জাতীয়

রমজানের শুরুতেই টাঙ্গাইলে লেবুসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়তি, চাপে ক্রেতারা
রমজানের শুরুতেই টাঙ্গাইলে লেবুসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়তি, চাপে ক্রেতারা

প্রতি বছরের মতো পবিত্র রমজান মাসের শুরুতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু পণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা আবারও দেখা দিয়েছে বাজারে। গেল বছর তুলনামূলকভাবে বাজার কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও এবার পুরোনো চিত্রই ফিরে এসেছে। রোজার শুরুতেই লেবুসহ বিভিন্ন সবজি, মুরগি ও গরুর মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির পাশাপাশি আমিষজাত পণ্যের দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। বাজারে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে লেবু। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে লেবুর দাম দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়েছে। গেল সপ্তাহে বাজারে প্রতি হালি লেবু ২০ থেকে সর্বোচ্চ ৪০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৬০ থেকে ৮০ টাকায় পৌঁছেছে। কিছু ক্ষেত্রে পাকা লেবু ১০০ টাকা হালিতেও বিক্রি হচ্ছে। দেশি কাগজি লেবুর তুলনায় এলাচি লেবুর দাম বেশি দেখা গেছে। টাঙ্গাইল পার্ক বাজারের সবজি বিক্রেতা শাহজাহান জানান, “একদাম ৮০ টাকা হালি। কেনার দামই বেশি, তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।” একই বাজারের আরেক বিক্রেতা জসিম বলেন, রোজা উপলক্ষে লেবুর চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে। ইফতারিতে শরবত, মুড়িমাখা, হালিমসহ বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে লেবুর ব্যবহার বেশি হওয়ায় পাইকারি বাজারেও দাম বেড়েছে। লেবুর দাম বাড়াকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে আলোচনা-সমালোচনা ও হাস্যরস। কেউ লিখছেন, “আপনার এলাকায় লেবুর ভরি কত?” আবার কেউ মজা করে বলছেন, “এবার মনে হয় লেবু ছাড়া শরবত বানাতে হবে।” বেসরকারি চাকরিজীবী সামিন খান বলেন, “মনে হচ্ছে এই দুদিনে লেবুতে ভিটামিনের পরিমাণ বেড়ে গেছে। ৮০ টাকা হালি দিয়ে কিনে অন্তত তাই মনে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য এটা কষ্টকর।”শুধু লেবু নয়, বাজারে মুরগির দামও বেড়েছে। গেল সপ্তাহে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০-১৮০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ২০০-২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। সোনালি মুরগি সপ্তাহের ব্যবধানে ৩০-৪০ টাকা বেড়ে ৩৫০-৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির দাম ৬০০-৬৫০ টাকা থেকে বেড়ে বর্তমানে ৭০০-৭২০ টাকায় পৌঁছেছে।গরুর মাংসের বাজারেও দাম কিছুটা বেড়েছে। গেল সপ্তাহে প্রতি কেজি ৭৫০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৭৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কমে যাওয়া ও চাহিদা বাড়ার কারণে দাম বেড়েছে।ক্রেতাদের অভিযোগ, রোজা এলেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দেন। তারা বাজার মনিটরিং জোরদার ও প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রমজান মাসে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো জরুরি, যাতে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে কেনাকাটা করতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
রমজানে নিত্যপণ্যের ঘাটতি হবে না, পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী টুকু
রমজানে নিত্যপণ্যের ঘাটতি হবে না, পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, সরকারের ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিভিন্ন খাতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় রাখতে নিয়মিত মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের ফলে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের প্রোটিন চাহিদা পূরণে রাজধানী ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ ২৫টি স্থানে ন্যায্যমূল্যে মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রির কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হবে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থাও স্থিতিশীল থাকবে বলে তিনি আশা করেন। রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের বাড়তি চাহিদা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে সব ধরনের পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং কোথাও কোনো ঘাটতি নেই। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও তদারকির মাধ্যমে বাজার স্বাভাবিক রাখা হবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন তিনি। এছাড়া টাঙ্গাইল জেলায় মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ সমাজ গড়তে সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সঞ্জয় কুমার মহন্তসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রশাসন ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবাই একযোগে কাজ করলে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নত হবে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
শহিদ মিনারে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ভাষা শহিদদের স্মরণে সিক্ত বাঙ্গালী জাতি

শহিদ মিনারে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা:ভাষা শহিদদের স্মরণে সিক্ত জাতি ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারাদেশে পালিত হচ্ছে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় যারা প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন, সেই ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে অমর একুশের প্রথম প্রহরে রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে মানুষের ঢল নামে। একুশের প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদন রাত ১২টা ১ মিনিটে ঘড়ির কাঁটা ছোঁয়ার সাথে সাথে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহিদ মিনারের মূল বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। উল্লেখ্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেঐতিহাসিক বিজয়ের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই তার প্রথম শ্রদ্ধা নিবেদন উপস্থিত ব্যক্তিবর্গপ্রধানমন্ত্রীর সাথে এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবগঠিত মন্ত্রিসভার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং অন্যান্য মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও উপদেষ্টাগণ। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তারা ভাষা আন্দোলনের মহান ত্যাগকে স্মরণ করে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর পক্ষ থেকেও দলীয় প্রধান হিসেবে তারেক রহমান পৃথকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।দেশব্যাপী রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিদিবসটি উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি আধা-সরকারি ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে । রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় একুশের প্রভাতফেরি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও বাংলা একাডেমিতে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে । নিরাপত্তা ব্যবস্থা অমর একুশের এই আয়োজনকে ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (DMP) ও র‍্যাব সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ট্রাফিক বিভাগ থেকে বিশেষ রুট ম্যাপ কার্যকর করা হয়েছে।ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য আজ দিনব্যাপী শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে সর্বস্তরের মানুষের পদচারণা অব্যাহত থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন পুলিশ সুপার

মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে আজ ২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক গৌরবময় ও আবেগঘন দিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষায় এদেশের দামাল ছেলেরা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন। ভাষার অধিকারের প্রশ্নে আত্মত্যাগের এমন অনন্য নজির বিশ্ব ইতিহাসে বিরল। সেই ঐতিহাসিক আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ দিনটি আজ সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও বিনম্র শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করেছে জেলা পুলিশ, টাঙ্গাইল। দিবসটি উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার-এ পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার।পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে পুলিশ সুপার মহোদয় শহিদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন এবং কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে ভাষা আন্দোলনের শহিদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্), টাঙ্গাইল জনাব মোঃ আদিবুল ইসলাম পিপিএম-সেবা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারিবেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ,বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দসহ সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করেন।মহান একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ভাষা শহিদদের আদর্শ ধারণ করে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন জেলা পুলিশ টাঙ্গাইল।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
মহান একুশে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা শহীদদের প্রতি যশোর জেলা পুলিশের বিনম্র শ্রদ্ধা

মহান একুশে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা শহীদদের প্রতি যশোর জেলা পুলিশের বিনম্র শ্রদ্ধা যশোর ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা আন্দোলনের অমর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে জেলা পুলিশ যশোর।২১ ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ও আবেগঘন দিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে রাজপথে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অসংখ্য ভাষাসৈনিক। তাঁদের আত্মত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল হয়ে আছে জাতির চেতনা ও আত্মপরিচয়। সেই ত্যাগের স্মরণে প্রতিবছরের মতো এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ইংরেজি ২১/০২/২০২৬ খ্রি. তারিখ রাত ১২টা ০১ মিনিটে যশোরের সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা। এ সময় জেলা পুলিশ যশোরের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম পিপিএম (সেবা)। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জনাব আবুল বাশার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সার্কেল জনাব আহসান হাবীব অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সার্কেল জনাব মোঃ রাজিবুল ইসলাম, আরআই পুলিশ লাইন্স ডিআইও-১, কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ, টিআই প্রশাসনসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ। শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নেমে আসে এক আবেগঘন পরিবেশ। ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাঁদের আত্মত্যাগের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও চেতনা সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। মহান একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জাতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে জেলা পুলিশ যশোর আবারও তাদের প্রাতিষ্ঠানিক অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
ঝিনাইদহে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস–২০২৬ উদযাপন

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস–২০২৬ উদযাপন ঝিনাইদহ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস–২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপন করেছে ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ। এ উপলক্ষে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।ঝিনাইদহ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মাহফুজ আফজাল মহোদয়ের নেতৃত্বে জেলা পুলিশের একটি সুশৃঙ্খল দল শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত কর্মকর্তারা ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন। পুলিশ সুপার তাঁর বক্তব্যে বলেন, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমেই আমরা পেয়েছি আমাদের মাতৃভাষা বাংলা। তাদের আত্মদান জাতিকে স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেরণা জুগিয়েছে। তিনি ভাষা আন্দোলনের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
খুলনায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

খুলনায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে ‘শ্রদ্ধা চিরন্তন’-এ ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদা শোক ও শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ করা হয়েছে। রাত ১২টা ০১ মিনিটে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, খুলনা প্রাঙ্গণে স্থাপিত স্মৃতিসৌধ ‘শ্রদ্ধা চিরন্তন’-এ পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মাতৃভাষা বাংলার জন্য জীবন উৎসর্গকারী সকল ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, খুলনার সম্মানিত অ্যাডিশনাল ডিআইজি (ট্রেনিং) ও কমান্ড্যান্ট (সাময়িক দায়িত্বে) জনাব লিটন কুমার সাহা বিপিএম পিপিএম-বার। এ সময় তিনি ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ভাষা শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পুরো পরিবেশ ছিল গম্ভীর ও আবেগঘন। উপস্থিত কর্মকর্তা ও সদস্যরা নীরবতা পালন করে ভাষা আন্দোলনের অমর বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব এম.এম.সালাহউদ্দিন,অধিনায়ক,৩ এপিবিএন খুলনা-সহ ৩ এপিবিএনে কর্মরত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং পিটিসি খুলনার সকল পুলিশ সদস্যবৃন্দ। বক্তারা বলেন, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের মাতৃভাষা বাংলা। তাদের রক্তের ঋণ শোধ করার উপায় নেই তবে ভাষার সঠিক চর্চা ও সংরক্ষণের মধ্য দিয়েই তাদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব।একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির অহংকার চেতনা ও আত্মমর্যাদার প্রতীক। ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগে অনুপ্রাণিত হয়ে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় আমরা সদা অঙ্গীকারবদ্ধ।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
টাংগাইলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

টাঙ্গাইলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত: উপস্তিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দীন টুকু। টাঙ্গাইলে শহীদ মিনারে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর শ্রদ্ধাঞ্জলি টাঙ্গাইল,২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে পালিত হয়েছে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। দিবসটি উপলক্ষে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য,কৃষি,মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি। সকালেই শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচি শুরু হয়। প্রতিমন্ত্রী প্রথমে শহীদ মিনারের বেদীতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন এবং কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানান। এ সময় তিনি বলেন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতির আত্মপরিচয় সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার এবং পরবর্তীতে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।তিনি আরও বলেন ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে দেশকে উন্নয়ন অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে হবে। নতুন প্রজন্মকে মহান একুশের ইতিহাস জানাতে এবং বাংলা ভাষার শুদ্ধ চর্চা নিশ্চিত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক পুলিশ সুপারসহ জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নেন। পরে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন স্থানে আলোচনা সভা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রভাতফেরিসহ নানা কর্মসূচি পালিত হয়। মহান একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
মহান একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে টাঙ্গাইলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে টাঙ্গাইলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সম্পন্নশ্রদ্ধা নিবেদনে সুশৃঙ্খল ও ভাবগম্ভীর পরিবেশ নিশ্চিতে ব্যাপক আয়োজন করা হয়েছে ।টাঙ্গাইল সদর ,২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলা সদরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সম্পন্ন হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকা সজ্জিত করা হয়েছে নান্দনিক আলোকসজ্জা পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায়।জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে টাঙ্গাইল জেলা শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারকে নতুন রূপে সাজানো হয়েছে। শহীদ মিনারের বেদী ধুয়ে-মুছে পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে, চারপাশে স্থাপন করা হয়েছে আলোকসজ্জা ও দিকনির্দেশনামূলক ব্যানার। দর্শনার্থীদের চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থাও।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় রাত ১২টা ১ মিনিটে শহীদদের প্রতি প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হবে। এরপর ভোর থেকে শুরু করে দিনব্যাপীসরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রাজনৈতিক দল সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ পর্যায়ক্রমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। একইসঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক দল শৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা করবে।জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে মহান একুশের চেতনাকে ধারণ করে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের লক্ষ্যে একটি সুশৃঙ্খল নিরবচ্ছিন্ন ও ভাবগম্ভীর পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে টাঙ্গাইলবাসী আবারও একত্রিত হতে প্রস্তুতশ্রদ্ধা ভালোবাসা ও গভীর কৃতজ্ঞতায়।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজের আহ্বান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজের আহ্বান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তুলতে হলে প্রতিটি পর্যায়ে সততা পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রথম কর্মদিবসে আয়োজিত পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।মন্ত্রী বলেন আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে একটি দুর্নীতিমুক্ত মন্ত্রণালয় হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। কোনো ধরনের অবৈধ তদবির চলবে না। কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা বজায় রেখে কাজ করতে হবে তিনি আরও বলেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্য অপরাধে জড়িত থাকলে সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন দেশে মব কালচার পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। দাবি আদায়ের নামে বিশৃঙ্খলা বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। তবে যৌক্তিক দাবির ক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণ মিছিল সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদানের মতো গণতান্ত্রিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।আমরা গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে চাই—যোগ করেন তিনি।পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রী বলেন পুলিশকে জনগণের বন্ধু হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি স্বীকার করেন পুলিশের যে ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা পুনরুদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মোঃ দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছালে নবনিযুক্ত মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
জনগণের আস্থা অর্জন করে দ্রুত জনপ্রত্যাশা পূরণের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর

জনগণের আস্থা অর্জন করে দ্রুত জনপ্রত্যাশা পূরণের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জনের মধ্য দিয়ে দ্রুত জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দায়িত্বশীলতা পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দেন। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা প্রদান করেন।মন্ত্রী বলেন প্রায় দীর্ঘ দেড় যুগ পর একটি স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক সরকার গঠিত হয়েছে। ফলে সরকারের প্রতি জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি। সে প্রত্যাশা পূরণে নির্বাচনি ইশতেহার দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাঠামোগত ও গণতান্ত্রিক সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন জরুরি।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানসমূহের পুনর্গঠন ও নৈতিকতা উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি জানান নতুন জনবল নিয়োগ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগের সঙ্গে বাজেট বরাদ্দের বিষয়ও সম্পৃক্ত যা অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল। মন্ত্রী আরও বলেন যুগোপযোগী ও আধুনিক আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়ন অপরিহার্য।এ লক্ষ্যে তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের পরামর্শ ও সুপারিশমালা প্রস্তুতের নির্দেশ দেন। এসব সুপারিশের ভিত্তিতেই সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে বলে জানান তিনি।সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মোঃ দেলোয়ার হোসেন, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বিপিএমসহ বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার প্রধান এবং মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
সরকারী গাড়িতে নয় ব্যক্তিগত গাড়িতে দেশ গঠনে ভুমিকা রাখবেন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান

সরকারি গাড়িতে নয় নিজের গাড়িতেই চলাফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানান।তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী নিজের গাড়ি নিজের চালক ও নিজের ক্রয় করা জ্বালানি ব্যবহার করবেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সরকারি গাড়ি ব্যবহার করছেন না।আজকে দিনের কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী সাভার ও শেরেবাংলানগর গিয়েছিলেন নিজের টয়োটা গাড়ি চড়ে সেখানে থেকে সচিবালয়ে তিনি এসেছেন সেই গাড়িতেই। আতিকুর রহমান বলেন যানজটের কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তার গাড়িবহরের সংখ্যা কমিয়ে ফেলা হয়েছে। এত দিন গাড়িবহরে ১৩-১৪টি গাড়ি থাকত। আজ সেটা কমিয়ে চারটি করা হয়েছে। শপথ নেওয়ার পর বুধবার প্রথম দিনের কর্মসূচিতে পতাকাবিহীন গাড়ি ব্যবহার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান অথবা বিদেশি মেহমানদের সফরের সময় তার গাড়িতে পতাকা ব্যবহার করা হবে বলে জানান আতিকুর রহমান রুমন।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন থেকে মন্ত্রিসভার বৈঠক সচিবালয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক হলে সব মন্ত্রীকে সচিবালয় থেকে আসতে একটা জট সৃষ্টি হয়, ভিআইপি চলাচলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির মুখে পড়ে। সেসব কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী বেশির ভাগ সময় সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রী যাত্রাপথে সড়কের দুই ধারে পোশাকধারী পুলিশের অবস্থানের যে নিয়ম তা-ও বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
কেন ঢাকায় এলেন মেসুত ওজিল?

তুরস্কের সাবেক তারকা ফুটবলার Mesut Özil-এর হঠাৎ ঢাকা সফর ঘিরে ক্রীড়াঙ্গন ও তরুণদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এই সফরের উদ্দেশ্য কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়; বরং বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে ক্রীড়া, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা। সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল বাংলাদেশের ফুটবল উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময়। দেশের ফুটবল কাঠামো, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এবং তরুণ খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক সুযোগ তৈরির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)-এর সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের সম্ভাবনাও আলোচনায় উঠে এসেছে। ভবিষ্যতে প্রশিক্ষক বিনিময়, যুব উন্নয়ন কর্মসূচি এবং প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের বিষয় বিবেচনায় রয়েছে। ঢাকা সফরে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন ওজিল। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর সঙ্গে বৈঠকে তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ, খেলাধুলায় অংশগ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক সংযোগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এ সফর এমন সময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যখন বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুনভাবে আলোচনায় রয়েছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট Recep Tayyip Erdoğan-এর নেতৃত্বে দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা ও সামাজিক খাতে সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহের কথাও বিভিন্ন মহলে উঠে এসেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ক্রীড়া কূটনীতির মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরও দৃঢ় হতে পারে। সব মিলিয়ে, মেসুত ওজিলের ঢাকা সফরকে কেবল একটি তারকা আগমন হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি হতে পারে বাংলাদেশ–তুরস্ক সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা, বিশেষ করে ফুটবল ও তরুণ প্রজন্মকে ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার ভিত্তি গড়ে তোলার একটি সম্ভাবনাময় পদক্ষেপ।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর

কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে একটি দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।বুধবার বিকেলে রাজধানীর বাংলাদেশ সচিবালয়-এ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রথম কর্মদিবসে আয়োজিত পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, কর্মকর্তাদের অবশ্যই জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে কাজ করতে হবে এবং কোনো ধরনের অবৈধ তদবির বরদাস্ত করা হবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য অপরাধে জড়িত থাকলে তাৎক্ষণিক তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।তিনি আরও বলেন দেশে তথাকথিত মব কালচার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দাবি আদায়ের নামে বিশৃঙ্খলা বা আইন হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। তবে যৌক্তিক দাবির ক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণ মিছিল, সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করা যাবে—এভাবে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন,পুলিশকে জনগণের প্রকৃত বন্ধু হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। পুলিশের যে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে, তা পুনরুদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মোঃ দেলোয়ার হোসেন। এতে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে মন্ত্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছালে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
২৫ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রীর শপথ সম্পন্ন, প্রশাসনে নতুন অধ্যায়

অবশেষে শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা। রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একে একে শপথ নেন ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। এর মধ্য দিয়ে দেশের প্রশাসনে শুরু হলো নতুন অধ্যায়। শপথ নেওয়া মন্ত্রীদের মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সালাউদ্দিন আহমেদ। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ইকবাল হাসান মাহমুদ। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন হাফিজউদ্দিন আহমেদ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের টেকনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ড. খলিলুর রহমান। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এনাম এহসানুল হক মিলন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সরদার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন। সড়ক পরিবহন, সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন সমন্বিত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন শেখ রবিউল আলম। কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন আসাদুজ্জামান এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন জহিরউদ্দিন স্বপন। একই অনুষ্ঠানে ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীও শপথ নেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শামা ওবায়েদ (পররাষ্ট্র), নুরুল হক নূর (শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণ), ববি হাজ্জাজ (শিক্ষা) প্রমুখ। শপথ অনুষ্ঠানে নবনিযুক্ত মন্ত্রীরা দেশের উন্নয়ন, সুশাসন ও জনকল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিমধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন দেখার বিষয়—নতুন দল কত দ্রুত তাদের নীতি ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মঙ্গলবার নতুন মন্ত্রিসভার শপথ

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মঙ্গলবার নতুন মন্ত্রিসভার শপথ রাজধানীতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আয়োজন, চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি, সোমবার দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে আগামীকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন-এর দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। রাষ্ট্রীয় এ গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনে কঠোর প্রটোকল নিরাপত্তা ও আনুষ্ঠানিকতা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে সার্বিক প্রস্তুতি।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শপথ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বিচার বিভাগের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গ কূটনীতিক রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংবিধান অনুযায়ী শপথ গ্রহণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন।অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু সুন্দর ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক সমন্বয় এবং প্রস্তুতি তদারকি করছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী এবং টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও দলের প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। আয়োজক সূত্র জানায়, নিরাপত্তা জোরদার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন থাকবে এবং গোটা এলাকা সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।দক্ষিণ প্লাজা এলাকায় প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য নির্ধারিত গেট ব্যবহার এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য বিশেষ পাসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থলের আশপাশে যান চলাচলে সাময়িক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হতে পারে বলেও জানা গেছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এর মাধ্যমে সরকারের নীতিনির্ধারণ ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।রাষ্ট্রীয় এই আয়োজনে সর্বস্তরের জনগণের দৃষ্টি এখন জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার দিকে। আগামীকাল বিকেলে শপথ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে নতুন মন্ত্রিসভার পথচলা।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল সদর আসনে ধানের শীষের জয়ধ্বনি: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

টাঙ্গাইল সদর আসনে ধানের শীষের জয়ধ্বনি বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত অ্যাডভোকেট সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল সদর (টাঙ্গাইল–৫) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ভোটগ্রহণ শেষে প্রাপ্ত ফলাফলে তিনি উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের পেছনে ফেলে এগিয়ে থাকেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ভোটাররা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ শেষ হলে গণনা শেষে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর জয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ে।বেসরকারি ফলাফল ঘোষণার পরপরই টাঙ্গাইল শহর ও আশপাশের এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। তারা মিছিল শোভাযাত্রা ও স্লোগানে মুখর করে তোলে শহরের প্রধান সড়কগুলো। বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে বিজয় উদযাপন করা হয়। দলীয় নেতারা বলেন,টাঙ্গাইলবাসীর দীর্ঘদিনের ভালোবাসা ও আস্থার প্রতিফলন এই বিজয়। অ্যাডভোকেট সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সবসময়ই জনগণের পাশে ছিলেন অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। জনগণ তার সেই ত্যাগ ও নেতৃত্বের যথাযথ মূল্যায়ন করেছেন। টাঙ্গাইলের প্রায় চল্লিশ লক্ষ মানুষের অভিভাবক হিসেবে পরিচিত অ্যাডভোকেট টুকু দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখে নিজেকে একজন দৃঢ় ও জনসম্পৃক্ত নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি স্থানীয় উন্নয়নশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা তাকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।তবে এ ফলাফল এখনো বেসরকারি। নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রকাশিত হলে চূড়ান্ত ফলাফল নিশ্চিত হবে।টাঙ্গাইল সদর আসনে এই বিজয় বিএনপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত। তারা মনে করছেন এ ফলাফল ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট টাঙ্গাইল সদরের একাধিক কেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক শরীফা হক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট টাঙ্গাইল সদরের একাধিক কেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক শরীফা হক ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলার সদর উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার জনাব শরীফা হক। বৃহস্পতিবার (১২/০২/২০২৬) দিনব্যাপী তিনি গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং ভোটার উপস্থিতির সার্বিক চিত্র সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক কেন্দ্রসমূহের প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এবং পোলিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে ভোট প্রদানকালে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা বা ভোগান্তি হচ্ছে কি না, সে বিষয়েও খোঁজখবর নেন।এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার,টাঙ্গাইল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, টাঙ্গাইল এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কেন্দ্রগুলোতে পুলিশ,সেনাবাহিনী,র‌্যাব,আনসারসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়। কেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরে নিরাপত্তা বলয় জোরদার করা হয়েছে এবং মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স টহল অব্যাহত রেখেছে।জেলা প্রশাসক শরীফা হক সাংবাদিকদের জানান,নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছি। যেকোনো ধরনের অনিয়ম বিশৃঙ্খলা বা নাশকতা কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।সার্বিকভাবে টাঙ্গাইল সদরে শান্তিপূর্ণ সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0
ভোটের নিরাপত্তায় সরকার কঠোর: সারাদেশে ৩ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

ভোটের নিরাপত্তায় সরকার কঠোর: সারাদেশে ৩ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারাদেশে টানা তিন দিনের জন্য মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নির্বাচনের শান্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা দেশের কোথাও সাধারণ মোটরসাইকেল চলাচল করতে পারবে না। এ সময়ে সারাদেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বাড়তি সতর্কতা থাকবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে।তবে গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে।নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জরুরি সেবা প্রদানকারী সংস্থা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা পূর্বানুমতি সাপেক্ষে চলাচলের সুযোগ পাবেন।এছাড়া ভোটের দিন যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন ট্যাক্সিক্যাব পিকআপ মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে।এই বিধিনিষেধ কার্যকর হবে ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত।কর্তৃপক্ষ বলছে নির্বাচনের সময় সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলার ঝুঁকি কমাতে আগাম প্রস্তুতি হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেলকে কেন্দ্র করে সংঘটিত অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা বিবেচনায় এনে এই ব্যবস্থা জোরালো করা হয়েছে।এ অবস্থায় ভোটের আগের দিনগুলোতে মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের বিকল্প যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে জেলা ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের সভা অনুষ্ঠিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে জেলা ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের সভা অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬কে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে জেলা ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের এক গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার জনাব শরীফা হক। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার।সভায় পুলিশ সুপার মহোদয় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষ্যে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল ও নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জনগণের জান-মালসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর ও সংস্থাকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে সর্বোচ্চ সতর্কতা পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।পুলিশ সুপার আরও বলেন নির্বাচনকালীন সময়ের নিরপেক্ষতা বজায় রাখা নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন ভোটকেন্দ্র ও ভোটকেন্দ্রের পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মাধ্যমে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সর্বাত্মকসহযোগিতার আহ্বান জানান।সভায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ র‍্যাব ও বিজিবি’র প্রতিনিধিবৃন্দ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ,জনাব মোঃ আদিবুল ইসলাম,পিপিএম-সেবা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) টাঙ্গাইল,জনাব কাজী শাহনেওয়াজ,পিপিএম-সেবা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) টাঙ্গাইল,জেলা আনসার ও ভিডিপি কমান্ডান্টসহ টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসারবৃন্দ এবং বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সভায় অংশগ্রহণকারীরা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গৃহীত প্রস্তুতি ও করণীয় বিষয়সমূহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0
৯ম পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের কর্মবিরতি

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সরকারি স্বায়ত্তশাসিত, আধা-সরকারি ও কর্পোরেশনসহ সকল কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত বৈষম্যমুক্ত ৯ম পে-স্কেল এর গেজেট দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশন। আজ ২ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকাল ১০ ঘটিকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবন-২ এর সামনে এই কর্মবিরতি পালন করা হয়। কর্মবিরতিতে বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশনের সকল কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন। কর্মবিরতিতে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ ওবাইদুল রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মতিউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম মাহমুদ এবং সিজেএম আদালতের পেশকার মোঃ আনোয়ারুল ইসলামসহ এসোসিয়েশনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। এ সময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিচার বিভাগীয় কর্মচারীরা বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছেন। দ্রুত বৈষম্যমুক্ত ৯ম পে-স্কেলের গেজেট বাস্তবায়ন না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।

ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

শীর্ষ সপ্তাহ

জাতীয়

২৫ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রীর শপথ সম্পন্ন, প্রশাসনে নতুন অধ্যায়

মুক্তধ্বনি ডেক্স ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0

ভোট জরিপ

নির্বাচনের দিন গণভোট আপনি সমর্থন করেন ?