টাঙ্গাইলে বিট পুলিশিং বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মাদক, ইভটিজিং কিশোর গ্যাং ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিট পুলিশিং সংক্রান্ত এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচ.এম.মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন মাদক কিশোর গ্যাং ইভটিজিং এবং অনলাইন জুয়ার মতো সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয় এ ক্ষেত্রে পুলিশ ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ অপরিহার্য। বিট পুলিশিং কার্যক্রমের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দেওয়া স্থানীয় সমস্যাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধান করা এবং নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন।
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায় এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রেমঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অভিযোগ তোলা হলেও, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করেনি পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাইস্কা ইউনিয়নের ধোকেরকুল গ্রামের বাসিন্দা মো. সুরুজ আলীর মেয়ে এবং ধনবাড়ী সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী (চার বোনের মধ্যে তৃতীয়) দীর্ঘদিন ধরে ধনবাড়ী পৌরসভার বন্দ-টাকুরিয়া গ্রামের দুবাইপ্রবাসী মঞ্জু মিয়ার ছেলে মো. মারুফ হোসেন শান্তর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত ছিলেন বলে পরিবারের দাবি। পরিবারের অভিযোগ, গত ১১ জুলাই সকালে ফোন করে ওই তরুণীকে দেখা করার জন্য ডেকে নেন মারুফ হোসেন শান্ত। এরপর সারাদিন তারা অজ্ঞাত স্থানে অবস্থান করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ছেলের পরিবার স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে রাতে মেয়েটিকে তার বড় বোনের জামাইয়ের বাড়িতে পৌঁছে দেয়। পরদিন ১২ জুলাই বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে বড় বোনের জামাইয়ের বাড়ির একটি কক্ষে ওই পরীক্ষার্থীকে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান স্বজনরা। খবর পেয়ে ধনবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। নিহতের পরিবারের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। এ বিষয়ে ধনবাড়ী থানার পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এবং তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিকল্পিত পরিবার, সমৃদ্ধ আগামী"—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১২ জুলাই ২০২৬) উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ, সরিষাবাড়ী, জামালপুরের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা। এ সময় তিনি তাঁর বক্তব্যে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবার পরিকল্পনা সেবা সম্প্রসারণ এবং টেকসই উন্নয়ন অর্জনে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি ও কার্যকর পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সুস্থ, শিক্ষিত ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠন সম্ভব। আলোচনা সভায় উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, স্বাস্থ্যকর্মী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মাঝে সম্মাননা সনদ বিতরণ করা হয়। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবার পরিকল্পনা সেবার গুরুত্ব তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন।
"পরিকল্পিত পরিবার, সমৃদ্ধ আগামী"—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১২ জুলাই ২০২৬) উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ, সরিষাবাড়ী, জামালপুরের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা। এ সময় তিনি তাঁর বক্তব্যে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবার পরিকল্পনা সেবা সম্প্রসারণ এবং টেকসই উন্নয়ন অর্জনে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি ও কার্যকর পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সুস্থ, শিক্ষিত ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠন সম্ভব। আলোচনা সভায় উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, স্বাস্থ্যকর্মী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মাঝে সম্মাননা সনদ বিতরণ করা হয়। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবার পরিকল্পনা সেবার গুরুত্ব তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন। রফিকুল ইসলাম দৈনিক মুক্তধ্বনি
ধনবাড়ীকে হারিয়ে শুভ সূচনা গোপালপুরের, জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন স্টাফ রিপোর্টার : এস কে শিপন টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে গোপালপুরের সুতী ভিএম পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সেলিম মিঞা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল মোর্শেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধনবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ নূরজাহান আক্তার সাথী, গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী লিয়াকত, পৌর বিএনপির সভাপতি খালিদ হাসান উথান, সাধারণ সম্পাদক চাঁন মিয়া, উপজেলা যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম তালুকদার লেলিন এবং সদস্য সচিব বদিউজ্জামান রানা। এছাড়াও ধনবাড়ী ও গোপালপুর উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক ফুটবলপ্রেমী দর্শক উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক গোপালপুর উপজেলা একাদশ দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে ধনবাড়ী উপজেলা একাদশকে ১-০ গোলে পরাজিত করে টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করে। খেলা শেষে অতিথিরা বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। টুর্নামেন্টকে ঘিরে মাঠজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
স্কুলছাত্রী সামিয়া হত্যা টাঙ্গাইলে এক নৃশংসতার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক রায় ভূঞাপুরে সপ্তম শ্রেণীর স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার মামলায় আসামি সাব্বির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লক্ষ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া এবং ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। এই দৃষ্টান্তমূলক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে নিহত সামিয়ার পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ।যেভাবে ঘটেছিল সেই নৃশংসতামামলার বিবরণী থেকে জানা যায়ঘটনার দিন বিকেলে ভূঞাপুর উপজেলার নিকলা দড়িপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হয় স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তার। দীর্ঘ সময় বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরবর্তীতে গভীর রাতে নিকলা নয়াপাড়া এলাকার একটি ফসলি জমি থেকে সামিয়ার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।তদন্তে উঠে আসে সামিয়াকে একা পেয়ে একই গ্রামের ওলান মিয়ার ছেলে সাব্বির হোসেন প্রথমে তাকে পাশবিক নির্যাতন বা ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে নিজের পরিচয় ও অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সে সামিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ জমিতে ফেলে পালিয়ে যায়।আইনি তৎপরতা ও আসামির স্বীকারোক্তিহত্যাকাণ্ডের পর নিহত সামিয়ার বাবা বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত সাব্বির হোসেনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এবং পরবর্তীতে আদালতে হাজির করা হলে সাব্বির বিচারকের সামনে নিজের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়।দ্রুত বিচার ও আদালতের রায়মামলার সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ে তদন্ত শেষ করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ। আদালত ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা এবং আইনি তথ্যপ্রমাণ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করেন। অপরাধের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক আসামি সাব্বির হোসেনকে ধর্ষণের পর হত্যার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড এবং একই সাথে এক লক্ষ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।আইনজীবীদের প্রতিক্রিয়া ও জনআকাঙ্ক্ষারায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান এই রায় সমাজে অপরাধীদের জন্য একটি কঠোর বার্তা। ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের বিচার এভাবেই দ্রুততার সাথে হওয়া উচিত।অন্যদিকে নিহত সামিয়ার পরিবার আদালতের এই রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করে দ্রুত শাস্তি কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও এই দৃষ্টান্তমূলক রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন প্রতিটি ধর্ষণের ঘটনার বিচার যদি এমন স্বচ্ছ ও দ্রুত প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হতো তবে সমাজে নারীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার হতো।
মাদক জঙ্গিবাদ ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে ঘাটাইল-গোপালপুরে কমিউনিটি পুলিশিং সভা টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ও গোপালপুর থানার উদ্যোগে মাদক জঙ্গিবাদ সন্ত্রাস কিশোর গ্যাং আত্মহত্যা প্রতিরোধ বাল্যবিবাহ ইভটিজিং ও নারী নির্যাতনবিরোধী জনসচেতনতামূলক কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।ঘাটাইল থানাধীন রসুলপুর মাস্টার মোড় এবং গোপালপুর থানাধীন ডুবাইল বাজারে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোপালপুর সার্কেল) ফৌজিয়া হাবিব খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন।সভায় বক্তারা মাদক জঙ্গিবাদ সন্ত্রাস কিশোর গ্যাং আত্মহত্যা বাল্যবিবাহ ইভটিজিং নারী নির্যাতনঅনলাইন জুয়া চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন পুলিশ ও জনগণের সমন্বিত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরও কার্যকর করা সম্ভব। তিনি একটি নিরাপদ শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে রসুলপুর ও ডুবাইল এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা জনপ্রতিনিধি গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
টাঙ্গাইলে বিট পুলিশিং বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মাদক, ইভটিজিং কিশোর গ্যাং ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিট পুলিশিং সংক্রান্ত এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচ.এম.মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন মাদক কিশোর গ্যাং ইভটিজিং এবং অনলাইন জুয়ার মতো সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয় এ ক্ষেত্রে পুলিশ ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ অপরিহার্য। বিট পুলিশিং কার্যক্রমের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দেওয়া স্থানীয় সমস্যাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধান করা এবং নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন।
ধনবাড়ীতে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে ধনবাড়ী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূরজাহান আক্তার সাথী। সভায় উপস্থিত ছিলেন ধনবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুরুল ইসলাম সিদ্দিক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মামুন হাসান, ধনবাড়ী পৌর বিএনপির সভাপতি এস.এম.এ. ছোবাহান, উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং ধনবাড়ী উপজেলা মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইমাম হাসান সোহানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা। সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে মাদক নির্মূলে প্রশাসনকে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার বিষয়ে কমিটির সদস্যরা দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ধনবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল ইসলাম সিদ্দিক সভায় উপস্থিত সদস্যদের বিভিন্ন অভিযোগ ও পরামর্শ মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, জনগণের সহযোগিতা পেলে মাদক, সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধ দমনে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে।সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরজাহান আক্তার সাথী পূর্ববর্তী মাসিক সভায় উত্থাপিত অভিযোগ ও সমস্যাগুলোর অগ্রগতি এবং এ বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপের বিস্তারিত তুলে ধরেন। পাশাপাশি বর্তমান সভায় উপস্থাপিত অভিযোগ ও সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। সভায় অংশগ্রহণকারীরা উপজেলার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসন ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।