সারা দেশ

রমজান উপলক্ষে কালিহাতিতে বাজার মনিটরিং

রমজান উপলক্ষে কালিহাতিতে বাজার মনিটরিং ৩ মামলায় ৩০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখেনিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলা এলাকায় বিশেষ বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। আজ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) কালিহাতি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ০৩ (তিন)টি মামলায় মোট ৩০ হাজার ৫০০ (ত্রিশ হাজার পাঁচশত) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান ও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। ব্যবসায়ীদের মূল্য তালিকা প্রদর্শন অতিরিক্ত মূল্য আদায় এবং মজুত সংক্রান্ত অনিয়মের বিষয়ে সতর্ক করা হয়। এ সময় বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সচেতন করতে সতর্কতামূলক প্রচারণা চালানো হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় রমজান মাসজুড়ে এ ধরনের বাজার মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
রমজানকে সামনে রেখে দেশজুড়ে বিশেষ বাজার মনিটরিং শুরু

রমজানকে সামনে রেখে দেশজুড়ে বিশেষ বাজার মনিটরিং শুরু মূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে দেশব্যাপী জোরদার করা হয়েছে বিশেষ বাজার মনিটরিং কার্যক্রম। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর এলাকার কাঁচাবাজার, পাইকারি বাজার এবং খুচরা বিপণিকেন্দ্রে একযোগে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রমজানজুড়ে চাল,ডাল,তেল,চিনি,ছোলা, খেজুর ডিম,মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে। বাজারে মূল্য তালিকা প্রদর্শন ক্রয় রসিদ সংরক্ষণ অতিরিক্ত মজুদ এবং কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি রোধে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অভিযান চলাকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। মূল্য তালিকা না টাঙানো নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি ওজনে কারচুপি কিংবা ভেজাল পণ্য বিক্রির অভিযোগে কয়েকজন ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে ভবিষ্যতে আইন মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়।জেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি ভোক্তাদেরও সচেতন হতে হবে। কোনো অনিয়ম চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন বা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গেছে, রমজান মাসব্যাপী এ বিশেষ বাজার মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারের লক্ষ্য—জনগণ যেন স্বস্তিতে ও ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করতে পারেন।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে টাঙ্গাইলে ১২ উপজেলায় একযোগে বিশেষ বাজার মনিটরিং

রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে টাঙ্গাইলে ১২ উপজেলায় একযোগে বিশেষ বাজার মনিটরিং ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ থেকে টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলায় একযোগে বিশেষ বাজার মনিটরিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে।জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, টাঙ্গাইল এর নির্দেশনায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে প্রতিটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বাজারে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। জানা গেছে, বাজার মনিটরিং টিম নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য—চাল, ডাল, তেল, চিনি, ছোলা, খেজুর, মাংস, ডিমসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের মূল্যতালিকা যাচাই, মজুত পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং অতিরিক্ত মূল্য আদায় বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো রমজান মাসজুড়ে এ বিশেষ মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং বাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও বাজার কমিটিগুলোকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির আহ্বান জানিয়েছে এবং কোনো অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রাণিজ পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতেআলোচনা সভা

রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রাণিজ পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতেআলোচনা সভা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে দুধ ডিম ও মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।এ উপলক্ষে রাজধানীর মহাখালীতে সুলভ মূল্যে দুধ ডিম ও মাংস বিক্রয় কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।বুধবার রাজধানীর মহাখালীস্থ প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেনরমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যাতে সহনীয় পর্যায়ে থাকে এবং কোনো অসাধু চক্র যাতে বাজার অস্থিতিশীল করতে না পারে সে লক্ষ্যে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।প্রাণিজ আমিষের সহজপ্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন সরকার উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমাতে চায়। এর ফলে একদিকে যেমন ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে পণ্য পাবেন অন্যদিকে খামারিরাও তাদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে পারবেন।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের বলেন রমজান মাসে বাড়তি চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলা ও মহানগর পর্যায়েও এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি জানান।অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মশিউর রহমান সভাপতি বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) এবং মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন সভাপতি বাংলাদেশ ডেইরি এন্ড ফারমার্স এসোসিয়েশন (বিডিএফএফএ)। তারা বলেন খামারি পর্যায় থেকে সরাসরি পণ্য সরবরাহের মাধ্যমে বাজারে স্থিতিশীলতা আনা সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো এ কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড.মো: আবু সুফিয়ান। তিনি বলেন প্রাণিসম্পদ খাত দেশের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। রমজান মাসে জনগণের চাহিদা পূরণে এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চালু রাখা হবে। উদ্বোধনের পর অতিথিরা বিক্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং ক্রেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় নির্ধারিত বিক্রয় কেন্দ্রে প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ দুধ ডিম ও মাংস সুলভ মূল্যে বিক্রি করা হবে যাতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো বিশেষভাবে উপকৃত হবে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
গোপালপুরে কাহেতার উদ্যোগে ১০০ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল  ইউনিয়নের  স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নিঃস্বার্থ সংগঠন কাহেতা (সক) এর উদ্যোগে গ্রামের পিছিয়ে পড়া ১০০টি পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি (পহেলা রমজান) সকাল ১১টায়  এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে মুড়ি, ছোলা, খেজুর, ডাল, চিনি ও পিয়াজসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২১ সাল থেকে কাহেতা (সক) বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে অসচ্ছল পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল, সদস্য সচিব আবু বক্কর সিদ্দিকী মামুন, সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম মিলনসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, ভবিষ্যতেও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল জেলা কারাগার পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

টাঙ্গাইল জেলা কারাগার পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে টাঙ্গাইল জেলা কারাগার পরিদর্শন করেছেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল দিকে তিনি কারাগারে উপস্থিত হয়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং বন্দীদের কল্যাণ ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখেন।পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক কারাগারের আবাসিক সেল রান্নাঘর খাদ্য সংরক্ষণাগার চিকিৎসাকেন্দ্র সাক্ষাৎ কক্ষ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি বন্দীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের থাকা-খাওয়া চিকিৎসা সুবিধা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে খোঁজ নেন। কারাগারের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করা এবং নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন কারাগার শুধু শাস্তির স্থান নয় এটি সংশোধনাগার। বন্দীদের মানবাধিকার রক্ষা স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম জোরদার করার মাধ্যমে তাদের সমাজে পুনর্বাসনের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। তিনি কারা কর্তৃপক্ষকে বন্দীদের জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।পরিদর্শন শেষে তিনি কারাগারের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং যেসব বিষয়ে উন্নতির সুযোগ রয়েছে সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দেন।এ সময় কারা সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ পুলিশ বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজির বার্ষিক পরিদর্শন

বাংলাদেশ পুলিশ বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজির বার্ষিক পরিদর্শন বিশেষ কল্যাণ সভা ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় বরিশাল ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বুধবার: বরিশাল জেলার সার্বিক কার্যক্রম মূল্যায়নে বার্ষিক পরিদর্শন করেছেন বরিশাল রেঞ্জের মান্যবর ডিআইজি জনাব মোঃ মঞ্জুর মোর্শেদ আলম। নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি সকালেই বরিশাল পুলিশ লাইন্সে উপস্থিত হন এবং সেখানে কুচকাওয়াজের অভিবাদন গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি রিজার্ভ অফিসের বার্ষিক পরিদর্শন সম্পন্ন করেন।পরিদর্শন শেষে পুলিশ লাইন্সের গ্রাটিটিউট হলে আয়োজিত বিশেষ কল্যাণ সভায় জেলা পুলিশের কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ডিআইজি মহোদয়। সভায় তিনি মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও ফোর্সদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রস্তাব মনোযোগ সহকারে শোনেন। সমস্যাসমূহের দ্রুত ও কার্যকর সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।বিশেষ কল্যাণ সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব ফারজানা ইসলাম। এসময় ডিআইজি মহোদয় জানুয়ারি ২০২৬ মাসে দায়িত্ব পালনে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য নির্বাচিত জেলা শ্রেষ্ঠ অফিসারদের মাঝে ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করেন। পরবর্তীতে তিনি পুলিশ অফিস, বরিশালের কনফারেন্স রুমে জেলার সকল ইউনিট ইনচার্জদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ দমন কার্যক্রম মাদকবিরোধী অভিযান এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন ডিআইজি মহোদয়।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বার্ষিক পরিদর্শনের মাধ্যমে জেলা পুলিশের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং সেবার মানোন্নয়নে কার্যকর দিকনির্দেশনা প্রদানই ছিল এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
ময়মনসিংহ পুলিশের ফোর্সের সম্মানসূচক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ ময়মনসিংহ পুলিশের ফোর্সের সম্মানসূচক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ – ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ সফল ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার প্রত্যয়ে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের উদ্যোগে বিশেষ প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়েছে।জেলা পুলিশ লাইন্সের শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা পুলিশ সুপার মুন্সী কবির উদ্দিন আহমেদ মাল্টিপারপাস শেডে অনুষ্ঠিত এই মধ্যাহ্নভোজে সভাপতিত্ব করেন জেলা পুলিশের সম্মানিত পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের সম্মানিত ডিআইজি মোহাম্মদ আতাউল কিবরিয়া।উক্ত প্রীতিভোজে জেলা পুলিশের সকল পর্যায়ের অফিসার এবং ফোর্সের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রেঞ্জ ডিআইজি ও পুলিশ সুপার মহোদয়। এছাড়া ময়মনসিংহ রেঞ্জ জেলা পুলিশ এবং ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যবৃন্দও অংশগ্রহণ করেন।জানা গেছে জেলা পুলিশ ময়মনসিংহের উদ্যোগে জেলাধীন প্রতিটি থানায় সকল অফিসার ও ফোর্সের জন্য মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয় যা নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে ফোর্সের মনোবল বৃদ্ধি করছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত শ্রেষ্ঠ অফিসারদের ক্রেস্ট প্রদান ও জেলা পুলিশের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা কিশোরগঞ্জ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ – কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে সোমবার সকালে অনুষ্ঠিত হলো জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পুলিশের সম্মানিত পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন।সভায় জানুয়ারি ২০২৬ মাসের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে শ্রেষ্ঠ অফিসারদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। পুলিশ সুপার উপস্থিত অফিসার ও ফোর্সদের বক্তব্য মনোযোগসহকারে শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং জেলা পুলিশের সকল ইউনিটের বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা। সভার মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর নৈতিক উদ্দীপনা পেশাদারিত্ব ও সমন্বয় বৃদ্ধির প্রত্যাশা প্রকাশ করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও ক্রাইম কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও ক্রাইম কনফারেন্স অনুষ্ঠিত রমজানকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা জোরদারের নির্দেশ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নাগরিক সেবা আরও ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার সকাল ১০টায় কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ-এর উদ্যোগে পুলিশ লাইন্স মাল্টিপারপাস ড্রিলশেডে জেলা পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি পিপিএম-এর সভাপতিত্বে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় জেলার পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন পেশাগত ও ব্যক্তিগত সমস্যার কথা মনোযোগসহকারে শোনেন পুলিশ সুপার। তাৎক্ষণিক সমাধানযোগ্য বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন এবং দীর্ঘমেয়াদি বিষয়গুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন। পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।এ সময় জানুয়ারি ২০২৬ মাসে পেশাদারিত্ব ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় জেলা পুলিশের ১১ জন সদস্যকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ভালো কাজের স্বীকৃতি অন্যদেরও উৎসাহিত করবে।পরে দুপুর ১২টায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে জানুয়ারি মাসের “মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা” অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আসন্ন পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে জেলার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বাজার ব্যবস্থাপনা যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ নাশকতা প্রতিরোধ এবং জনগণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে বিশেষ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়। পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি সন্ত্রাসবাদ সাম্প্রদায়িক উসকানি মাদক নির্মূল অপরাধ দমন এবং যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, সততা সাহসিকতা কঠোর পরিশ্রম ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে কুড়িগ্রামের সম্মানিত নাগরিকদের সর্বোচ্চ পুলিশিং সেবা নিশ্চিত করতে হবে।সভায় জেলার গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর অগ্রগতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এ.এস.এম মুক্তারুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উলিপুর সার্কেল) মোঃ আশরাফুল আলম পিপিএম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুড়িগ্রাম সার্কেল) মোঃ মাসুদ রানা, সহকারী পুলিশ সুপার (নাগেশ্বরী সার্কেল) মোঃ গোলাম মোর্শেদ সহকারী পুলিশ সুপার (রৌমারী সার্কেল) মোঃ রাসেল কবির, কুড়িগ্রাম পুলিশ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার মোঃ আখতারুজ্জামানসহ জেলার সকল থানা ও ইউনিট প্রধান এবং বিভিন্ন ইউনিটের

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
জামালপুর জেলা পুলিশ-এর মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জামালপুর জেলা পুলিশ-এর মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ জামালপুরে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অপরাধচিত্র বিশ্লেষণে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ২টা ৩০ মিনিটে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোঃ যাবের সাদেক। শুরুতেই পূর্ববর্তী মাসিক সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। পরে জানুয়ারি/২০২৬ মাসের খাতভিত্তিক ও থানা-ভিত্তিক মামলার পরিসংখ্যান উপস্থাপন ও বিশদ আলোচনা করা হয়।সভায় বিভিন্ন থানা ও সংস্থার রুজুকৃত মামলা মামলা নিষ্পত্তির হার মুলতবি মামলা অপমৃত্যু সংক্রান্ত পরিসংখ্যান অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার কার্যক্রম মুলতবি গ্রেফতারি পরোয়ানা ও ক্রোকি পরোয়ানা বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদারকরণস্পর্শকাতর মামলার অগ্রগতি এবং জেলার চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা নিয়েও আলোচনা হয়।সভায় পুলিশ সুপার জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি অপরাধ দমন মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার গ্রেফতারি পরোয়ানা নিষ্পত্তিতে তৎপরতা বৃদ্ধি এবং জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ সোহেল মাহমুদ পিপিএম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোরশেদা খাতুন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াহিয়া আল মামুনঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দেওয়ানগঞ্জ সার্কেল) মোঃ সাইফুল ইসলাম পিপিএম সহকারী পুলিশ সুপারবৃন্দ জেলা গোয়েন্দা শাখার কর্মকর্তাগণ সকল থানার অফিসার ইনচার্জ ডিবি-১ ও ডিবি-২ এর ওসি ডিআইও-১ ও ডিআইও-২ তদন্তকেন্দ্র ও ফাঁড়ির ইনচার্জ, ট্রাফিক ও কোর্ট ইন্সপেক্টরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।জেলা পুলিশের নিয়মিত এ ধরনের পর্যালোচনা সভা অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
দুলাভাইয়ের মরদেহ দেখতে এসে শ্যালিকার মৃত্যু

দুলাভাইয়ের মরদেহ দেখতে এসে শ্যালিকার মৃত্যু টাঙ্গাইলের গোপালপুরে একই দিনে দুই আত্মীয়ের মৃত্যু এলাকায় শোকের ছায়া টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার নবগ্রামে একই দিনে দুই আত্মীয়ের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুলাভাইয়ের মরদেহ দেখতে এসে শ্যালিকা রহিমা (৬০) শোকে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নবগ্রাম উত্তরপাড়া জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব হাফেজ ইউসুফ আলীর পিতা আব্দুল্লাহ (১০০) সোমবার দুপুরে বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী শেষবারের মতো মুখ দেখার জন্য বাড়িতে ভিড় করেন।সন্ধ্যার পর এশার নামাজ শেষে নবগ্রাম দাখিল মাদরাসা মাঠে মরহুম আব্দুল্লাহর জানাজা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। ঠিক সেই সময় হঠাৎ খবর আসে, মরদেহ দেখতে আসা তাঁর শ্যালিকা রহিমা বাড়িতেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। উপস্থিত স্বজনরা দ্রুত তাঁকে প্রাথমিক সেবার চেষ্টা করলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি মারা যান।খবরটি জানাজাস্থলে পৌঁছালে উপস্থিত মানুষজন হতবাক হয়ে পড়েন। পরে আব্দুল্লাহর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করে স্বজনরা দ্রুত রহিমার মরদেহের কাছে ছুটে যান। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুমা রহিমা একই গ্রামের পাংকী বাড়ির মৃত জোয়াহের আলীর স্ত্রী।একই দিনে ঘনিষ্ঠ দুই স্বজনের মৃত্যুতে পুরো নবগ্রাম এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানান দীর্ঘদিনের পারিবারিক বন্ধন ও আত্মীয়তার কারণে ঘটনাটি গ্রামবাসীকে বিশেষভাবে মর্মাহত করেছে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
জামালপুর জেলা পুলিশ-এর মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

জামালপুর জেলা পুলিশ-এর মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: জেলার পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, পেশাগত মানোন্নয়ন ও কর্মদক্ষতা মূল্যায়নের লক্ষ্যে জামালপুর জেলা পুলিশ-এর ফেব্রুয়ারি/২০২৬ মাসের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোঃ যাবের সাদেক।সভায় শুরুতেই বিগত কল্যাণ সভায় উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যা ও আবেদন পর্যালোচনা করে সেগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি চলতি মাসে প্রাপ্ত আবেদনসমূহের আলোকে পুলিশ সদস্যদের নানাবিধ সুবিধা-অসুবিধা নিরসনে প্রয়োজনীয় কল্যাণমূলক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স প্রণীত অভিন্ন মানদণ্ডের ভিত্তিতে জানুয়ারি/২০২৬ মাসের সার্বিক কর্মমূল্যায়নে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অফিসার ও ফোর্স সদস্যদের পুরস্কৃত করা হয়। এতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম পিপিএম (দেওয়ানগঞ্জ সার্কেল) শ্রেষ্ঠ সার্কেল হিসেবে মনোনীত হন। শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হন দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ওসি মনসুর আহাম্মদ এবং বকশীগঞ্জ থানার ওসি মোঃ মকবুল হোসেন। এছাড়া বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আরও যারা পুরস্কার অর্জন করেন তারা হলেন—নারায়নপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ মকবুল হোসেন (শ্রেষ্ঠ আইসি), সরিষাবাড়ি থানার এসআই (নিঃ) মোঃ চাঁন মিয়া (শ্রেষ্ঠ এসআই), জেলা গোয়েন্দা শাখা-১ এর এসআই (নিঃ) মোঃ এহসানুল হক (শ্রেষ্ঠ মামলা নিষ্পত্তিকারী ও শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী), ট্রাফিক বিভাগের টিএসআই রাশেদুল ইসলাম (শ্রেষ্ঠ প্রসিকিউশন দাখিলকারী অফিসার), বকশীগঞ্জ থানার এএসআই (নিঃ) আশরাফুল আলম শান্ত (শ্রেষ্ঠ এএসআই) এবং জামালপুর থানার এসআই (নিঃ) মোঃ সিরাজুল ইসলাম (শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার)। অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) দেবাশীষ চন্দ্র দত্তকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন। সভায় জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও সদস্যরা তাদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত সুবিধা-অসুবিধার বিষয় তুলে ধরেন। পুলিশ সুপার মনোযোগ সহকারে সবার বক্তব্য শুনে তাৎক্ষণিক সমাধানের নির্দেশনা প্রদান করেন এবং পেশাদারিত্ব শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।সভা শেষে জেলা পুলিশের আয়োজনে এক বিশেষ প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ সোহেল মাহমুদ পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোরশেদা খাতুন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াহিয়া আল মামুন ইসলামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ ইমরুল হাসান মাদারগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁঞাসহ জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জ তদন্ত কর্মকর্তা বিভিন্ন ফাঁড়ি ও তদন্ত কেন্দ্রের সদস্য এবং সিভিল স্টাফবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
কালিহাতী উপজেলা-এ ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনাপ্রাইভেটকার-ভ্যান সংঘর্ষে ২ জন নিহত

কালিহাতী উপজেলা-এ ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা প্রাইভেটকার-ভ্যান সংঘর্ষে ২ জন নিহত রোববার ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা-এ প্রাইভেটকার ও ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক-এর জোকারচর গোহালিয়া বাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।নিহতরা হলেন—গোহালিয়া বাড়ি এলাকার ভ্যানচালক মোহাম্মদ আমির আলী (৪০) এবং তার ভ্যানে থাকা যাত্রী শরীফ উদ্দিন (৪১)। তারা দুজনই স্থানীয় বাসিন্দা বলে জানা গেছে।পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গমুখী একটি প্রাইভেটকার দ্রুতগতিতে মহাসড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। জোকারচর এলাকায় পৌঁছালে রাস্তা পারাপারের সময় একটি যাত্রীবাহী ভ্যানকে সজোরে ধাক্কা দেয় গাড়িটি। সংঘর্ষের তীব্রতায় ভ্যানটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ভ্যানচালক ও এক যাত্রী ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল-এ নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শরীফ উদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত আমির আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়।এ বিষয়ে যমুনা সেতু পূর্ব থানা-র উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম জানান দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেটকারটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।স্থানীয়দের অভিযোগ ব্যস্ত এই মহাসড়কে দীর্ঘদিন ধরে নিয়ন্ত্রণহীন গতিতে যানবাহন চলাচল করছে। পর্যাপ্ত নজরদারি ও কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার অভাবেই প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কটি দেশের অন্যতম ব্যস্ত সড়কপথ। প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করায় এখানে সামান্য অসতর্কতাও বড় দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। স্থানীয়দের মতে, সচেতনতা বৃদ্ধি ও কঠোর আইন প্রয়োগই পারে এমন প্রাণহানি রোধ করতে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
পুলিশ লাইনসে প্রীতিভোজ (বড়খানা) অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে

পুলিশ লাইনসে প্রীতিভোজ (বড়খানা) অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপারের অংশগ্রহণ মনোবল সম্প্রীতি ও পেশাগত দায়বদ্ধতা জোরদারে মাসিক আয়োজন জেলা পুলিশ টাঙ্গাইলের উদ্যোগে পুলিশ লাইনস্ মাল্টিপারপাস শেডে আয়োজিত প্রীতিভোজ (বড়খানা) অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন পুলিশ সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি সৌহার্দ্য ও পেশাগত বন্ধন সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে প্রতি মাসে পুলিশ লাইন্সে বড়খানা আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন এমন আয়োজন শুধু সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে না বরং বাহিনীর সদস্যদের মনোবল দৃঢ় করে এবং দায়িত্ব পালনে পেশাগত দায়বদ্ধতা শৃঙ্খলাবোধ ও কর্মোদ্দীপনা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।তিনি আরও বলেন একটি সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে সদস্যদের মধ্যে ঐক্য পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সহমর্মিতার বিকল্প নেই। নিয়মিত এ ধরনের মিলনমেলা ও প্রীতিভোজ সদস্যদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে এবং কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ রবিউল ইসলাম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ আদিবুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) কাজী শাহনেওয়াজ-সহ জেলা পুলিশের সকল সার্কেল কর্মকর্তা অন্যান্য অফিসার ও ফোর্সবৃন্দ।উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান এ ধরনের আয়োজন বাহিনীর অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক জোরদার ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই তরুণ নিহতগভীর রাতে হাসপাতালে ছুটে গেলেন এমপি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই তরুণ নিহত গভীর রাতে হাসপাতালে ছুটে গেলেন এমপি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল পৌর শহরের বটতলা এলাকায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছোটকালিবাড়ি এলাকার দুই তরুণের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দিবাগত গভীর রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটলে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহতরা দুজনই একই এলাকার বাসিন্দা এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন বলে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দ্রুতগতিতে চলা মোটরসাইকেলটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে আছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের মরদেহ দেখতে রাত পৌনে ১টার দিকে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতাল-এ ছুটে যান টাঙ্গাইল-৫ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এ সময় তিনি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন।এমপি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তরুণদের অকাল মৃত্যু আমাদের জন্য গভীর শোকের বিষয়। পরিবারের এই অপূরণীয় ক্ষতি পূরণ হওয়ার নয়।” তিনি নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং সড়ক নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।হাসপাতাল সূত্র জানায়, গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় দুই তরুণকে হাসপাতালে আনা হলে তাদের শরীরে জীবনের কোনো স্পন্দন ছিল না। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।এদিকে দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ছোটকালিবাড়ি এলাকায় নেমে আসে শোকের মাতম। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ। স্থানীয় সচেতন মহল সড়কে বেপরোয়া গতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: নড়াইলে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে পুলিশ সুপার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: নড়াইলে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নড়াইল জেলায় গ্রহণ করা হয়েছে কঠোর ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে জেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন নড়াইলের পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার।১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় গড়ে তোলা হয়েছে শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয়। ভোটের আগের রাতে পুলিশ সুপার স্বয়ং মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে কেন্দ্রগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন কেন্দ্রে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য, আনসার ও গ্রাম পুলিশ, মোবাইল টিম এবং স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ সতর্কতা,পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।পুলিশ সুপার বলেন,নির্বাচনকে ঘিরে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং সাধারণ ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন সে বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন নড়াইলের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল সালাম,আর্মি ক্যাম্প নড়াইলের লেঃ কর্নেল (সিও) মোঃ মাসুদ রানা, বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল খন্দকার আবু সহল আব্দুল্লা,জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আব্দুস ছালেক,জেলা কমান্ড্যান্ট (আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী) মোঃ আল-আমিন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ কামরুজ্জামানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রস্তুতি ও সক্রিয় তৎপরতায় নড়াইলে একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে টাঙ্গাইলে র‌্যাবের বিশেষ টহল ও রোবাস্ট পেট্রোল জোরদার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে টাঙ্গাইলে র‌্যাবের বিশেষ টহল ও রোবাস্ট পেট্রোল জোরদার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলায় ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করেছে র‌্যাব-১৪। জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, নোডাল পয়েন্ট ও সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ টহল ও রোবাস্ট পেট্রোল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।র‌্যাব-১৪, ময়মনসিংহ-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসানের সার্বিক নির্দেশনায় সিপিসি-৩, র‌্যাব-১৪, টাঙ্গাইলের একাধিক বিশেষ টহল দল মাঠে কাজ করছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধ এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।জানা গেছে, টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। রাবনা বাইপাস,আশেকপুর বাইপাস,ঘারিন্দা বাইপাস,করটিয়া বাইপাস,পাকুল্ল্যা বাইপাস,মির্জাপুর বাইপাস, বাসাইল বাইপাসসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ ও বাহিরমুখে রোবাস্ট পেট্রোল পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন থানা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ টহল জোরদার করা হয়েছে।র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের নাশকতা, ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড কিংবা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে। এ লক্ষ্যে র‌্যাবের টহল টিম রোবাস্ট পেট্রোল টিম ও গোয়েন্দা ইউনিট সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে। সন্দেহজনক চলাচল, অবৈধ সমাবেশ কিংবা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। র‌্যাব ফোর্সেসের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কেউ যাতে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বাহিনীটি। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং সাধারণ ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এদিকে মধুপুর এলাকায় নির্বাচন ডিউটি উপলক্ষে একটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করেছে র‌্যাব। সেখান থেকেও টহল ও নজরদারি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। নির্বাচনের আগে ও ভোটগ্রহণের দিন বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় এ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।র‌্যাব-১৪,টাঙ্গাইল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক ও সহিংসতামুক্ত রাখতে তাদের অভিযান ও টহল কার্যক্রম নির্বাচনকালীন পুরো সময়জুড়ে অব্যাহত থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবি'র অভিযানে ০২টি বিদেশী পিস্তল, ০৪ টি ম্যাগজিন ও গুলি ৩ রাউন্ড জব্দ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও চোরাচালান প্রতিরোধে তৎপরতা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এরই ধারাবাহিকতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর অধীন মাসুদপুর বিওপির টহলদলের অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দের বিষয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিজিবির মহাপরিচালকের নির্দেশনায় সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে  মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে মাসুদপুর বিওপির একটি চৌকস টহলদল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন মনাকষা ইউনিয়নের ঠুঠাপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। সীমান্ত থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পরিচালিত ওই অভিযানে ০২টি বিদেশি পিস্তল, ০৪টি ম্যাগজিন ও ০৩ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। তিনি  আরও জানান, সাম্প্রতিক সময়ে সারা দেশে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ কর্তৃক ৩৪টি পিস্তল, ০২টি রাইফেল, ৩৮টি ম্যাগজিন, ৬৪৫ রাউন্ড গুলি, ০২টি মর্টার শেল, ০১টি ককটেল, ০৪টি হ্যান্ড গ্রেনেড, ২০ কেজি গান পাউডারসহ মোট ৫৪টি বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) কর্তৃক ০১ জন আসামিসহ ৯.৩ কেজি বিস্ফোরক, ০৬টি বিদেশি পিস্তল, ১৩টি ম্যাগজিন ও ২৯ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়েছে। বিজিবি জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দুষ্কৃতকারীরা যাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বড় ধরনের নাশকতার পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে লক্ষ্যে সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ চোরাচালান রোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিতকরণসহ সব ধরনের চোরাচালান ও অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে সীমান্ত এলাকায় টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।”

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
নির্বাচনী হাওয়ায় গোপালপুর: দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিশাল জনসমাবেশ ও মিছিল

গোপালপুরে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জনসমাবেশ ও আখেরি মিছিল অনুষ্ঠিত স্টাফ রিপোর্টার :এস কে শিপন গোপালপুর (টাঙ্গাইল), ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এক বিশাল জনসমাবেশ ও আখেরি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪ ঘটিকার সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মোঃ হুমায়ুন কবির-এর নেতৃত্বে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির শুরুতে গোপালপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গোহাট ময়দানে একটি জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ও প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মোঃ হুমায়ুন কবির। তিনি তার বক্তব্যে ইসলামী আদর্শভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, সুশাসন নিশ্চিতকরণ, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গঠন এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, “দেশের মানুষ আজ পরিবর্তন চায়। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক। জনগণ যদি আমাদের ওপর আস্থা রাখে, তাহলে ইনশাআল্লাহ একটি কল্যাণরাষ্ট্র উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।” বক্তব্য শেষে জনসমাবেশ থেকে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় নির্বাচনীয় প্রচারের আখেরি গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি গোহাট ময়দান থেকে শুরু হয়ে গোপালপুর উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় গোহাট ময়দানে এসে শেষ হয়। মিছিলে দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। উক্ত কর্মসূচিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। মিছিল চলাকালে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষে ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে বিভিন্ন স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই জনসমাবেশ ও আখেরি মিছিল গোপালপুর উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনীয় কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার করেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
৪৬তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে দেশসেরা শিপন রানা অধ্যবসায় ত্যাগ ও বিশ্বাসে গড়া অনন্য সাফল্যের গল্প

৪৬তম বিসিএসে শিক্ষাক্যাডারে দেশসেরা শিপন রানাঅধ্যবসায়ত্যাগ ও বিশ্বাসে গড়া অনন্য সাফল্যের গল্প বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) প্রকাশিত ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষার ফলাফলে শিক্ষা ক্যাডারে প্রথম স্থান অর্জন করে দেশব্যাপী গৌরবের নজির গড়েছেন শিপন রানা। টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার এই কৃতি সন্তান শিক্ষা ক্যাডারে সর্বোচ্চ মেধার স্বাক্ষর রেখে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। শিপন রানা ঘাটাইল উপজেলার চান্দশী গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. মজিবুর রহমানের সন্তান। শৈশব থেকেই মেধা ও শৃঙ্খলার পরিচয় দেওয়া শিপন কুশারিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। এইচএসসি পরীক্ষায় তিনি বোর্ড বৃত্তি অর্জন করেন, যা তার মেধার প্রাথমিক প্রমাণ বহন করে।উচ্চশিক্ষায় তিনি ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন (ফিলোসফি) বিভাগে। সেখান থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি বিসিএসকে জীবনের লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করেন। জানা গেছে, স্নাতকোত্তর পরীক্ষার সময়ও তিনি বিসিএস প্রস্তুতিতে প্রতিদিন ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন অধ্যয়ন চালিয়ে যান।গত তিন থেকে চার বছর ছিল তার জীবনের সবচেয়ে সংযমী ও কঠিন সময়। বিনোদন, সামাজিক আড্ডা এমনকি খেলাধুলা থেকেও নিজেকে দূরে রাখেন তিনি। মোবাইল ফোন ব্যবহার সীমিত করে পড়াশোনায় পুরো মনোযোগ দেন। ঈদের ছুটিতেও পরিবারে না গিয়ে হলে অবস্থান করে প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার ঘটনা তার দৃঢ় প্রত্যয়েরই প্রমাণ। ২০২৫ সালের জুন মাসে গোপালপুর উপজেলার ব্যবসায়ী মো.মোফাজ্জল হোসেন (বাবলু)-এর কন্যা ইশরাত নাদিয়া মীমের সঙ্গে শিপন রানার বিবাহ সম্পন্ন হয়। মীম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার কারণে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ও সময়সূচি পিছিয়ে দিতে হয় বলে জানা গেছে।শিপন রানা জানান,তার সাফল্যের পেছনে স্ত্রীর অবদান ছিল অসামান্য। প্রস্তুতির পুরো সময়ে মানসিক সমর্থন অনুপ্রেরণা ও দিকনির্দেশনা দিয়ে পাশে থেকেছেন ইশরাত নাদিয়া মীম। পরিকল্পিত পড়াশোনা ও ভাইভা প্রস্তুতিতেও তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখেন।ধর্মীয় অনুশাসনের বিষয়ে শিপন রানা নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় ও তাহাজ্জুদে অভ্যস্ত। তিনি বলেন,এই সাফল্য একান্তই মহান আল্লাহর রহমত। বাবা-মা,স্ত্রী,শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীদের দোয়া ও সহযোগিতা ছাড়া এ অর্জন সম্ভব হতো না। শিপন রানার এই গৌরবজনক সাফল্যে ঘাটাইলসহ পুরো টাঙ্গাইল জেলায় আনন্দ ও গর্বের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

শীর্ষ সপ্তাহ

জাতীয়

২৫ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রীর শপথ সম্পন্ন, প্রশাসনে নতুন অধ্যায়

মুক্তধ্বনি ডেক্স ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0

ভোট জরিপ

নির্বাচনের দিন গণভোট আপনি সমর্থন করেন ?