টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মাদক সেবন ও নিজ বাড়িতে অবৈধ মাদকদ্রব্য মজুদ করে বিক্রয়ের অপরাধে বাবা ও ছেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পৌরসভার একটি আবাসিক এলাকায় যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে তাদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করার পর তাৎক্ষণিকভাবে এই দণ্ডাদেশ ঘোষণা করা হয়। এ ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার গোপালপুর পৌরসভার আভুঙ্গী মহল্লায় এ মাদকবিরোধী ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক সেবনের পাশাপাশি নিজেদের বসতবাড়িতে সিন্থেটিক পেইনকিলার হিসেবে ব্যবহৃত কিন্তু মাদকের বিকল্প হিসেবে নিষিদ্ধ ‘ট্যাপেনটাডল’ (Tapentadol) জাতীয় বিপুল পরিমাণ ট্যাবলেট সংরক্ষণ ও বেচাকেনা করে আসছিলেন। স্থানীয় একাধিক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে গোপালপুর উপজেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান পরিচালনাকালে প্রকাশ্যে মাদক সেবনের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় বাবা আব্দুস সামাদ (৭১)-কে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। অন্যদিকে একই সঙ্গে মাদক সেবন ও নিজের হেফাজতে অবৈধ মাদকদ্রব্য মজুদ রাখার দায়ে তার ছেলে সালমান (২৫)-কে ১ বছর ১১ মাস ২১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন গোপালপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নবাব আলী। সংক্ষিপ্ত বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং মাদকের বিস্তার রোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না।
অভিযান পরিচালনাকালে উপস্থিত থেকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইলের পরিদর্শক মো. সাইফুর রহমান এবং উপ-পরিদর্শক মো. রাশিদুল ইসলামসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সাজাপ্রাপ্তদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল মেডিকেলে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত ও রোগীবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্মসচিব মো.মুস্তাফিজুর রহমান জেলা প্রশাসক শরীফা হক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.রবিউল ইসলাম, টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শম্ভু রাম পাল সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু,টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নূরুল আমিন মিঞা, হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুস, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন চিকিৎসকবৃন্দ এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। পরে হাসপাতালের পরিচালক স্বাগত বক্তব্য দেন এবং হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম বিদ্যমান সমস্যা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন।সভায় হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন চিকিৎসক ও অন্যান্য জনবল সংকট দূরীকরণ প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, রোগীদের চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মান বৃদ্ধি, ওয়ার্ডের পরিবেশ উন্নয়ন দালালচক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ এবং অ্যাম্বুলেন্স সেবার উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়।সভাপতির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন টাঙ্গাইল জেলার মানুষ যাতে উন্নত ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পায় সে লক্ষ্যে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। হাসপাতালের জনবল সংকট দ্রুত নিরসনের চেষ্টা করা হবে। তবে নতুন জনবল নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান জনবল দিয়েই সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।টুকু বলেন চিকিৎসা পেশা অত্যন্ত মানবিক ও দায়িত্বপূর্ণ। মানুষ অসুস্থ হলেই সর্বপ্রথম হাসপাতালের শরণাপন্ন হয়। তাই চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। সীমিত জনবল থাকলেও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মানুষের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব।এ সময় তিনি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে হাসপাতালের সার্বিক সেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায় এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রেমঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অভিযোগ তোলা হলেও, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করেনি পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাইস্কা ইউনিয়নের ধোকেরকুল গ্রামের বাসিন্দা মো. সুরুজ আলীর মেয়ে এবং ধনবাড়ী সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী (চার বোনের মধ্যে তৃতীয়) দীর্ঘদিন ধরে ধনবাড়ী পৌরসভার বন্দ-টাকুরিয়া গ্রামের দুবাইপ্রবাসী মঞ্জু মিয়ার ছেলে মো. মারুফ হোসেন শান্তর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত ছিলেন বলে পরিবারের দাবি। পরিবারের অভিযোগ, গত ১১ জুলাই সকালে ফোন করে ওই তরুণীকে দেখা করার জন্য ডেকে নেন মারুফ হোসেন শান্ত। এরপর সারাদিন তারা অজ্ঞাত স্থানে অবস্থান করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ছেলের পরিবার স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে রাতে মেয়েটিকে তার বড় বোনের জামাইয়ের বাড়িতে পৌঁছে দেয়। পরদিন ১২ জুলাই বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে বড় বোনের জামাইয়ের বাড়ির একটি কক্ষে ওই পরীক্ষার্থীকে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান স্বজনরা। খবর পেয়ে ধনবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। নিহতের পরিবারের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। এ বিষয়ে ধনবাড়ী থানার পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এবং তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিকল্পিত পরিবার, সমৃদ্ধ আগামী"—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১২ জুলাই ২০২৬) উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ, সরিষাবাড়ী, জামালপুরের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা। এ সময় তিনি তাঁর বক্তব্যে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবার পরিকল্পনা সেবা সম্প্রসারণ এবং টেকসই উন্নয়ন অর্জনে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি ও কার্যকর পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সুস্থ, শিক্ষিত ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠন সম্ভব। আলোচনা সভায় উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, স্বাস্থ্যকর্মী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মাঝে সম্মাননা সনদ বিতরণ করা হয়। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবার পরিকল্পনা সেবার গুরুত্ব তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন।
সাভারে র্যাবের অভিযানে মাদক মামলায় ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাসিন্দা এবং মাদক মামলায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত ও দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মো. সবুজ মিয়া (৩২)কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৪-এর সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্প।র্যাব জানায় দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা অপরাধ দমন এবং আদালতের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।র্যাব-১৪-এর সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের একটি আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সবুজ মিয়ার অবস্থান শনাক্ত করে। পরে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল আনুমানিক ৫টা ৪৫ মিনিটে র্যাব-৪-এর সিপিসি-২ নবীনগরের সহযোগিতায় ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানার রাজফুলবাড়িয়া রাজাঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতার হওয়া সবুজ মিয়া টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া এলাকার সিরাজ মিয়ার ছেলে। তিনি সাভার মডেল থানারমাদকমামলানং-৪০(০৬)২৩-এ ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) ধারার সারণি ৮(ক) অনুযায়ী দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন।র্যাব আরও জানায় গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ওয়ারেন্ট তামিলকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
"পরিকল্পিত পরিবার, সমৃদ্ধ আগামী"—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১২ জুলাই ২০২৬) উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ, সরিষাবাড়ী, জামালপুরের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা। এ সময় তিনি তাঁর বক্তব্যে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবার পরিকল্পনা সেবা সম্প্রসারণ এবং টেকসই উন্নয়ন অর্জনে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি ও কার্যকর পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সুস্থ, শিক্ষিত ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠন সম্ভব। আলোচনা সভায় উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, স্বাস্থ্যকর্মী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মাঝে সম্মাননা সনদ বিতরণ করা হয়। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবার পরিকল্পনা সেবার গুরুত্ব তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন। রফিকুল ইসলাম দৈনিক মুক্তধ্বনি
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মাদক সেবন ও নিজ বাড়িতে অবৈধ মাদকদ্রব্য মজুদ করে বিক্রয়ের অপরাধে বাবা ও ছেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পৌরসভার একটি আবাসিক এলাকায় যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে তাদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করার পর তাৎক্ষণিকভাবে এই দণ্ডাদেশ ঘোষণা করা হয়। এ ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার গোপালপুর পৌরসভার আভুঙ্গী মহল্লায় এ মাদকবিরোধী ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক সেবনের পাশাপাশি নিজেদের বসতবাড়িতে সিন্থেটিক পেইনকিলার হিসেবে ব্যবহৃত কিন্তু মাদকের বিকল্প হিসেবে নিষিদ্ধ ‘ট্যাপেনটাডল’ (Tapentadol) জাতীয় বিপুল পরিমাণ ট্যাবলেট সংরক্ষণ ও বেচাকেনা করে আসছিলেন। স্থানীয় একাধিক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে গোপালপুর উপজেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে।অভিযান পরিচালনাকালে প্রকাশ্যে মাদক সেবনের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় বাবা আব্দুস সামাদ (৭১)-কে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। অন্যদিকে একই সঙ্গে মাদক সেবন ও নিজের হেফাজতে অবৈধ মাদকদ্রব্য মজুদ রাখার দায়ে তার ছেলে সালমান (২৫)-কে ১ বছর ১১ মাস ২১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন গোপালপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নবাব আলী। সংক্ষিপ্ত বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং মাদকের বিস্তার রোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না।অভিযান পরিচালনাকালে উপস্থিত থেকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইলের পরিদর্শক মো. সাইফুর রহমান এবং উপ-পরিদর্শক মো. রাশিদুল ইসলামসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সাজাপ্রাপ্তদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ডিসি লেক পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল, ৩১ জুলাই টাঙ্গাইল শহরের ঐতিহ্যবাহী ডিসি লেককে পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব রাখতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জনাব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি।শুক্রবার (৩১ জুলাই) আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে টাঙ্গাইলকে একটি সবুজ, সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন জেলায় পরিণত করা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।এ সময় তিনি ডিসি লেকের সৌন্দর্য ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এ ধরনের উদ্যোগে সবাইকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।কর্মসূচিতে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
শেরপুরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের উপস্থিতিতে দপ্তর প্রধানগণের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আজ (২৮ জুলাই ২০২৬) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব এম. ইকবাল হোসেইন এমপি মহোদয়ের সাথে জেলার সকল দপ্তর প্রধানগণের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন শেরপুর জেলার জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ মাহমুদুল হক রুবেল মাননীয় সংসদ সদস্য ( শেরপুর-৩),মিজ্ সানসিলা জেবরিন মাননীয় সংসদ সদস্য ( সংরক্ষিত মহিলা আসন-১৫)।এছাড়া অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জনাব এবিএম মামুনুর রশীদ পলাশ,প্রশাসক জেলা পরিষদ শেরপুর, জনাব দীপংকর রায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ শেরপুর, মিজ নাসরিন আক্তার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার,শেরপুর সদর সার্কেল, মিজ আরিফা সিদ্দিকা উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার শেরপুর জনাব মোঃ শাকিল আহমেদ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক),শেরপুর এবং বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর প্রধানগন।সভায় জেলার সাম্প্রতিক দুর্যোগ মোকাবেলা ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের সেবা কার্যক্রম সমন্বয়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয় উপস্থিত দপ্তর প্রধানগণকে সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।প্রচারে: মিডিয়া সেল, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, শেরপুর।