রাজনীতি

মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেও জমা দেননি বিএনপির দুই হেভিওয়েট নেতা, টাঙ্গাইল-৭ আসনে আলোচনা তুঙ্গে

reporter-icon
নাদিম তালুকদার: স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
জানুয়ারী ১, ২০২৬ | 0
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেও জমা দেননি বিএনপির দুই হেভিওয়েট নেতা, টাঙ্গাইল-৭ আসনে আলোচনা তুঙ্গে
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেও জমা দেননি বিএনপির দুই হেভিওয়েট নেতা, টাঙ্গাইল-৭ আসনে আলোচনা তুঙ্গে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের তিন হেভিওয়েট নেতা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও শেষ পর্যন্ত দুইজন মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনীতি ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। মনোনয়নপত্র দাখিল না করা দুই নেতা হলেন— বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহসীন হলের সাবেক জিএস সাইদুর রহমান সাঈদ সোহরাব এবং কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক দিপু হায়দার খান। তারা দু’জনই গত ১৮ ডিসেম্বর নির্ধারিত সময়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। তিনজনের মধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ষষ্ঠবারের মতো দলের চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ায় নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গত সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে বাকি দুই নেতা আর মনোনয়নপত্র জমা দেননি। এ নিয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ বলছেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করলে সাংগঠনিক পদ-পদবী হারানোর শঙ্কা থেকেই তারা মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি। আবার অনেকের ধারণা, দলীয় উচ্চপর্যায় থেকে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা না পাওয়ায় তারা শেষ পর্যন্ত নির্বাচন প্রক্রিয়ায় এগোননি। উল্লেখ্য, সাইদুর রহমান সাঈদ সোহরাব ১৯৯৬ সালে টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়ে ধানের শীষের প্রচারণা শুরু করেছিলেন। তবে কয়েকদিন পর দলীয় সিদ্ধান্তে তাকে বাদ দিয়ে আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। ঐ সময় থেকেই এই আসনকে কেন্দ্র করে দলীয় রাজনীতিতে নানা আলোচনা ও সমীকরণ তৈরি হয়। বিগত ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনসহ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী মোট ছয়বার বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন। এর মধ্যে ১৫ ফেব্রুয়ারি ও ১২ জুন ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। টাঙ্গাইল-৭ আসনে বিএনপির দীর্ঘদিনের শক্ত অবস্থান থাকলেও পরবর্তী সময়ে তিনি আর বিজয় নিশ্চিত করতে পারেননি। এদিকে, এই আসনে বিএনপির জেলা রাজনীতিতে পরিচিত মুখ টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য এবং বাংলাদেশ ইট প্রস্তুত মালিক সমিতির সভাপতি ফিরোজ হায়দার খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তার প্রার্থিতা স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এ বিষয়ে সাইদুর রহমান সাঈদ সোহরাবের ঘনিষ্ঠজন ও পৌর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি খন্দকার মোবারক হোসেন বলেন, “দলের সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ সম্মান ও আনুগত্য রেখে সাঈদ সোহরাব মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি। তিনি সবসময় দলীয় শৃঙ্খলা ও ঐক্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন।” সব মিলিয়ে টাঙ্গাইল-৭ আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত, সম্ভাব্য প্রার্থীদের অবস্থান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর উপস্থিতি আসন্ন নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

রাজনীতি

আরও পড়ুন
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেও জমা দেননি বিএনপির দুই হেভিওয়েট নেতা, টাঙ্গাইল-৭ আসনে আলোচনা তুঙ্গে
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেও জমা দেননি বিএনপির দুই হেভিওয়েট নেতা, টাঙ্গাইল-৭ আসনে আলোচনা তুঙ্গে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের তিন হেভিওয়েট নেতা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও শেষ পর্যন্ত দুইজন মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনীতি ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। মনোনয়নপত্র দাখিল না করা দুই নেতা হলেন— বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহসীন হলের সাবেক জিএস সাইদুর রহমান সাঈদ সোহরাব এবং কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক দিপু হায়দার খান। তারা দু’জনই গত ১৮ ডিসেম্বর নির্ধারিত সময়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। তিনজনের মধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ষষ্ঠবারের মতো দলের চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ায় নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গত সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে বাকি দুই নেতা আর মনোনয়নপত্র জমা দেননি। এ নিয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ বলছেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করলে সাংগঠনিক পদ-পদবী হারানোর শঙ্কা থেকেই তারা মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি। আবার অনেকের ধারণা, দলীয় উচ্চপর্যায় থেকে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা না পাওয়ায় তারা শেষ পর্যন্ত নির্বাচন প্রক্রিয়ায় এগোননি। উল্লেখ্য, সাইদুর রহমান সাঈদ সোহরাব ১৯৯৬ সালে টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়ে ধানের শীষের প্রচারণা শুরু করেছিলেন। তবে কয়েকদিন পর দলীয় সিদ্ধান্তে তাকে বাদ দিয়ে আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। ঐ সময় থেকেই এই আসনকে কেন্দ্র করে দলীয় রাজনীতিতে নানা আলোচনা ও সমীকরণ তৈরি হয়। বিগত ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনসহ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী মোট ছয়বার বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন। এর মধ্যে ১৫ ফেব্রুয়ারি ও ১২ জুন ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। টাঙ্গাইল-৭ আসনে বিএনপির দীর্ঘদিনের শক্ত অবস্থান থাকলেও পরবর্তী সময়ে তিনি আর বিজয় নিশ্চিত করতে পারেননি। এদিকে, এই আসনে বিএনপির জেলা রাজনীতিতে পরিচিত মুখ টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য এবং বাংলাদেশ ইট প্রস্তুত মালিক সমিতির সভাপতি ফিরোজ হায়দার খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তার প্রার্থিতা স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এ বিষয়ে সাইদুর রহমান সাঈদ সোহরাবের ঘনিষ্ঠজন ও পৌর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি খন্দকার মোবারক হোসেন বলেন, “দলের সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ সম্মান ও আনুগত্য রেখে সাঈদ সোহরাব মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি। তিনি সবসময় দলীয় শৃঙ্খলা ও ঐক্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন।” সব মিলিয়ে টাঙ্গাইল-৭ আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত, সম্ভাব্য প্রার্থীদের অবস্থান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর উপস্থিতি আসন্ন নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানুয়ারী ১, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল-১ ও ৬ আসনে ভিন্ন পরিচয়ে লড়ছেন আওয়ামী লীগের তিন নেতা

টাঙ্গাইল-১ ও ৬ আসনে ভিন্ন পরিচয়ে লড়ছেন আওয়ামী লীগের তিন নেতা

উৎসবমুখর পরিবেশে টাঙ্গাইলের আটটি আসনে ৬৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

উৎসবমুখর পরিবেশে টাঙ্গাইলের আটটি আসনে ৬৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

নোয়াখালীতে ৬ আসনে ৬২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল ; জামায়াতের নেই কোন বিদ্রোহী প্রার্থী

টাঙ্গাইল-৪ আসনে ভোটের লড়াই: মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন ৭ প্রার্থী
টাঙ্গাইল-৪ আসনে ভোটের লড়াই: মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন ৭ প্রার্থী

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে মোট ৭ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। যদিও এ আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট ১০ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৭ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় নির্ধারিত ছিল। শেষ দিনে কালিহাতী উপজেলা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে প্রার্থীদের উপস্থিতি ও নেতাকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।কালিহাতী উপজেলা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়নপত্র গ্রহণ শেষে দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী নির্ধারিত দিনে যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।মনোনয়নপত্র দাখিলকারী প্রার্থীরা হলেন—জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য লুৎফর রহমান মতিন,স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী জামায়াতে ইসলামী টাঙ্গাইল জেলা নায়েবে আমির ও কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কালিহাতী উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি আলী আমজাদ হোসেন,স্বতন্ত্র প্রার্থী জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম মিঞা,এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এর আজীবন সদস্য ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য অধ্যাপক ডা. শাহ আলম তালুকদার।এদিকে মনোনয়নপত্র ক্রয় করলেও শেষ পর্যন্ত দাখিল করেননি তিনজন প্রার্থী। তারা হলেন— বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটো, এনসিপির টাঙ্গাইল জেলা সমন্বয় কমিটির সদস্য মেহেদী হাসান বিন সিদ্দিক এবং বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিস কালিহাতী উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপত্তি থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করা হবে। এরপর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন।উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এ আসনে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫ 0

মডেল টাঙ্গাইল গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

টাঙ্গাইল-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র জমা দিলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

টাঙ্গাইল-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র জমা দিলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

গাজীপুর–৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী ফজলুল হক মিলনের মনোনয়ন দাখিল, উৎসবমুখর পরিবেশ

টাঙ্গাইল-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেন সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল

টাঙ্গাইল-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেন সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর ২০২৫) নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তার মনোনয়ন ফরম দাখিল করেন।মনোনয়ন জমাদানকালে সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং সমর্থকরা বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে তাদের সমর্থন জানান। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল বলেন, তিনি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং বাসাইল ও সখীপুর উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চান। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তিনি। উল্লেখ্য টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনটি বরাবরই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। এ আসনে মনোনয়ন দাখিলের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫ 0

টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল–সখীপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

ইসলামের সবচেয়ে বড় হেফাজতকারী দল বিএনপি: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

ইসলামের সবচেয়ে বড় হেফাজতকারী দল বিএনপি: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ

0 মন্তব্য