যশোরে সরকারি চাকরির প্রলোভনে ২০ লাখের বেশি টাকা নেওয়ার অভিযোগ টিটিসি কর্মচারীর বিরুদ্ধে
যশোরে সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে ২০ লাখ টাকার বেশি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে যশোর টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের (টিটিসি) কর্মচারী নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে। টাকা নেওয়ার পর যোগাযোগ বন্ধ করে তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগ অনুযায়ী, চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে এক তরুণীর বাবার কাছ থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং যশোরের বেজপাড়া এলাকার এক বাসিন্দার কাছ থেকে ১৯ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে টাকা নেওয়ার পর চাকরি না দিয়ে নাজমুল ইসলাম যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগকারীদের দাবি।
শুধু চাকরির প্রলোভন নয়, স্থানীয় বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকেও বাকিতে পণ্য ও নগদ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে নাজমুলের বিরুদ্ধে।
বেজপাড়ার ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম সুজন জানান, প্রায় চার মাস ধরে নাজমুল তার মুদি দোকান ও বিকাশের লেনদেন করতেন। প্রতিদিন তার দোকানে ৭০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হতো। একপর্যায়ে বিকাশ ও নগদ মিলিয়ে প্রায় ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা পাওনা হয়। এছাড়া মুদি দোকান থেকে আরও ৫ হাজার ৮০০ টাকার পণ্য বাকিতে নেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।
অন্য এক ব্যবসায়ী জানান, প্রায় দুই মাস ধরে নাজমুল তার চায়ের দোকানে নিয়মিত আসতেন। এ সময় তিনি দুটি গ্যাস সিলিন্ডার নেন। এছাড়া বাসা ছাড়ার আগের দিন ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নগদ ধার নেন। পরে সেই টাকাও পরিশোধ করেননি বলে অভিযোগ করেন ব্যবসায়ী।
এদিকে নাজমুল ইসলাম নিজেকে যশোর টিটিসির কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিলেও প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি সেখানে গার্ড পদে কর্মরত।
যশোর টিটিসির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রকৌশলী গাজী ইকফাত মাহামুদ বলেন, নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক অভিযোগের পাশাপাশি অতীতেও অভিযোগ রয়েছে। প্রায় দেড় থেকে দুই বছর ধরে তিনি নিয়মিত দায়িত্ব পালন করেন না বলেও জানান তিনি।
অধ্যক্ষ আরও জানান, রাঙামাটিতে কর্মরত থাকার সময় এক সহকর্মীকে ব্যাংক ঋণের জামিনদার বানিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়টিও তাদের নজরে এসেছে। ওই অভিযোগের পরই নাজমুল যশোরে যোগদান করেন বলে জানান তিনি।
গাজী ইকফাত মাহামুদ বলেন, নাজমুল ইসলামের অনিয়মের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
অভিযোগের বিষয়ে নাজমুল ইসলামকে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগীরা দ্রুত নাজমুল ইসলামকে আইনের আওতায় এনে অভিযোগগুলো তদন্তের পাশাপাশি তাদের পাওনা টাকা উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
যশোরে সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে ২০ লাখ টাকার বেশি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে যশোর টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের (ট...
আসন্ন শুভ জন্মাষ্টমী-২০২৬ উপলক্ষে নেত্রকোনা জেলায় উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হিন্দু ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে জেলা পুলিশের বি...

