বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল - বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও নেত্রকোণা ১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, বিএনপি জাতীয় সংসদে গেলে ইসলামবিরোধী কোনো আইন পাস হওয়ার কোন সুযোগ নেই। শনিবার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে উলামাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণ ইসলাম ও ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল। ফলে ইসলাম বা ধর্মবিরোধী কোনো আইন জনগণ কখনোই মেনে নেবে না।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা কখনো বলি না যে আমাদের ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে। কিন্তু বর্তমানে কেউ কেউ এ ধরনের কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। এই বক্তব্য কতটুকু যুক্তিসংগত, তা আমার জানা নেই।’ কায়সার কামাল বলেন, ‘বিএনপির কোন নেতা যদি কখনো ইসলামবিরোধী কোন বক্তব্য দিয়ে থাকেন, সেটি তার ব্যক্তিগত মতামত হতে পারে। তবে দল হিসেবে বিএনপি কখনোই ইসলামবিরোধী কোন আইন প্রণয়নের পক্ষে নয় এবং বিএনপি সংসদে গেলে এমন কোন আইন পাস হতে দেয়া হবে না।’ মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দল গঠনের পর সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম’ অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে বিএনপি ইসলামকে পুঁজি করে রাজনীতি করতে চায় না; বরং ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি সম্মান রেখেই রাজনীতি করে।’ তিনি বলেন, ‘রাজনীতিতে ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষের বিশ্বাস নিয়ে রাজনীতি করা অনুচিত। গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই দেশের প্রকৃত কল্যাণ সম্ভব।’ বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সবাইকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এই অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া করা হয়।
গোপালপুরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত, সমবায়ীদের মাঝে চারা ও ঋণ বিতরণ গোপালপুর (টাঙ্গাইল) উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ সবার আগে বাংলাদেশ" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে র্যালি আলোচনা সভা এবং সমবায়ীদের মাঝে চারা ও ঋণ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মঞ্জুরুল মোর্শেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের উপজেলা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গোপালপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল সাধারণ সম্পাদক কাজী লিয়াকতসহ-সভাপতি আবু ঈশা মুনিমপৌর বিএনপির সভাপতি খালিদ হাসান উথান উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম তালুকদার (লেলিন) এবং গোপালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীনসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠান শেষে ১৬০ জন সমবায়ী সদস্যের মধ্যে আম ও লিচু গাছের চারা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি আলমনগর চাঁপা বিত্তহীন মহিলা দলের ১৮ জন নারী সদস্যের মাঝে গাভী পালন কর্মসূচির আওতায় মোট ১০ লাখ ৬ হাজার টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু বলেন উচ্চ সুদে এনজিও থেকে ঋণ গ্রহণের পরিবর্তে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের সহজ শর্তের ঋণ নিয়ে গবাদিপশুর খামার গড়ে তুলতে হবে। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমে দারিদ্র্যমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ৭ নম্বর কামরাবাদ ইউনিয়নের বীর বড়বাড়ীয়া গ্রামে দীর্ঘদিনের জনসাধারণের চলাচলের কয়েকটি পথ বন্ধ করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধে নতুন মোড় নিয়েছে। সরকারি তদন্তে অভিযোগকারীর উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা না মেলায় বিষয়টি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এরই মধ্যে প্রশাসনের উদ্যোগে ডাকা সমঝোতা বৈঠকে অভিযোগকারী পক্ষের অনুপস্থিতি ঘটনাকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রামের মৃত মোস্তান আনোয়ারী (সাবেক কাজী)-এর স্ত্রী মনোয়ারা চৌধুরী ও মেয়ে বিলকিস আনোয়ারী (রুমি) দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের শতবর্ষের পুরোনো কয়েকটি চলাচলের পথ অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। এতে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, কৃষক ও পথচারীদের প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার আপত্তি জানানো হলেও কোনো সমাধান হয়নি বলে দাবি করেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসীর ভাষ্য, চলাচলের পথ উন্মুক্ত করার দাবি জানাতে গেলেই তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। এমনকি নারী নির্যাতন, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য গুরুতর মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা। এ কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পান না। অন্যদিকে, স্থানীয়দের অভিযোগ অস্বীকার করে বিলকিস আনোয়ারী (রুমি) নিজেই সরিষাবাড়ী থানা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। তার অভিযোগে দাবি করা হয়, এলাকাবাসী সরকারি রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন। লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) লিজা রিছিল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সরেজমিন তদন্ত করেন। তদন্তকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য শোনা, পথের অবস্থান পরিদর্শন এবং বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর অভিযোগকারীর দাবির কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বরং দীর্ঘদিন ধরে জনসাধারণের ব্যবহৃত চলাচলের পথ বন্ধ থাকার বিষয়টি তদন্তে উঠে আসে। বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার উদ্দেশ্যে গত ৭ জুলাই বিকেলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) তার কার্যালয়ে একটি সমঝোতা বৈঠকের আয়োজন করেন। প্রশাসনের আহ্বানে সাড়া দিয়ে বীর বড়বাড়ীয়া গ্রামের ভুক্তভোগী বাসিন্দারা উপস্থিত হলেও অভিযোগকারী বিলকিস আনোয়ারী (রুমি) ও তার পরিবারের কেউ বৈঠকে উপস্থিত হননি। অভিযোগকারী পক্ষের অনুপস্থিতিকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, তদন্তে অভিযোগের ভিত্তি না পাওয়ায় প্রশাসনের সামনে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে না পেরে তারা বৈঠক এড়িয়ে গেছেন। গ্রামবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের পথ বন্ধ থাকায় শিশুদের স্কুলে যাওয়া, কৃষকদের জমিতে যাতায়াত, অসুস্থ রোগী পরিবহনসহ দৈনন্দিন নানা কাজে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা। এলাকাবাসী অবিলম্বে জনসাধারণের চলাচলের পথ উন্মুক্ত করে দেওয়ার পাশাপাশি বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তবে এ বিষয়ে অভিযোগকারী বিলকিস আনোয়ারী (রুমি) বা তার পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
টাঙ্গাইল মেডিকেলে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত ও রোগীবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্মসচিব মো.মুস্তাফিজুর রহমান জেলা প্রশাসক শরীফা হক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.রবিউল ইসলাম, টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শম্ভু রাম পাল সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু,টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নূরুল আমিন মিঞা, হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুস, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন চিকিৎসকবৃন্দ এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। পরে হাসপাতালের পরিচালক স্বাগত বক্তব্য দেন এবং হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম বিদ্যমান সমস্যা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন।সভায় হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন চিকিৎসক ও অন্যান্য জনবল সংকট দূরীকরণ প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, রোগীদের চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মান বৃদ্ধি, ওয়ার্ডের পরিবেশ উন্নয়ন দালালচক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ এবং অ্যাম্বুলেন্স সেবার উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়।সভাপতির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন টাঙ্গাইল জেলার মানুষ যাতে উন্নত ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পায় সে লক্ষ্যে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। হাসপাতালের জনবল সংকট দ্রুত নিরসনের চেষ্টা করা হবে। তবে নতুন জনবল নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান জনবল দিয়েই সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।টুকু বলেন চিকিৎসা পেশা অত্যন্ত মানবিক ও দায়িত্বপূর্ণ। মানুষ অসুস্থ হলেই সর্বপ্রথম হাসপাতালের শরণাপন্ন হয়। তাই চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। সীমিত জনবল থাকলেও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মানুষের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব।এ সময় তিনি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে হাসপাতালের সার্বিক সেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশাল সাফল্য পেয়েছে ৫৯ বিজিবি (মহানন্দা ব্যাটালিয়ন)। পৃথক দুটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ‘Eskuf’ সিরাপ জব্দ করেছে বিজিবি টহল দল, যা মূলত ফেন্সিডিলের বিকল্প নেশাজাতীয় দ্রব্য হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। মধ্যরাতের গোপন সংবাদে চিরুনি অভিযানের ভিত্তিতে গত ০৬ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাতে মহানন্দা ব্যাটালিয়নের দুটি চৌকস দল এই অভিযান পরিচালনা করে। (সোনামসজিদ বিওপি): সীমান্ত পিলার ১৮৫/১৩-এস থেকে আনুমানিক ৩ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শিবগঞ্জ থানাধীন শাহাবাজপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের পাকা রাস্তার উপর অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ২০০ বোতল ভারতীয় ‘Eskuf’ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। দ্বিতীয় অভিযান (চৌকা বিওপি): সীমান্ত পিলার ১৭৫/২-এস থেকে মাত্র ৪০০ গজ ভেতরে শিবগঞ্জ থানাধীন মনাকষা ইউনিয়নের রাঘববাটি গ্রামে অপর অভিযানটি পরিচালিত হয়। এই অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ৭০ বোতল একই সিরাপ জব্দ করা হয়। মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) গত ৩ মাসে সীমান্তে কঠোর তৎপরতা চালিয়ে ১০ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারসহ প্রায় ১১,২৪৪ বোতল ফেন্সিডিলের বিকল্প বিভিন্ন ধরনের নেশাজাতীয় সিরাপ আটক করতে সক্ষম হয়েছে। অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে মহানন্দা ব্যাটালিয়নের (৫৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী (এসজিপি, বিএফএম, পিএসসি) বলেন: "দেশের যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করতে বিজিবি সর্বদা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান বন্ধে আমাদের এই কঠোর অবস্থান ও অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।"
জামালপুর শহরে আইনজীবীর চেম্বারে পুলিশের অভিযান: পাইপগান, গুলি, ককটেল ও পেট্রোল বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার ৭ জুলাই ২০২৬ জামালপুর শহরের পাঁচ রাস্তার মোড় এলাকার মনোয়ারা আলী সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় এক আইনজীবীর চেম্বারে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুটি পাইপগান, গুলি, ককটেল, পেট্রোল বোমা সদৃশ বস্তু এবং বিদেশি মদ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় শহরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) পরিচালিত এ অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালান। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই চেম্বারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের একপর্যায়ে চেম্বারের ভেতর থেকে দুটি পাইপগান, কয়েক রাউন্ড গুলি, একাধিক ককটেল, পেট্রোল বোমা সদৃশ কয়েকটি বস্তু এবং বিদেশি মদের বোতল উদ্ধার করা হয় বলে জানা গেছে। অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয় এবং সুপার মার্কেটের আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। পুরো এলাকা ঘিরে রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্কতার সঙ্গে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করেন। পুলিশ উদ্ধার হওয়া আলামতগুলো জব্দ করেছে এবং সেগুলোর প্রকৃতি ও কার্যকারিতা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। বিশেষ করে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক সদৃশ বস্তুগুলো প্রকৃতপক্ষে ককটেল বা পেট্রোল বোমা কি না এবং এগুলোর সঙ্গে কোনো নাশকতা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এদিকে, অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট আইনজীবী বা অন্য কোনো ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেয়নি। ফলে এ বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অভিযান শেষে উদ্ধার হওয়া আলামত, ঘটনার প্রকৃতি এবং তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে। তদন্তের স্বার্থে আপাতত অনেক বিষয় প্রকাশ করা হচ্ছে না বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদনটি প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য, জব্দ তালিকা এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে নতুন তথ্য পাওয়া গেলে সংবাদটি হালনাগাদ করা হবে।
টাঙ্গাইলে ৪ ক্লিনিক-হাসপাতালে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান: দেড় লাখ টাকা জরিমানা, সিলগালা ১ মোঃরুবেল মিয়া মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি টাংগাইল। টাঙ্গাইল পৌর শহরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। শহরের ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে অনিয়মের অভিযোগে চারটি ক্লিনিক ও হাসপাতালকে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সাথে মারাত্মক অনিয়মের দায়ে ‘পাইলট হাসপাতাল’-এর প্যাথলজি বিভাগ সিলগালা করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অভিযান পরিচালনাকালে বেশ কিছু ক্লিনিকে প্যাথলজিস্ট ছাড়াই অপেশাদার ব্যক্তিসদ্বারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও রিএজেন্ট সংরক্ষণ, সঠিক তাপমাত্রায় ওষুধ সংরক্ষণ না করা এবং এমনকি নষ্ট হয়ে যাওয়া রক্ত সংরক্ষণের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। জনস্বার্থবিরোধী এসব অপরাধের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাৎক্ষণিক জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে: পাইলট হাসপাতাল: ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও প্যাথলজি বিভাগ সিলগালা জনতা ক্লিনিক: ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অ্যাপল হাসপাতাল: ২৫ হাজার টাকা জরিমানা সেনা কম্বাইন্ড হাসপাতাল: ২৫ হাজার টাকা জরিমানা অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা নিয়ে যেকোনো ধরনের প্রতারণা ও অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। জনস্বার্থে ও স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মান নিশ্চিত করতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এই তদারকি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গোপালপুরে মদিনা মডেল মাদ্রাসায় হিফজ বিভাগের সবক প্রদান ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠত টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মদিনা মডেল মাদ্রাসায় হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের সবক প্রদান ও বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠান অত্যন্ত ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকাল ১০টায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথিবৃন্দ, স্থানীয় ওলামায়ে কেরাম এবং শিক্ষক-অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি এক আনন্দঘন ও তাযকিয়াপূর্ণ পরিবেশে রূপ নেয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মদিনা মডেল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ডা. আহমদ আলী আকন্দ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিতি জানান উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল। এছাড়াও অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গোপালপুর উপজেলা অটো রিকশা, অটো ও ভ্যান শ্রমিক সংগঠন (২৬০৬)-এর সভাপতি মোহাম্মদ আলী ইউসুব। অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় ধর্মীয় বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবকমণ্ডলী এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করেন। আয়োজনের মূল পর্বে হিফজ বিভাগের নতুন শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে সবক প্রদান করা হয়। সবক প্রদান শেষে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ, সুশিক্ষা অর্জন এবং দ্বীনি শিক্ষা ও কুরআনের খেদমতে নিবেদিত হওয়ার লক্ষ্যে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়। আয়োজকবৃন্দ জানান, সকলের আন্তরিক সহযোগিতা, দোয়া ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই এই আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে মোনাজাত করা হয়। দোয়ায় হিফজ বিভাগের সকল শিক্ষার্থীকে পবিত্র কুরআনের প্রকৃত ধারক-বাহক হিসেবে কবুল করা, তাদের ইলম ও আমলে বরকত দান করা এবং মদিনা মডেল মাদ্রাসার দ্বীনি খিদমতকে কবুল করার জন্য বিশেষ প্রার্থনা জানানো হয়।
আলুর আড়ালে চলত ক্যানাবিস ব্যবসা গোপালপুরে ৪০ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে আলু পরিবহনের আড়ালে অভিনব কায়দায় বিপুল পরিমাণ মাদক পাচারের একটি চক্র ধরা পড়েছে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর জালে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে উপজেলার নগদা শিমলা ইউনিয়নের পাগলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলুবোঝাই একটি পিকআপ ভ্যান থেকে দুই বস্তা ভর্তি আনুমানিক ৪০ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারিকে হাতেনাতে আটক করেছে এলিট ফোর্স র্যাব-১৪। আইনশৃংখলা বাহিনী সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা থেকে ছেড়ে আসা আলুভর্তি একটি পিকআপে বিপুল পরিমাণ মাদকের চালানের খবর পেয়ে র্যাব-১৪-এর সহকারী পরিচালক (এডি) শামসুল আলমের নেতৃত্বে একদল সদস্য অভিযান পরিচালনা করেন। গাড়িটি নগদা শিমলা ইউনিয়নের পাগলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে এর গতিপথ রোধ করে তল্লাশি চালানো হয়। পরে আলুর বস্তার নিচে সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা দুটি বস্তা উদ্ধার করা হয়, যার ভেতর থেকে মিলে আনুমানিক ৪০ কেজি গাঁজা। ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার দায়ে চালক, হেলপার ও স্থানীয় এক সহযোগীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন— গোপালপুরের স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ সামসুল হক (৩২) এবং কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বাসিন্দা পিকআপ চালক মোহাম্মদ জয় (৩০) ও তার হেলপার ইয়াসির আরাফাত (৩৩)। অভিযানে আটক চালক ও হেলপারের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মাদক চালানের সঙ্গে জড়িত স্থানীয় সহযোগী সামসুল হককে সনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র্যাব। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকা কুমিল্লা থেকে এই বিপুল পরিমাণ মাদকের চালানটি স্থানীয় পর্যায়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল। অভিযান প্রসঙ্গে গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, র্যাব কর্তৃক মাদকসহ ৩ জনকে আটকের বিষয়টি তারা অবগত হয়েছেন। তিনি জানান, এ ধরনের অভিযানের পর র্যাব সাধারণত প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে আটককৃতদের এবং জব্দকৃত আলামত সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করে থাকে। আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে। টাঙ্গাইলের গোপালপুরে আলু পরিবহনের আড়ালে অভিনব কায়দায় বিপুল পরিমাণ মাদক পাচারের একটি চক্র ধরা পড়েছে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর জালে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে উপজেলার নগদা শিমলা ইউনিয়নের পাগলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলুবোঝাই একটি পিকআপ ভ্যান থেকে দুই বস্তা ভর্তি আনুমানিক ৪০ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারিকে হাতেনাতে আটক করেছে এলিট ফোর্স র্যাব-১৪। আইনশৃংখলা বাহিনী সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা থেকে ছেড়ে আসা আলুভর্তি একটি পিকআপে বিপুল পরিমাণ মাদকের চালানের খবর পেয়ে র্যাব-১৪-এর সহকারী পরিচালক (এডি) শামসুল আলমের নেতৃত্বে একদল সদস্য অভিযান পরিচালনা করেন। গাড়িটি নগদা শিমলা ইউনিয়নের পাগলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে এর গতিপথ রোধ করে তল্লাশি চালানো হয়। পরে আলুর বস্তার নিচে সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা দুটি বস্তা উদ্ধার করা হয়, যার ভেতর থেকে মিলে আনুমানিক ৪০ কেজি গাঁজা। ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার দায়ে চালক, হেলপার ও স্থানীয় এক সহযোগীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন— গোপালপুরের স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ সামসুল হক (৩২) এবং কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বাসিন্দা পিকআপ চালক মোহাম্মদ জয় (৩০) ও তার হেলপার ইয়াসির আরাফাত (৩৩)। অভিযানে আটক চালক ও হেলপারের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মাদক চালানের সঙ্গে জড়িত স্থানীয় সহযোগী সামসুল হককে সনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র্যাব। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকা কুমিল্লা থেকে এই বিপুল পরিমাণ মাদকের চালানটি স্থানীয় পর্যায়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল। অভিযান প্রসঙ্গে গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, র্যাব কর্তৃক মাদকসহ ৩ জনকে আটকের বিষয়টি তারা অবগত হয়েছেন। তিনি জানান, এ ধরনের অভিযানের পর র্যাব সাধারণত প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে আটককৃতদের এবং জব্দকৃত আলামত সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করে থাকে। আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।