সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে নারী কেলেঙ্কারি'র অভিযোগ শিক্ষক মনিরুলের বিরুদ্ধে" শিক্ষকতার মর্যাদা প্রশ্নবিদ্ধ
মোস্তফা মাসুদ:
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় উজায়মারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মনিরুল আলমের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন,যৌতুক দাবি ও অনৈতিক আচরণের একাধিক অভিযোগ উঠেছে।পেশাগতভাবে একজন শিক্ষক হয়েও দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকা,নিজেকে প্রভাবশালী মনে করে দায়িত্ব এড়িয়ে চলা এবং প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগে তার আচরণ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।এসব অভিযোগে শিক্ষকতার নৈতিকতা ও সামাজিক মর্যাদা গুরুতরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি- ২০২৬) বেলা ১২টায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। এছাড়া আরো জানা গেছে, কালিগঞ্জ উপজেলার গণপতি গ্রামের শেখ সিরাজুল ইসলামের কন্যা মোছাঃ সিনা আক্তার (৩১) বাদী হয়ে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ আমলী আদালত (নং–০২)-এ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় তার স্বামী অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ মনিরুল আলম (৪০), তার ভাই খায়রুল ইসলাম (৪৫) ও ভাবি সপ্না খাতুন (৩৫)-সহ একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ইসলামী শরিয়ত ও দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা দেনমোহরে সিনা আক্তারের সঙ্গে মনিরুল আলমের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় অভিযুক্ত পক্ষ জোরপূর্বক নগদ টাকা, আসবাবপত্র, সেলাই মেশিন, ধান ঝাড়ার মেশিন, একটি গরু ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার যৌতুক আদায় করে।এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, বিয়ের পর অতিরিক্ত ৩ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে মনিরুল আলম তার ভাই ও ভাবির প্ররোচনায় বাদীকে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন। অভিযোগে একাধিকবার হত্যাচেষ্টার কথাও উল্লেখ রয়েছে।স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, অভিযুক্ত শিক্ষক মনিরুল আলমের বিরুদ্ধে অতীতেও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ ছিল।
সে সময় প্রভাব ও নানা কারণে বিষয়গুলো ধামাচাপা পড়ে যায়। নতুন করে মামলা দায়ের হওয়ায় পুরনো অভিযোগগুলোও সামনে আসছে, যা এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।আরও অভিযোগ রয়েছে, একজন শিক্ষক হয়েও তিনি নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থেকে নিজেকে বড় কর্মকর্তা ভাবার ভঙ্গিতে চলাফেরা করতেন এবং নানা অজুহাতে প্রধান শিক্ষককে ম্যানেজ করে দায়িত্ব এড়িয়ে যেতেন।
এতে বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষক সমাজের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মনে করছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রহমত আলী জানান, পারিবারিক কারণ দেখিয়ে মনিরুল আলম তিন দিনের ছুটির আবেদন করেন। ছুটি শেষে ফোনে যোগাযোগ করে তিনি আরও কয়েকদিন ছুটি বাড়ানোর অনুরোধ জানান।অভিযুক্ত শিক্ষক মনিরুল আলমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার বিশ্বাস বলেন,“বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। অভিযোগগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িপটল গ্রামের প্রধান সড়কের বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা...
আগস্ট ৯, ২০২৬
মোস্তফা মাসুদ: দেশের অন্যতম জনপ্রিয় জাতীয় দৈনিক ইনকিলাব-এর ৪০তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে আলোচনা সভা, কেক কাটা, প্রীতি ফুটবল...
জুন ১৮, ২০২৬

