শার্শায় ১৪৪ ধারা অমান্য করে সংখ্যালঘু খ্রিষ্টান পরিবারের বসতভিটা দখল
শার্শায় ১৪৪ ধারা অমান্য করে সংখ্যালঘু খ্রিষ্টান পরিবারের বসতভিটা দখল যশোরের শার্শায় আদালতের জারি করা ১৪৪ ধারা অমান্য করে এক সংখ্যালঘু খ্রিষ্টান পরিবারের বসতভিটা দখলের অভিযোগ উঠেছে। দুর্বৃত্তরা বাড়ির প্রবেশ দ্বার বন্ধ করে দিয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে শার্শার বড়বসতপুর খ্রিষ্টানপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মতি বিশ্বাস বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে শার্শা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন— পাড়িয়াড়ঘোপ গ্রামের হাজী শহর আলীর ছেলে আবদুল আজিজ ও আবু বক্কর সিদ্দিক এবং কদর্পপুর গ্রামের ইসলাম আলীর ছেলে বাবুর আলী ও তার ভাই লতা। শার্শা থানায় দেওয়া অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শার্শা উপজেলার বড়বসতপুর খ্রিষ্টানপাড়ার মৃত হরিপদ বিশ্বাসের ছেলে মতি বিশ্বাস (৬৫) ২০০৪ সালে মিজানুর রহমান নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে কবলা দলিলমূলে ২০ শতক বসতভিটা ক্রয় করেন। জমিটি তার নামে রেকর্ড ও নামজারি হয়েছে এবং চলতি বছরও তিনি ওই জমির খাজনা পরিশোধ করেছেন। তবে বিএনপি সমর্থক হওয়ায় তার বসতভিটার জমি দখল করে নেয় বাবুর আলী। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, মামলা চলমান থাকা অবস্থায় গোপন জাল কাগজপত্র তৈরি করে বাবুর আলী ওই জমি পাড়িয়াড়ঘোপ গ্রামের হাজী শহর আলীর ছেলে বিদেশপ্রবাসী আবদুল আজিজের কাছে বিক্রি করে দেন। এ খবর শুনে মতি বিশ্বাস তার বসতভিটার ওপর যশোর আদালত থেকে ১৪৪ ধারা জারি করান। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই জমিতে কোনো পক্ষকে না যাওয়ার জন্য শার্শা থানা পুলিশ নির্দেশ দেয়। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করে হাজী শহর আলী ও তার ছেলে আবু বক্কর সিদ্দিক শনিবার বিকেলে মতি বিশ্বাসের ঘরের দরজার তালা ভেঙে বসতবাড়িটি দখল করে নেন। এসময় তারা জমির ৬টি বড় গাছ কেটে নিয়ে যান, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা। ভুক্তভোগী মতি বিশ্বাস জানান, কদর্পপুর গ্রামের বাবুর আলী স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীর সহযোগিতায় জমিটি জবরদখল করে রেখেছেন। খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের হলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে দুর্বৃত্তরা তাকে খুন-জখমের হুমকি দিচ্ছে। মামলা চলমান থাকা ও ১৪৪ ধারা জারি থাকা অবস্থায় জমি কীভাবে রেজিস্ট্রি হলো, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামিনুল হক বলেন, "১৪৪ ধারা অমান্য করে বসতভিটা দখলের বিষয়টি শুনেছি। এ ঘটনায় মতি বিশ্বাস থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে অপরাধী যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
বেনাপোল পৌরসভার সাদিপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডে টানা পঞ্চম দিনের মতো গণসংযোগ করেছেন মেয়র পদপ্রার্থী ইমদাদুল হক ইমদাদ। এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের...
নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলায় কথা, কবিতা ও সংগীতের মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হলো বাংলাদেশের জাতীয় ও কালোত্তীর্ণ কবি কাজী নজরুল ইসলামকে। উপজেলার বির...

