সারা দেশ

তাহিরপুরে প্রাইমারী স্কুল শিক্ষিকা রেহেনার দাদন ব্যবসা ও মামলা হামলার হুমকিতে দিশেহারা সাংবাদিক ও তার ছোটভাই

reporter-icon
কুলেন্দু শেখর দাস: সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
আগস্ট ১৮, ২০২৫ | 0

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রেহেনা বেগমের দাদন ব্যবসার ভেড়াজালে পড়ে এবং মিথ্যা মামলা হামলার ভয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত সাহেব আলীর ছেলে সংবাদকর্মী শফিউল আলম ও তার আপন সহোদর হাবিজুল আলম। 

এ ঘটনার ধারাবাহিকতায় জানাযায় হাবিজুলের আপন বড়ভাই স্থানীয় সংবাদকর্মী শফিউল আলমের শ্বশুর জামালগঞ্জ উপজেলার তেলিয়া লামাপড়া গ্রামের বাসিন্দা আলিম উদ্দিনের একটি পাওয়ার টিলার জমি আবাদের জন্য পাঠনো হয় তাহিরপুর উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রাজাই গ্রামে। কিন্তু দাদন ব্যবসায়ী স্কুল শিক্ষিকা রেহেনা বেগম জানতে পারেন দেনাদার হাবিজুল আলমের বড়ভাই সাংবাদিক শফিউল আলমের শ্বশুরের পাওয়ার টিলার রাজাই গ্রামে নেওয়া হয়েছে জমি চাষাবাদের জন্য। এই সুযোগে শিক্ষিকা রেহেনা বেগম দলবল নিয়ে গত ২০২৩ সালের ৭ই আগষ্ট রাজাই গ্রামে গিয়ে এই পাওয়ার টিলারটি জোরপূর্বক নিয়ে আসার চেষ্টাকালে সাংবাদিক শফিউল আলম ৯৯৯ এই নম্বরে কল করলে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পাওয়ার টিলারটি আর নিতে দেয়া হয়নি। 

এই শিক্ষিকা রেহেনা বেগম তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের গড়কাটি গ্রামের মৃত হাফিজ উদ্দিনের মেয়ে এবং তিনি আমতৈল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। এই ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে রেহেনা বেগম ভূক্তভোগী চড়াসুদের দেনাদার হাবিজুল ও শামছুল আলম এবং শফিউল আলমকে বিভিন্নভাবে হুমকি দামকী দিয়ে আসছিলেন। দাদন ব্যবসায়ী স্কুল শিক্ষিকা মোছাঃ রেহেনা বেগম সাংবাদিক শফিউল আলমের আপন ছোটভাই হাবিজুলকে দেড়লাখ টাকা চড়াসুদে দেওয়ার পর থেকে সুদে আসলে টাকা পরিশোধ করতে মানসিক চাপ সৃষ্টি করে এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতির কারণে সাংবাদিক শফিউল আলম ২০২৩ সালের ৯ই আগষ্ট দাদন ব্যবসায়ী মোছাঃ রেহেনা বেগমের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,২০২৩ ইং সালের ৬ মার্চ মাসে বিপদে পড়ে হাবিজুল আলম ঐ শিক্ষিকা দাদন ব্যবসায়ী রেহেনা বেগমের দারস্থ হন এবং চড়াসুদে দেড়লাখ টাকায় আরো ত্রিশহাজার টাকা মুনাফা দেয়ার অঙ্গীকার করে সুদে টাকা গ্রহন করেন। সময়মতো সুদ ৩০ হাজার টাকা প্ররিশোধ করলে ও আসলের একলাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে না পারায় কৃষক হাবিজুল আলমকে মানসিকভাবে নির্যাতন চালায় সুদখোর রেহেনা। পরবর্তীতে দেনাদার হাবিজুল আলম ২০২৩ সালের ৯ আগষ্ট মোট টাকার মধ্যে চল্লিশ হাজার টাকা নিয়ে দাদন ব্যবসায়ী রেহেনা বেগমের বাড়িতে গেলে রেহেনা বেগম চল্লিশ হাজার টাকা রেখে ষ্ট্যাম্পে আর ৬০ টাকা বর্ধিত করে মোট দুইলাখ চল্লিশ হাজার টাকা দুয়েকদিনের মধ্যে পরিশোধ করার জন্য মানসিক চাপ প্রয়োগ করেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন।এঘটনায় হাবিজুল আলম মানসিক অসুস্থ হয়ে পড়লে সাংবাদিক শফিউল আলম জেলা প্রশাসক সুনামগঞ্জ বরাবর সুদখোর রেহেনার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

 এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনের তরফ থেকে তদন্ত করা হলে ও কোনধরনের সুরাহা হয়নি। পরবর্তীতে দাদন ব্যবসায়ী  রেহেনা বেগম রাগান্বিত হয়ে সাংবাদিক শফিউল আলম ও বড় ভাই শামছুল আলম এবং তার ছোট ভাই তফছিরুল আলম হাবিজুল আলমের বিরুদ্ধে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে ও ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান বরাবরে সুদের টাকাগুলো উদ্ধারের জন্য পৃথক দুটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার লিখিত অভিযোগে ও দায়ের কৃত মামলার লিখিত ভাষ্য ভিন্ন ভিন্ন দেখা যায়। 

পরবর্তীতে তৎকালীন ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ সাংবাদিক শফিউল আলম ও হাবিজুল  আলমকে  ২০২৪ ইং সালের ১৫ মে পরিষদে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন উভয়পক্ষই যথাসময়ে পরিষদে হাজির হন। সাংবাদিক শফিউল আলম উপস্থিত হয়ে এই টাকার সাথে তার ও তার আরও দুই ভাই শামছুল আলম ও তফছিরুল আলমের কোন ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই বলে লিখিত ভাবে জানিয়ে দেন।ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদে রেহেনার দায়ের করা অভিযোগ খারিজ হয় কিন্তু  কোনরকম সুরাহা হয়নি। এদিকে ২০২৪ সালের ২৪ নভেম্বর সাংবাদিক শফিউল আলম নিজের প্রতিষ্ঠানের জরুরী কাজে বাদাঘট বাজারে গেলে দাদন ব্যবসায়ী স্কুল শিক্ষিকা রেহেনা বেগম তার সন্ত্রাসী বাহিনী সহ সে তাকে আটক করে শারীরিক নির্যাতন করে দুই লাখ টাকা দাবি করে।তাদের সৃজনকৃত একটি লিখিত স্টাম্পে স্বাক্ষর রেখে নগদ ত্রিশহাজার টাকা জোরপূর্বক নিয়ে যায় এবং সাংবাদিকের সোনালী ব্যাংক শাখার একটি চেক এ একলাখ ৭০ হাজার টাকা লিখে চেক রেখে তাকে ছেড়ে দেয়। এই চেক রাখার পর সাংবাদিককে শাসিয়ে দিয়ে দাদন ব্যবসায়ী বলে দেন এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে প্রাণে মেরে ফেলার ও হুমকি দিয়ে দেন। এদিকে আহত সাংবাদিক শফিউল আলম বিশ্বম্ভরপুর এসে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তাকে নির্যাতনের অভিযোগ এনে গত ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার ও তাহিরপুর থানায় সুদখোক শিক্ষিকা রেহেনা বেগমের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ দায়েরের ১৮দিন পরে সুদখোর মহাজন রেহেনা বেগম ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে বাদি হয়ে সাংবাদিক শফিউল আলম ও তার ছোটভাই হাবিজুল আলমের নিকট দুইলাখ টাকা পাবে এমন অভিযোগ এনে আমল গ্রহনকারী  জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাহিরপুর জোনে একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-২৭০/২০২৪ইং তারিখ। এই মামলা থেকে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক সাংবাদিক শফিউল আলমকে অব্যাহতি প্রদান করেন। পরবর্তীতে এই মামলাটি বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে বিচার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এদিকে এই মামলার পর সাংবাদিক শফিউল আলম সুদখোর মহাজন শিক্ষিকা রেহেনা বেগমকে আসামী করে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাহিরপুর জোনে মামলা নং ১১৭/২৪ একটি মামলা দায়ের করেন।মাননীয় আদালত  মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশ কে।এ মামলার তদন্তে রেহেনার দাদন ব্যবসার বিষয় টি উঠে আসে।সি আর ১১৭/২৪
 এই মামলার পরপরই রেহেনা বেগম সাংবাদিক শফিউল আলমকে আসামী করে আদালতে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। 

এদিকে সাংবাদিক শফিউল আলম বৃহস্পতিবার(১৪ই আগষ্ট ২০২৫) ইং তারিখে সুদখোর রেহেনা বেগমের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে আরো পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এদিকে শিক্ষিকা রেহেনা বেগম জেলার বিভিন্ন উপজেলায় চড়াসুদে দাদন ব্যবসা করে তিনি হাতিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা আর তার চড়াসুদের ব্যবসায় ইতিমধ্যে অনেকগুলো মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার সর্বশান্ত হয়ে পথে বসেছেন নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকেই এমন অভিযোগের কথা সাংবাদিকদের জানান। 


এ ব্যাপারে অভিযুক্ত দাদন ব্যবসায়ী মোছাঃ রেহেনা বেগমের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সুদের ব্যবসার কথা অস্বীকার করেন।
এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহন লাল দাসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানা তদন্ত সাপেক্ষে প্রমানিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

সারা দেশ

আরও পড়ুন
রমজান উপলক্ষে কালিহাতিতে বাজার মনিটরিং

রমজান উপলক্ষে কালিহাতিতে বাজার মনিটরিং ৩ মামলায় ৩০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখেনিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলা এলাকায় বিশেষ বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। আজ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) কালিহাতি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ০৩ (তিন)টি মামলায় মোট ৩০ হাজার ৫০০ (ত্রিশ হাজার পাঁচশত) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান ও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। ব্যবসায়ীদের মূল্য তালিকা প্রদর্শন অতিরিক্ত মূল্য আদায় এবং মজুত সংক্রান্ত অনিয়মের বিষয়ে সতর্ক করা হয়। এ সময় বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সচেতন করতে সতর্কতামূলক প্রচারণা চালানো হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় রমজান মাসজুড়ে এ ধরনের বাজার মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0

রমজানকে সামনে রেখে দেশজুড়ে বিশেষ বাজার মনিটরিং শুরু

রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে টাঙ্গাইলে ১২ উপজেলায় একযোগে বিশেষ বাজার মনিটরিং

রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রাণিজ পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতেআলোচনা সভা

গোপালপুরে কাহেতার উদ্যোগে ১০০ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল  ইউনিয়নের  স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নিঃস্বার্থ সংগঠন কাহেতা (সক) এর উদ্যোগে গ্রামের পিছিয়ে পড়া ১০০টি পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি (পহেলা রমজান) সকাল ১১টায়  এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে মুড়ি, ছোলা, খেজুর, ডাল, চিনি ও পিয়াজসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২১ সাল থেকে কাহেতা (সক) বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে অসচ্ছল পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল, সদস্য সচিব আবু বক্কর সিদ্দিকী মামুন, সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম মিলনসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, ভবিষ্যতেও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইল জেলা কারাগার পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

বাংলাদেশ পুলিশ বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজির বার্ষিক পরিদর্শন

ময়মনসিংহ পুলিশের ফোর্সের সম্মানসূচক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত শ্রেষ্ঠ অফিসারদের ক্রেস্ট প্রদান ও জেলা পুলিশের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা কিশোরগঞ্জ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ – কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে সোমবার সকালে অনুষ্ঠিত হলো জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পুলিশের সম্মানিত পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন।সভায় জানুয়ারি ২০২৬ মাসের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে শ্রেষ্ঠ অফিসারদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। পুলিশ সুপার উপস্থিত অফিসার ও ফোর্সদের বক্তব্য মনোযোগসহকারে শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং জেলা পুলিশের সকল ইউনিটের বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা। সভার মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর নৈতিক উদ্দীপনা পেশাদারিত্ব ও সমন্বয় বৃদ্ধির প্রত্যাশা প্রকাশ করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও ক্রাইম কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

জামালপুর জেলা পুলিশ-এর মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

দুলাভাইয়ের মরদেহ দেখতে এসে শ্যালিকার মৃত্যু

0 মন্তব্য