জাতীয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট টাঙ্গাইল সদরের একাধিক কেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক শরীফা হক

reporter-icon
মো: সাজিদ পিয়াল: সিনিয়র রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ | 0

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট টাঙ্গাইল সদরের একাধিক কেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক শরীফা হক ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলার সদর উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার জনাব শরীফা হক। বৃহস্পতিবার (১২/০২/২০২৬) দিনব্যাপী তিনি গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং ভোটার উপস্থিতির সার্বিক চিত্র সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক কেন্দ্রসমূহের প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এবং পোলিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে ভোট প্রদানকালে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা বা ভোগান্তি হচ্ছে কি না, সে বিষয়েও খোঁজখবর নেন।এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার,টাঙ্গাইল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, টাঙ্গাইল এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কেন্দ্রগুলোতে পুলিশ,সেনাবাহিনী,র‌্যাব,আনসারসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়। কেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরে নিরাপত্তা বলয় জোরদার করা হয়েছে এবং মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স টহল অব্যাহত রেখেছে।জেলা প্রশাসক শরীফা হক সাংবাদিকদের জানান,নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছি। যেকোনো ধরনের অনিয়ম বিশৃঙ্খলা বা নাশকতা কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।সার্বিকভাবে টাঙ্গাইল সদরে শান্তিপূর্ণ সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে থাকবে।

সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

জাতীয়

আরও পড়ুন
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জামালপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজন

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জামালপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজন মিডিয়া সেল, জেলা পুলিশ জামালপুর ২৬ মার্চ ২০২৬ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬ খ্রি.) সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জামালপুর বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং মনোমুগ্ধকর সম্মিলিত কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক জনাব মুহাম্মদ ইউসুপ আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার জনাব মোছাঃ ফারহানা ইয়াসমিন।পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির সূচনা করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অংশগ্রহণে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও চিত্তাকর্ষক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়, যা উপস্থিত দর্শনার্থীদের মধ্যে দেশাত্মবোধ ও গৌরবের অনুভূতি জাগ্রত করে।অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দসহ সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।মহান স্বাধীনতা দিবসের এ আয়োজন জাতির বীর সন্তানদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম জাগ্রত করার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিগণিত হয়।

এপ্রিল ১, ২০২৬ 0

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন পিটিসি,টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে টাঙ্গাইলে কেন্দ্রীয় ঈদ জামাতকে ঘিরে জোর প্রস্তুতি

টাঙ্গাইলে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস ২০২৬ উদযাপন

টাঙ্গাইলে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস ২০২৬ উদযাপন “নিরাপদ পণ্য, আত্মবিশ্বাসী ভোক্তা” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস ২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।শনিবার (১৫ মার্চ ২০২৬) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা শিক্ষার্থী ভোক্তা অধিকার সংশ্লিষ্ট সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।র‍্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক। বক্তারা বলেন ভোক্তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে বাজার তদারকি জোরদার করা ভেজাল ও নকল পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভোক্তাদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।আলোচনা সভায় বক্তারা আরও বলেন নিরাপদ পণ্য নিশ্চিত করা হলে ভোক্তাদের মধ্যে আস্থা বাড়বে এবং একটি সুস্থ বাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ ভোক্তাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ব্যবসায়ী প্রতিনিধি গণমাধ্যমকর্মীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

মার্চ ১৫, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইলে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত।

দায়িত্ব কমলো প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর

দায়িত্ব কমলো প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর

দেশে ১ লাখ ৩৬ হাজার টন জ্বালানি মজুদদাম বাড়ার শঙ্কা নেই

দেশে ১ লাখ ৩৬ হাজার টন জ্বালানি মজুদ দাম বাড়ার শঙ্কা নেই বিপিসি চেয়ারম্যান দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)-এর চেয়ারম্যান মো.রেজানুর রহমান। তিনি বলেন বর্তমান মজুত পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কোনো শঙ্কা নেই। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিপিসি ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা ও চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার বিষয়েও চিন্তাভাবনা চলছে। তবে দেশে যে পরিমাণ মজুত রয়েছে তাতে আপাতত সরবরাহ বা দামের ক্ষেত্রে কোনো চাপ তৈরি হবে না। কত দিনের মজুত আছে?তিনি জানান নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে ইতোমধ্যে ৭টি জাহাজের এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে মজুত পরিস্থিতি হলো— ডিজেল: ১৪ দিনের অকটেন: ২৮ দিনের পেট্রোল: ১৫ দিনের ফার্নেস অয়েল: ৯৩ দিনের জেট ফুয়েল: ৫৫ দিনের চেয়ারম্যান বলেনবাআমরা পরিস্থিতি বিবেচনায় পর্যাপ্ত পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছি। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সরকারবিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওঠানামা ও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সরকার নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরনের ধাক্কা না এলে দেশের বাজারে তাৎক্ষণিক মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা কম।এদিকে সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল বিপিসির সর্বশেষ ঘোষণায় তা কিছুটা প্রশমিত হবে বলে মনে করছেন

মার্চ ৪, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলের হেমনগর রেলস্টেশন বন্ধ এক দশক, রাতে মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপের আখড়া

টাঙ্গাইলের হেমনগর রেলস্টেশন বন্ধ এক দশক, রাতে মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপের আখড়া

টাঙ্গাইল সদর কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির ৪৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

টাঙ্গাইল সদর কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির ৪৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ফ্রি ওয়াইফাই প্রদান করা হবে: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন

গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ফ্রি ওয়াইফাই প্রদান করা হবে: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন

0 মন্তব্য