টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী ও স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি সা’দত কলেজ। টাঙ্গাইল জেলা ছাড়াও আশপাশের একাধিক জেলার শিক্ষার্থীদের কাছে প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে দীর্ঘদিনের সুনাম ও আস্থা। এই কলেজে বর্তমানে টাঙ্গাইলসহ পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলা থেকে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়মিত পড়াশোনা করছেন। ফলে প্রতিদিন যাতায়াতের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশকে লোকাল বাসসহ বিভিন্ন গণপরিবহন ব্যবহার করতে হয়। এমন প্রেক্ষাপটে কলেজের শিক্ষার্থী পরিচয় নিশ্চিত করতে আইডি কার্ড একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য বিষয়। বিশেষ করে বাসে শিক্ষার্থী ভাড়া সুবিধা গ্রহণ, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার্থী পরিচয় বহনের ক্ষেত্রে আইডি কার্ডের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। অভিযোগ রয়েছে, বিগত প্রায় দেড় থেকে দুই বছর আগে ভর্তি হওয়া অনেক শিক্ষার্থী এখনও কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আইডি কার্ড পাননি। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে একাধিকবার কথা বললে তিনি আইডি কার্ড প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। তবে সম্প্রতি কিছু শিক্ষার্থীকে আইডি কার্ড প্রদান করা হলে নতুন করে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, যেসব আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে তা অত্যন্ত সাধারণ মানের কাগজে প্রিন্ট করা, যা সহজেই নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া আইডি কার্ডের ফিতায় কলেজের নাম, লোগো কিংবা কোনো পরিচয়চিহ্ন নেই, যা একটি সরকারি ও ঐতিহ্যবাহী কলেজের মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে দাবি শিক্ষার্থীদের। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা জানান, দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর এমন নিম্নমানের আইডি কার্ড পেয়ে তারা হতাশ ও ক্ষুব্ধ। তাদের দাবি, একটি স্বনামধন্য কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত, টেকসই ও পরিচয়বাহী আইডি কার্ড প্রদান করা কলেজ প্রশাসনের দায়িত্ব। এ ঘটনার প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে গত ০৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) কলেজের একাধিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম গ্রুপে সাধারণ শিক্ষার্থীরা পোস্ট দেন। পোস্টগুলোতে দ্রুত সকল শিক্ষার্থীর জন্য উন্নত মানের আইডি কার্ড সরবরাহের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে বিষয়টি দ্রুত সমাধানে কলেজ প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন শিক্ষার্থীরা।
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায় এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রেমঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অভিযোগ তোলা হলেও, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করেনি পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাইস্কা ইউনিয়নের ধোকেরকুল গ্রামের বাসিন্দা মো. সুরুজ আলীর মেয়ে এবং ধনবাড়ী সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী (চার বোনের মধ্যে তৃতীয়) দীর্ঘদিন ধরে ধনবাড়ী পৌরসভার বন্দ-টাকুরিয়া গ্রামের দুবাইপ্রবাসী মঞ্জু মিয়ার ছেলে মো. মারুফ হোসেন শান্তর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত ছিলেন বলে পরিবারের দাবি। পরিবারের অভিযোগ, গত ১১ জুলাই সকালে ফোন করে ওই তরুণীকে দেখা করার জন্য ডেকে নেন মারুফ হোসেন শান্ত। এরপর সারাদিন তারা অজ্ঞাত স্থানে অবস্থান করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ছেলের পরিবার স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে রাতে মেয়েটিকে তার বড় বোনের জামাইয়ের বাড়িতে পৌঁছে দেয়। পরদিন ১২ জুলাই বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে বড় বোনের জামাইয়ের বাড়ির একটি কক্ষে ওই পরীক্ষার্থীকে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান স্বজনরা। খবর পেয়ে ধনবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। নিহতের পরিবারের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। এ বিষয়ে ধনবাড়ী থানার পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এবং তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্কুলছাত্রী সামিয়া হত্যা টাঙ্গাইলে এক নৃশংসতার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক রায় ভূঞাপুরে সপ্তম শ্রেণীর স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার মামলায় আসামি সাব্বির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লক্ষ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া এবং ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। এই দৃষ্টান্তমূলক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে নিহত সামিয়ার পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ।যেভাবে ঘটেছিল সেই নৃশংসতামামলার বিবরণী থেকে জানা যায়ঘটনার দিন বিকেলে ভূঞাপুর উপজেলার নিকলা দড়িপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হয় স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তার। দীর্ঘ সময় বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরবর্তীতে গভীর রাতে নিকলা নয়াপাড়া এলাকার একটি ফসলি জমি থেকে সামিয়ার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।তদন্তে উঠে আসে সামিয়াকে একা পেয়ে একই গ্রামের ওলান মিয়ার ছেলে সাব্বির হোসেন প্রথমে তাকে পাশবিক নির্যাতন বা ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে নিজের পরিচয় ও অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সে সামিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ জমিতে ফেলে পালিয়ে যায়।আইনি তৎপরতা ও আসামির স্বীকারোক্তিহত্যাকাণ্ডের পর নিহত সামিয়ার বাবা বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত সাব্বির হোসেনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এবং পরবর্তীতে আদালতে হাজির করা হলে সাব্বির বিচারকের সামনে নিজের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়।দ্রুত বিচার ও আদালতের রায়মামলার সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ে তদন্ত শেষ করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ। আদালত ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা এবং আইনি তথ্যপ্রমাণ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করেন। অপরাধের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক আসামি সাব্বির হোসেনকে ধর্ষণের পর হত্যার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড এবং একই সাথে এক লক্ষ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।আইনজীবীদের প্রতিক্রিয়া ও জনআকাঙ্ক্ষারায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান এই রায় সমাজে অপরাধীদের জন্য একটি কঠোর বার্তা। ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের বিচার এভাবেই দ্রুততার সাথে হওয়া উচিত।অন্যদিকে নিহত সামিয়ার পরিবার আদালতের এই রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করে দ্রুত শাস্তি কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও এই দৃষ্টান্তমূলক রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন প্রতিটি ধর্ষণের ঘটনার বিচার যদি এমন স্বচ্ছ ও দ্রুত প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হতো তবে সমাজে নারীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার হতো।
সিলেটের বিশ্বনাথে ‘শাহ ফাউন্ডেশন’র উদ্যোগে উপজেলা ও পৌর এলাকার ১৫টি অসহায়-গরীব ও দুস্থ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকাস্থ ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে ওই চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ করা হয়। সংগঠক ওয়াসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘শাহ ফাউন্ডেশন’র চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠক আব্দুল মুতাকিন, শাহ লায়েক, জামিল আহমদ, শিবলু মিয়া, দুলাল মিয়া প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। মানবতার কল্যাণে কাজ করার লক্ষ্যেই ‘শাহ ফাউন্ডেশন’ গঠন করা হয়েছে দাবী করে যুক্তরাজ্য থেকে মুঠোফোনে ‘শাহ ফাউন্ডেশন’র চেয়ারম্যান ও আসন্ন বিশ্বনাথ পৌরসভা নির্বাচনের সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী শাহ আবুল কালাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা অনেকটাই নিরবে এলাকার অসহায়-গরীব ও দুস্থ পরিবারের সদস্যদের কল্যাণে কাজ করছি। সর্বস্তরের মানুষের সার্বিক সহযোগীতা পেলে আমরা আমাদের কর্মপরিধি আরোও বৃদ্ধি করব।
অবশেষে নির্বাহী আদেশে, বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে স্থাপিত ঐতিহ্যবাহী ‘‘কুমার দ্বীজেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরীদর মালিকানাধীন জায়গায় ব্যাক্তিমালিকানাধীন সীমানা প্রাচীর সহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দুর্গাপুর উপজেলা শাখার কার্যালয়, উৎরাইল বাজারের পরবর্তিঅংশ এবং পৌরশহরের অন্যান্য জায়গাতে চালানো হচ্ছে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান। এ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। ১৮৬ বছর পুর্বে ময়মনসিংহ পরগনার শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে ১৮৪০খ্রিষ্টাব্দে সুসঙ্গ পরগনার মহারাজা ভূপেন্দ্র চন্দ্র সিংহ শর্ম্মা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কুমার দ্বীজেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরী। কালের বিবর্তনে একশ্রেণির লোক পাঠাগারের বেশকিছু জায়গা দখল করে নেয়। পরবর্তিতে সাবেক সংসদ সদস্য জালাল উদ্দীন তালুকদারের উদ্দ্যেগে ১৯৯৭ সনে ওই পাঠাগারের জায়গাতে নির্মান করা হয় উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়। পরবর্তিতে অন্যান্য আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্যগণ দলীয় কার্যালয়ের নান্দনিক রুপ দিতে না পারলেও ২০১৯ সালে আ‘লীগের এমপি মানু মজুমদার পুরনো অফিসের পিছনে থাকা দুটি অসহায় পরিবারের ঘর জোরপুর্বক ভেঙ্গে ওখান থেকে তাদের উচ্ছেদ করেন। পরে পাঠাগারের আরো জায়গা দখলে নিয়ে নির্মান করেন বিশাল দলীয় কার্যালয়। পরবর্তিতে অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে ওইসময় স্থানীয় আদালত সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ গণস্বাক্ষরের মাধ্যমে আবেদন করেন। পরবর্তিতে স্থানীয় সুশিলসমাজের প্রতিনিধি, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), আদিবাসী ফোরাম, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ করেন মানববন্ধন। দলীয় প্রভাব থাকায় সকল আবেদনের ফাইল পরে ছিলো টেবিলে থাকা অন্য ফাইলের নীচে। ইতোমধ্যে পাঠাগারের জায়গা উদ্ধারের জন্য স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষের অংশগ্রহনে গত ০৮ জুন উপজেলা চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনের মাধ্যমে আবেদন জানানো হয় উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের কাছে। পরবর্তিতে এই কাজে সহায়তা করতে এলাকাবাসী পরবর্তিতে আবেদন করেন স্থানীয় এমপি ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার মহোদয়ের কাছে। নিমজ্জিত হতে যাওয়া পাঠাগারটিকে বাঁচিয়ে রাখতে পাঠাগার পরিদর্শনে আসেন তিনি। পাঠাগারকে নতুনরুপে সাজিয়ে তুলতে উদ্দ্যোগ নেন, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ও নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এর পরেই নরে চড়ে বসেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। পাঠাগারের জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে শুরু করেন দাপ্তরিক কাজ। পরবর্তিতে আদালতের নোটিশ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কার্যক্রম শুরু করেন উপজেলা প্রশাসন। এরই প্রেক্ষিতে শুরু হয় অবৈধ সীমানা প্রাচীর ও উপজেলা আ‘লীগ কার্যালয়ের স্থাপনা সহ অন্যান্য এলাকা থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারনের কাজ। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, আদিবাসী প্রতিনিধি, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, পাঠাগারকে বলা হয় শিক্ষার বাতিঘর। এই পাঠাগারটি আবার সচল করতে, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করণসহ ডেপুটি স্পীকার মহোদয় যে উদ্দ্যেগ গ্রহণ করেছেন, আমরা ওনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। পাঠাগারের নিজস্ব জায়গায় কোনরকম অবৈধ স্থাপনা থাকুক এটা আমরা চাইনা। ঐতিহ্যবাহী এই পাঠাগারটি চালু হলে, স্থানীয় যুবসমাজ মাদক ছেড়ে বই হাতে নিবে, স্থানীয়ভাবে বাড়বে সাংস্কৃতিক চর্চা। দুর্গাপুর উপজেলা তথা আশা-পাশের আদিবাসী সম্প্রদায় সহ সকল শ্রেনীপেশার হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হবে। লাইব্রেরীর কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে দেখেছি, লাইব্রেরীর নামে ২৪শতক জায়গা রয়েছে। কাজেই এই জায়গায় কুমার দ্বীজেন্দ্র লাইব্রেরীর স্থাপনা ছাড়া অন্য কোন স্থাপনা থাকা সম্পুর্ন বে-আইনী বলে জানিয়েছেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও লাইব্রেরীর সভাপতি আহমেদ সাদাত। লাইব্রেরী পরিদর্শনে এসে ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই পাঠাগারের ইতিহাস ঐতিহ্যকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে এবং পাঠাগারের বিকাশ ঘটাতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। সকলের সহযোগিতা পেলে, সরকারের পক্ষ থেকে কুমার দ্বীজেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরীকে দেশের প্রথম সারির পাঠাগারে পরিনত করতে সরকারের পক্ষ থেকে সকল প্রকার উদ্দ্যেগ নেয়া হবে।
র্যাব-১৪ জানায়, ১৪ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঘাটাইল উপজেলার আঠারদানা এলাকায় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে একটি সিএনজি তল্লাশি করা হয়। এ সময় যাত্রীবেশে থাকা রাজশাহীর মো. রাব্বি ইসলাম (২১)-কে ৫০ বোতল ফায়ারডিল ও একটি মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়। এদিকে, ১৫ জুলাই সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে সদর উপজেলার আশেকপুর বাইপাস এলাকায় একটি অটোরিকশা তল্লাশি করে রাজশাহীর মোছা. আম্বিয়া বেগম (৪২) ও মো. নাজিমুদ্দীন (২৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের ভ্যানিটি ব্যাগে বিশেষ কায়দায় লুকানো অবস্থায় ১১৯ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে, একই দিনে পৃথক অভিযানে সদর উপজেলার বাসালিয়া এলাকা থেকে কালিহাতী থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি সোহেল (৩২)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া সখীপুর উপজেলার নলুয়া বাজার এলাকা থেকে চেক জালিয়াতির মামলায় (এনআই অ্যাক্ট ১৩৮) এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি নুসরাত জাহান নুপুর (৩৮)-কে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র্যাব-১৪ এর মিডিয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে।
বুধবার সকালে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গণজমায়েত করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, গণহত্যার বিচার এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ঢাকা আলিয়াসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা শহীদ মিনার থেকে রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। সেখানে বর্তমান ও সাবেক নেতারা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা যা বলেছেন পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ৫ আগস্ট বিজয় উৎসবের দিনে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে কথা বলতে হচ্ছে, এটি লজ্জাজনক। তিনি ছাত্রদলকে নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, অন্যথায় ছাত্রদলও ছাত্রলীগের মতো বিএনপির পতন ঘটাবে। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ছাত্রদল ও বিএনপি ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগের পথে হাঁটছে। ক্যাম্পাস দখলের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ছাত্রশিবির প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান হামলায় সহযোগিতাকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। তিনি বলেন, শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস কারও জন্য মঙ্গল বয়ে আনে না। ছাত্রশিবিরের সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, জুলাই বিপ্লবের সুবিধাভোগী বিএনপি গণহত্যার বিচার দীর্ঘসূত্রিতায় ফেলেছে। দুই বছরেও মাত্র ছয়টি মামলার রায় হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরও বলেন, ক্যাম্পাসে হল দখল ও গেস্টরুম সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। ছাত্রদলের সন্ত্রাস বন্ধ না হলে সংগঠনটি প্রতিরোধ গড়ে তুলবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
টাঙ্গাইল জেলা নূরানী শিক্ষক ফাউন্ডেশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার (১৯ জুলাই) ইমান আলী বায়তুল কুরআন বালক-বালিকা মাদ্রাসার হলরুমে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন উপজেলার ওলামায়ে কেরাম ও দায়িত্বশীল প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ভোটের মাধ্যমে এ কমিটি গঠন করা হয়। ভোটগ্রহণ শেষে নবনির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন মুফতী শেখ মাহদী হাসান শিবলী। সিনিয়র সভাপতি নির্বাচিত হন হাফেজ মাওলানা ফজলুল হক (টাঙ্গাইল সদর)। সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন নোমান আমোদ (গোপালপুর) ও হাফেজ মাওলানা শরিফুল ইসলাম (সিরাজগঞ্জ)। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন মাওলানা নুরুল ইসলাম। সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন হাফেজ মাওলানা আল-আমিন (কালিহাতী), মুফতী সাইফুল ইসলাম (নলিন) এবং হাফেজ মেহেদী হাসান মিরাজ (ভূঞাপুর)। সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন মুফতী রবিউল ইসলাম। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান হাফেজ মাওলানা আবু রায়হান (ধনবাড়ী) ও মাওলানা হাবিবুর রহমান (মধুপুর)। অর্থ সম্পাদক নির্বাচিত হন হাফেজ মাওলানা আব্দুর রশিদ (ঘাটাইল)। দফতর সম্পাদক মাওলানা জুবাইর (ঘাটাইল) এবং সহ-দফতর সম্পাদক শামীম মিয়া (গোপালপুর)। প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হন হাফেজ সাজ্জাদ হোসেন (সরিষাবাড়ী) এবং সহ-প্রচার সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মাসউদ (সরিষাবাড়ী)। এছাড়া সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে হাফেজ মাওলানা শরিফুল ইসলাম, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মুফতী আব্দুর রশিদ (ভূঞাপুর), ছাত্র কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মুফতী আবুজর গিফারী, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মাওলানা এরশাদ আলী, নির্বাহী সদস্য হিসেবে মাওলানা হাফিজুর রহমান (ধনবাড়ী) এবং সদস্য হিসেবে হাফেজ রাকিবুল ইসলাম (কালিহাতী) নির্বাচিত হন। অনুষ্ঠান শেষে নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা নূরানী শিক্ষক ফাউন্ডেশনের মানোন্নয়ন, নূরানী শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করা এবং সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের শপথ গ্রহণ করেন। পাশাপাশি টাঙ্গাইল জেলার নূরানী শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সুসংগঠিত ও সমৃদ্ধ করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
টাঙ্গাইলে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ৬৬টি কেন্দ্রে অংশ নেবে ৩২ হাজার ৮৭৯ পরীক্ষার্থী নকল ও প্রশ্নফাঁস রোধে কঠোর ব্যবস্থা ১৬ জুন ২০২৬ আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু স্বচ্ছ শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা এবং পরীক্ষার্থীদের নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নানা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।সভায় জানানো হয় চলতি বছর টাঙ্গাইল জেলার ৬৬টি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোট ৩২ হাজার ৮৭৯ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষার্থীরা এসব কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেবে।সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ জেলা পুলিশ শিক্ষা বিভাগ,স্বাস্থ্য বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং কেন্দ্র সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা পরীক্ষা চলাকালে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ ও তা মোকাবিলার কৌশল নিয়ে মতবিনিময় করেন।সভায় বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় প্রশ্নপত্র গ্রহণ সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রমের নিরাপত্তার ওপর। প্রশ্নপত্র ফাঁস বা এ-সংক্রান্ত কোনো গুজব ছড়ানোর চেষ্টা কঠোরভাবে দমন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার রোধে নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রের আশপাশে অপ্রয়োজনীয় ভিড়, কোচিং সেন্টারের কার্যক্রম, অসাধু চক্রের তৎপরতা এবং নকলের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিরোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও প্রশাসনিক টহল জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়। পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়।সভায় বলা হয় পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করা এবং যানজটমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রতিটি কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কেন্দ্র সচিব ও কক্ষ পরিদর্শকদের নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো পরীক্ষার্থী বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি নকল অসদুপায় অবলম্বন কিংবা অন্য কোনো অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সভায় বক্তারা বলেন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তাই পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয় বরং অভিভাবক শিক্ষক শিক্ষার্থী এবং সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষেরও দায়িত্ব। একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য পরীক্ষা আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি জনসাধারণের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন,টাঙ্গাইল জেলায় আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে পরীক্ষার্থীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম নকল বা প্রশ্নফাঁসের সুযোগ দেওয়া হবে না। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।সভা শেষে সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয় এবং পরীক্ষার্থীদের সময়মতো কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে নিয়ম-কানুন মেনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়। জেলা প্রশাসন আশা প্রকাশ করেছে সকলের সহযোগিতায় টাঙ্গাইলে এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হবে।