টাঙ্গাইলে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ১৪৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা
সারা দেশ

টাঙ্গাইলে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ১৪৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা

reporter-icon
নাদিম তালুকদার: স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫ | 0
টাঙ্গাইলে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ১৪৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা
টাঙ্গাইলে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ১৪৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা
মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মওলানা ভাসানীর ঐতিহাসিক দরবার হলে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও মওলানা ভাসানীর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবদানের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “মওলানা ভাসানী ছিলেন আপসহীন রাজনীতির প্রতীক। তিনি আজীবন মজলুম মানুষের পক্ষে কথা বলেছেন এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে গেছেন। তাঁর আদর্শ আজও আমাদের রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক।” তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সময়ে মওলানা ভাসানীর ন্যায় সাহসী ও জনবান্ধব নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়েছে। তাঁর দেখানো পথে দেশ ও জনগণের কল্যাণে রাজনীতি করতে হবে।” মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা প্রফেসর এ. কে. এম. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান শফিক, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মওলানা ভাসানীর আদর্শ ও দর্শন নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে নিয়মিত গবেষণা, আলোচনা সভা ও স্মরণ কর্মসূচি জোরদার করা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের সদস্য, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

সারা দেশ

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইলে জামায়াতে ইসলামীর শক্তিশালী নির্বাচনী প্রচারণা

টাঙ্গাইলে জামায়াতে ইসলামীর শক্তিশালী নির্বাচনী প্রচারণা বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।গণভোট প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেনএবারের নির্বাচনে দুটি ভোট রয়েছে। প্রথম ভোটটি হ্যাঁ ভোট—ইনশাল্লাহ। ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হলে বাংলাদেশ বিজয়ী হবে, আর ‘না’ ভোট বিজয়ী হলে বাংলাদেশ পরাজিত হবে। ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি আর না মানে গোলামী। যারা অতীতে ‘হ্যাঁ’ও বলেনি, নাও বলেনি—আজ যারা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে তাদের অভিনন্দনওমোবারকবাদ।তিনি বলেন যারা ‘হ্যাঁ’ ভোটের সাথে থাকবে তারা প্রমাণ করবে—তারা চাঁদাবাজির সাথে নেই, দুর্নীতির সাথে নেই, মামলাবাজির সাথে নেই এবং মা-বোনদের অপমানের সাথে নেই। তারা থাকবে নতুন বাংলাদেশের সাথে, থাকবে ২০২৪ সালের জনগণের আকাঙ্ক্ষার সাথে। সেই আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান জানিয়ে আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব—ইনশাল্লাহ। দ্বিতীয় ভোটটি দেশ গড়ার ভোট উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামিতে যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেবে, তাদের অবশ্যই অতীতে ভালো মানুষ হিসেবে প্রমাণিত হতে হবে। যারা বারবার সুযোগ পেয়েও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে, তাদের আর নতুন করে দেখার কিছু নেই। এমনকি যারা এখনো দুর্নীতিতে লিপ্ত রয়েছে, তাদেরকেও আর নতুন সুযোগ দেওয়ার অবকাশ নেই।ডা.শফিকুর রহমান বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ১১টি রাজনৈতিক দল একত্রিত হয়েছে। প্রত্যেকটি দল নিজ নিজ সম্মান ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখে নিজেদের দলের পক্ষে কাজ করে ইনশাল্লাহ বিজয় নিশ্চিত করবে। তিনি বলেন, গত ৫৪ বছরে বহু নির্বাচন হয়েছে, বহু সরকার গঠিত হয়েছে। ভোটের আগে অনেক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও ভোটের পর সেসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি। এর ফলে সমাজে বৈষম্য বেড়েছে, অপরাধ চরম আকার ধারণ করেছে এবং দুর্নীতি পুরো সমাজকে গ্রাস করেছে।এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে যুব সমাজ ফুঁসে উঠে ‘উই মাষ্ট জাস্টিস’ স্লোগান নিয়ে রাজপথে নেমেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা ন্যায়বিচার, বাঁচার অধিকার, শিশুর জন্য শিক্ষা, যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান, মা-বোনদের জন্য নিরাপত্তা, ব্যবসায়ীদের জন্য শান্তিপূর্ণ ব্যবসার পরিবেশ, শ্রমিকদের জন্য ন্যায্য মজুরি এবং কৃষকদের জন্য আধুনিক ও নিরাপদ কৃষি উপকরণের দাবি জানিয়েছিল। এসব দাবি কি কোনো অপরাধ ছিলপ্রশ্ন রাখেন তিনি।এ সময় জামায়াতে ইসলামীর আমীর টাঙ্গাইল জেলার আটটি সংসদীয় আসনের জামায়াতে ইসলামী ও শরিক দলের প্রার্থীদের হাতে নির্বাচনী প্রতীক তুলে দেন। এর মধ্যে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ি) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. হুমায়ুন কবীর, টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে জেলা আমীর আহসান হাবিব মাসুদ, টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে একেএম আব্দুল হামিদ, টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবনে আবুল হোসেন তালুকদার এবং টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে মো. শফিকুল ইসলাম খানকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক প্রদান করা হয়। এছাড়া টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে এনসিপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লা হায়দারকে শাপলাকলি প্রতীক তুলে দেওয়া হয়। টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর আহসান হাবিব মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামী ও শরিক দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন।মিরে প্রধান ডা. শফিকুর রহমানের আগমনে পৌর উদ্যানে জনস্রোত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ইং তারিখে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরে প্রধান ডা. শফিকুর রহমান টাঙ্গাইলে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন। তার আগমনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলার বিভিন্ন ইসলামিকেন্দ্রিক দল ও জামায়াতের অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী টাঙ্গাইল শহরে সমবেত হন। বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে অনুষ্ঠিত এ জনসভায় শত শত ধর্মপ্রাণ মুসল্লি সমর্থক ও দলীয় নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা.শফিকুর রহমান বলেন জামায়াতে ইসলাম ক্ষমতায় গেলে দেশ থেকে চাঁদাবাজি,দুর্নীতি,সন্ত্রাসসহ সকল প্রকার অনৈতিক কর্মকাণ্ড নির্মূল করা হবে। তিনি বলেন,দেশ আজ নৈতিক অবক্ষয়ের চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইসলামের আদর্শ ও ন্যায়নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনা করা গেলে জনগণের জানমাল ইজ্জত ও অধিকার নিরাপদ থাকবে। তিনি আরও জানান জামায়াতে ইসলাম একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে যেখানে শোষণ বৈষম্য ও দুর্নীতির কোনো স্থান থাকবে না।ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সৎ,যোগ্য ও আল্লাহভীরু নেতৃত্বই পারে দেশকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে। এজন্য তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামকে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানান।জনসভা চলাকালে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কর্মসূচি শেষে নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে সভাস্থল ত্যাগ করেন।

ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0

তারেক খাঁনের উদ্যোগে মানবিক ঘর পেলেন সেই নাসির

পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, টাঙ্গাইলে ৫৭তম টিআরসি ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

নির্বাচনী প্রস্তুতি তদারকিতে কালিহাতি ও ভুঞাপুরে জেলা প্রশাসকের সরেজমিন পরিদর্শন

আসন্ন সংসদ নির্বাচন: গোপালপুরে ধানের শীষের পক্ষে বিএনপির বিশাল মিছিল

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ধানের শীষের প্রচারণায় বিশাল মিছিল গোপালপুর (টাঙ্গাইল), ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টুর পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণায় এক বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) গোপালপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো: হিরামিয়ার নেতৃত্বে এই মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং এতে ছাত্রদলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টুকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। এ সময় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নেতারা বলেন, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ধানের শীষের বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই। তারা আশা প্রকাশ করেন, গোপালপুরের সাধারণ মানুষ ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে ভোট দেবেন। মিছিলটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।

ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0

সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার প্রত্যয়ে যাত্রা শুরু করল টাঙ্গাইল-জামালপুর জেলা প্রেস ক্লাব

কালিহাতীতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যৌথ বাহিনীর টহল

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস–২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে কুইজ প্রতিযোগিতা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মির্জাপুর উপজেলা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মির্জাপুর উপজেলা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আজ সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা রিটার্নিং অফিসার টাঙ্গাইল।পরিদর্শনকালে তিনি নির্বাচন উপলক্ষে প্রিজাইডিং অফিসারদের জন্য আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এ সময় তিনি প্রিজাইডিং অফিসারদের সর্বোচ্চ নিষ্ঠা আন্তরিকতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়াও জেলা প্রশাসক উপজেলায় কর্মরত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় তিনি পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে নির্বাচনী সময়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি মির্জাপুর উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখেন। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সকল ভোটকেন্দ্রে আইপি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ প্রদান করেন। জেলা প্রশাসকের এ পরিদর্শন ও দিকনির্দেশনায় নির্বাচনী প্রস্তুতি আরও সুসংহত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0

জামালপুর জেলায় যোগদান করলেন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার এম. এ. ফয়সাল

ঘাটাইলে দুমড়েমুচড়ে যায় সিএনজি

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারকারী অফিসার ও ফোর্সদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

0 মন্তব্য