জনগণের প্রত্যাশা ও তারুণ্যের চাহিদা অনুযায়ী ইশতেহার পাল্টানোর আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে রাজনীতি কোনো স্থির বিষয় নয় এটি সময় সমাজ ও জনগণের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে পরিবর্তনশীল—এমন মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জনগণের প্রত্যাশা আকাঙ্ক্ষাসময় ও তারুণ্যের চাহিদা অনুসারে রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের নির্বাচনি ইশতেহার পরিবর্তন করতে হবে। শুধু ইশতেহার নয় দলগুলোর লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও ঘোষণাপত্রও হতে হবে সময়োপযোগী ও জনমুখী।শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডি আবাহনী ক্লাব মাঠে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন গণতান্ত্রিক অঙ্গনে এনসিপির যাত্রা শুরুর দিন থেকেই তিনি আশাবাদী হয়েছেন। তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ রাজনীতিকে মর্যাদাবান ও গতিশীল করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন তারুণ্যের চাহিদা ধারণ করেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে এনসিপি ইতোমধ্যে অনেক দূর অগ্রসর হয়েছে। তিনি আরও বলেন নির্বাচনি সমঝোতার মাধ্যমে জোটগতভাবে অংশ নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপি ছয়টি আসন লাভ করেছে। এই ছয়টি আসন বৃদ্ধি পেতে পেতে একসময় রাষ্ট্রক্ষমতায় আরোহণ করাও অসম্ভব নয় —বলেন তিনি।রাজনীতির উত্থান-পতন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন রাজনীতির কণ্টকাকীর্ণ মাঠে উত্থান-পতন মেনে নিতে হয়। যারা তা মানেনি তারা টিকে থাকতে পারেনি। তিনি জোর দিয়ে বলেন জনগণের চাহিদাকে ধারণ করে মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে যা বর্তমান ও আগামী প্রজন্ম প্রত্যাশা করে।২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণআন্দোলনে ছাত্র-জনতার প্রত্যাশার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন যে রাজনীতি জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করবে সেই রাজনীতিই টেকসই হবে।এনসিপির নির্বাচনি ম্যানিফেস্টো তিনি মনোযোগ সহকারে পড়েছেন জানিয়ে বলেন দলটির কর্মপরিকল্পনা তাকে উৎসাহিত করেছে। জাতীয় স্বার্থে ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন জাতীয় সংসদে তর্ক-বিতর্ক হবে মতপার্থক্য থাকবে কিন্তু জাতীয় স্বার্থে আমরা এক থাকবো।তিনি সংসদকে কার্যকর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং বলেন সকল ইস্যুতে গঠনমূলক বিতর্কের মাধ্যমে জাতিকে সমাধান দিতে হবে।পরে মন্ত্রী রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র-এ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।
তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।
মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।
র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।
পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলে কৃষকদের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণে নিজ হাতের উদাহরণ স্থাপন ১৪ এপ্রিল ২০২৬ পহেলা বৈশাখের আনন্দঘন প্রাক্কালে টাঙ্গাইল জেলায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের শুভেচ্ছা সফর অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইল শহরে প্রবেশ করলে স্থানীয় জনসাধারণ তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও হাততালি দিয়ে অভ্যর্থনা জানান। এই উপলক্ষে শহরের প্রধান সড়ক ও বিভিন্ন চত্বর সাজানো হয়েছে বর্ণিল পতাকা ও ফুলের সাজসজ্জায়।প্রধানমন্ত্রী তার সফরে পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানিয়ে জনগণের সঙ্গে সংলাপ করেন এবং দেশের সংস্কৃতি ঐতিহ্য ও কৃষিপ্রধান অর্থনীতির প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।উল্লেখযোগ্য প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেজনসাধারণের সুবিধার্থে।টাঙ্গাইল জেলায় শত শত মানুষ প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে ঘিরে উত্তাল হয়ে ওঠে। জনতার ভালোবাসা ও উৎসাহের মাঝে প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে কৃষক কার্ড বিতরণ করে দেশের কৃষি খাতে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।তিনি আশ্বাস দেন যে দেশের প্রতিটি আবাদি জমিতে ফসলফলানোর জন্য কৃষকদের সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে দেশের কৃষকদের মর্যাদা এবং তাদের পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ নির্দেশনা প্রদান করেন।এই উদ্যোগের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা সহ দেশের সকল কৃষকের হাতে আধুনিক কৃষি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে এবং কৃষি খাতকে আরও সমৃদ্ধ ও টেকসই করার পথ প্রশস্ত হবে। কৃষক কার্ড বিতরণের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী দেশের কৃষকদের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন।
আজ সকাল ১০টার দিকে বাসা থেকে বের হন এবং এরপর থেকে কাজিম উদ্দিন (প্রায় ৭০+) কে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। 🔹 গ্রাম: কুষ্টিয়া পূর্ব পারা (মসজিদ সংলগ্ন) 🔹 বয়স: প্রায় ৭০+ যদি কেউ তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানেন বা তাকে কোথাও দেখেন, অনুগ্রহ করে দ্রুত যোগাযোগ করুন। 📞 যোগাযোগ: +8801339655950 আপনার একটি শেয়ার হয়তো তাকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে সাহায্য করতে পারে।
সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ বাঘাবাড়ী অয়েল ডিপো থেকে উত্তরবঙ্গমুখী জ্বালানি তেল সরবরাহে নিরাপত্তা নিশ্চিত করলো ১০ এপ্রিল ২০২৬ ইং সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ আজ শুক্রবার বাঘাবাড়ী অয়েল ডিপো থেকে উত্তরবঙ্গমুখী জ্বালানি তেল সরবরাহের সময় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। রাজশাহী, রংপুর এবং পার্শ্ববর্তী ১৯টি জেলায় বিতরণের জন্য ২২৫টি ট্যাংকলরি (পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল) নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য পুলিশ এসকর্ট প্রদান করা হয়েছে।এদিনের অভিযান ২৪৮টি পয়েন্টে (ফিলিং স্টেশন ও এজেন্সি) জ্বালানি সরবরাহ কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে। জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা জানান,জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনগুরুত্বপূর্ণ সেবা যেমন জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখা তাদের অগ্রাধিকার।সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ বলেছে,“আমাদের লক্ষ্য জনগণের নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ সেবা কার্যক্রমকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা।এমন উদ্যোগের মাধ্যমে জেলার প্রতিটি জেলায় তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনও প্রকার ব্যাঘাত সৃষ্টি না হয় তা নিশ্চিত করা হয়েছে।অধিকন্তু, জেলার বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যরা ট্যাংকলরি গুলোকে সড়ক পথে সুরক্ষিতভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিনিয়ত নজরদারি করেছেন। পুলিশ এসকর্টের সময় যেকোনো সম্ভাব্য ঝুঁকি বা নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সর্বদা জনগণের সেবা ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর, এবং এই ধরনের নিরাপত্তা উদ্যোগ নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।