গ্রাম বাংলার খবর

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে মোবাইল কোর্টে ট্রাফিক সার্জেন্টের ‘মুখ চেনা খাদিমদারি’ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন

reporter-icon
মোস্তফা মাসুদ: রিপোর্টার
জানুয়ারী ৯, ২০২৬ | 0
মোস্তফা মাসুদ: আইন কি সবার জন্য সমান-এমন প্রশ্ন ঘিরে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ট্রাফিক পুলিশের পরিচালিত মোবাইল কোর্টকে কেন্দ্র করে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় স্বজনপ্রীতি, দ্বৈত নীতি ও বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক সার্জেন্ট শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দেশব্যাপী পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে কালিগঞ্জ থানা ও প্রেসক্লাব সড়কে ট্রাফিক পুলিশের মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এ সময় প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, সাধারণ জনগণ, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন পেশার মানুষ হেলমেট না থাকা বা যানবাহনের কাগজপত্রে সামান্য ত্রুটি থাকলেই জরিমানা ও মামলা মোকাবিলা করতে বাধ্য হন। অভিযোগ রয়েছে,একই সময়ে একজন শিক্ষা কর্মকর্তা সহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে হেলমেট ও মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র না থাকলেও ‘জামাই আদরে’ ছেড়ে দেওয়া হয়। অথচ সাধারণ চালক ও পথচারীদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ঘাটতি থাকলেই কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বৈষম্যমূলক আচরণে উপস্থিত সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনাস্থলে থাকা একাধিক ব্যক্তি বলেন, “আইন যদি সবার জন্য সমান হয়, তাহলে এক শ্রেণির মানুষের জন্য ছাড় আর সাধারণ মানুষের জন্য কঠোরতা কেন।অনেকে এটিকে আইনের অপব্যবহার ও ক্ষমতার অপপ্রয়োগ হিসেবে দেখছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক সার্জেন্ট শরিফুল ইসলাম উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান, যা জনমনে আরও প্রশ্ন ও সন্দেহের জন্ম দেয়।উপজেলাবাসীর অভিযোগ, মোবাইল কোর্টের নামে এ ধরনের দ্বৈত নীতি ও পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পরিবর্তে জনআস্থাকে ক্ষুণ্ন করছে। ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল এই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

গ্রাম বাংলার খবর

আরও পড়ুন
সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে নারী কেলেঙ্কারি'র অভিযোগ শিক্ষক মনিরুলের বিরুদ্ধে" শিক্ষকতার মর্যাদা প্রশ্নবিদ্ধ

মোস্তফা মাসুদ: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় উজায়মারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মনিরুল আলমের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন,যৌতুক দাবি ও অনৈতিক আচরণের একাধিক অভিযোগ উঠেছে।পেশাগতভাবে একজন শিক্ষক হয়েও দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকা,নিজেকে প্রভাবশালী মনে করে দায়িত্ব এড়িয়ে চলা এবং প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগে তার আচরণ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।এসব অভিযোগে শিক্ষকতার নৈতিকতা ও সামাজিক মর্যাদা গুরুতরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি- ২০২৬) বেলা ১২টায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। এছাড়া আরো জানা গেছে, কালিগঞ্জ উপজেলার গণপতি গ্রামের শেখ সিরাজুল ইসলামের কন্যা মোছাঃ সিনা আক্তার (৩১) বাদী হয়ে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ আমলী আদালত (নং–০২)-এ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় তার স্বামী অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ মনিরুল আলম (৪০), তার ভাই খায়রুল ইসলাম (৪৫) ও ভাবি সপ্না খাতুন (৩৫)-সহ একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ইসলামী শরিয়ত ও দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা দেনমোহরে সিনা আক্তারের সঙ্গে মনিরুল আলমের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় অভিযুক্ত পক্ষ জোরপূর্বক নগদ টাকা, আসবাবপত্র, সেলাই মেশিন, ধান ঝাড়ার মেশিন, একটি গরু ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার যৌতুক আদায় করে।এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, বিয়ের পর অতিরিক্ত ৩ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে মনিরুল আলম তার ভাই ও ভাবির প্ররোচনায় বাদীকে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন। অভিযোগে একাধিকবার হত্যাচেষ্টার কথাও উল্লেখ রয়েছে।স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, অভিযুক্ত শিক্ষক মনিরুল আলমের বিরুদ্ধে অতীতেও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ ছিল। সে সময় প্রভাব ও নানা কারণে বিষয়গুলো ধামাচাপা পড়ে যায়। নতুন করে মামলা দায়ের হওয়ায় পুরনো অভিযোগগুলোও সামনে আসছে, যা এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।আরও অভিযোগ রয়েছে, একজন শিক্ষক হয়েও তিনি নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থেকে নিজেকে বড় কর্মকর্তা ভাবার ভঙ্গিতে চলাফেরা করতেন এবং নানা অজুহাতে প্রধান শিক্ষককে ম্যানেজ করে দায়িত্ব এড়িয়ে যেতেন। এতে বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষক সমাজের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মনে করছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রহমত আলী জানান, পারিবারিক কারণ দেখিয়ে মনিরুল আলম তিন দিনের ছুটির আবেদন করেন। ছুটি শেষে ফোনে যোগাযোগ করে তিনি আরও কয়েকদিন ছুটি বাড়ানোর অনুরোধ জানান।অভিযুক্ত শিক্ষক মনিরুল আলমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার বিশ্বাস বলেন,“বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। অভিযোগগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জানুয়ারী ৯, ২০২৬ 0

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন মুকুন্দপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম পেলেন ‘মহান বিজয় গোল্ডেন পিস অ্যাওয়ার্ড

সাতক্ষীরায় মিথ্যা ও বানোয়াট প্রোপাগাণ্ডার বিরুদ্ধে রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে মোবাইল কোর্টে ট্রাফিক সার্জেন্টের ‘মুখ চেনা খাদিমদারি’ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন

মোস্তফা মাসুদ: আইন কি সবার জন্য সমান-এমন প্রশ্ন ঘিরে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ট্রাফিক পুলিশের পরিচালিত মোবাইল কোর্টকে কেন্দ্র করে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় স্বজনপ্রীতি, দ্বৈত নীতি ও বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক সার্জেন্ট শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দেশব্যাপী পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে কালিগঞ্জ থানা ও প্রেসক্লাব সড়কে ট্রাফিক পুলিশের মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এ সময় প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, সাধারণ জনগণ, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন পেশার মানুষ হেলমেট না থাকা বা যানবাহনের কাগজপত্রে সামান্য ত্রুটি থাকলেই জরিমানা ও মামলা মোকাবিলা করতে বাধ্য হন। অভিযোগ রয়েছে,একই সময়ে একজন শিক্ষা কর্মকর্তা সহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে হেলমেট ও মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র না থাকলেও ‘জামাই আদরে’ ছেড়ে দেওয়া হয়। অথচ সাধারণ চালক ও পথচারীদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ঘাটতি থাকলেই কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বৈষম্যমূলক আচরণে উপস্থিত সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনাস্থলে থাকা একাধিক ব্যক্তি বলেন, “আইন যদি সবার জন্য সমান হয়, তাহলে এক শ্রেণির মানুষের জন্য ছাড় আর সাধারণ মানুষের জন্য কঠোরতা কেন।অনেকে এটিকে আইনের অপব্যবহার ও ক্ষমতার অপপ্রয়োগ হিসেবে দেখছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক সার্জেন্ট শরিফুল ইসলাম উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান, যা জনমনে আরও প্রশ্ন ও সন্দেহের জন্ম দেয়।উপজেলাবাসীর অভিযোগ, মোবাইল কোর্টের নামে এ ধরনের দ্বৈত নীতি ও পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পরিবর্তে জনআস্থাকে ক্ষুণ্ন করছে। ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল এই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জানুয়ারী ৯, ২০২৬ 0

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ বিষ্ণুপুরে মরহুম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতনের মামলা আদালতে"এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে ২০টি পরিবারের মাঝে হুইল চেয়ার, ছাগল ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জের খুব্দীপুর–আব্দুলখালীতে শীতার্ত মানুষের পাশে মানবিক উদ্যোগদেড় শতাধিক কম্বল বিতরণ

মোস্তফা মাসুদ: শীতের তীব্রতা বাড়তে থাকায় অসহায় ও দুস্থ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের খুব্দীপুর ও আব্দুলখালী গ্রামে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। খুব্দীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রথম ধাপে দেড় শতাধিক (১৫০) কম্বল বিতরণ করা হয়। ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও সাংবাদিক এস. এম. গোলাম ফারুক এবং সৌদি প্রবাসী আব্দুল জলিলের অর্থায়ন ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ কম্বল বিতরণ কর্মসূচিতে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী নারী-পুরুষদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব শেখ গোলাম মাহমুদ এবং সঞ্চালনা করেন জাতীয় ধারাভাষ্যকার ইসমাইল হোসেন মিলন।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গাজী শওকাত হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব গাজী শওকাত হোসেন বলেন, “শীত মৌসুমে হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইউপি সদস্য এস. এম. গোলাম ফারুক ও তাঁর চাচাতো ভাই সৌদি প্রবাসী আব্দুল জলিলের এই মহতী উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় ও অনুসরণযোগ্য। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন" কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাস বাচ্চু, কালিগঞ্জ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সভাপতি এম. হাফিজুর রহমান শিমুল, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সুশীলনের পরিচালক মোস্তফা আক্তারুজ্জামান পল্টু, ইউপি সদস্যা সুফিয়া বেগম, ইউপি সদস্য খায়রুল আলম রুবেল, সাবেক ইইপি সচিব সম আব্দুর রশিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস. এম. শাহাদাত হোসেন ও ফজলুর রহমান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল বারী তরফদার, খুব্দীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সন্ধ্যা রানী বিশ্বাস, সহকারী শিক্ষক আইনুল হক, আব্দুল মাজেদ, মোক্তার হোসেন, সোহারাব হোসেন, আব্দুল করিম তরফদার, জয়নাল তরফদারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।আয়োজকরা জানান, শীত মৌসুমজুড়ে পর্যায়ক্রমে আরও শীতবস্ত্র বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। মানবিক এই উদ্যোগে এলাকার শীতার্ত মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করেন এবং আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৫ 0

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে ‘কল’ প্রকল্পের আওতায় মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্ল্যাটফর্ম (MSP) গঠন ও পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে জমি দখল ও পাঁকা ধান লুটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে উচ্ছেদ অভিযানে বাজারাঞ্চল এখন ধ্বংসস্তূপ: বৈষম্যের অভিযোগ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের

0 মন্তব্য