ফ্রীলান্সার জীবনে প্রথম কাজের অভিজ্ঞতা ।

0
142
অনলাইন ছবি

আমি অনলাইন মার্কেটে ক্যারিয়ার তৈরির জন্য যুদ্ধ করছি, কাজ শিখছি গুগল সার্চ করে, কেউ হেল্প করবেননা জেনেগেছি। আমি আর সেতু একসাথে বসে গবেষণা করছি, জব এপলাই করছি। হাঠৎ সেতুর প্রোফাইলে একটা ওয়েব ডিজাইন প্রজেক্টে কন্টাক্ট পেলাম ১০৯ ডলার এর কাজ, বছরটা ফেব্রুয়ারী ২০০৯, কাজটা কিভাবে করবো বোঝার জন্য সে যার কাছে শিখছে তার কাছে ওকে পাঠালাম, সে তো সহযোগিতা করলইনা, বরং কাজটা cancel করতে বললো। যাইহোক আমি সব শুনে বললাম চলো দেখি ২জন মিলে চেষ্টা করি, অবশেষে সে আর আমি কাজটি শেষ করতে সক্ষম হলাম। এখন ক্লায়েন্ট বললো কাজটা ftp দিয়ে server এ উঠিয়ে দিতে, কিন্তু কিভাবে তুলতে হয় আমরা জানিনা। আবার গেলাম সেই ভাইয়ের কাছে, বললাম শুধু এইটুকু যেন দেখিয়ে দেয়। সে বললো সে জানেনা, তার মানে দেখাবে না। আর এক ভাই জানতো, তার একটা মানি ব্যাগ পেয়েছিলাম এক বন্ধুর দোকানে, সেটা ফেরত দিয়ে উপকার করে ভাবলাম বিষয়টা শিখে নিবো, আমরা ২জন গেলাম মানিব্যাগ টা নিয়ে, উদ্দেশ্য ফেরত দেওয়া ও ftp টা শেখ। কিন্তু সেও কিছু বললো না। পরদিন গেলাম খুলনায় ভূঁইয়া কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে, বললাম এটা বলতে পারলে আমরা ভর্তি হবো কোর্সে। কিন্তু তারাও কিছু বলতে পারলোনা। পরে খুলনা KDA এভিনিউয়ে একটা car শোরুম ছিল, ওখানে একজনের খোঁজ পেলাম সে জানে, সেও ২ দিন ঘোরানোর পরে filezilla দিয়ে কাজটা করতেহয় জানলাম, কিভাবে করতেহয় তাও দেখেনিলাম। আজকেরদিনে এটা হয়তো কোনো বিষয়না, কিন্তু তখন youtube, facebook এ তেমন তথ্য ছিলোনা, আর ইন্টারনেট স্লো থাকায় ওপেনও হতোনা। এভাবে অনেক কঠিন সংগ্রাম ও স্রোতের বিপরীতে গিয়ে আমার ফ্রীল্যানসিং ক্যারিয়ার দাঁড়করিয়েছি, নিজে উদ্যোক্তা হয়েছি, কারো সহায়তা তেমন পাইনি, কিন্তু আমি কাউকে নিরাশ করিনি। এখনকার দিনে চিত্র সম্পূর্ণ বিপরীত, সুতরাং এত সুবিধা থাকা সত্ত্বেও যারা অজুহাত দেয়, তাদের সত্যিকারের ইচ্ছা নেই।

সুত্রঃ- ফেসবুক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here