গ্রামে বেআইনি সালিশ: নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ।
গ্রাম পর্যায়ে বিচারব্যবস্থার জন্য সরকারিভাবে নির্ধারিত কাঠামো থাকা সত্ত্বেও কিছু প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা ও স্থানীয় ব্যক্তি নিজেরাই সালিশ ও বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন এলাকায়। এতে করে আইনসম্মত প্রক্রিয়া উপেক্ষিত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাদেশে গ্রামীণ বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গ্রাম আদালত, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম পরিচালনার বিধান রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, দলীয় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অনেক নেতা নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে আলাদা সালিশ বসাচ্ছেন। এসব সালিশে তারা কোনো ধরনের সরকারি নিয়ম-কানুন বা প্রশাসনিক নির্দেশনা তোয়াক্কা করছেন না।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এসব বেআইনি সালিশের মাধ্যমে ব্যক্তিগত প্রভাব বিস্তার, পেশীশক্তির প্রদর্শন এবং রাজনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে করে অনেক ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ বিচার ব্যাহত হচ্ছে এবং ভুক্তভোগীরা সঠিক ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে গ্রামীণ সমাজে আইনের শাসন দুর্বল হয়ে পড়বে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়বে। তারা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
সচেতন মহল মনে করে, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত কাঠামোর বাইরে গিয়ে কেউ বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করলে তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি, নচেৎ এর নেতিবাচক প্রভাব পুরো সমাজে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে সাত বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে আনোয়ার হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে...
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও প্রযুক্তির সহায়তায় ব্যাংক ও বিকাশের মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগে একটি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে হবিগঞ্জ জেলা গ...

