ঘাটাইলে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে দুইজন নিহত আহত তিন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোচালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার সাগরদিঘী আমতৈল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন—ধলাপাড়া ইউনিয়নের গাংগাইর গ্রামের মরহুম মাইন উদ্দিনের ছেলে মোয়াজ্জেম হোসেন খুকু (৭০) এবং অপর এক অজ্ঞাতপরিচয় যাত্রী।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে বিকেলে যাত্রী নিয়ে একটি অটোরিকশা সাগরদিঘী বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।পথে আমতৈল এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাক অটোরিকশাটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষের পর অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে উল্টে যায়।এতে ঘটনাস্থলেই এক যাত্রীর মৃত্যু হয় এবং চালকসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সাগরদিঘী ট্রমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চালক মোয়াজ্জেম হোসেন খুকুকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।সাগরদিঘী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আজিজুল হক হাওলাদার জানান ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। মরদেহ দুটি উদ্ধার করে আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।এ দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।
তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।
মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।
র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা-এ ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশা উল্টে চালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশার আরও তিন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার সাগরদিঘী এলাকার আমতৈল এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন—ধলাপাড়া ইউনিয়নের গাংগাইর গ্রামের মরহুম মাইন উদ্দিনের ছেলে মোয়াজ্জেম হোসেন খুকু (৭০)। তিনি অটোরিকশার চালক ছিলেন। অপর নিহত ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে একটি অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে সাগরদিঘী বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। আমতৈল এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি ট্রাক অটোরিকশাটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় অটোরিকশাটি সড়কের পাশে উল্টে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই এক যাত্রীর মৃত্যু হয় এবং চালকসহ আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন। আহতদের স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে সাগরদিঘী ট্রমা হাসপাতাল-এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চালক মোয়াজ্জেম হোসেন খুকুকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। সাগরদিঘী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র-এর ইনচার্জ মো. আজিজুল হক হাওলাদার বলেন, “ঘটনাস্থলে একজন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর আরেকজন মারা গেছেন। ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।” দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্থানীয়রা সড়কে অতিরিক্ত গতি ও বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ দুটি উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ঘাটাইলে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে দুইজন নিহত আহত তিন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোচালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার সাগরদিঘী আমতৈল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন—ধলাপাড়া ইউনিয়নের গাংগাইর গ্রামের মরহুম মাইন উদ্দিনের ছেলে মোয়াজ্জেম হোসেন খুকু (৭০) এবং অপর এক অজ্ঞাতপরিচয় যাত্রী।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে বিকেলে যাত্রী নিয়ে একটি অটোরিকশা সাগরদিঘী বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।পথে আমতৈল এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাক অটোরিকশাটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষের পর অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে উল্টে যায়।এতে ঘটনাস্থলেই এক যাত্রীর মৃত্যু হয় এবং চালকসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সাগরদিঘী ট্রমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চালক মোয়াজ্জেম হোসেন খুকুকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।সাগরদিঘী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আজিজুল হক হাওলাদার জানান ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। মরদেহ দুটি উদ্ধার করে আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।এ দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
কালিহাতি থানা বার্ষিক পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল কালিহাতি থানা-এর বার্ষিক পরিদর্শন করেছেন মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল। পরিদর্শনকালে থানা প্রাঙ্গণে তাঁকে পুলিশের একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরিদর্শন শেষে পুলিশ সুপার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং থানার সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন। তিনি এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের প্রতি নির্দেশনা প্রদান করেন।পুলিশ সুপার থানায় কর্মরত সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যা প্রয়োজনীয় চাহিদা ও প্রশাসনিক বিষয় মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। এ সময় তিনি থানার মালখানা হাজতখানা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা মামলা তদন্তের অগ্রগতি সেবার মানসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।তিনি বলেন থানাকে সেবামুখী প্রতিষ্ঠান ও জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে প্রত্যেক পুলিশ সদস্যকে আন্তরিকতা জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে পুলিশকে আরও মানবিক ও জনবান্ধব হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আদিবুল ইসলাম, পিপিএম-সেবা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) টাঙ্গাইল সহকারী পুলিশ সুপার কালিহাতি সার্কেল অফিসার ইনচার্জ কালিহাতি থানা এবং থানায় কর্মরত অন্যান্য কর্মকর্তা ও