিনটি মামলায় মোট ৩২ জন আসামি রয়েছেন, যাদের মধ্যে আজ আদালতে হাজির করা হয়েছে ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে।
বাকিরা পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা হাজির না হলে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে ট্রাইবুনাল জানিয়েছে।
হাজির হওয়া ১৫ সেনা কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মেজর জেনারেল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুব আলম, কর্নেল মশিউর রহমান জুয়েল, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমনসহ আরও অনেকে।
আজ ভোরে বাংলাদেশ প্রিজন সার্ভিসের নতুন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রিজন ভ্যানে করে তাদের ট্রাইবুনালে আনা হয়। সকাল ৭টার কিছু পর তারা ট্রাইবুনাল চত্বরে প্রবেশ করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তবে কোথায় তাদের রাখা হবে তা নির্ধারণ করবে কারা কর্তৃপক্ষ। ধারণা করা হচ্ছে, সেনানিবাসের অভ্যন্তরে অবস্থিত সাব-জেলে তাদের রাখা হতে পারে।
রাজধানীতে ট্রাইবুনাল এলাকায় ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। হাইকোর্ট মাজারগেট, মৎস্যভবন, কাকরাইলসহ আশপাশের এলাকায় পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও সেনা সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে। সাংবাদিকদের প্রবেশও ছিল সীমিত।
খুলনায় সংবাদ সংগ্রহের সময় কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা, ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং এক সাংবাদিকের পকেট থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে...
খুলনার বটিয়াঘাটা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে হয়রানি, নানা অজুহাতে দিনের পর দিন ঘোরানো এবং ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। ব...

