আইন-অপরাধ

আতঙ্কে কেঁপে উঠছে ধর্ষণের শিকার শিশুটি, ঈদ কাটল আইসিইউতে

reporter-icon
মো: সাজিদ পিয়াল: সিনিয়র রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
মার্চ ২৪, ২০২৬ | 0

আতঙ্কে কেঁপে উঠছে ধর্ষণের শিকার শিশুটি, ঈদ কাটল আইসিইউতে ২৪ মার্চ নির্যাতনের শিকার কুষ্টিয়ার মাদ্রাসার সেই শিশুশিক্ষার্থীর (১০) ঈদ কেটেছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ)। প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় শিশুটিকে যৌন নির্যাতন করার আলামত পেয়েছেন চিকিৎসকেরা। এ ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।ঈদেও আইসিইউতে শিশু অবস্থা জটিলঈদের আনন্দের দিনটিও কাটছে না নির্যাতিত শিশুটির। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি থাকা এই শিশুটি শারীরিক ও মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। এক দিনের জন্য শিশুটিকে আইসিইউ থেকে ওসিসিতে নেওয়া হলে অবস্থার অবনতি হয়। দ্রুত তাকে আবার আইসিইউতে ফিরিয়ে আনা হয়। আইসিইউ ইনচার্জ আবু হেনা মোস্তফা কামাল জানান শিশুটির বুকে বড় আঘাত রয়েছে, যে কারণে তার কাশির সঙ্গে রক্ত বের হচ্ছিল। তাকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে কাশির সঙ্গে রক্ত আসা বন্ধ হয়েছেবাকিন্তু তার স্বাভাবিক হতে অনেক সময় লাগবে। তিনি আরও জানান শিশুটির চেতনা আছে। তবে পাশে দাঁড়িয়ে তার বিষয়ে কথা বললেই সে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে কেঁপে উঠছে।শিশুটির বাবা জানান, তার মেয়ের শরীরের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। গায়ে জ্বর। রাতে মাথায় পানি দেওয়ার জন্য তার মাকে ভেতরে ডেকে নেওয়া হয়। শিশুটির মা বলেন কয়েক দিন থেকেই তাঁর মেয়ের জ্বর আসছে। রাতে অনেক জ্বর ছিল। এ জন্য মাথায় পানি দিতে হয়েছে, গা মুছে দিতে হয়েছে। শিশুটি ঘুমাতে পারছিল না।ধর্ষণের স্পষ্ট প্রমাণ সতীচ্ছদ পর্দা ক্ষতিগ্রস্তশিশুটিকে গত ১৬ মার্চ সকালে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার একটি মাদ্রাসা থেকে সংকটাপন্ন অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার শিশুটিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক অবস্থায় যৌন নির্যাতনের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানান হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কে বিশ্বাস।গাইনি পরীক্ষার প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে শিশুটির সতীচ্ছদ পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চিকিৎসকরা নিশ্চিত হয়েছেন যে শিশুটি যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। নিশ্চিতকরণের জন্য ইতিমধ্যে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।শিশুটির মায়ের ভাষ্য, মেয়েকে ভর্তির পরই তিনি খবর পেয়েছিলেন মাদ্রাসায় শিশুদের নির্যাতন করা হয়। তাই দুই-তিন মাস আগে মেয়ের ভর্তি বাতিল করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু মাদ্রাসার পরিচালকের স্ত্রী তাঁকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে সেখানেই মেয়ে ভালো থাকবে, আর কোনো ঝামেলা হবে না। আশ্বাস পেয়ে তিনি মেয়েকে রেখে আসেন।গত শুক্রবার সন্ধ্যায় মেয়ের সঙ্গে তাঁর শেষ কথা হয়। মেয়ে জানিয়েছিল ঈদের ছুটিতে তাকে মাদ্রাসা থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। রোববার মেয়েকে আনতে মাদ্রাসায় গিয়ে তিনি দেখেন মেয়ের অবস্থা সংকটাপন্ন পেট ফুলে গেছে। কোনো এক আঘাতের কারণে বাঁ পাও ফুলে গেছে। এ বিষয়ে তাঁরা তাঁকে কিছুই জানাননি। মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে যেতে চাইলে মাদ্রাসার পরিচালকের স্ত্রী বলেন আপনার মেয়ের কিছুই হয়নি, বাড়িতে নিয়ে যান।৭-৮ মাস আগে মাদ্রাসায় ভর্তি করেছিলেনশিশুমেয়েটিকে সাত-আট মাস আগে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার একটি কওমি মাদ্রাসায় ভর্তি করেছিল পরিবার। ওই মাদ্রাসার নিচতলায় পরিচালক তাঁর পরিবার নিয়ে থাকেন। আর দোতলায় মাদ্রাসার শিশুশিক্ষার্থীদের রাখা হয়। খাওয়াদাওয়ার জন্য তাদের নিচে আনা হয়। নিরাপত্তার নামে এই ব্যবস্থা শেষ পর্যন্ত নির্যাতনের আস্তানায় পরিণত হয়েছিল।৩ জন গ্রেপ্তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিএ ঘটনায় শিশুটির মা ভেড়ামাড়া থানায় মামলা করেন। মামলায় মাদ্রাসার পরিচালক (সুপার) সাইদুর রহমান, তার সহযোগী হিসেবে তাঁর স্ত্রী ও একজন নারী শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ মূল আসামিরা যাতে পালিয়ে যেতে না পারে সেদিকে নজর রাখতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনের ঘটনা খুব কমই আলোচনায় আসে। অথচ এমন ঘটনা কমছেই না। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের একাধিক ঘটনা সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অভিযোগ দমিয়ে রাখতে প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব প্রভাব ব্যবহার করা হয়।সংশ্লিষ্ট মহল বলছেন এসব ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর আইন ও মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো।নির্যাতিত শিশুটির শারীরিক ও মানসিক অবস্থা চিকিৎসকদের বক্তব্য, মায়ের বর্ণনা মামলার বর্তমান অবস্থা এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাচ্ছে। শিশুটির আইসিইউতে চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন মানসিকভাবে সুস্থ হতে তার দীর্ঘ সময় লাগবে। শিশুটির মা জানান তিনি মেয়ের বিচার চান। সমাজের সর্বস্তরে এখন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জোরালো হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত
ধনবাড়ীতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায় এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রেমঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অভিযোগ তোলা হলেও, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করেনি পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাইস্কা ইউনিয়নের ধোকেরকুল গ্রামের বাসিন্দা মো. সুরুজ আলীর মেয়ে এবং ধনবাড়ী সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী (চার বোনের মধ্যে তৃতীয়) দীর্ঘদিন ধরে ধনবাড়ী পৌরসভার বন্দ-টাকুরিয়া গ্রামের দুবাইপ্রবাসী মঞ্জু মিয়ার ছেলে মো. মারুফ হোসেন শান্তর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত ছিলেন বলে পরিবারের দাবি। পরিবারের অভিযোগ, গত ১১ জুলাই সকালে ফোন করে ওই তরুণীকে দেখা করার জন্য ডেকে নেন মারুফ হোসেন শান্ত। এরপর সারাদিন তারা অজ্ঞাত স্থানে অবস্থান করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ছেলের পরিবার স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে রাতে মেয়েটিকে তার বড় বোনের জামাইয়ের বাড়িতে পৌঁছে দেয়। পরদিন ১২ জুলাই বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে বড় বোনের জামাইয়ের বাড়ির একটি কক্ষে ওই পরীক্ষার্থীকে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান স্বজনরা। খবর পেয়ে ধনবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। নিহতের পরিবারের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। এ বিষয়ে ধনবাড়ী থানার পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এবং তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের নিকলা দড়িপাড়া গ্রামে ঘটেছে নিশ্বংস ধর্ষনের ঘটনা

স্কুলছাত্রী সামিয়া হত্যা টাঙ্গাইলে এক নৃশংসতার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক রায় ভূঞাপুরে সপ্তম শ্রেণীর স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার মামলায় আসামি সাব্বির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লক্ষ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া এবং ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। এই দৃষ্টান্তমূলক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে নিহত সামিয়ার পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ।যেভাবে ঘটেছিল সেই নৃশংসতামামলার বিবরণী থেকে জানা যায়ঘটনার দিন বিকেলে ভূঞাপুর উপজেলার নিকলা দড়িপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হয় স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তার। দীর্ঘ সময় বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরবর্তীতে গভীর রাতে নিকলা নয়াপাড়া এলাকার একটি ফসলি জমি থেকে সামিয়ার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।তদন্তে উঠে আসে সামিয়াকে একা পেয়ে একই গ্রামের ওলান মিয়ার ছেলে সাব্বির হোসেন প্রথমে তাকে পাশবিক নির্যাতন বা ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে নিজের পরিচয় ও অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সে সামিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ জমিতে ফেলে পালিয়ে যায়।আইনি তৎপরতা ও আসামির স্বীকারোক্তিহত্যাকাণ্ডের পর নিহত সামিয়ার বাবা বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত সাব্বির হোসেনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এবং পরবর্তীতে আদালতে হাজির করা হলে সাব্বির বিচারকের সামনে নিজের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়।দ্রুত বিচার ও আদালতের রায়মামলার সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ে তদন্ত শেষ করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ। আদালত ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা এবং আইনি তথ্যপ্রমাণ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করেন। অপরাধের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক আসামি সাব্বির হোসেনকে ধর্ষণের পর হত্যার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড এবং একই সাথে এক লক্ষ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।আইনজীবীদের প্রতিক্রিয়া ও জনআকাঙ্ক্ষারায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান এই রায় সমাজে অপরাধীদের জন্য একটি কঠোর বার্তা। ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের বিচার এভাবেই দ্রুততার সাথে হওয়া উচিত।অন্যদিকে নিহত সামিয়ার পরিবার আদালতের এই রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করে দ্রুত শাস্তি কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও এই দৃষ্টান্তমূলক রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন প্রতিটি ধর্ষণের ঘটনার বিচার যদি এমন স্বচ্ছ ও দ্রুত প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হতো তবে সমাজে নারীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার হতো।

বিশ্বনাথে শাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ।

সিলেটের বিশ্বনাথে ‘শাহ ফাউন্ডেশন’র উদ্যোগে উপজেলা ও পৌর এলাকার ১৫টি অসহায়-গরীব ও দুস্থ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকাস্থ ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে ওই চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ করা হয়। সংগঠক ওয়াসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘শাহ ফাউন্ডেশন’র চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠক আব্দুল মুতাকিন, শাহ লায়েক, জামিল আহমদ, শিবলু মিয়া, দুলাল মিয়া প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। মানবতার কল্যাণে কাজ করার লক্ষ্যেই ‘শাহ ফাউন্ডেশন’ গঠন করা হয়েছে দাবী করে যুক্তরাজ্য থেকে মুঠোফোনে ‘শাহ ফাউন্ডেশন’র চেয়ারম্যান ও আসন্ন বিশ্বনাথ পৌরসভা নির্বাচনের সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী শাহ আবুল কালাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা অনেকটাই নিরবে এলাকার অসহায়-গরীব ও দুস্থ পরিবারের সদস্যদের কল্যাণে কাজ করছি। সর্বস্তরের মানুষের সার্বিক সহযোগীতা পেলে আমরা আমাদের কর্মপরিধি আরোও বৃদ্ধি করব।

কুমার দ্বীজেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরির মালিকানাধীন জমিতে অবৈধ স্থাপনা দখলমুক্তে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান

অবশেষে নির্বাহী আদেশে, বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে স্থাপিত ঐতিহ্যবাহী ‘‘কুমার দ্বীজেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরীদর মালিকানাধীন জায়গায় ব্যাক্তিমালিকানাধীন সীমানা প্রাচীর সহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দুর্গাপুর উপজেলা শাখার কার্যালয়, উৎরাইল বাজারের পরবর্তিঅংশ এবং পৌরশহরের অন্যান্য জায়গাতে চালানো হচ্ছে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান। এ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। ১৮৬ বছর পুর্বে ময়মনসিংহ পরগনার শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে ১৮৪০খ্রিষ্টাব্দে সুসঙ্গ পরগনার মহারাজা ভূপেন্দ্র চন্দ্র সিংহ শর্ম্মা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কুমার দ্বীজেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরী। কালের বিবর্তনে একশ্রেণির লোক পাঠাগারের বেশকিছু জায়গা দখল করে নেয়। পরবর্তিতে সাবেক সংসদ সদস্য জালাল উদ্দীন তালুকদারের উদ্দ্যেগে ১৯৯৭ সনে ওই পাঠাগারের জায়গাতে নির্মান করা হয় উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়। পরবর্তিতে অন্যান্য আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্যগণ দলীয় কার্যালয়ের নান্দনিক রুপ দিতে না পারলেও ২০১৯ সালে আ‘লীগের এমপি মানু মজুমদার পুরনো অফিসের পিছনে থাকা দুটি অসহায় পরিবারের ঘর জোরপুর্বক ভেঙ্গে ওখান থেকে তাদের উচ্ছেদ করেন। পরে পাঠাগারের আরো জায়গা দখলে নিয়ে নির্মান করেন বিশাল দলীয় কার্যালয়। পরবর্তিতে অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে ওইসময় স্থানীয় আদালত সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ গণস্বাক্ষরের মাধ্যমে আবেদন করেন। পরবর্তিতে স্থানীয় সুশিলসমাজের প্রতিনিধি, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), আদিবাসী ফোরাম, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ করেন মানববন্ধন। দলীয় প্রভাব থাকায় সকল আবেদনের ফাইল পরে ছিলো টেবিলে থাকা অন্য ফাইলের নীচে। ইতোমধ্যে পাঠাগারের জায়গা উদ্ধারের জন্য স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষের অংশগ্রহনে গত ০৮ জুন উপজেলা চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনের মাধ্যমে আবেদন জানানো হয় উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের কাছে। পরবর্তিতে এই কাজে সহায়তা করতে এলাকাবাসী পরবর্তিতে আবেদন করেন স্থানীয় এমপি ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার মহোদয়ের কাছে। নিমজ্জিত হতে যাওয়া পাঠাগারটিকে বাঁচিয়ে রাখতে পাঠাগার পরিদর্শনে আসেন তিনি। পাঠাগারকে নতুনরুপে সাজিয়ে তুলতে উদ্দ্যোগ নেন, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ও নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এর পরেই নরে চড়ে বসেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। পাঠাগারের জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে শুরু করেন দাপ্তরিক কাজ। পরবর্তিতে আদালতের নোটিশ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কার্যক্রম শুরু করেন উপজেলা প্রশাসন। এরই প্রেক্ষিতে শুরু হয় অবৈধ সীমানা প্রাচীর ও উপজেলা আ‘লীগ কার্যালয়ের স্থাপনা সহ অন্যান্য এলাকা থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারনের কাজ। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, আদিবাসী প্রতিনিধি, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, পাঠাগারকে বলা হয় শিক্ষার বাতিঘর। এই পাঠাগারটি আবার সচল করতে, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করণসহ ডেপুটি স্পীকার মহোদয় যে উদ্দ্যেগ গ্রহণ করেছেন, আমরা ওনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। পাঠাগারের নিজস্ব জায়গায় কোনরকম অবৈধ স্থাপনা থাকুক এটা আমরা চাইনা। ঐতিহ্যবাহী এই পাঠাগারটি চালু হলে, স্থানীয় যুবসমাজ মাদক ছেড়ে বই হাতে নিবে, স্থানীয়ভাবে বাড়বে সাংস্কৃতিক চর্চা। দুর্গাপুর উপজেলা তথা আশা-পাশের আদিবাসী সম্প্রদায় সহ সকল শ্রেনীপেশার হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হবে। লাইব্রেরীর কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে দেখেছি, লাইব্রেরীর নামে ২৪শতক জায়গা রয়েছে। কাজেই এই জায়গায় কুমার দ্বীজেন্দ্র লাইব্রেরীর স্থাপনা ছাড়া অন্য কোন স্থাপনা থাকা সম্পুর্ন বে-আইনী বলে জানিয়েছেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও লাইব্রেরীর সভাপতি আহমেদ সাদাত। লাইব্রেরী পরিদর্শনে এসে ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই পাঠাগারের ইতিহাস ঐতিহ্যকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে এবং পাঠাগারের বিকাশ ঘটাতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। সকলের সহযোগিতা পেলে, সরকারের পক্ষ থেকে কুমার দ্বীজেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরীকে দেশের প্রথম সারির পাঠাগারে পরিনত করতে সরকারের পক্ষ থেকে সকল প্রকার উদ্দ্যেগ নেয়া হবে।

টাঙ্গাইলে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে মাদকসহ ২ কারবারি ও ২ সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

র‌্যাব-১৪ জানায়, ১৪ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঘাটাইল উপজেলার আঠারদানা এলাকায় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে একটি সিএনজি তল্লাশি করা হয়। এ সময় যাত্রীবেশে থাকা রাজশাহীর মো. রাব্বি ইসলাম (২১)-কে ৫০ বোতল ফায়ারডিল ও একটি মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়। এদিকে, ১৫ জুলাই সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে সদর উপজেলার আশেকপুর বাইপাস এলাকায় একটি অটোরিকশা তল্লাশি করে রাজশাহীর মোছা. আম্বিয়া বেগম (৪২) ও মো. নাজিমুদ্দীন (২৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের ভ্যানিটি ব্যাগে বিশেষ কায়দায় লুকানো অবস্থায় ১১৯ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে, একই দিনে পৃথক অভিযানে সদর উপজেলার বাসালিয়া এলাকা থেকে কালিহাতী থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি সোহেল (৩২)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া সখীপুর উপজেলার নলুয়া বাজার এলাকা থেকে চেক জালিয়াতির মামলায় (এনআই অ্যাক্ট ১৩৮) এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি নুসরাত জাহান নুপুর (৩৮)-কে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‌্যাব-১৪ এর মিডিয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে।

আইন-অপরাধ

আরও পড়ুন
Writing
জামালপুরে গৃহবধূর ছবি বিকৃত করে ব্ল্যাকমেইল, ধর্ষণ মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড।
জামালপুরে গৃহবধূর ছবি বিকৃত করে ব্ল্যাকমেইল, ধর্ষণ মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এক গৃহবধূর ছবি বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এবং একাধিকবার ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আব্দুর রহিম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার নিমাইমারী গ্রামের আশকর আলী (৪০) ও জাহিদুল ইসলাম (৩৫)।মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী গৃহবধূ এবং দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা একই গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে আসামিরা ওই গৃহবধূকে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এতে তিনি রাজি না হওয়ায় আসামিরা তার ছবি বিকৃত করে আপত্তিকর ছবি তৈরি করেন। পরে এসব ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেইল করা হয়।অভিযোগে আরও জানা যায়, গৃহবধূকে ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি তার স্বামী ও সন্তানকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এসব হুমকির মাধ্যমে আশকর আলী বিভিন্ন সময়ে ওই গৃহবধূকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের পর মামলা দায়ের করা হয়। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন।রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আগস্ট ১০, ২০২৬ 0
সরিষাবাড়ীতে অতিরিক্ত সিএনজি ভাড়া আদায়, চালককে ১ হাজার টাকা জরিমানা।

সরিষাবাড়ীতে অতিরিক্ত সিএনজি ভাড়া আদায়, চালককে ১ হাজার টাকা জরিমানা

আবার মারামারিতে জড়িয়েছেন শান্তা ফারজানা ও আয়াস

জাতীয় প্রেসক্লাবে দুই সংগঠনের সংঘর্ষ, হাসপাতালেও মারামারি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে ৯৬ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ

মির্জাপুরে নকল প্রসাধনী জব্দ ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা
মির্জাপুরে নকল প্রসাধনী জব্দ ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

মির্জাপুরে নকল প্রসাধনী জব্দ ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে বিপুল পরিমাণ নকল প্রসাধনী জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এক প্রসাধনী ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই ২০২৬) টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী এলাকায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইল কার্যালয় এ অভিযান পরিচালনা করে।অভিযানকালে একটি গোডাউনে বিপুল পরিমাণ নকল প্রসাধনী—জনসন বেবি অয়েল শ্যাম্পু সাবান ও টুথপেস্টসহ বিভিন্ন পণ্য মজুদ ও সরবরাহের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রসাধনী ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।এ সময় গোডাউনে থাকা নকল পণ্য জব্দ করা হয় এবং গোডাউনটি সিলগালা করে দেয় অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা।জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে জনস্বার্থে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন এলাকায় নকল ও ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জুলাই ৩০, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে হত্যা-দস্যুতা-চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি শান্ত র‍্যাবের হাতে আটক

টাঙ্গাইলে হত্যা-দস্যুতা-চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি শান্ত র‍্যাবের হাতে আটক

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের অভিযানে ২৫ জন গ্রেপ্তার উদ্ধার ২৭৫ পিস ইয়াবা

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের অভিযানে ২৫ জন গ্রেপ্তার উদ্ধার ২৭৫ পিস ইয়াবা

ধর্ষণের চেষ্টা মামলার আসামিসহ চেক জালিয়াতি মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক গ্রেফতার

ধর্ষণের চেষ্টা মামলার আসামিসহ চেক জালিয়াতি মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক গ্রেফতার

র‌্যাব-১৪-এর অভিযানে ১০ কেজি গাঁজাসহ মাদককারবারি গ্রেফতার
র‌্যাব-১৪-এর অভিযানে ১০ কেজি গাঁজাসহ মাদককারবারি গ্রেফতার

র‌্যাব-১৪-এর অভিযানে ১০ কেজি গাঁজাসহ মাদককারবারি গ্রেফতার ময়মনসিংহে র‌্যাব-১৪-এর মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ১০ কেজি গাঁজাসহ মো. উজ্জল মিয়া (৩৩) নামে এক মাদককারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। র‌্যাব-১৪ জানায়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার, ওয়ারেন্ট তামিল এবং বিভিন্ন অপরাধ দমনে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তারা ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী থানার ঢাকা বাইপাস এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে কিশোরগঞ্জ জেলার বাসিন্দা মো. উজ্জল মিয়াকে আটক করা হয়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি নিজের কাছে গাঁজা থাকার কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিশেষ কৌশলে পলিথিনে সংরক্ষিত ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।র‌্যাবের দাবি গ্রেফতার উজ্জল মিয়ার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ ও বিক্রি করে আসছিলেন বলে জানা গেছে।র‌্যাব আরও জানিয়েছে, মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে তাদের চলমান অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এ ঘটনায় উদ্ধারকৃত আলামতসহ গ্রেফতার ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোতোয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

জুলাই ৩০, ২০২৬ 0
স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষন ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে উদ্ধার স্বামী-স্ত্রী এবং গ্রেফতার তিন

স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষন ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে উদ্ধার স্বামী-স্ত্রী এবং গ্রেফতার তিন

মেয়াদোত্তীর্ণ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ওষুধ বিক্রি মানিকগঞ্জে মোবাইল কোর্ট ৩ ফার্মেসিকে ১৯ হাজার টাকা জরিমানা

মেয়াদোত্তীর্ণ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ওষুধ বিক্রি মানিকগঞ্জে মোবাইল কোর্ট ৩ ফার্মেসিকে ১৯ হাজার টাকা জরিমানা

দেলদুয়ারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩০৩টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ ও ধ্বংস

দেলদুয়ারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩০৩টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ ও ধ্বংস

0 মন্তব্য