বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত এশিয়া কাপে শেষ গ্রুপ ম্যাচে ওমানকে ২১ রানে হারিয়ে অপরাজিত থাকল। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারত তোলে ১৮৮ রান ৮ উইকেটে।
ওমান, যারা বিশ্ব টি–টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে ২০তম স্থানে রয়েছে, ব্যাট হাতে দুর্দান্ত লড়াই করে। আমির কালিমের ৬৪ এবং হাম্মাদ মির্জার ৫১ রানের উপর ভর করে দলটি ৪ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৬৭ রান। কালিম ও মির্জার জুটি দ্বিতীয় উইকেটে ৯৩ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ভারতকে চাপে ফেলে দেয়।
তবে হার্দিক পান্ডিয়া প্রথমে হার্শিত রানা’র বলে কালিমকে দারুণ এক ক্যাচে ফিরিয়ে দেন, এরপর নিজের গতির ঝড় তুলেই মির্জাকে আউট করেন। বাঁ-হাতি পেসার অর্শদীপ সিং তুলে নেন ইনিংসের চতুর্থ উইকেট এবং একইসাথে টি–টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম ভারতীয় বোলার হিসেবে ১০০ উইকেট পূর্ণ করেন।
এর আগে ভারতের ইনিংসে উইকেটকিপার-ব্যাটার সঞ্জু স্যামসন সর্বোচ্চ ৫৬ রান করেন। তার সাথে উদ্বোধনী ব্যাটার অভিষেক শর্মা ১৪ বলে ৩৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দ্রুত রান তোলে দেন।
ওমানের বোলাররা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট নিলেও ভারতের ব্যাটিং শক্তিকে পুরোপুরি ভাঙতে পারেনি। শাহ ফয়সাল, বাঁ-হাতি পেসার জিতেন রমানন্দি ও স্পিনার আমির কালিম নেন দুটি করে উইকেট।
এই জয়ের ফলে ভারত ও পাকিস্তান গ্রুপ ‘এ’ থেকে সুপার ফোরে উঠেছে। রবিবার আবারও মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান, যেখানে আগের ম্যাচ শেষে ভারতীয় খেলোয়াড়রা পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাত মেলাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আলোচনায় ছিল।
অন্যদিকে গ্রুপ ‘বি’ থেকে শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ সুপার ফোরে জায়গা করে নিয়েছে। শনিবার শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ ম্যাচ দিয়ে সুপার ফোর পর্ব শুরু হবে।
টাঙ্গাইল মেডিকেলে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত ও রোগীবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্মসচিব মো.মুস্তাফিজুর রহমান জেলা প্রশাসক শরীফা হক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.রবিউল ইসলাম, টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শম্ভু রাম পাল সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু,টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নূরুল আমিন মিঞা, হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুস, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন চিকিৎসকবৃন্দ এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। পরে হাসপাতালের পরিচালক স্বাগত বক্তব্য দেন এবং হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম বিদ্যমান সমস্যা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন।সভায় হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন চিকিৎসক ও অন্যান্য জনবল সংকট দূরীকরণ প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, রোগীদের চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মান বৃদ্ধি, ওয়ার্ডের পরিবেশ উন্নয়ন দালালচক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ এবং অ্যাম্বুলেন্স সেবার উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়।সভাপতির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন টাঙ্গাইল জেলার মানুষ যাতে উন্নত ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পায় সে লক্ষ্যে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। হাসপাতালের জনবল সংকট দ্রুত নিরসনের চেষ্টা করা হবে। তবে নতুন জনবল নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান জনবল দিয়েই সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।টুকু বলেন চিকিৎসা পেশা অত্যন্ত মানবিক ও দায়িত্বপূর্ণ। মানুষ অসুস্থ হলেই সর্বপ্রথম হাসপাতালের শরণাপন্ন হয়। তাই চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। সীমিত জনবল থাকলেও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মানুষের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব।এ সময় তিনি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে হাসপাতালের সার্বিক সেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশাল সাফল্য পেয়েছে ৫৯ বিজিবি (মহানন্দা ব্যাটালিয়ন)। পৃথক দুটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ‘Eskuf’ সিরাপ জব্দ করেছে বিজিবি টহল দল, যা মূলত ফেন্সিডিলের বিকল্প নেশাজাতীয় দ্রব্য হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। মধ্যরাতের গোপন সংবাদে চিরুনি অভিযানের ভিত্তিতে গত ০৬ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাতে মহানন্দা ব্যাটালিয়নের দুটি চৌকস দল এই অভিযান পরিচালনা করে। (সোনামসজিদ বিওপি): সীমান্ত পিলার ১৮৫/১৩-এস থেকে আনুমানিক ৩ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শিবগঞ্জ থানাধীন শাহাবাজপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের পাকা রাস্তার উপর অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ২০০ বোতল ভারতীয় ‘Eskuf’ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। দ্বিতীয় অভিযান (চৌকা বিওপি): সীমান্ত পিলার ১৭৫/২-এস থেকে মাত্র ৪০০ গজ ভেতরে শিবগঞ্জ থানাধীন মনাকষা ইউনিয়নের রাঘববাটি গ্রামে অপর অভিযানটি পরিচালিত হয়। এই অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ৭০ বোতল একই সিরাপ জব্দ করা হয়। মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) গত ৩ মাসে সীমান্তে কঠোর তৎপরতা চালিয়ে ১০ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারসহ প্রায় ১১,২৪৪ বোতল ফেন্সিডিলের বিকল্প বিভিন্ন ধরনের নেশাজাতীয় সিরাপ আটক করতে সক্ষম হয়েছে। অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে মহানন্দা ব্যাটালিয়নের (৫৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী (এসজিপি, বিএফএম, পিএসসি) বলেন: "দেশের যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করতে বিজিবি সর্বদা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান বন্ধে আমাদের এই কঠোর অবস্থান ও অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।"
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৮৪ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় Eskuf সিরাপ জব্দ করেছে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার (৮ জুলাই) ভোরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ০৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ৩টা ৩০ মিনিটে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)-এর অধীনস্থ চাঁনশিকারী বিওপিতে কর্মরত নায়েক মো. আমজাদ আলীর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল অভিযান পরিচালনা করে। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত পিলার ১৯৯/৪-এস থেকে প্রায় ৬০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার ১ নম্বর ভোলাহাট ইউনিয়নের হাউজফুল গ্রামের বুদ্ধ সুবেদারের আমবাগানে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ফেন্সিডিলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত ৮৪ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় Eskuf সিরাপ জব্দ করা হয়। বিজিবি জানিয়েছে, জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, এসজিপি, বিএফএম, পিএসসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “বিজিবি দেশের যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় সব ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায় এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রেমঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অভিযোগ তোলা হলেও, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করেনি পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাইস্কা ইউনিয়নের ধোকেরকুল গ্রামের বাসিন্দা মো. সুরুজ আলীর মেয়ে এবং ধনবাড়ী সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী (চার বোনের মধ্যে তৃতীয়) দীর্ঘদিন ধরে ধনবাড়ী পৌরসভার বন্দ-টাকুরিয়া গ্রামের দুবাইপ্রবাসী মঞ্জু মিয়ার ছেলে মো. মারুফ হোসেন শান্তর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত ছিলেন বলে পরিবারের দাবি। পরিবারের অভিযোগ, গত ১১ জুলাই সকালে ফোন করে ওই তরুণীকে দেখা করার জন্য ডেকে নেন মারুফ হোসেন শান্ত। এরপর সারাদিন তারা অজ্ঞাত স্থানে অবস্থান করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ছেলের পরিবার স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে রাতে মেয়েটিকে তার বড় বোনের জামাইয়ের বাড়িতে পৌঁছে দেয়। পরদিন ১২ জুলাই বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে বড় বোনের জামাইয়ের বাড়ির একটি কক্ষে ওই পরীক্ষার্থীকে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান স্বজনরা। খবর পেয়ে ধনবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। নিহতের পরিবারের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। এ বিষয়ে ধনবাড়ী থানার পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এবং তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিকল্পিত পরিবার, সমৃদ্ধ আগামী"—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১২ জুলাই ২০২৬) উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ, সরিষাবাড়ী, জামালপুরের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা। এ সময় তিনি তাঁর বক্তব্যে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবার পরিকল্পনা সেবা সম্প্রসারণ এবং টেকসই উন্নয়ন অর্জনে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি ও কার্যকর পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সুস্থ, শিক্ষিত ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠন সম্ভব। আলোচনা সভায় উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, স্বাস্থ্যকর্মী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মাঝে সম্মাননা সনদ বিতরণ করা হয়। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবার পরিকল্পনা সেবার গুরুত্ব তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন।
জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ চ্যাম্পিয়ন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা টাঙ্গাইলে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল ম্যাচ। ১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ফাইনালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ১-০ গোলে গোপালপুর উপজেলাকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব আমিনুল হক।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব শরীফুল হক এমপি টাঙ্গাইল-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ আবদুস সালাম পিন্টু, টাঙ্গাইল-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ লুৎফর রহমান এবং টাঙ্গাইল-৬ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ রবিউল আওয়াল।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শরীফা হক।রোমাঞ্চকর এ ফাইনালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়। নির্ধারিত সময়ে একমাত্র গোলের সুবাদে ১-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে তারা টুর্নামেন্টের শিরোপা নিজেদের করে নেয়। অপরদিকে গোপালপুর উপজেলা দুর্দান্ত লড়াই করেও রানার্সআপ হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়।টুর্নামেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় আয়োজকদের পক্ষ থেকে উপস্থিত সম্মানিত দর্শক খেলোয়াড় স্বেচ্ছাসেবক ক্লাব কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। তাঁদের সুশৃঙ্খল উপস্থিতি সহযোগিতা ও প্রাণবন্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে টুর্নামেন্টটি সফল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সমাপ্ত হয়েছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট–২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত জামালপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট–২০২৬ এর ফাইনাল খেলা, সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (১৯ মে ২০২৬ খ্রি.) জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, জামালপুর-এর আয়োজনে জেলা স্কুল মাঠে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন জামালপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য জনাব শাহ মোঃ ওয়ারেছ আলী মামুন, এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, জামালপুর জনাব মুহাম্মদ ইউসুপ আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার, জামালপুর জনাব মোছাঃ ফারহানা ইয়াসমিন এবং সিভিল সার্জন জনাব ডাঃ মোহাম্মদ আজিজুল হক।পুলিশ সুপার তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেদের আরও দক্ষ করে তুলতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জন করছে এবং বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেও ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় উঠে আসবে। তিনি খেলোয়াড়দের সুন্দর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলার জন্য ধন্যবাদ জানান। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ফাইনাল খেলাটি ছিল অত্যন্ত উপভোগ্য এবং সুন্দর আয়োজনের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ভালো খেলোয়াড় ও ভালো ছাত্র—উভয় ক্ষেত্রেই সফল হতে কঠোর পরিশ্রম ও সাধনার বিকল্প নেই। পাশাপাশি খেলাধুলা সমাজকে মাদকমুক্ত ও ইতিবাচক ধারায় এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি শিক্ষকবৃন্দকে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।এ সময় জেলা প্রশাসক সকল খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা জানিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
ক্রীড়াঙ্গনে নতুন অধ্যায়: এক লক্ষ টাকা মাসিক ভাতা পাচ্ছেন নারী কাবাডি খেলোয়াড়রা দেশের জাতীয় খেলা কাবাডির উন্নয়নে এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করল বাংলাদেশ। আজ সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জাতীয় ক্রীড়াবিদদের বেতন কাঠামোর আওতায় এনে ‘ক্রীড়া ভাতা’ ও ‘ক্রীড়া কার্ড’ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।এ ঐতিহাসিক ঘোষণার ফলে বাংলাদেশ নারী কাবাডি দলের ১৫ জন খেলোয়াড়ের প্রত্যেকে এখন থেকে প্রতি মাসে এক লক্ষ টাকা করে রাষ্ট্রীয় ক্রীড়া ভাতা পাবেন। ক্রীড়াবান্ধব এ উদ্যোগে খেলোয়াড়দের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি জাতীয় খেলা হিসেবে কাবাডির মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পেল। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শুধু ভাতা ঘোষণাই করেননি বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নাম উজ্জ্বল করা নারী কাবাডি দলের সদস্যদের হাতে বিশেষ পুরস্কারও তুলে দেন। নারী কাবাডি দল দু'টি টুর্নামেন্টে ব্রোঞ্জ পদক জয়ের জন্য প্রত্যেক নারী খেলোয়াড় এককালীন দুই লক্ষ টাকা করে পেয়েছেন।পুরস্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন এশিয়ান নারী কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ এবং দ্বিতীয় নারী কাবাডি বিশ্বকাপে ব্রোঞ্জ পদক জয়ী জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা।অনুষ্ঠানে ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ ও কাবাডি ফেডারেশনের সভাপতি জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির এবং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম নেওয়াজ সোহাগ উপস্থিত ছিলেন।